বরিশাল; একদিনের সফরে বরিশালে আসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার আগমনে আনন্দে বিমোহিত ছিলো বরিশালবাসী। আগমনী পথের দুইপাশে ছিলো লক্ষ লক্ষ সারিবদ্ধ মানুষ। সফরের শুরুতে গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নে নবখনন করা সরিকল খালের পাড়ে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে রাজধানীর গুলশান এভিনিউয়ের বাসভবন থেকে সড়কপথে রওনা দিয়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরিশালে পৌঁছান তারেক রহমান।

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রথমে গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের সরিকল–বাটাজোর খালপাড়ে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় একযোগে প্রায় দুই হাজার গাছের চারা রোপণ কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

সফর উপলক্ষে দলীয়ভাবে তোরণ, ব্যানার বা ফেস্টুন ব্যবহার না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিলো আগে থেকেই। এর পরিবর্তে গৌরনদী থেকে বরিশাল নগর পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে মানবপ্রাচীর তৈরি করে তাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বরিশাল বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান বলেন, তারেক রহমানের এই সফরকে ঘিরে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ রয়েছে। তবে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়—এমন কোনো কর্মসূচি রাখা হয়নি।

বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার বলেন, বরিশালে প্রথম সরকারি সফরের অংশ হিসেবে সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী সকালে গৌরনদীতে নতুন খননকৃত সরিকল-বাটাজোর খালের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন। একইসঙ্গে পাশেই বাটাজোর এলাকায় ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

পরে ২ টার দিকে তিনি বরিশাল জেলা সদরের ত্রিশ গোডাউন বধ্যভূমি সংলগ্ন সাগরদী এলাকায় আরও একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। এছাড়া বিকেলে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত বাংলাদেশ বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগ দেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় ঢাকায় রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।

 

বরিশাল: বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় চুরি ও মাদক মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করে হত্যার গুজব ছড়িয়ে থানায় হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এক স্বাক্ষাতকারে শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বিষয়টি স্বীকার করে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মাসুদ খান জানান, হামলার ঘটনার পর থেকেই থানায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতভর অভিযান চালিয়ে হামলায় জড়িত ১৮ জনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে আরও কয়েকজনকে আটকের চেষ্টা চলছে। হামলায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে একাধিক মামলার আসামি রিয়াজ ফকিরকে একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, থানার হাজতে থাকা অবস্থায় রিয়াজ নিজেই নিজের মাথায় আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রাত ১১টার দিকে তাকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে গভীর রাতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিকেলে কয়েক শতাধিক মানুষ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালায়। এ সময় ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
এ ঘটনায় পুলিশের ৬ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। গুরুতর আহত ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফরহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে সংঘর্ষে রিয়াজ ফকিরের মা নাছরিন বেগম (৫০), বোন শারমিন আক্তার (২৮), মমতাজ বেগম (৪৭)সহ অন্তত ছয়জন আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন এবং অন্যরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছিল।

রিয়াজ ফকিরের বাবা সিদ্দিক ফকির ও মা নাছরিন বেগম অভিযোগ করেন, তাদের ছেলেকে বিনা অপরাধে আটক করে পুলিশ মারধর করেছে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, রিয়াজ নিজেই থানার হাজতে নিজের মাথায় আঘাত করে আহত হন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

 

ঢাকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) নিয়ে আপত্তিকর ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ এনে এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগে ঢাবির গবেষণা তহবিলে ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে জমা দেওয়ারও দাবি জানানো হয়েছে।

গত ২ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ৩৩তম ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী তন্ময় কুমার সাহা নোটিশটি পাঠিয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে এ নোটিশ পাঠানো হয়।

নোটিশে বলা হয়, গত ১ জুলাই ডাকসু কার্যালয়ে আয়োজিত ‘বাঙালি মুসলমানের জাগরণ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এর স্নাতক এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে অবমাননাকর, বিদ্বেষপূর্ণ ও মানহানিকর মন্তব্য করেন।

এতে অভিযোগ করা হয়, ফুয়াদ গত ৫০ থেকে ৭০ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের অবদান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাদের জাতীয় ক্ষতির জন্য দায়ী করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্দেশে বিদ্বেষমূলক ও বিভাজন সৃষ্টিকারী বক্তব্য দেন। এসব মন্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

নোটিশে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষকে ফুয়াদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ফুয়াদকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তার বক্তব্য নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহার করে মূলধারার ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে।

এছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করার দায়ে দৃষ্টান্তমূলক ও শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০০ কোটি টাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা তহবিলে জমা দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে, যাতে অর্থটি একাডেমিক উন্নয়ন ও জাতীয় সমৃদ্ধির কাজে ব্যবহৃত হতে পারে।

নোটিশে আরও বলা হয়, নির্ধারিত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে জনস্বার্থে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট আবেদন (পিআইএল) দায়ের করা হবে।

বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক মাইকিং করে ৩ ঘণ্টা বন্ধ রেখে সংঘর্ষ, যুবক নিহত

ফরিদপুর: আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের ভাঙা উপজেলায় দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ৪ ঘণ্টাব্যাপী ভয়াবহ ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে সুমন (২০) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাতটা থেকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত চলতে থাকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে হাসামদিয়া ও কাপুড়িয়া সদরদি গ্রামের কয়েকজন কিশোরের মধ্যে বাকবিতন্ডার জেরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে সন্ধ্যার পর দুই পক্ষের বাসিন্দারা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সাথে আগ্নেয়াস্ত্র সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

এ সময় অন্ধকারে ছোড়া গুলিতে সুমন নামে এক যুবক গুরুতর আহত হন। এ সময় আশেপাশের মসজিদের মাইক থেকে সংঘর্ষের খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য বলা হয়। গুলিবিদ্ধ সুমনকে ভাঙা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জন্য নেওয়া হলে পরিস্থিতির আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার হয়। রাত ১১টার দিকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিহতের বড় ভাই জিহাদ শেখ। নিহত সুমন শেখ ভাঙা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাপুরিয়া সদরদী গ্রামের মিলন শেখ-এর ছেলে।

ভাঙা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, সংঘর্ষ শুরু হলে রাত সাড়ে ৭ দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। পরে রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে যানবাহন চলাচল আবার শুরু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু সাংবাদিকদের বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে, কাপুড়িয়া সদরদী ও হাসামদিয়া গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

তিনি আরও জানান, নতুন করে উত্তেজনা এড়াতে বর্তমানে তিনি ভারী অস্ত্রসহ পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন।’

 

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: কুয়াকাটা-ভাঙ্গা ৬ লেন মহাসড়ক নির্মান, পায়রা বন্দরকে পূর্নাঙ্গভাবে চালু করা ও বরিশাল-ভোলা সেতু নির্মানসহ ৯ দফা এবং জাতীয় বাজেটে দক্ষিনাঞ্চলের উন্নয়নের দাবিতে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৩০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার(০১ জুলাই) সকাল দশটায় নাগরিক সমাজের আয়োজনে উপজেলার প্রবেশদ্বার সিক্সলেন এলাকা থেকে মানববন্ধনটি শুরু হয়। দুপুর বারোটা পর্যন্ত একযোগে চলে পর্যটন নগরী কুয়াকাটা পর্যন্ত। মানববন্ধনে দল মত নির্বেশেষে সকল শ্রেনী পেশার অর্ধলক্ষাধিকের বেশি মানুষ অংশগ্রহন করেন।
কর্মসূচিতে অংশহণহনকারীরা বলেন, সংসদে জাতীয় বাজেট ঘোষণা করা হলেও দক্ষিণাঞ্চলের উল্লেখযোগ্য উন্নয়নে কোন বরাদ্দ রাখা হয়নি। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে জাতীয় বাজেটে বরাদ্ধ অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার বলেন, নুতন বাজেটে বরিশাল বিভাগ তথা দক্ষিণাঞ্চলের জন্য দৃশ্যমান বরাদ্দ না রাখায় জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রতিবাদ জানিয়েছেন ১১৪ পটুয়াখালী ৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন। আমারা আজকের মানববন্ধন থেকে এই অঞ্চলের উন্নয়নে ৯টি দাবি জানাচ্ছি। সেইসাথে দাবিগুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

 

কলাপাড়া (পটুয়াখালী): সংবাদ প্রকাশের জেরধরে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া সরকা‌রি মোজাহার উ‌দ্দিন বিশ্বাস কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বেল্লাল হোসেন’র নেতৃত্বে শনিবার রাত ৯ টায় সন্ত্রাসীরা সাংবাদিক মোয়াজ্জেম হোসেন’র উপর আতর্কিত হামলা করে গুরুতর জখম ক‌রেছে। আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়ার কথা জানালে তাকে সেখানে ভর্তি করা হয়।
সাংবাদিক মোয়া‌জ্জেম জাতীয় দৈনিক আজ‌কের প‌ত্রিকা’র পটুয়াখালীর কলাপাড়া প্রতি‌নি‌ধি ও এক‌টি হাই স্কু‌লের আদর্শ শিক্ষক। ঘটনায় স্থানীয়রা তীব্র নিন্দা ও বিচার চেয়েছে। তারা আরও জানান, মোয়া‌জ্জেমের ম‌তো নম্র, ভদ্র মানুষ কলাপাড়ায় কম আ‌ছে। কিছু‌তেই ঘটনা‌টি মে‌নে নি‌তে পার‌ছি না।

বরিশাল: ‎বরিশালের সরকারি ব্রজমোহন কলেজের স্বনামধন্য সাংস্কৃতিক সংগঠন উত্তরণ-এর উদ্যোগে ২৬ জুন সকাল ১০টায় সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো জ্যৈষ্ঠ উৎসব ও বর্ষাবরণ ১৪৩৩ বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

‎অনুষ্ঠানে জ্যৈষ্ঠ মাসের মৌসুমি ফল—যেমন লিচু, আম, কাঁঠাল, আনারস, পেঁপে, কলা, লটকন, করমচা, জাম, গাবসহ নানা ধরনের ফলের সমারোহ ছিল। পাশাপাশি  বর্ষার আগমনকে স্বাগত জানিয়ে আয়োজন করা হয় মনোমুগ্ধকর সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির পরিবেশনা। এতে উত্তরণ-এর বর্তমান ও প্রাক্তন সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

‎অনুষ্ঠানে  অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি ব্রজমোহন কলেজের দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ছিফাতউল্লাহ,মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জাকির হোসেন, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান নাদিরা আফরোজ বাংলা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান নুসরাত জাহান  সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য নিশাত ফারজানা, সংগঠনের উপদেষ্টা পার্থসারথি বিশ্বাস,দেবাশীষ কুন্ডু,সুকদেব মন্ডল মিঠু,সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিন্টু কুমার কর,লিটন কৃষ্ণ রায়। সিনিয়র সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,ওয়াহিদা রহমান মুক্তি, রতন দাস বাপি,শিল্পী বর্মন মিলু,এইচ এম জুয়েল,নিবেদিতা মন্ডল, পরিতোষ সরকার  ,সুদেবী মন্ডল, মৃত্তিকা দাস মাটি,উদয় শংকর দাস, কে আর বিপ্লবি,জুবায়ের হোসেন শাহেদ, শাকিল আহমেদ,প্রসেনজিৎ মন্ডল।

‎সিনিয়রদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। পরিণত হয় মিলনমেলায়।

‎উল্লেখ্য,উত্তরণ দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে দেশী ফলের সাথে সকলকে পরিচয় করিয়ে দেয়া ও বর্ষাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে এই উৎসব আয়োজন করে থাকে।এ বছরেও ত্রিশের বেশি ফল নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

‎অনুষ্ঠানে বরিশালে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে।
‎উত্তরণ দীর্ঘদিন ধরেই কলেজ পর্যায়ে নানা সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে তরুণদের মাঝে শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতির আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে।

 

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌরশহরের রাস্তাগুলোর অসংখ্য খানাখঁন্দক ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংস্কার করে নাগরিকদের প্রশংসায় ভাসছেন হাজী আবুল হাসনাত রিমন সিকদার। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার পরেও শহরের এসব সড়ক সংস্কারে পৌরসভার কোন উদ্যোগ না থাকায় নাগরিকদের দাবির প্রেক্ষিতে সড়ক সংস্কারের এমন উদ্যোগ নেন তিনি। এতে শ্রমজীবী সাধারণ মানুষ, রিকশা, অটো, ভ্যান, পিকআপ, ট্রলি, পন্যবাহী ট্রাক চালকদের মুখে মুখে রিমন সিকদারের নাম।
১৯৯৭ সালের ১ মার্চ প্রতিষ্ঠিত কলাপাড়া পৌরসভা। বর্তমানে এটি ‘এ’ শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে এবং ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ পৌরসভায় প্রায় ২০ হাজার মানুষের বসবাস রয়েছে। তবে এ পৌরসভার কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি এখনও। শতভাগ নাগরিক সেবা প্রদানে এটি এখনও লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনি। কেননা বর্ষা এলেই শহরের প্রধান প্রধান সড়কে সৃষ্ট খানাখঁন্দকে পানি জমে থাকে। সে সব খানাখঁন্দকে যানবাহনের চাকা পড়ে যানবাহন নষ্ট হওয়া সহ পথচারীদের কষ্ট, দুর্ভোগের সৃষ্টি করে। এমনকি যানবাহনের চাকায় কাঁদা পানি ছিটকে পথচারীদের জামা কাপড় নষ্ট করে বিরক্তির কারণ হচ্ছে প্রায়শ:ই। এতে পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীদের দায়িত্ব কর্তব্য নিয়ে মুখরোচক আলোচনা শোনা যায় নাগরিকদের কাছে।
পৌর শহরের রহমতপুর ৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রিকশাচালক মানিক বলেন, ‘ পৌরসভার যিনি মেয়র হন, দেখা গেছে তিনি তার আত্মীয় স্বজনদের দিয়ে উন্নয়নের কাজ করান। এতে সঠিকভাবে কাজ না হওয়ায় ক’দিন যেতেই সড়কে অসংখ্য খানাখঁন্দক সৃষ্টি হয়। আর তাতে রিক্সার চাকা পড়ে যাত্রীসহ আমাদের কষ্টের শেষ থাকে না। তখন যাত্রীরা পৌরসভার জনপ্রতিনিধি সহ মেয়র কাউন্সিলরদের নিয়ে গালাগাল করেন। বর্ষা এলেও পৌরসভা সড়কের সংস্কার কাজ না করায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিএনপি নেতা রিমন সিকদার সংস্কার কাজ করায় আমরা তার জন্য দোয়া করি।’
নতুন বাজার ২ নং ওয়ার্ডের ব্যবসায়ী আরিফ সিকদার বলেন, ‘ আমরা যারা ব্যবসা করি তাদের পণ্যবাহী যানবাহন এখন থেকে স্বাচ্ছন্দে শহরের সড়কে চলাচল করতে পারবে। এজন্য ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে তাকে সাধুবাদ জানাই।’
পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের নাগরিক রুস্তম আলী বলেন, ‘রিমন সিকদার একজন নাগরিক বান্ধব মানুষ। তিনি মাদকের বিস্তার রোধ এবং যুবসমাজকে খেলাধুলায় আকৃষ্ট করতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, ভলিবল, হাডুড’র মতো টুর্নামেন্ট আয়োজন করে ইতিমধ্যে মানুষের প্রশংসা কুঁড়িয়েছেন। আগামী দিনে পৌরসভার নেতৃত্বে নাগরিকরা এরকম তরুণ নেতৃত্বই আশা করছে।’
কলাপাড়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মশিউর রহমান বলেন, ‘পৌরসভার কাউন্সিলরদের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের কাছে মিটিংয়ে বিষয়টি জানতে পেরে সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। পরে জানলাম, হাজী সাহেবের ছেলে রিমন সিকদার ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংস্কারের কাজ শুরু করেছেন। নিজ শহরের মানুষের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে কেউ যদি এমন উদ্যোগ নেয় আমরা তাকে থামাতে পারি না। তার মতো আরও এরকম মানুষ এগিয়ে এলে নাগরিক বান্ধব হয়ে উঠবে এ পৌর শহর।’
উপজেলা বিএনপি’র যুব বিষয়ক সম্পাদক, ক্রীড়া সংগঠক আলহাজ্ব আবুল হাসনাত রিমন সিকদার বলেন, ‘ বেশ কিছুদিন ধরে যানবাহন চালক ও নাগরিকদের কাছ থেকে শহরের সড়কগুলোতে খানা খঁন্দকে সৃষ্ট দুর্ভোগের কথা শুনছিলাম। পরে নাগরিকদের দাবীর প্রেক্ষিতে আমার নিজের ইটভাটা থেকে কয়েক ট্রাক ইট এনে এসব খানাখঁন্দকে দিয়ে সংস্কার কাজ করি । নাগরিকদের সেবায় আমি নিজেকে সর্বদা নিয়োজিত রাখতে সকলের সহযোগিতা চাই।’

 

কলাপাড়া (পটুয়াখালী): পটুয়াখালী জেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। সচিব থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি দপ্তরে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কর্মরত রয়েছেন। বরিশাল বিভাগের মধ্যে নামকরা এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে নানা সমস্যায় জর্জরিত। বিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই ক্লাশ না করে প্রাইভেট, কোচিং এ ব্যাস্ত থাকের। বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে পরিদর্শন করতে গিয়ে বিদ্যালয় কর্তপক্ষের দায়িত্ব জ্ঞানহীনতার আরও একটি প্রমাণ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিদ্যালয় মূল ভবনের পিছনে ১০ থেকে ১২টি পূর্ণ বয়ষ্ক রেইনট্রি গাছ কোন রোগে আক্রান্ত হয়ে শুকিয়ে মারা যাচ্ছে। যা বিদ্যালয়ের পিছনে বসবাসকৃত অধিবাসীরা এবং অনেক সময় ভাসমান লোকজন ভেঙ্গে কিংবা কেটে নিয়ে যাচ্ছে। গাছগুলো সংরক্ষন বা অপসারনপূর্বক নুতন করে বৃক্ষ রোপনের কোন ‍উৎসাহ পরিলক্ষিত হয়নি। এ যেন সরকারি মাল দরিয়া মে ঢাল। বিদ্যালয়ের পাড় ভেঙ্গে বিশাল আকৃতির খেজুর গাছ পুকুরে পড়ে আছে দেখার কেউ নেই। বিদ্যালয় পুকুর পাড়ে এখনো পড়ে আছে বড় সাইজের দুটি মেহগণি গাছের গোড়া যা কাটা হয়েছে একবারেই স্পষ্ট। গাছদুটি মরা গাছ ছিলা না পর্যবেক্ষন করলে সহজেই বোঝা সম্ভব।
প্রধান শিক্ষক খেজুর গাছের কথা বললেও মেহগনি গাছ কাটার ব্যপারে কোন সদোত্তর দিতে পরেননি। এবং গাছ কাটার কোন কমিটি কিংবা কোন অনুমোদনও দেখাতে পারেন নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় বিদ্যালয় কোয়ার্টারে বসবাসকৃত জনৈক শিক্ষক উক্ত গাছ কেটে ফার্নিচার বানিয়েছেন যা সম্পুর্ণ অবৈধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
জানা গেছে অভিযুক্ত ঐ শিক্ষক বিগত সরকারের সময় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গরু পালন করতেন। এবং বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে নিয়মিত গরু চরাতেন। বিদ্যালয়ের কক্ষ ব্যবহার করে গড়ে তুলেছেন কোচিং বাণিজ্য। যেখানে আসার জন্য শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ প্রয়োগ করা হয়। প্রধান শিক্ষক ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী হওয়ায় এ সকল অন্যায় অপরাধ গুলো মেনে নিচ্ছেন অবলীলায়।
এই জীবিত গাছ কাটা সম্পর্কে বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক মাহামুদুল হাসান বলেন, দুইটি রেইন্ট্রি গাছ ছিলো, দুটিই পড়ে আছে। কোন গাছ বিক্রি হয়নি।
বিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষক সুজিত শিকদার বলেন ঝড়ে স্কুলের কিছু মেহগনি গাছ পড়ে গেছে। সেগুলো সেখানেই আছে। কোন গাছ কাটা হয়নি। সুতরাং গাছ কাটার সাথে আমার সম্পৃক্ততা কিভাবে থাকবে? এছাড়াও তিনি আরও বলেন, আমি, সুবাস চন্দ্র বিশ্বাস এবং আরও শিক্ষক এখানে বাস করি। আমরা এগুলো দেখে রাখি। আমি ক্লাশে পরে ফোন দিব।
বিদ্যালয়ের অপর আবাসিক শিক্ষক সুবাস চন্দ্র বিশ্বাসের মুঠোফোন ০১৭১৯৭৩৩৮৮২ নম্বরে বিভিন্ন সময় ১৫ বার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আবদুর রহিম বলেন, কোন গাছ বিক্রি হয়নি। একটি খেজুর গাছ ঝড়ে পুকুরে পড়ে গেছে। কতৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো ভাবে গাছ কাটা সম্ভব না। তাই সেটাও কাটা হয়নি।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব) আকরাম হোসেন বলেন, তিনি কয়েকটি উপজেলার দ্বায়িত্বে আছেন। তাই তিনি এব্যাপারে কোন তথ্য জানেন না। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে, যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাউসার হামিদ এর মুঠোফোনে ০১৭৩৩৩৩৪১৫৫ একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

 

বরিশাল: “এবার এইচএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁস হলে সংশ্লিষ্টদের কঠিন শাস্তি দেয়া হবে, ভবিষ্যতে যা দেশে উদাহরণ হয়ে থাকবে বলে জা‌নিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

এসময়‌ তি‌নি আরও জানান, এবার একই প্রশ্নে দেশের নয়টি বোর্ডে পরীক্ষা হবে।

বরিশালে আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর এবং নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় একথা বলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আনম এহছানুল হক মিলন।

তিনি আরো বলেন, “নতুন প্রজন্মকে নতুন ভাবে গড়ে তোলা হবে। সকল শিক্ষককে প্রশিক্ষনের আওতায় আনা হবে। প্রজুক্তি নির্ভর ক্লাস রুমে ক্লাস সম্পন্ন করবে শিক্ষকরা। শিক্ষা ব্যবস্থাকে সুন্দর করার লক্ষে সরকার কাজ করছে।

মন্ত্রী বলেন, “২০০১ সালে পাবলিক পরীক্ষা এক্ট পরিবর্তন করা হয়েছে। বাহির থেকে যদি কেউ সমস্যার সৃষ্টি করে তাদের সবার জন্য শাস্থির ব্যবস্থা থাকবে।

পুলিশের বডি অন ক্যামেরা রাখা হবে। কেউ জোরদারী করতে পারবে না। এছাড়া খাতা পরিবর্তন, নম্বর বন্টনে অনিয়ম হলে সে ব্যাপারেও আইন প্রনয়ন করা হবে।

আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বরিশাল অঞ্চলের কেন্দ্র সচিবদের সাথে মত বিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী আরো বলেন, “যে কোন পরীক্ষা সম্পন্ন হবার ২ মাসের মধ্যে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। ২ বছরের কোরস ২ বছরের মধ্যেই শেষ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে কোন সেশন জট থাকতে পারবে না।”

নগরীর শিল্পকলা একাডেমির অডিটরিয়ামে সকাল দশটা থেকে শুরু হয়ে টানা দুই ঘন্টা ধরে চলা এই সভায় শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা কাজ করে যাবেন, যা দাবি দাওয়া তিনি উপস্থাপন করবেন। যেহেতু বর্তমান সরকার শিক্ষা বান্ধব এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্ব দিচ্ছেন