Latest post
বরিশালে মহুরি হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
কলাপাড়ায় পরিত্যক্ত ঘরে যুবকের ঝুলন্ত লাশ
বরিশালে বেগম জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত জমি উদ্ধারের দাবিতে বিক্ষোভ
Popular Posts
কলাপাড়ায় চলাচলে সড়ক আটকে বসতঘর নির্মানে ১৭ বছরের ভোগান্তি
(397)
NS_admin_03
May 11, 2026
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান
(379)
NS_admin_01
May 5, 2026
বিজয়ের উত্থানে টালমাটাল তামিলনাড়ুর পুরোনো জোট
(378)
NS_admin_01
May 5, 2026
আমি পদত্যাগ করব না: মমতা
(374)
NS_admin_01
May 5, 2026
গিনেস বুকে নাম লেখালেন পিরোজপুরের সিফাত
(364)
NS_admin_01
May 4, 2026
Stay Connected
TT Ads
প্রচ্ছদ
শরীয়তপুর
: শরীয়তপুরে নড়িয়া উপজেলায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষন করেছে দূর্বৃত্তরা। ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে উদ্ধার হয়েছে স্বামী-স্ত্রী। এ ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে তিন দূর্বৃত্ত। জানা গেছে, ২৭ জুলাই ২০২৬ সোমবার রাত ১১ ঘটিকায় শরীয়তপুর নড়িয়া থানাধীন আচুড়া গ্রামস্থ জনৈক আজিজ ঢালীর বাগান থেকে একজন কলার ‘জাতীয় জরুরি সেবা’ ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান যে, সেখানে কয়েকজন দুর্বৃত্ত মিলে এক ব্যক্তিকে আটকে রেখেছে এবং এক নারীকে নির্যাতন করছে। ৯৯৯ তাৎক্ষনিকভাবে নড়িয়া থানাকে বিষয়টি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানায়। ৯৯৯ নম্বরে কলটি রিসিভ করেছিলেন ৯৯৯ এর কলটেকার কনস্টেবল বিল্লাল হোসেন এবং এ সংক্রান্তে কলার ও সংশ্লিষ্ট থানার সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখছিলেন ৯৯৯ এর পুলিশ ডিসপাচার এসআই মো. মিজানুর রহমান। ঘটনার প্রাথমিক বিবরণে ভিকটিমের বর্ণনায় জানা যায়, ভিক্টিমের স্বামী রাজিব আহমেদ খানকে তার পরিচিত হযরত আলী খন্দকার নামে একজন লোক মোবাইল ফোনে জনৈক আজিজ ঢালীর বাগানে যাওয়ার কথা বলে। ভিকটিমের স্বামী রাজিব আহমেদ খান ঘটনাস্থলে গেলে হযরত আলী খন্দকার রাব্বি ও ইমন খন্দকারসহ আরো অজ্ঞাত তিন চারজন মিলে ভিকটিমের স্বামীকে বেঁধে ফেলে বলেন ‘তোর স্ত্রীকে ফোন দিয়ে টাকা নিয়ে আসতে বল তাহলে তোকে আমরা ছেড়ে দেব।‘ এরপর কলার তার স্ত্রী ভিকটিম ফারজানা আক্তার ফেন্সিকে (২৫) কে ফোন করে ঘটনাস্থলে আসতে বলেন। তখন ভিকটিমকে দুই ব্যক্তি আটিপাড়া থেকে একটি অটোযোগে ঘটনাস্থলে এনে ভিকটিমের স্বামীকে মারধর করে অন্যদের সহযোগিতায় হযরত আলী খন্দকার ও মোঃ রাব্বি ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ৯৯৯ থেকে সংবাদপ্রাপ্ত হয়ে নড়িয়া থানার সার্কেল অফিসার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ ও অফিসার ইনচার্জ মোঃ বাহার মিয়া, আইসি ভোজেশ্বর এসআই (নি:) জোবায়ের হোসেন ও তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিম ও ভিকটিমের স্বামীকে উদ্ধার করত: ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। তৎক্ষণাৎ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত হযরত আলী খন্দকার (৪২), পিতা- আব্দুল হাই খন্দকার, সাং-আটিপাড়া, থানা-পালং, জেলা-শরীয়তপুর. মোঃ রাব্বি (২৮),পিতামৃত- আলমগীর বেপারী, সাং-আচরা,থানা-নড়িয়া,জেলা- শরীয়তপুর এবং সহযোগী আসামী ইমন খন্দকার (২৬) পিতা-মালেক খন্দকার,সাং- আচরা,থানা-নড়িয়া,জেলা- শরীয়তপুরগণকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এ সংক্রান্তে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
জাতীয়
শরীয়তপুর
: শরীয়তপুরে নড়িয়া উপজেলায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষন করেছে দূর্বৃত্তরা। ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে উদ্ধার হয়েছে স্বামী-স্ত্রী। এ ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে তিন দূর্বৃত্ত। জানা গেছে, ২৭ জুলাই ২০২৬ সোমবার রাত ১১ ঘটিকায় শরীয়তপুর নড়িয়া থানাধীন আচুড়া গ্রামস্থ জনৈক আজিজ ঢালীর বাগান থেকে একজন কলার ‘জাতীয় জরুরি সেবা’ ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান যে, সেখানে কয়েকজন দুর্বৃত্ত মিলে এক ব্যক্তিকে আটকে রেখেছে এবং এক নারীকে নির্যাতন করছে। ৯৯৯ তাৎক্ষনিকভাবে নড়িয়া থানাকে বিষয়টি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানায়। ৯৯৯ নম্বরে কলটি রিসিভ করেছিলেন ৯৯৯ এর কলটেকার কনস্টেবল বিল্লাল হোসেন এবং এ সংক্রান্তে কলার ও সংশ্লিষ্ট থানার সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখছিলেন ৯৯৯ এর পুলিশ ডিসপাচার এসআই মো. মিজানুর রহমান। ঘটনার প্রাথমিক বিবরণে ভিকটিমের বর্ণনায় জানা যায়, ভিক্টিমের স্বামী রাজিব আহমেদ খানকে তার পরিচিত হযরত আলী খন্দকার নামে একজন লোক মোবাইল ফোনে জনৈক আজিজ ঢালীর বাগানে যাওয়ার কথা বলে। ভিকটিমের স্বামী রাজিব আহমেদ খান ঘটনাস্থলে গেলে হযরত আলী খন্দকার রাব্বি ও ইমন খন্দকারসহ আরো অজ্ঞাত তিন চারজন মিলে ভিকটিমের স্বামীকে বেঁধে ফেলে বলেন ‘তোর স্ত্রীকে ফোন দিয়ে টাকা নিয়ে আসতে বল তাহলে তোকে আমরা ছেড়ে দেব।‘ এরপর কলার তার স্ত্রী ভিকটিম ফারজানা আক্তার ফেন্সিকে (২৫) কে ফোন করে ঘটনাস্থলে আসতে বলেন। তখন ভিকটিমকে দুই ব্যক্তি আটিপাড়া থেকে একটি অটোযোগে ঘটনাস্থলে এনে ভিকটিমের স্বামীকে মারধর করে অন্যদের সহযোগিতায় হযরত আলী খন্দকার ও মোঃ রাব্বি ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ৯৯৯ থেকে সংবাদপ্রাপ্ত হয়ে নড়িয়া থানার সার্কেল অফিসার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ ও অফিসার ইনচার্জ মোঃ বাহার মিয়া, আইসি ভোজেশ্বর এসআই (নি:) জোবায়ের হোসেন ও তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিম ও ভিকটিমের স্বামীকে উদ্ধার করত: ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। তৎক্ষণাৎ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত হযরত আলী খন্দকার (৪২), পিতা- আব্দুল হাই খন্দকার, সাং-আটিপাড়া, থানা-পালং, জেলা-শরীয়তপুর. মোঃ রাব্বি (২৮),পিতামৃত- আলমগীর বেপারী, সাং-আচরা,থানা-নড়িয়া,জেলা- শরীয়তপুর এবং সহযোগী আসামী ইমন খন্দকার (২৬) পিতা-মালেক খন্দকার,সাং- আচরা,থানা-নড়িয়া,জেলা- শরীয়তপুরগণকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এ সংক্রান্তে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
রাজনীতি
শরীয়তপুর
: শরীয়তপুরে নড়িয়া উপজেলায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষন করেছে দূর্বৃত্তরা। ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে উদ্ধার হয়েছে স্বামী-স্ত্রী। এ ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে তিন দূর্বৃত্ত। জানা গেছে, ২৭ জুলাই ২০২৬ সোমবার রাত ১১ ঘটিকায় শরীয়তপুর নড়িয়া থানাধীন আচুড়া গ্রামস্থ জনৈক আজিজ ঢালীর বাগান থেকে একজন কলার ‘জাতীয় জরুরি সেবা’ ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান যে, সেখানে কয়েকজন দুর্বৃত্ত মিলে এক ব্যক্তিকে আটকে রেখেছে এবং এক নারীকে নির্যাতন করছে। ৯৯৯ তাৎক্ষনিকভাবে নড়িয়া থানাকে বিষয়টি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানায়। ৯৯৯ নম্বরে কলটি রিসিভ করেছিলেন ৯৯৯ এর কলটেকার কনস্টেবল বিল্লাল হোসেন এবং এ সংক্রান্তে কলার ও সংশ্লিষ্ট থানার সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখছিলেন ৯৯৯ এর পুলিশ ডিসপাচার এসআই মো. মিজানুর রহমান। ঘটনার প্রাথমিক বিবরণে ভিকটিমের বর্ণনায় জানা যায়, ভিক্টিমের স্বামী রাজিব আহমেদ খানকে তার পরিচিত হযরত আলী খন্দকার নামে একজন লোক মোবাইল ফোনে জনৈক আজিজ ঢালীর বাগানে যাওয়ার কথা বলে। ভিকটিমের স্বামী রাজিব আহমেদ খান ঘটনাস্থলে গেলে হযরত আলী খন্দকার রাব্বি ও ইমন খন্দকারসহ আরো অজ্ঞাত তিন চারজন মিলে ভিকটিমের স্বামীকে বেঁধে ফেলে বলেন ‘তোর স্ত্রীকে ফোন দিয়ে টাকা নিয়ে আসতে বল তাহলে তোকে আমরা ছেড়ে দেব।‘ এরপর কলার তার স্ত্রী ভিকটিম ফারজানা আক্তার ফেন্সিকে (২৫) কে ফোন করে ঘটনাস্থলে আসতে বলেন। তখন ভিকটিমকে দুই ব্যক্তি আটিপাড়া থেকে একটি অটোযোগে ঘটনাস্থলে এনে ভিকটিমের স্বামীকে মারধর করে অন্যদের সহযোগিতায় হযরত আলী খন্দকার ও মোঃ রাব্বি ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ৯৯৯ থেকে সংবাদপ্রাপ্ত হয়ে নড়িয়া থানার সার্কেল অফিসার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ ও অফিসার ইনচার্জ মোঃ বাহার মিয়া, আইসি ভোজেশ্বর এসআই (নি:) জোবায়ের হোসেন ও তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিম ও ভিকটিমের স্বামীকে উদ্ধার করত: ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। তৎক্ষণাৎ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত হযরত আলী খন্দকার (৪২), পিতা- আব্দুল হাই খন্দকার, সাং-আটিপাড়া, থানা-পালং, জেলা-শরীয়তপুর. মোঃ রাব্বি (২৮),পিতামৃত- আলমগীর বেপারী, সাং-আচরা,থানা-নড়িয়া,জেলা- শরীয়তপুর এবং সহযোগী আসামী ইমন খন্দকার (২৬) পিতা-মালেক খন্দকার,সাং- আচরা,থানা-নড়িয়া,জেলা- শরীয়তপুরগণকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এ সংক্রান্তে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
সারাদেশ
শরীয়তপুর
: শরীয়তপুরে নড়িয়া উপজেলায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষন করেছে দূর্বৃত্তরা। ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে উদ্ধার হয়েছে স্বামী-স্ত্রী। এ ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে তিন দূর্বৃত্ত। জানা গেছে, ২৭ জুলাই ২০২৬ সোমবার রাত ১১ ঘটিকায় শরীয়তপুর নড়িয়া থানাধীন আচুড়া গ্রামস্থ জনৈক আজিজ ঢালীর বাগান থেকে একজন কলার ‘জাতীয় জরুরি সেবা’ ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান যে, সেখানে কয়েকজন দুর্বৃত্ত মিলে এক ব্যক্তিকে আটকে রেখেছে এবং এক নারীকে নির্যাতন করছে। ৯৯৯ তাৎক্ষনিকভাবে নড়িয়া থানাকে বিষয়টি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানায়। ৯৯৯ নম্বরে কলটি রিসিভ করেছিলেন ৯৯৯ এর কলটেকার কনস্টেবল বিল্লাল হোসেন এবং এ সংক্রান্তে কলার ও সংশ্লিষ্ট থানার সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখছিলেন ৯৯৯ এর পুলিশ ডিসপাচার এসআই মো. মিজানুর রহমান। ঘটনার প্রাথমিক বিবরণে ভিকটিমের বর্ণনায় জানা যায়, ভিক্টিমের স্বামী রাজিব আহমেদ খানকে তার পরিচিত হযরত আলী খন্দকার নামে একজন লোক মোবাইল ফোনে জনৈক আজিজ ঢালীর বাগানে যাওয়ার কথা বলে। ভিকটিমের স্বামী রাজিব আহমেদ খান ঘটনাস্থলে গেলে হযরত আলী খন্দকার রাব্বি ও ইমন খন্দকারসহ আরো অজ্ঞাত তিন চারজন মিলে ভিকটিমের স্বামীকে বেঁধে ফেলে বলেন ‘তোর স্ত্রীকে ফোন দিয়ে টাকা নিয়ে আসতে বল তাহলে তোকে আমরা ছেড়ে দেব।‘ এরপর কলার তার স্ত্রী ভিকটিম ফারজানা আক্তার ফেন্সিকে (২৫) কে ফোন করে ঘটনাস্থলে আসতে বলেন। তখন ভিকটিমকে দুই ব্যক্তি আটিপাড়া থেকে একটি অটোযোগে ঘটনাস্থলে এনে ভিকটিমের স্বামীকে মারধর করে অন্যদের সহযোগিতায় হযরত আলী খন্দকার ও মোঃ রাব্বি ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ৯৯৯ থেকে সংবাদপ্রাপ্ত হয়ে নড়িয়া থানার সার্কেল অফিসার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ ও অফিসার ইনচার্জ মোঃ বাহার মিয়া, আইসি ভোজেশ্বর এসআই (নি:) জোবায়ের হোসেন ও তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিম ও ভিকটিমের স্বামীকে উদ্ধার করত: ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। তৎক্ষণাৎ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত হযরত আলী খন্দকার (৪২), পিতা- আব্দুল হাই খন্দকার, সাং-আটিপাড়া, থানা-পালং, জেলা-শরীয়তপুর. মোঃ রাব্বি (২৮),পিতামৃত- আলমগীর বেপারী, সাং-আচরা,থানা-নড়িয়া,জেলা- শরীয়তপুর এবং সহযোগী আসামী ইমন খন্দকার (২৬) পিতা-মালেক খন্দকার,সাং- আচরা,থানা-নড়িয়া,জেলা- শরীয়তপুরগণকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এ সংক্রান্তে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
ঢাকা
বরিশাল
রাজশাহী
চট্টগ্রাম
খুলনা
ময়মনসিংহ
রংপুর
সিলেট
আন্তর্জাতিক
শরীয়তপুর
: শরীয়তপুরে নড়িয়া উপজেলায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষন করেছে দূর্বৃত্তরা। ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে উদ্ধার হয়েছে স্বামী-স্ত্রী। এ ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে তিন দূর্বৃত্ত। জানা গেছে, ২৭ জুলাই ২০২৬ সোমবার রাত ১১ ঘটিকায় শরীয়তপুর নড়িয়া থানাধীন আচুড়া গ্রামস্থ জনৈক আজিজ ঢালীর বাগান থেকে একজন কলার ‘জাতীয় জরুরি সেবা’ ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান যে, সেখানে কয়েকজন দুর্বৃত্ত মিলে এক ব্যক্তিকে আটকে রেখেছে এবং এক নারীকে নির্যাতন করছে। ৯৯৯ তাৎক্ষনিকভাবে নড়িয়া থানাকে বিষয়টি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানায়। ৯৯৯ নম্বরে কলটি রিসিভ করেছিলেন ৯৯৯ এর কলটেকার কনস্টেবল বিল্লাল হোসেন এবং এ সংক্রান্তে কলার ও সংশ্লিষ্ট থানার সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখছিলেন ৯৯৯ এর পুলিশ ডিসপাচার এসআই মো. মিজানুর রহমান। ঘটনার প্রাথমিক বিবরণে ভিকটিমের বর্ণনায় জানা যায়, ভিক্টিমের স্বামী রাজিব আহমেদ খানকে তার পরিচিত হযরত আলী খন্দকার নামে একজন লোক মোবাইল ফোনে জনৈক আজিজ ঢালীর বাগানে যাওয়ার কথা বলে। ভিকটিমের স্বামী রাজিব আহমেদ খান ঘটনাস্থলে গেলে হযরত আলী খন্দকার রাব্বি ও ইমন খন্দকারসহ আরো অজ্ঞাত তিন চারজন মিলে ভিকটিমের স্বামীকে বেঁধে ফেলে বলেন ‘তোর স্ত্রীকে ফোন দিয়ে টাকা নিয়ে আসতে বল তাহলে তোকে আমরা ছেড়ে দেব।‘ এরপর কলার তার স্ত্রী ভিকটিম ফারজানা আক্তার ফেন্সিকে (২৫) কে ফোন করে ঘটনাস্থলে আসতে বলেন। তখন ভিকটিমকে দুই ব্যক্তি আটিপাড়া থেকে একটি অটোযোগে ঘটনাস্থলে এনে ভিকটিমের স্বামীকে মারধর করে অন্যদের সহযোগিতায় হযরত আলী খন্দকার ও মোঃ রাব্বি ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ৯৯৯ থেকে সংবাদপ্রাপ্ত হয়ে নড়িয়া থানার সার্কেল অফিসার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ ও অফিসার ইনচার্জ মোঃ বাহার মিয়া, আইসি ভোজেশ্বর এসআই (নি:) জোবায়ের হোসেন ও তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিম ও ভিকটিমের স্বামীকে উদ্ধার করত: ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। তৎক্ষণাৎ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত হযরত আলী খন্দকার (৪২), পিতা- আব্দুল হাই খন্দকার, সাং-আটিপাড়া, থানা-পালং, জেলা-শরীয়তপুর. মোঃ রাব্বি (২৮),পিতামৃত- আলমগীর বেপারী, সাং-আচরা,থানা-নড়িয়া,জেলা- শরীয়তপুর এবং সহযোগী আসামী ইমন খন্দকার (২৬) পিতা-মালেক খন্দকার,সাং- আচরা,থানা-নড়িয়া,জেলা- শরীয়তপুরগণকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এ সংক্রান্তে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশাল বিভাগ
শরীয়তপুর
: শরীয়তপুরে নড়িয়া উপজেলায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষন করেছে দূর্বৃত্তরা। ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে উদ্ধার হয়েছে স্বামী-স্ত্রী। এ ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে তিন দূর্বৃত্ত। জানা গেছে, ২৭ জুলাই ২০২৬ সোমবার রাত ১১ ঘটিকায় শরীয়তপুর নড়িয়া থানাধীন আচুড়া গ্রামস্থ জনৈক আজিজ ঢালীর বাগান থেকে একজন কলার ‘জাতীয় জরুরি সেবা’ ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান যে, সেখানে কয়েকজন দুর্বৃত্ত মিলে এক ব্যক্তিকে আটকে রেখেছে এবং এক নারীকে নির্যাতন করছে। ৯৯৯ তাৎক্ষনিকভাবে নড়িয়া থানাকে বিষয়টি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানায়। ৯৯৯ নম্বরে কলটি রিসিভ করেছিলেন ৯৯৯ এর কলটেকার কনস্টেবল বিল্লাল হোসেন এবং এ সংক্রান্তে কলার ও সংশ্লিষ্ট থানার সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখছিলেন ৯৯৯ এর পুলিশ ডিসপাচার এসআই মো. মিজানুর রহমান। ঘটনার প্রাথমিক বিবরণে ভিকটিমের বর্ণনায় জানা যায়, ভিক্টিমের স্বামী রাজিব আহমেদ খানকে তার পরিচিত হযরত আলী খন্দকার নামে একজন লোক মোবাইল ফোনে জনৈক আজিজ ঢালীর বাগানে যাওয়ার কথা বলে। ভিকটিমের স্বামী রাজিব আহমেদ খান ঘটনাস্থলে গেলে হযরত আলী খন্দকার রাব্বি ও ইমন খন্দকারসহ আরো অজ্ঞাত তিন চারজন মিলে ভিকটিমের স্বামীকে বেঁধে ফেলে বলেন ‘তোর স্ত্রীকে ফোন দিয়ে টাকা নিয়ে আসতে বল তাহলে তোকে আমরা ছেড়ে দেব।‘ এরপর কলার তার স্ত্রী ভিকটিম ফারজানা আক্তার ফেন্সিকে (২৫) কে ফোন করে ঘটনাস্থলে আসতে বলেন। তখন ভিকটিমকে দুই ব্যক্তি আটিপাড়া থেকে একটি অটোযোগে ঘটনাস্থলে এনে ভিকটিমের স্বামীকে মারধর করে অন্যদের সহযোগিতায় হযরত আলী খন্দকার ও মোঃ রাব্বি ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ৯৯৯ থেকে সংবাদপ্রাপ্ত হয়ে নড়িয়া থানার সার্কেল অফিসার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ ও অফিসার ইনচার্জ মোঃ বাহার মিয়া, আইসি ভোজেশ্বর এসআই (নি:) জোবায়ের হোসেন ও তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিম ও ভিকটিমের স্বামীকে উদ্ধার করত: ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। তৎক্ষণাৎ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত হযরত আলী খন্দকার (৪২), পিতা- আব্দুল হাই খন্দকার, সাং-আটিপাড়া, থানা-পালং, জেলা-শরীয়তপুর. মোঃ রাব্বি (২৮),পিতামৃত- আলমগীর বেপারী, সাং-আচরা,থানা-নড়িয়া,জেলা- শরীয়তপুর এবং সহযোগী আসামী ইমন খন্দকার (২৬) পিতা-মালেক খন্দকার,সাং- আচরা,থানা-নড়িয়া,জেলা- শরীয়তপুরগণকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এ সংক্রান্তে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশাল
ঝালকাঠি
পটুয়াখালী
পিরোজপুর
বরগুনা
ভোলা
বিনোদন
শরীয়তপুর
: শরীয়তপুরে নড়িয়া উপজেলায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষন করেছে দূর্বৃত্তরা। ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে উদ্ধার হয়েছে স্বামী-স্ত্রী। এ ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে তিন দূর্বৃত্ত। জানা গেছে, ২৭ জুলাই ২০২৬ সোমবার রাত ১১ ঘটিকায় শরীয়তপুর নড়িয়া থানাধীন আচুড়া গ্রামস্থ জনৈক আজিজ ঢালীর বাগান থেকে একজন কলার ‘জাতীয় জরুরি সেবা’ ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান যে, সেখানে কয়েকজন দুর্বৃত্ত মিলে এক ব্যক্তিকে আটকে রেখেছে এবং এক নারীকে নির্যাতন করছে। ৯৯৯ তাৎক্ষনিকভাবে নড়িয়া থানাকে বিষয়টি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানায়। ৯৯৯ নম্বরে কলটি রিসিভ করেছিলেন ৯৯৯ এর কলটেকার কনস্টেবল বিল্লাল হোসেন এবং এ সংক্রান্তে কলার ও সংশ্লিষ্ট থানার সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখছিলেন ৯৯৯ এর পুলিশ ডিসপাচার এসআই মো. মিজানুর রহমান। ঘটনার প্রাথমিক বিবরণে ভিকটিমের বর্ণনায় জানা যায়, ভিক্টিমের স্বামী রাজিব আহমেদ খানকে তার পরিচিত হযরত আলী খন্দকার নামে একজন লোক মোবাইল ফোনে জনৈক আজিজ ঢালীর বাগানে যাওয়ার কথা বলে। ভিকটিমের স্বামী রাজিব আহমেদ খান ঘটনাস্থলে গেলে হযরত আলী খন্দকার রাব্বি ও ইমন খন্দকারসহ আরো অজ্ঞাত তিন চারজন মিলে ভিকটিমের স্বামীকে বেঁধে ফেলে বলেন ‘তোর স্ত্রীকে ফোন দিয়ে টাকা নিয়ে আসতে বল তাহলে তোকে আমরা ছেড়ে দেব।‘ এরপর কলার তার স্ত্রী ভিকটিম ফারজানা আক্তার ফেন্সিকে (২৫) কে ফোন করে ঘটনাস্থলে আসতে বলেন। তখন ভিকটিমকে দুই ব্যক্তি আটিপাড়া থেকে একটি অটোযোগে ঘটনাস্থলে এনে ভিকটিমের স্বামীকে মারধর করে অন্যদের সহযোগিতায় হযরত আলী খন্দকার ও মোঃ রাব্বি ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ৯৯৯ থেকে সংবাদপ্রাপ্ত হয়ে নড়িয়া থানার সার্কেল অফিসার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ ও অফিসার ইনচার্জ মোঃ বাহার মিয়া, আইসি ভোজেশ্বর এসআই (নি:) জোবায়ের হোসেন ও তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিম ও ভিকটিমের স্বামীকে উদ্ধার করত: ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। তৎক্ষণাৎ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত হযরত আলী খন্দকার (৪২), পিতা- আব্দুল হাই খন্দকার, সাং-আটিপাড়া, থানা-পালং, জেলা-শরীয়তপুর. মোঃ রাব্বি (২৮),পিতামৃত- আলমগীর বেপারী, সাং-আচরা,থানা-নড়িয়া,জেলা- শরীয়তপুর এবং সহযোগী আসামী ইমন খন্দকার (২৬) পিতা-মালেক খন্দকার,সাং- আচরা,থানা-নড়িয়া,জেলা- শরীয়তপুরগণকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এ সংক্রান্তে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
খেলাধুলা
শরীয়তপুর
: শরীয়তপুরে নড়িয়া উপজেলায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষন করেছে দূর্বৃত্তরা। ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে উদ্ধার হয়েছে স্বামী-স্ত্রী। এ ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে তিন দূর্বৃত্ত। জানা গেছে, ২৭ জুলাই ২০২৬ সোমবার রাত ১১ ঘটিকায় শরীয়তপুর নড়িয়া থানাধীন আচুড়া গ্রামস্থ জনৈক আজিজ ঢালীর বাগান থেকে একজন কলার ‘জাতীয় জরুরি সেবা’ ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান যে, সেখানে কয়েকজন দুর্বৃত্ত মিলে এক ব্যক্তিকে আটকে রেখেছে এবং এক নারীকে নির্যাতন করছে। ৯৯৯ তাৎক্ষনিকভাবে নড়িয়া থানাকে বিষয়টি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানায়। ৯৯৯ নম্বরে কলটি রিসিভ করেছিলেন ৯৯৯ এর কলটেকার কনস্টেবল বিল্লাল হোসেন এবং এ সংক্রান্তে কলার ও সংশ্লিষ্ট থানার সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখছিলেন ৯৯৯ এর পুলিশ ডিসপাচার এসআই মো. মিজানুর রহমান। ঘটনার প্রাথমিক বিবরণে ভিকটিমের বর্ণনায় জানা যায়, ভিক্টিমের স্বামী রাজিব আহমেদ খানকে তার পরিচিত হযরত আলী খন্দকার নামে একজন লোক মোবাইল ফোনে জনৈক আজিজ ঢালীর বাগানে যাওয়ার কথা বলে। ভিকটিমের স্বামী রাজিব আহমেদ খান ঘটনাস্থলে গেলে হযরত আলী খন্দকার রাব্বি ও ইমন খন্দকারসহ আরো অজ্ঞাত তিন চারজন মিলে ভিকটিমের স্বামীকে বেঁধে ফেলে বলেন ‘তোর স্ত্রীকে ফোন দিয়ে টাকা নিয়ে আসতে বল তাহলে তোকে আমরা ছেড়ে দেব।‘ এরপর কলার তার স্ত্রী ভিকটিম ফারজানা আক্তার ফেন্সিকে (২৫) কে ফোন করে ঘটনাস্থলে আসতে বলেন। তখন ভিকটিমকে দুই ব্যক্তি আটিপাড়া থেকে একটি অটোযোগে ঘটনাস্থলে এনে ভিকটিমের স্বামীকে মারধর করে অন্যদের সহযোগিতায় হযরত আলী খন্দকার ও মোঃ রাব্বি ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ৯৯৯ থেকে সংবাদপ্রাপ্ত হয়ে নড়িয়া থানার সার্কেল অফিসার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ ও অফিসার ইনচার্জ মোঃ বাহার মিয়া, আইসি ভোজেশ্বর এসআই (নি:) জোবায়ের হোসেন ও তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিম ও ভিকটিমের স্বামীকে উদ্ধার করত: ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। তৎক্ষণাৎ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত হযরত আলী খন্দকার (৪২), পিতা- আব্দুল হাই খন্দকার, সাং-আটিপাড়া, থানা-পালং, জেলা-শরীয়তপুর. মোঃ রাব্বি (২৮),পিতামৃত- আলমগীর বেপারী, সাং-আচরা,থানা-নড়িয়া,জেলা- শরীয়তপুর এবং সহযোগী আসামী ইমন খন্দকার (২৬)