প্রতিনিধি (কলাপাড়া) পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এআই দিয়ে নারী ও পুরুষের আপত্তিকর ছবি তৈরী করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে রিমন ইসলাম (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (১১ মে) সকালে নারায়নগঞ্জের ফতুল্লা থানার মুসলিম নগর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে র‍্যাব-১১ এর সহয়তায় কলাপাড়া থানার সহকারী পুলিশ পরিদর্শক জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম তাকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় গত ৬ মে রিমন সহ দুইজনের নামে থানায় একটি চাঁদাবাজীর মামলা দায়ের করেন পৌর শহরের রহমপুর এলাকার ঠিকাদার নাসির উদ্দিন মোল্লা মিন্টু। সন্ধ্যায় রিমনকে থানায় নিয়ে আসা হলে উত্তেজিত জনতা থানার সামনে অবস্থান নেয়। এসময় পুলিশ উপযুক্ত বিচারের আশ্বাস দিলে তারা থানা এলাকা ত্যাগ করেন।
অভিযোগ কারী নাসির মোল্লা মিন্টু বলেন, কয়েকদিন আগে রিমন ও তার সহযোগী কলাপাড়ার সময় নামের একটি ফেসবুক পেইজে তার নামে বাজে স্ট্যাটাস দেন। পরে এক নারীর সঙ্গে এআই দিয়ে তার ছবি সংযুক্ত করে ওই পেইজে প্রচার করেন। এবং হোয়াটসএ্যাপে ম্যাসেজের মাধ্যমে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা প্রদান না করলে এআই ভিডিও প্রকাশ করা হবে বলে হুমকি দেন। কোন উপায় না পেয়ে বিকাশের মাধ্যমে মিন্টু তাদের ধাপে ধাপে প্রায় ১ লাখ টাকা প্রদান করেন। এরপরও হোয়াটসএ্যাপের মাধ্যমে আরও চাঁদা দাবি করলে সে থানায় মামলা দায়ের করেন।
কলাপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামী চাঁদা দাবীর ঘটনা স্বীকার করেছেন। তাকে আজ সকালে আদালতে প্রেরন করা হয়।

 

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি।। মাত্র ১ ফুটের কম যায়গা। বৃষ্টির সময় কাঁদা পানিতে হয়ে যায় একাকার। অনেক সময় ওই যায়গা দিকে যেন চলাচল না করতে পারে সেজন্য ফেলে রাখা হয় ব্লেড কিংবা কাঁচ ভাঙ্গা। এ যেন আইয়ামে জাহেলিয়াতের অন্ধকার যুগের পুনরাবৃত্তি। প্রতিবেশীর এমন রুঢ় আচরনের পরও কোন উপায় না পেয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর ওই সংকীর্ণ যায়গাটি দিয়ে চলাচল করছে দুটি পরিবার। পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরের চিংগড়িয়া এলাকার এ ঘটনায় প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও প্রতিকার পায়নি শৈলেন চন্দ্র শীল ও অনিল চন্দ্র শীলের পরিবার।
ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানায়, প্রতিবেশী পরিতোষ শীল ও হরিদাস শীল প্রভাব খাটিয়ে পৌরসভার সড়কের জন্য অন্তর্ভুক্ত ০.৭২ শতাংশ জমি দখল করে ঘর নির্মান করেন। চলাচলের রাস্তা দখল করে ঘর নির্মান করার প্রতিবাদ জানালে পরিতোষ ও হরিদাস দেওয়ানি আদালতে শৈলেন ও অনিলের নামে একের পর এক চারটি মামলা দায়ের করেন। প্রত্যেকটি মামলায় অনিলদের পক্ষে রায় আসে। তারপরও চলাচলের রাস্তা ছেড়ে না দেয়ায় গত ২২ এপ্রিল অনিল পৌরসভার প্রশাসক বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরে পৌরসভার পক্ষ থেকে তদন্ত শেষে সড়কের যায়গা নির্ধারন করে খুটি স্থাপন করে দেয়া হয় এবং পরিতোষের ঘর অপসারনের জন্য দু,দফা সময় দেয়া হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পৌরসভার সচিব কাব্য লাল চক্রবর্তী সহ আরও তিন জনের নামে দেওয়ানি আদালতে আরও একটি মামলা দায়ের করেন পরিতোষ। তাই চলাচলের রাস্তা না পেয়ে এ ঘটনার প্রতিকার জানিয়েছেন ভূক্তভোগীরা।
তবে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে পরিতোষ বলেন, তার ক্রয়কৃত জমির দেড় শতাংশ ঘাটতি রয়েছে। একারনে তিনি মামলা করেছেন। তাদের দলিলের চৌহোদীতে রাস্তা না থাকার পরও জমির উপর তারা রাস্তা দাবি করে।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক কাউছার হামিদ বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। সড়ক দখলের বিষয়টি সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।