Latest post
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান
৭ম দিনের এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২০ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৮ জন
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে বড় পরিবর্তনের নির্দেশ আসতে পারে
Popular Posts
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান
(22)
NS_admin_01
May 5, 2026
৭ম দিনের এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২০ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৮ জন
(21)
NS_admin_01
May 5, 2026
সকালে মুখ শুষ্ক থাকে? জেনে নিন কারণ
(17)
NS_admin_01
May 5, 2026
ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড গাড়িতে ঋণসীমা বাড়ালো বাংলাদেশ ব্যাংক
(8)
NS_admin_01
May 5, 2026
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে বড় পরিবর্তনের নির্দেশ আসতে পারে
(7)
NS_admin_01
May 5, 2026
Stay Connected
TT Ads
প্রচ্ছদ
বরিশালে গত দুদিন ধরে ব্রজসহ টানা ভাড়ি বর্ষণ ও দমকা হাওয়া অব্যাহত রয়েছে। এতে পাকা বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি ও বজ্রপাত জেলাজুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি করে। পরদিনও জেলার বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ ভাড়ি বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। এতে বৈরী আবহাওয়ার কারণে খেটে খাওয়া দিনমজুরদের জীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে জেলাজুড়ে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে গত দুইদিনের ভাড়ি বর্ষণে কৃষকের ক্ষেতে কাটা ধানগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি ভারি বর্ষণের সঙ্গে বজ্রপাত হওয়ায় কৃষকেরা জমিতে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। সূত্র মতে, গত দুদিন ধরে ভারি বর্ষণে বোরো ক্ষেতে পানি জমে গেছে। এর সঙ্গে দমকা হাওয়ায় পাকা বোরো ধান নুয়ে পরায় পানির সাথে মিশে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। কৃষকেরা জানান, বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হওয়ায় অনেকেই ঘরের বাইরে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক ও দিনমজুর সবচেয়ে বেশি বিপাকে পরেছেন। জেলা কৃষি কর্মকর্তারা জানান, এ সময় অতিরিক্ত বৃষ্টি ফসলের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে পাকা বোরো ধানের ক্ষেত ও সবজি ক্ষেতে পানি জমে থাকলে উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সূত্রমতে, বরিশালের বাকেরগঞ্জ, বানারীপাড়া, উজিরপুর, মুলাদী, মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলা, বাবুগঞ্জ, আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী উপজেলায় টানা দুদিনের ভাড়ি বর্ষণে বিস্তীর্ণ এলাকায় কয়েক হাজার হেক্টর জমির পাকা বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে যেসব কৃষক ধান কাটার পর জমিতে রেখেছিলেন তাদের কাটা ধান এখন বৃষ্টির পানির নিচে তলিয়ে গেছে। শ্রমিক সংকট ও বৈরি আবহাওয়ার কারণে তারা ধান ঘরে তুলতে পারছেন না। ফলে কৃষকের চোখের সামনেই ডুবে রয়েছে তাদের হাড়ভাঙা পরিশ্রম আর ঋণের টাকায় বোনা স্বপ্ন। হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে ফসল ঘরে তুলতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পরেছেন কৃষক। কৃষি বিভাগ থেকে দ্রুত ধান কাটার পরামর্শ থাকলেও শ্রমিক সংকট ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় তা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পরেছে।
অপরদিকে টানা বর্ষণ ও দমকা হাওয়ার কারণে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গাছপালা ভেঙে পরায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের খবরও পাওয়া গেছে। যা জনদুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে। পাশাপাশি বজ্রপাতের ঝুঁকি বিবেচনায় স্থানীয় প্রশাসন সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়া এবং নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা জানান, আরও কয়েকদিন বৈরী আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। তাই জনসাধারণকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
জাতীয়
বরিশালে গত দুদিন ধরে ব্রজসহ টানা ভাড়ি বর্ষণ ও দমকা হাওয়া অব্যাহত রয়েছে। এতে পাকা বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি ও বজ্রপাত জেলাজুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি করে। পরদিনও জেলার বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ ভাড়ি বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। এতে বৈরী আবহাওয়ার কারণে খেটে খাওয়া দিনমজুরদের জীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে জেলাজুড়ে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে গত দুইদিনের ভাড়ি বর্ষণে কৃষকের ক্ষেতে কাটা ধানগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি ভারি বর্ষণের সঙ্গে বজ্রপাত হওয়ায় কৃষকেরা জমিতে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। সূত্র মতে, গত দুদিন ধরে ভারি বর্ষণে বোরো ক্ষেতে পানি জমে গেছে। এর সঙ্গে দমকা হাওয়ায় পাকা বোরো ধান নুয়ে পরায় পানির সাথে মিশে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। কৃষকেরা জানান, বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হওয়ায় অনেকেই ঘরের বাইরে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক ও দিনমজুর সবচেয়ে বেশি বিপাকে পরেছেন। জেলা কৃষি কর্মকর্তারা জানান, এ সময় অতিরিক্ত বৃষ্টি ফসলের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে পাকা বোরো ধানের ক্ষেত ও সবজি ক্ষেতে পানি জমে থাকলে উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সূত্রমতে, বরিশালের বাকেরগঞ্জ, বানারীপাড়া, উজিরপুর, মুলাদী, মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলা, বাবুগঞ্জ, আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী উপজেলায় টানা দুদিনের ভাড়ি বর্ষণে বিস্তীর্ণ এলাকায় কয়েক হাজার হেক্টর জমির পাকা বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে যেসব কৃষক ধান কাটার পর জমিতে রেখেছিলেন তাদের কাটা ধান এখন বৃষ্টির পানির নিচে তলিয়ে গেছে। শ্রমিক সংকট ও বৈরি আবহাওয়ার কারণে তারা ধান ঘরে তুলতে পারছেন না। ফলে কৃষকের চোখের সামনেই ডুবে রয়েছে তাদের হাড়ভাঙা পরিশ্রম আর ঋণের টাকায় বোনা স্বপ্ন। হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে ফসল ঘরে তুলতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পরেছেন কৃষক। কৃষি বিভাগ থেকে দ্রুত ধান কাটার পরামর্শ থাকলেও শ্রমিক সংকট ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় তা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পরেছে।
অপরদিকে টানা বর্ষণ ও দমকা হাওয়ার কারণে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গাছপালা ভেঙে পরায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের খবরও পাওয়া গেছে। যা জনদুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে। পাশাপাশি বজ্রপাতের ঝুঁকি বিবেচনায় স্থানীয় প্রশাসন সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়া এবং নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা জানান, আরও কয়েকদিন বৈরী আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। তাই জনসাধারণকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
রাজনীতি
বরিশালে গত দুদিন ধরে ব্রজসহ টানা ভাড়ি বর্ষণ ও দমকা হাওয়া অব্যাহত রয়েছে। এতে পাকা বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি ও বজ্রপাত জেলাজুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি করে। পরদিনও জেলার বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ ভাড়ি বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। এতে বৈরী আবহাওয়ার কারণে খেটে খাওয়া দিনমজুরদের জীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে জেলাজুড়ে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে গত দুইদিনের ভাড়ি বর্ষণে কৃষকের ক্ষেতে কাটা ধানগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি ভারি বর্ষণের সঙ্গে বজ্রপাত হওয়ায় কৃষকেরা জমিতে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। সূত্র মতে, গত দুদিন ধরে ভারি বর্ষণে বোরো ক্ষেতে পানি জমে গেছে। এর সঙ্গে দমকা হাওয়ায় পাকা বোরো ধান নুয়ে পরায় পানির সাথে মিশে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। কৃষকেরা জানান, বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হওয়ায় অনেকেই ঘরের বাইরে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক ও দিনমজুর সবচেয়ে বেশি বিপাকে পরেছেন। জেলা কৃষি কর্মকর্তারা জানান, এ সময় অতিরিক্ত বৃষ্টি ফসলের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে পাকা বোরো ধানের ক্ষেত ও সবজি ক্ষেতে পানি জমে থাকলে উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সূত্রমতে, বরিশালের বাকেরগঞ্জ, বানারীপাড়া, উজিরপুর, মুলাদী, মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলা, বাবুগঞ্জ, আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী উপজেলায় টানা দুদিনের ভাড়ি বর্ষণে বিস্তীর্ণ এলাকায় কয়েক হাজার হেক্টর জমির পাকা বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে যেসব কৃষক ধান কাটার পর জমিতে রেখেছিলেন তাদের কাটা ধান এখন বৃষ্টির পানির নিচে তলিয়ে গেছে। শ্রমিক সংকট ও বৈরি আবহাওয়ার কারণে তারা ধান ঘরে তুলতে পারছেন না। ফলে কৃষকের চোখের সামনেই ডুবে রয়েছে তাদের হাড়ভাঙা পরিশ্রম আর ঋণের টাকায় বোনা স্বপ্ন। হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে ফসল ঘরে তুলতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পরেছেন কৃষক। কৃষি বিভাগ থেকে দ্রুত ধান কাটার পরামর্শ থাকলেও শ্রমিক সংকট ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় তা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পরেছে।
অপরদিকে টানা বর্ষণ ও দমকা হাওয়ার কারণে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গাছপালা ভেঙে পরায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের খবরও পাওয়া গেছে। যা জনদুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে। পাশাপাশি বজ্রপাতের ঝুঁকি বিবেচনায় স্থানীয় প্রশাসন সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়া এবং নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা জানান, আরও কয়েকদিন বৈরী আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। তাই জনসাধারণকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
সারাদেশ
বরিশালে গত দুদিন ধরে ব্রজসহ টানা ভাড়ি বর্ষণ ও দমকা হাওয়া অব্যাহত রয়েছে। এতে পাকা বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি ও বজ্রপাত জেলাজুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি করে। পরদিনও জেলার বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ ভাড়ি বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। এতে বৈরী আবহাওয়ার কারণে খেটে খাওয়া দিনমজুরদের জীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে জেলাজুড়ে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে গত দুইদিনের ভাড়ি বর্ষণে কৃষকের ক্ষেতে কাটা ধানগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি ভারি বর্ষণের সঙ্গে বজ্রপাত হওয়ায় কৃষকেরা জমিতে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। সূত্র মতে, গত দুদিন ধরে ভারি বর্ষণে বোরো ক্ষেতে পানি জমে গেছে। এর সঙ্গে দমকা হাওয়ায় পাকা বোরো ধান নুয়ে পরায় পানির সাথে মিশে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। কৃষকেরা জানান, বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হওয়ায় অনেকেই ঘরের বাইরে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক ও দিনমজুর সবচেয়ে বেশি বিপাকে পরেছেন। জেলা কৃষি কর্মকর্তারা জানান, এ সময় অতিরিক্ত বৃষ্টি ফসলের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে পাকা বোরো ধানের ক্ষেত ও সবজি ক্ষেতে পানি জমে থাকলে উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সূত্রমতে, বরিশালের বাকেরগঞ্জ, বানারীপাড়া, উজিরপুর, মুলাদী, মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলা, বাবুগঞ্জ, আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী উপজেলায় টানা দুদিনের ভাড়ি বর্ষণে বিস্তীর্ণ এলাকায় কয়েক হাজার হেক্টর জমির পাকা বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে যেসব কৃষক ধান কাটার পর জমিতে রেখেছিলেন তাদের কাটা ধান এখন বৃষ্টির পানির নিচে তলিয়ে গেছে। শ্রমিক সংকট ও বৈরি আবহাওয়ার কারণে তারা ধান ঘরে তুলতে পারছেন না। ফলে কৃষকের চোখের সামনেই ডুবে রয়েছে তাদের হাড়ভাঙা পরিশ্রম আর ঋণের টাকায় বোনা স্বপ্ন। হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে ফসল ঘরে তুলতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পরেছেন কৃষক। কৃষি বিভাগ থেকে দ্রুত ধান কাটার পরামর্শ থাকলেও শ্রমিক সংকট ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় তা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পরেছে।
অপরদিকে টানা বর্ষণ ও দমকা হাওয়ার কারণে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গাছপালা ভেঙে পরায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের খবরও পাওয়া গেছে। যা জনদুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে। পাশাপাশি বজ্রপাতের ঝুঁকি বিবেচনায় স্থানীয় প্রশাসন সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়া এবং নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা জানান, আরও কয়েকদিন বৈরী আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। তাই জনসাধারণকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
ঢাকা
বরিশাল
রাজশাহী
চট্টগ্রাম
খুলনা
ময়মনসিংহ
রংপুর
সিলেট
আন্তর্জাতিক
বরিশালে গত দুদিন ধরে ব্রজসহ টানা ভাড়ি বর্ষণ ও দমকা হাওয়া অব্যাহত রয়েছে। এতে পাকা বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি ও বজ্রপাত জেলাজুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি করে। পরদিনও জেলার বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ ভাড়ি বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। এতে বৈরী আবহাওয়ার কারণে খেটে খাওয়া দিনমজুরদের জীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে জেলাজুড়ে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে গত দুইদিনের ভাড়ি বর্ষণে কৃষকের ক্ষেতে কাটা ধানগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি ভারি বর্ষণের সঙ্গে বজ্রপাত হওয়ায় কৃষকেরা জমিতে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। সূত্র মতে, গত দুদিন ধরে ভারি বর্ষণে বোরো ক্ষেতে পানি জমে গেছে। এর সঙ্গে দমকা হাওয়ায় পাকা বোরো ধান নুয়ে পরায় পানির সাথে মিশে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। কৃষকেরা জানান, বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হওয়ায় অনেকেই ঘরের বাইরে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক ও দিনমজুর সবচেয়ে বেশি বিপাকে পরেছেন। জেলা কৃষি কর্মকর্তারা জানান, এ সময় অতিরিক্ত বৃষ্টি ফসলের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে পাকা বোরো ধানের ক্ষেত ও সবজি ক্ষেতে পানি জমে থাকলে উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সূত্রমতে, বরিশালের বাকেরগঞ্জ, বানারীপাড়া, উজিরপুর, মুলাদী, মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলা, বাবুগঞ্জ, আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী উপজেলায় টানা দুদিনের ভাড়ি বর্ষণে বিস্তীর্ণ এলাকায় কয়েক হাজার হেক্টর জমির পাকা বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে যেসব কৃষক ধান কাটার পর জমিতে রেখেছিলেন তাদের কাটা ধান এখন বৃষ্টির পানির নিচে তলিয়ে গেছে। শ্রমিক সংকট ও বৈরি আবহাওয়ার কারণে তারা ধান ঘরে তুলতে পারছেন না। ফলে কৃষকের চোখের সামনেই ডুবে রয়েছে তাদের হাড়ভাঙা পরিশ্রম আর ঋণের টাকায় বোনা স্বপ্ন। হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে ফসল ঘরে তুলতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পরেছেন কৃষক। কৃষি বিভাগ থেকে দ্রুত ধান কাটার পরামর্শ থাকলেও শ্রমিক সংকট ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় তা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পরেছে।
অপরদিকে টানা বর্ষণ ও দমকা হাওয়ার কারণে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গাছপালা ভেঙে পরায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের খবরও পাওয়া গেছে। যা জনদুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে। পাশাপাশি বজ্রপাতের ঝুঁকি বিবেচনায় স্থানীয় প্রশাসন সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়া এবং নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা জানান, আরও কয়েকদিন বৈরী আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। তাই জনসাধারণকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
বরিশাল বিভাগ
বরিশালে গত দুদিন ধরে ব্রজসহ টানা ভাড়ি বর্ষণ ও দমকা হাওয়া অব্যাহত রয়েছে। এতে পাকা বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি ও বজ্রপাত জেলাজুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি করে। পরদিনও জেলার বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ ভাড়ি বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। এতে বৈরী আবহাওয়ার কারণে খেটে খাওয়া দিনমজুরদের জীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে জেলাজুড়ে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে গত দুইদিনের ভাড়ি বর্ষণে কৃষকের ক্ষেতে কাটা ধানগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি ভারি বর্ষণের সঙ্গে বজ্রপাত হওয়ায় কৃষকেরা জমিতে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। সূত্র মতে, গত দুদিন ধরে ভারি বর্ষণে বোরো ক্ষেতে পানি জমে গেছে। এর সঙ্গে দমকা হাওয়ায় পাকা বোরো ধান নুয়ে পরায় পানির সাথে মিশে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। কৃষকেরা জানান, বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হওয়ায় অনেকেই ঘরের বাইরে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক ও দিনমজুর সবচেয়ে বেশি বিপাকে পরেছেন। জেলা কৃষি কর্মকর্তারা জানান, এ সময় অতিরিক্ত বৃষ্টি ফসলের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে পাকা বোরো ধানের ক্ষেত ও সবজি ক্ষেতে পানি জমে থাকলে উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সূত্রমতে, বরিশালের বাকেরগঞ্জ, বানারীপাড়া, উজিরপুর, মুলাদী, মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলা, বাবুগঞ্জ, আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী উপজেলায় টানা দুদিনের ভাড়ি বর্ষণে বিস্তীর্ণ এলাকায় কয়েক হাজার হেক্টর জমির পাকা বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে যেসব কৃষক ধান কাটার পর জমিতে রেখেছিলেন তাদের কাটা ধান এখন বৃষ্টির পানির নিচে তলিয়ে গেছে। শ্রমিক সংকট ও বৈরি আবহাওয়ার কারণে তারা ধান ঘরে তুলতে পারছেন না। ফলে কৃষকের চোখের সামনেই ডুবে রয়েছে তাদের হাড়ভাঙা পরিশ্রম আর ঋণের টাকায় বোনা স্বপ্ন। হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে ফসল ঘরে তুলতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পরেছেন কৃষক। কৃষি বিভাগ থেকে দ্রুত ধান কাটার পরামর্শ থাকলেও শ্রমিক সংকট ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় তা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পরেছে।
অপরদিকে টানা বর্ষণ ও দমকা হাওয়ার কারণে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গাছপালা ভেঙে পরায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের খবরও পাওয়া গেছে। যা জনদুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে। পাশাপাশি বজ্রপাতের ঝুঁকি বিবেচনায় স্থানীয় প্রশাসন সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়া এবং নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা জানান, আরও কয়েকদিন বৈরী আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। তাই জনসাধারণকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
বরিশাল
ঝালকাঠি
পটুয়াখালী
পিরোজপুর
বরগুনা
ভোলা
বিনোদন
বরিশালে গত দুদিন ধরে ব্রজসহ টানা ভাড়ি বর্ষণ ও দমকা হাওয়া অব্যাহত রয়েছে। এতে পাকা বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি ও বজ্রপাত জেলাজুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি করে। পরদিনও জেলার বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ ভাড়ি বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। এতে বৈরী আবহাওয়ার কারণে খেটে খাওয়া দিনমজুরদের জীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে জেলাজুড়ে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে গত দুইদিনের ভাড়ি বর্ষণে কৃষকের ক্ষেতে কাটা ধানগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি ভারি বর্ষণের সঙ্গে বজ্রপাত হওয়ায় কৃষকেরা জমিতে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। সূত্র মতে, গত দুদিন ধরে ভারি বর্ষণে বোরো ক্ষেতে পানি জমে গেছে। এর সঙ্গে দমকা হাওয়ায় পাকা বোরো ধান নুয়ে পরায় পানির সাথে মিশে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। কৃষকেরা জানান, বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হওয়ায় অনেকেই ঘরের বাইরে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক ও দিনমজুর সবচেয়ে বেশি বিপাকে পরেছেন। জেলা কৃষি কর্মকর্তারা জানান, এ সময় অতিরিক্ত বৃষ্টি ফসলের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে পাকা বোরো ধানের ক্ষেত ও সবজি ক্ষেতে পানি জমে থাকলে উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সূত্রমতে, বরিশালের বাকেরগঞ্জ, বানারীপাড়া, উজিরপুর, মুলাদী, মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলা, বাবুগঞ্জ, আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী উপজেলায় টানা দুদিনের ভাড়ি বর্ষণে বিস্তীর্ণ এলাকায় কয়েক হাজার হেক্টর জমির পাকা বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে যেসব কৃষক ধান কাটার পর জমিতে রেখেছিলেন তাদের কাটা ধান এখন বৃষ্টির পানির নিচে তলিয়ে গেছে। শ্রমিক সংকট ও বৈরি আবহাওয়ার কারণে তারা ধান ঘরে তুলতে পারছেন না। ফলে কৃষকের চোখের সামনেই ডুবে রয়েছে তাদের হাড়ভাঙা পরিশ্রম আর ঋণের টাকায় বোনা স্বপ্ন। হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে ফসল ঘরে তুলতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পরেছেন কৃষক। কৃষি বিভাগ থেকে দ্রুত ধান কাটার পরামর্শ থাকলেও শ্রমিক সংকট ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় তা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পরেছে।
অপরদিকে টানা বর্ষণ ও দমকা হাওয়ার কারণে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গাছপালা ভেঙে পরায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের খবরও পাওয়া গেছে। যা জনদুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে। পাশাপাশি বজ্রপাতের ঝুঁকি বিবেচনায় স্থানীয় প্রশাসন সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়া এবং নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা জানান, আরও কয়েকদিন বৈরী আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। তাই জনসাধারণকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
খেলাধুলা
বরিশালে গত দুদিন ধরে ব্রজসহ টানা ভাড়ি বর্ষণ ও দমকা হাওয়া অব্যাহত রয়েছে। এতে পাকা বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি ও বজ্রপাত জেলাজুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি করে। পরদিনও জেলার বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ ভাড়ি বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। এতে বৈরী আবহাওয়ার কারণে খেটে খাওয়া দিনমজুরদের জীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে জেলাজুড়ে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে গত দুইদিনের ভাড়ি বর্ষণে কৃষকের ক্ষেতে কাটা ধানগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি ভারি বর্ষণের সঙ্গে বজ্রপাত হওয়ায় কৃষকেরা জমিতে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। সূত্র মতে, গত দুদিন ধরে ভারি বর্ষণে বোরো ক্ষেতে পানি জমে গেছে। এর সঙ্গে দমকা হাওয়ায় পাকা বোরো ধান নুয়ে পরায় পানির সাথে মিশে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। কৃষকেরা জানান, বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হওয়ায় অনেকেই ঘরের বাইরে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক ও দিনমজুর সবচেয়ে বেশি বিপাকে পরেছেন। জেলা কৃষি কর্মকর্তারা জানান, এ সময় অতিরিক্ত বৃষ্টি ফসলের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে পাকা বোরো ধানের ক্ষেত ও সবজি ক্ষেতে পানি জমে থাকলে উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সূত্রমতে, বরিশালের বাকেরগঞ্জ, বানারীপাড়া, উজিরপুর, মুলাদী, মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলা, বাবুগঞ্জ, আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী উপজেলায় টানা দুদিনের ভাড়ি বর্ষণে বিস্তীর্ণ এলাকায় কয়েক হাজার হেক্টর জমির পাকা বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে যেসব কৃষক ধান কাটার পর জমিতে রেখেছিলেন তাদের কাটা ধান এখন বৃষ্টির পানির নিচে তলিয়ে গেছে। শ্রমিক সংকট ও বৈরি আবহাওয়ার কারণে তারা ধান ঘরে তুলতে পারছেন না। ফলে কৃষকের চোখের সামনেই ডুবে রয়েছে তাদের হাড়ভাঙা পরিশ্রম আর ঋণের টাকায় বোনা স্বপ্ন। হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে ফসল ঘরে তুলতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পরেছেন কৃষক। কৃষি বিভাগ থেকে দ্রুত ধান কাটার পরামর্শ থাকলেও শ্রমিক সংকট ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় তা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পরেছে।
অপরদিকে টানা বর্ষণ ও দমকা হাওয়ার কারণে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গাছপালা ভেঙে পরায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের খবরও পাওয়া গেছে। যা জনদুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে। পাশাপাশি বজ্রপাতের ঝুঁকি বিবেচনায় স্থানীয় প্রশাসন সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়া এবং নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা জানান, আরও কয়েকদিন বৈরী আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। তাই জনসাধারণকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বরিশালে গত দুদিন ধরে ব্রজসহ টানা ভাড়ি বর্ষণ ও দমকা হাওয়া অব্যাহত রয়েছে। এতে পাকা বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি ও বজ্রপাত জেলাজুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি করে। পরদিনও জেলার বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ ভাড়ি বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। এতে বৈরী আবহাওয়ার কারণে খেটে খাওয়া দিনমজুরদের জীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে জেলাজুড়ে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে গত দুইদিনের ভাড়ি বর্ষণে কৃষকের ক্ষেতে কাটা ধানগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি ভারি বর্ষণের সঙ্গে বজ্রপাত হওয়ায় কৃষকেরা জমিতে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। সূত্র মতে, গত দুদিন ধরে ভারি বর্ষণে বোরো ক্ষেতে পানি জমে গেছে। এর সঙ্গে দমকা হাওয়ায় পাকা বোরো ধান নুয়ে পরায় পানির সাথে মিশে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। কৃষকেরা জানান, বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হওয়ায় অনেকেই ঘরের বাইরে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক ও দিনমজুর সবচেয়ে বেশি বিপাকে পরেছেন। জেলা কৃষি কর্মকর্তারা জানান, এ সময় অতিরিক্ত বৃষ্টি ফসলের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে পাকা বোরো ধানের ক্ষেত ও সবজি ক্ষেতে পানি জমে থাকলে উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সূত্রমতে, বরিশালের বাকেরগঞ্জ, বানারীপাড়া, উজিরপুর, মুলাদী, মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলা, বাবুগঞ্জ, আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী উপজেলায় টানা দুদিনের ভাড়ি বর্ষণে বিস্তীর্ণ এলাকায় কয়েক হাজার হেক্টর জমির পাকা বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে যেসব কৃষক ধান কাটার পর জমিতে রেখেছিলেন তাদের কাটা ধান এখন বৃষ্টির পানির নিচে তলিয়ে গেছে। শ্রমিক সংকট ও বৈরি আবহাওয়ার কারণে তারা ধান ঘরে তুলতে পারছেন না। ফলে কৃষকের চোখের সামনেই ডুবে রয়েছে তাদের হাড়ভাঙা পরিশ্রম আর ঋণের টাকায় বোনা স্বপ্ন। হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে ফসল ঘরে তুলতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পরেছেন কৃষক। কৃষি বিভাগ থেকে দ্রুত ধান কাটার পরামর্শ থাকলেও শ্রমিক সংকট ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় তা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পরেছে।
অপরদিকে টানা বর্ষণ ও দমকা হাওয়ার কারণে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গাছপালা ভেঙে পরায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের খবরও পাওয়া গেছে। যা জনদুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে। পাশাপাশি বজ্রপাতের ঝুঁকি বিবেচনায় স্থানীয় প্রশাসন সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়া এবং নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা জানান, আরও কয়েকদিন বৈরী আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। তাই জনসাধারণকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
ভিডিও
ছবিঘর
লাইফস্টাইল
স্বাস্থ্য
প্রশাসন
আবহাওয়া বার্তা
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
আইটি টেক
অর্থনীতি
ক্যাম্পাস
Category: বরিশাল
Home
বরিশাল
NS_admin_01
May 5, 2026
2 sec read
2
বরিশালে টানা বর্ষণে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি
Popular Post
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান
(22)
NS_admin_01
May 5, 2026
৭ম দিনের এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২০ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৮ জন
(21)
NS_admin_01
May 5, 2026
সকালে মুখ শুষ্ক থাকে? জেনে নিন কারণ
(17)
NS_admin_01
May 5, 2026
ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড গাড়িতে ঋণসীমা বাড়ালো বাংলাদেশ ব্যাংক
(8)
NS_admin_01
May 5, 2026
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে বড় পরিবর্তনের নির্দেশ আসতে পারে
(7)
NS_admin_01
May 5, 2026
Newsletter
Weather
Dhaka
haze
30
℃
35º - 26º
humidity:
47%
wind:
5 km/h
33
℃
Fri
33
℃
Sat
33
℃
Sun
29
℃
Mon
33
℃
Tue
34
℃
Wed