Latest post
কলাপাড়ায় প্রান সংহতি সম্মাননা পেলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি)
বরিশালে থানায় হামলায় ১৮ জন গ্রেফতার
ব্যারিস্টার ফুয়াদকে ৭২ ঘণ্টায় প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বানে লিগ্যাল নোটিশ
Popular Posts
কলাপাড়ায় চলাচলে সড়ক আটকে বসতঘর নির্মানে ১৭ বছরের ভোগান্তি
(227)
NS_admin_03
May 11, 2026
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান
(158)
NS_admin_01
May 5, 2026
বিজয়ের উত্থানে টালমাটাল তামিলনাড়ুর পুরোনো জোট
(156)
NS_admin_01
May 5, 2026
আমি পদত্যাগ করব না: মমতা
(140)
NS_admin_01
May 5, 2026
৭ম দিনের এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২০ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৮ জন
(138)
NS_admin_01
May 5, 2026
Stay Connected
TT Ads
প্রচ্ছদ
বরিশাল
: বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় চুরি ও মাদক মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করে হত্যার গুজব ছড়িয়ে থানায় হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এক স্বাক্ষাতকারে শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বিষয়টি স্বীকার করে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মাসুদ খান জানান, হামলার ঘটনার পর থেকেই থানায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতভর অভিযান চালিয়ে হামলায় জড়িত ১৮ জনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে আরও কয়েকজনকে আটকের চেষ্টা চলছে। হামলায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি। এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে একাধিক মামলার আসামি রিয়াজ ফকিরকে একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, থানার হাজতে থাকা অবস্থায় রিয়াজ নিজেই নিজের মাথায় আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রাত ১১টার দিকে তাকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে গভীর রাতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিকেলে কয়েক শতাধিক মানুষ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালায়। এ সময় ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ ঘটনায় পুলিশের ৬ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। গুরুতর আহত ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফরহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান আহত হয়েছেন। অন্যদিকে সংঘর্ষে রিয়াজ ফকিরের মা নাছরিন বেগম (৫০), বোন শারমিন আক্তার (২৮), মমতাজ বেগম (৪৭)সহ অন্তত ছয়জন আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন এবং অন্যরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছিল। রিয়াজ ফকিরের বাবা সিদ্দিক ফকির ও মা নাছরিন বেগম অভিযোগ করেন, তাদের ছেলেকে বিনা অপরাধে আটক করে পুলিশ মারধর করেছে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, রিয়াজ নিজেই থানার হাজতে নিজের মাথায় আঘাত করে আহত হন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
জাতীয়
বরিশাল
: বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় চুরি ও মাদক মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করে হত্যার গুজব ছড়িয়ে থানায় হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এক স্বাক্ষাতকারে শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বিষয়টি স্বীকার করে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মাসুদ খান জানান, হামলার ঘটনার পর থেকেই থানায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতভর অভিযান চালিয়ে হামলায় জড়িত ১৮ জনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে আরও কয়েকজনকে আটকের চেষ্টা চলছে। হামলায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি। এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে একাধিক মামলার আসামি রিয়াজ ফকিরকে একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, থানার হাজতে থাকা অবস্থায় রিয়াজ নিজেই নিজের মাথায় আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রাত ১১টার দিকে তাকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে গভীর রাতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিকেলে কয়েক শতাধিক মানুষ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালায়। এ সময় ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ ঘটনায় পুলিশের ৬ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। গুরুতর আহত ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফরহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান আহত হয়েছেন। অন্যদিকে সংঘর্ষে রিয়াজ ফকিরের মা নাছরিন বেগম (৫০), বোন শারমিন আক্তার (২৮), মমতাজ বেগম (৪৭)সহ অন্তত ছয়জন আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন এবং অন্যরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছিল। রিয়াজ ফকিরের বাবা সিদ্দিক ফকির ও মা নাছরিন বেগম অভিযোগ করেন, তাদের ছেলেকে বিনা অপরাধে আটক করে পুলিশ মারধর করেছে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, রিয়াজ নিজেই থানার হাজতে নিজের মাথায় আঘাত করে আহত হন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
রাজনীতি
বরিশাল
: বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় চুরি ও মাদক মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করে হত্যার গুজব ছড়িয়ে থানায় হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এক স্বাক্ষাতকারে শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বিষয়টি স্বীকার করে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মাসুদ খান জানান, হামলার ঘটনার পর থেকেই থানায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতভর অভিযান চালিয়ে হামলায় জড়িত ১৮ জনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে আরও কয়েকজনকে আটকের চেষ্টা চলছে। হামলায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি। এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে একাধিক মামলার আসামি রিয়াজ ফকিরকে একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, থানার হাজতে থাকা অবস্থায় রিয়াজ নিজেই নিজের মাথায় আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রাত ১১টার দিকে তাকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে গভীর রাতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিকেলে কয়েক শতাধিক মানুষ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালায়। এ সময় ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ ঘটনায় পুলিশের ৬ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। গুরুতর আহত ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফরহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান আহত হয়েছেন। অন্যদিকে সংঘর্ষে রিয়াজ ফকিরের মা নাছরিন বেগম (৫০), বোন শারমিন আক্তার (২৮), মমতাজ বেগম (৪৭)সহ অন্তত ছয়জন আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন এবং অন্যরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছিল। রিয়াজ ফকিরের বাবা সিদ্দিক ফকির ও মা নাছরিন বেগম অভিযোগ করেন, তাদের ছেলেকে বিনা অপরাধে আটক করে পুলিশ মারধর করেছে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, রিয়াজ নিজেই থানার হাজতে নিজের মাথায় আঘাত করে আহত হন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
সারাদেশ
বরিশাল
: বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় চুরি ও মাদক মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করে হত্যার গুজব ছড়িয়ে থানায় হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এক স্বাক্ষাতকারে শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বিষয়টি স্বীকার করে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মাসুদ খান জানান, হামলার ঘটনার পর থেকেই থানায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতভর অভিযান চালিয়ে হামলায় জড়িত ১৮ জনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে আরও কয়েকজনকে আটকের চেষ্টা চলছে। হামলায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি। এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে একাধিক মামলার আসামি রিয়াজ ফকিরকে একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, থানার হাজতে থাকা অবস্থায় রিয়াজ নিজেই নিজের মাথায় আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রাত ১১টার দিকে তাকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে গভীর রাতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিকেলে কয়েক শতাধিক মানুষ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালায়। এ সময় ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ ঘটনায় পুলিশের ৬ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। গুরুতর আহত ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফরহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান আহত হয়েছেন। অন্যদিকে সংঘর্ষে রিয়াজ ফকিরের মা নাছরিন বেগম (৫০), বোন শারমিন আক্তার (২৮), মমতাজ বেগম (৪৭)সহ অন্তত ছয়জন আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন এবং অন্যরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছিল। রিয়াজ ফকিরের বাবা সিদ্দিক ফকির ও মা নাছরিন বেগম অভিযোগ করেন, তাদের ছেলেকে বিনা অপরাধে আটক করে পুলিশ মারধর করেছে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, রিয়াজ নিজেই থানার হাজতে নিজের মাথায় আঘাত করে আহত হন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
ঢাকা
বরিশাল
রাজশাহী
চট্টগ্রাম
খুলনা
ময়মনসিংহ
রংপুর
সিলেট
আন্তর্জাতিক
বরিশাল
: বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় চুরি ও মাদক মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করে হত্যার গুজব ছড়িয়ে থানায় হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এক স্বাক্ষাতকারে শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বিষয়টি স্বীকার করে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মাসুদ খান জানান, হামলার ঘটনার পর থেকেই থানায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতভর অভিযান চালিয়ে হামলায় জড়িত ১৮ জনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে আরও কয়েকজনকে আটকের চেষ্টা চলছে। হামলায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি। এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে একাধিক মামলার আসামি রিয়াজ ফকিরকে একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, থানার হাজতে থাকা অবস্থায় রিয়াজ নিজেই নিজের মাথায় আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রাত ১১টার দিকে তাকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে গভীর রাতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিকেলে কয়েক শতাধিক মানুষ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালায়। এ সময় ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ ঘটনায় পুলিশের ৬ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। গুরুতর আহত ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফরহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান আহত হয়েছেন। অন্যদিকে সংঘর্ষে রিয়াজ ফকিরের মা নাছরিন বেগম (৫০), বোন শারমিন আক্তার (২৮), মমতাজ বেগম (৪৭)সহ অন্তত ছয়জন আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন এবং অন্যরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছিল। রিয়াজ ফকিরের বাবা সিদ্দিক ফকির ও মা নাছরিন বেগম অভিযোগ করেন, তাদের ছেলেকে বিনা অপরাধে আটক করে পুলিশ মারধর করেছে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, রিয়াজ নিজেই থানার হাজতে নিজের মাথায় আঘাত করে আহত হন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
বরিশাল বিভাগ
বরিশাল
: বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় চুরি ও মাদক মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করে হত্যার গুজব ছড়িয়ে থানায় হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এক স্বাক্ষাতকারে শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বিষয়টি স্বীকার করে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মাসুদ খান জানান, হামলার ঘটনার পর থেকেই থানায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতভর অভিযান চালিয়ে হামলায় জড়িত ১৮ জনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে আরও কয়েকজনকে আটকের চেষ্টা চলছে। হামলায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি। এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে একাধিক মামলার আসামি রিয়াজ ফকিরকে একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, থানার হাজতে থাকা অবস্থায় রিয়াজ নিজেই নিজের মাথায় আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রাত ১১টার দিকে তাকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে গভীর রাতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিকেলে কয়েক শতাধিক মানুষ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালায়। এ সময় ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ ঘটনায় পুলিশের ৬ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। গুরুতর আহত ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফরহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান আহত হয়েছেন। অন্যদিকে সংঘর্ষে রিয়াজ ফকিরের মা নাছরিন বেগম (৫০), বোন শারমিন আক্তার (২৮), মমতাজ বেগম (৪৭)সহ অন্তত ছয়জন আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন এবং অন্যরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছিল। রিয়াজ ফকিরের বাবা সিদ্দিক ফকির ও মা নাছরিন বেগম অভিযোগ করেন, তাদের ছেলেকে বিনা অপরাধে আটক করে পুলিশ মারধর করেছে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, রিয়াজ নিজেই থানার হাজতে নিজের মাথায় আঘাত করে আহত হন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
বরিশাল
ঝালকাঠি
পটুয়াখালী
পিরোজপুর
বরগুনা
ভোলা
বিনোদন
বরিশাল
: বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় চুরি ও মাদক মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করে হত্যার গুজব ছড়িয়ে থানায় হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এক স্বাক্ষাতকারে শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বিষয়টি স্বীকার করে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মাসুদ খান জানান, হামলার ঘটনার পর থেকেই থানায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতভর অভিযান চালিয়ে হামলায় জড়িত ১৮ জনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে আরও কয়েকজনকে আটকের চেষ্টা চলছে। হামলায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি। এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে একাধিক মামলার আসামি রিয়াজ ফকিরকে একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, থানার হাজতে থাকা অবস্থায় রিয়াজ নিজেই নিজের মাথায় আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রাত ১১টার দিকে তাকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে গভীর রাতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিকেলে কয়েক শতাধিক মানুষ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালায়। এ সময় ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ ঘটনায় পুলিশের ৬ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। গুরুতর আহত ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফরহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান আহত হয়েছেন। অন্যদিকে সংঘর্ষে রিয়াজ ফকিরের মা নাছরিন বেগম (৫০), বোন শারমিন আক্তার (২৮), মমতাজ বেগম (৪৭)সহ অন্তত ছয়জন আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন এবং অন্যরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছিল। রিয়াজ ফকিরের বাবা সিদ্দিক ফকির ও মা নাছরিন বেগম অভিযোগ করেন, তাদের ছেলেকে বিনা অপরাধে আটক করে পুলিশ মারধর করেছে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, রিয়াজ নিজেই থানার হাজতে নিজের মাথায় আঘাত করে আহত হন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
খেলাধুলা
বরিশাল
: বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় চুরি ও মাদক মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করে হত্যার গুজব ছড়িয়ে থানায় হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এক স্বাক্ষাতকারে শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বিষয়টি স্বীকার করে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মাসুদ খান জানান, হামলার ঘটনার পর থেকেই থানায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতভর অভিযান চালিয়ে হামলায় জড়িত ১৮ জনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে আরও কয়েকজনকে আটকের চেষ্টা চলছে। হামলায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি। এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে একাধিক মামলার আসামি রিয়াজ ফকিরকে একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, থানার হাজতে থাকা অবস্থায় রিয়াজ নিজেই নিজের মাথায় আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রাত ১১টার দিকে তাকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে গভীর রাতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিকেলে কয়েক শতাধিক মানুষ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালায়। এ সময় ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ ঘটনায় পুলিশের ৬ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। গুরুতর আহত ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফরহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান আহত হয়েছেন। অন্যদিকে সংঘর্ষে রিয়াজ ফকিরের মা নাছরিন বেগম (৫০), বোন শারমিন আক্তার (২৮), মমতাজ বেগম (৪৭)সহ অন্তত ছয়জন আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন এবং অন্যরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছিল। রিয়াজ ফকিরের বাবা সিদ্দিক ফকির ও মা নাছরিন বেগম অভিযোগ করেন, তাদের ছেলেকে বিনা অপরাধে আটক করে পুলিশ মারধর করেছে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, রিয়াজ নিজেই থানার হাজতে নিজের মাথায় আঘাত করে আহত হন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বরিশাল
: বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় চুরি ও মাদক মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করে হত্যার গুজব ছড়িয়ে থানায় হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এক স্বাক্ষাতকারে শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বিষয়টি স্বীকার করে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মাসুদ খান জানান, হামলার ঘটনার পর থেকেই থানায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতভর অভিযান চালিয়ে হামলায় জড়িত ১৮ জনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে আরও কয়েকজনকে আটকের চেষ্টা চলছে। হামলায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি। এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে একাধিক মামলার আসামি রিয়াজ ফকিরকে একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, থানার হাজতে থাকা অবস্থায় রিয়াজ নিজেই নিজের মাথায় আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রাত ১১টার দিকে তাকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে গভীর রাতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিকেলে কয়েক শতাধিক মানুষ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালায়। এ সময় ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ ঘটনায় পুলিশের ৬ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। গুরুতর আহত ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফরহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান আহত হয়েছেন। অন্যদিকে সংঘর্ষে রিয়াজ ফকিরের মা নাছরিন বেগম (৫০), বোন শারমিন আক্তার (২৮), মমতাজ বেগম (৪৭)সহ অন্তত ছয়জন আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন এবং অন্যরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছিল। রিয়াজ ফকিরের বাবা সিদ্দিক ফকির ও মা নাছরিন বেগম অভিযোগ করেন, তাদের ছেলেকে বিনা অপরাধে আটক করে পুলিশ মারধর করেছে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, রিয়াজ নিজেই থানার হাজতে নিজের মাথায় আঘাত করে আহত হন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
ভিডিও
ছবিঘর
লাইফস্টাইল
স্বাস্থ্য
প্রশাসন
আবহাওয়া বার্তা
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
আইটি টেক
অর্থনীতি
ক্যাম্পাস
Category: সারাদেশ
Home
সারাদেশ
NS_admin_03
July 10, 2026
3 sec read
9
বরিশালে থানায় হামলায় ১৮ জন গ্রেফতার
NS_admin_03
July 4, 2026
1 sec read
12
ব্যারিস্টার ফুয়াদকে ৭২ ঘণ্টায় প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বানে লিগ্যাল নোটিশ
NS_admin_03
July 1, 2026
2 sec read
43
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক মাইকিং করে ৩ ঘণ্টা বন্ধ রেখে সংঘর্ষ, যুবক নিহত
NS_admin_03
July 1, 2026
1 sec read
40
জাতীয় বাজেটে দক্ষিনাঞ্চলের উন্নয়নের দাবিতে ৩০ কিলোমিটারের মানববন্ধন
NS_admin_03
June 27, 2026
3 sec read
31
কলাপাড়া সাংবাদিকের উপর ছাত্রদল নেতার হামলা
NS_admin_03
June 27, 2026
1 sec read
24
বরিশালে ‘উত্তরণ’ আয়োজনে জ্যৈষ্ঠ উৎসব ও বর্ষাবরণ
NS_admin_03
June 26, 2026
7 sec read
32
কলাপাড়ার পৌর রাস্তা নিজ দ্বায়িত্বে সংস্কার করে প্রশংসিত রিমন সিকদার
NS_admin_03
June 25, 2026
0 sec read
39
রাতের আধারে সরকারি বিদ্যালয়ের একাধিক মেহগনি গাছ উধাও, কতৃপক্ষ কিছুই জানে না কিছুই
NS_admin_03
June 25, 2026
0 sec read
34
এইচএসসি’র প্রশ্নপত্র ফাঁস হলে সংশ্লিষ্টদের কঠিন শাস্তি : শিক্ষামন্ত্রী
NS_admin_03
June 21, 2026
4 sec read
29
সভাপতি মামুন, সেক্রেটারি আরিফ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বরিশাল জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
1
2
Next
Popular Post
কলাপাড়ায় চলাচলে সড়ক আটকে বসতঘর নির্মানে ১৭ বছরের ভোগান্তি
(227)
NS_admin_03
May 11, 2026
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান
(158)
NS_admin_01
May 5, 2026
বিজয়ের উত্থানে টালমাটাল তামিলনাড়ুর পুরোনো জোট
(156)
NS_admin_01
May 5, 2026
আমি পদত্যাগ করব না: মমতা
(140)
NS_admin_01
May 5, 2026
৭ম দিনের এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২০ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৮ জন
(138)
NS_admin_01
May 5, 2026
Newsletter
Weather
Dhaka
broken clouds
29
℃
33º - 27º
humidity:
60%
wind:
7 km/h
32
℃
Thu
32
℃
Fri
30
℃
Sat
31
℃
Sun
29
℃
Mon
26
℃
Tue