Newsside24.com Newsside24.com

Latest post

বরিশালে মহুরি হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

বরিশালে মহুরি হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

  • NS_admin_03
  • September 22, 2026
কলাপাড়ায় পরিত্যক্ত ঘরে যুবকের ঝুলন্ত লাশ

কলাপাড়ায় পরিত্যক্ত ঘরে যুবকের ঝুলন্ত লাশ

  • NS_admin_03
  • September 21, 2026
বরিশালে বেগম জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত জমি উদ্ধারের দাবিতে বিক্ষোভ

বরিশালে বেগম জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত জমি উদ্ধারের দাবিতে বিক্ষোভ

  • NS_admin_03
  • September 20, 2026

Popular Posts

কলাপাড়ায় চলাচলে সড়ক আটকে বসতঘর নির্মানে ১৭ বছরের ভোগান্তি

কলাপাড়ায় চলাচলে সড়ক আটকে বসতঘর নির্মানে ১৭ বছরের ভোগান্তি (397)

  • NS_admin_03
  • May 11, 2026
বিজয়ের উত্থানে টালমাটাল তামিলনাড়ুর পুরোনো জোট

বিজয়ের উত্থানে টালমাটাল তামিলনাড়ুর পুরোনো জোট (378)

  • NS_admin_01
  • May 5, 2026
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান (377)

  • NS_admin_01
  • May 5, 2026
আমি পদত্যাগ করব না: মমতা

আমি পদত্যাগ করব না: মমতা (374)

  • NS_admin_01
  • May 5, 2026
গিনেস বুকে নাম লেখালেন পিরোজপুরের সিফাত

গিনেস বুকে নাম লেখালেন পিরোজপুরের সিফাত (364)

  • NS_admin_01
  • May 4, 2026

Stay Connected

Newsside24.com Newsside24.com

TT Ads
  • প্রচ্ছদ
      ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:  সুদীর্ঘ ১৭টি বছর ধরে অপেক্ষার প্রহর গুণছিলেন—একদিন চাকরিটা স্থায়ী হবে, দূর হবে ভবিষ্যতের সব অনিশ্চয়তা। কিন্তু সেই কাঙ্ক্ষিত স্থায়ী নিয়োগের সুবিধাই শেষ পর্যন্ত কাল হয়ে দাঁড়াল সাগর হালদারের (৩৭) জীবনে। পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের আউটসোর্সিং ডাটা এন্ট্রি অপারেটর সাগর হালদার গত ১০ জুলাই অংশ নিয়েছিলেন কাঙ্ক্ষিত স্থায়ীকরণ পরীক্ষায়। কিন্তু পরীক্ষা আশানুরূপ না হওয়ায় তীব্র হতাশা ও মানসিক দুশ্চিন্তা গ্রাস করে তাকে। সেই যে ভেঙে পড়েছিলেন, আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারলেন না। পরীক্ষার মাত্র তিনদিনের মাথায়, গত ২৮ জুলাই অফিসে কর্মরত অবস্থাতেই হঠাৎ তীব্র ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন তিনি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে ভর্তি করা হয় ঢাকার আগারগাঁওস্থ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে। সেখানে দীর্ঘ ১০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০:৩০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। নিহত সাগর হালদার পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাজারের বাসিন্দা মনিন্দ্র নাথ হালদারের সন্তান। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই দশক ধরে নির্বাচন অফিসে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে এলেও আউটসোর্সিং পদের অনিশ্চয়তা তাকে প্রতিনিয়ত তাড়া করে বেড়াত। সম্প্রতি পদটি স্থায়ী করার উদ্যোগ নেওয়া হলে নতুন করে স্বপ্নের বুনন শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু পরীক্ষার ফল নিয়ে হতাশা তাকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেয়, যা তিনি সহ্য করতে পারেননি। স্বামীর অকালপ্রয়াণে দিশেহারা স্ত্রী লক্ষ্মী মালো কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "দীর্ঘ ১৭টি বছর একটা পদে কাজ করার পরও চাকরি স্থায়ী না হওয়ার ভয় আর পরিবার নিয়ে চিন্তায় উনি মানসিকভাবে একদম ভেঙে পড়েছিলেন। এই দুশ্চিন্তাই ওনার প্রাণটা কেড়ে নিল।" মৃত্যুকালে সাগর হালদার রেখে গেছেন মাত্র ২ বছর ২ মাস বয়সী দুটি জমজ কন্যা সন্তান। বাবার স্নেহ ও আশ্রয় বোঝার আগেই অবুঝ দুটি শিশুর ভবিষ্যৎ এখন ঘোর অনিশ্চয়তায় ঢেকে গেছে। একদিকে এক তরুণের সুদীর্ঘ ১৭ বছরের শ্রম আর স্থায়ী পদের স্বপ্ন, অন্যদিকে অকালে এতিম হয়ে যাওয়া দুটি নিষ্পাপ শিশু—সাগর হালদারের এই আকস্মিক ও করুণ বিদায় ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসসহ গোটা এলাকায় এক ভারী শোকের আবহাওয়া সৃষ্টি করেছে।
  • জাতীয়
      ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:  সুদীর্ঘ ১৭টি বছর ধরে অপেক্ষার প্রহর গুণছিলেন—একদিন চাকরিটা স্থায়ী হবে, দূর হবে ভবিষ্যতের সব অনিশ্চয়তা। কিন্তু সেই কাঙ্ক্ষিত স্থায়ী নিয়োগের সুবিধাই শেষ পর্যন্ত কাল হয়ে দাঁড়াল সাগর হালদারের (৩৭) জীবনে। পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের আউটসোর্সিং ডাটা এন্ট্রি অপারেটর সাগর হালদার গত ১০ জুলাই অংশ নিয়েছিলেন কাঙ্ক্ষিত স্থায়ীকরণ পরীক্ষায়। কিন্তু পরীক্ষা আশানুরূপ না হওয়ায় তীব্র হতাশা ও মানসিক দুশ্চিন্তা গ্রাস করে তাকে। সেই যে ভেঙে পড়েছিলেন, আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারলেন না। পরীক্ষার মাত্র তিনদিনের মাথায়, গত ২৮ জুলাই অফিসে কর্মরত অবস্থাতেই হঠাৎ তীব্র ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন তিনি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে ভর্তি করা হয় ঢাকার আগারগাঁওস্থ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে। সেখানে দীর্ঘ ১০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০:৩০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। নিহত সাগর হালদার পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাজারের বাসিন্দা মনিন্দ্র নাথ হালদারের সন্তান। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই দশক ধরে নির্বাচন অফিসে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে এলেও আউটসোর্সিং পদের অনিশ্চয়তা তাকে প্রতিনিয়ত তাড়া করে বেড়াত। সম্প্রতি পদটি স্থায়ী করার উদ্যোগ নেওয়া হলে নতুন করে স্বপ্নের বুনন শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু পরীক্ষার ফল নিয়ে হতাশা তাকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেয়, যা তিনি সহ্য করতে পারেননি। স্বামীর অকালপ্রয়াণে দিশেহারা স্ত্রী লক্ষ্মী মালো কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "দীর্ঘ ১৭টি বছর একটা পদে কাজ করার পরও চাকরি স্থায়ী না হওয়ার ভয় আর পরিবার নিয়ে চিন্তায় উনি মানসিকভাবে একদম ভেঙে পড়েছিলেন। এই দুশ্চিন্তাই ওনার প্রাণটা কেড়ে নিল।" মৃত্যুকালে সাগর হালদার রেখে গেছেন মাত্র ২ বছর ২ মাস বয়সী দুটি জমজ কন্যা সন্তান। বাবার স্নেহ ও আশ্রয় বোঝার আগেই অবুঝ দুটি শিশুর ভবিষ্যৎ এখন ঘোর অনিশ্চয়তায় ঢেকে গেছে। একদিকে এক তরুণের সুদীর্ঘ ১৭ বছরের শ্রম আর স্থায়ী পদের স্বপ্ন, অন্যদিকে অকালে এতিম হয়ে যাওয়া দুটি নিষ্পাপ শিশু—সাগর হালদারের এই আকস্মিক ও করুণ বিদায় ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসসহ গোটা এলাকায় এক ভারী শোকের আবহাওয়া সৃষ্টি করেছে।
  • রাজনীতি
      ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:  সুদীর্ঘ ১৭টি বছর ধরে অপেক্ষার প্রহর গুণছিলেন—একদিন চাকরিটা স্থায়ী হবে, দূর হবে ভবিষ্যতের সব অনিশ্চয়তা। কিন্তু সেই কাঙ্ক্ষিত স্থায়ী নিয়োগের সুবিধাই শেষ পর্যন্ত কাল হয়ে দাঁড়াল সাগর হালদারের (৩৭) জীবনে। পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের আউটসোর্সিং ডাটা এন্ট্রি অপারেটর সাগর হালদার গত ১০ জুলাই অংশ নিয়েছিলেন কাঙ্ক্ষিত স্থায়ীকরণ পরীক্ষায়। কিন্তু পরীক্ষা আশানুরূপ না হওয়ায় তীব্র হতাশা ও মানসিক দুশ্চিন্তা গ্রাস করে তাকে। সেই যে ভেঙে পড়েছিলেন, আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারলেন না। পরীক্ষার মাত্র তিনদিনের মাথায়, গত ২৮ জুলাই অফিসে কর্মরত অবস্থাতেই হঠাৎ তীব্র ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন তিনি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে ভর্তি করা হয় ঢাকার আগারগাঁওস্থ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে। সেখানে দীর্ঘ ১০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০:৩০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। নিহত সাগর হালদার পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাজারের বাসিন্দা মনিন্দ্র নাথ হালদারের সন্তান। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই দশক ধরে নির্বাচন অফিসে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে এলেও আউটসোর্সিং পদের অনিশ্চয়তা তাকে প্রতিনিয়ত তাড়া করে বেড়াত। সম্প্রতি পদটি স্থায়ী করার উদ্যোগ নেওয়া হলে নতুন করে স্বপ্নের বুনন শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু পরীক্ষার ফল নিয়ে হতাশা তাকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেয়, যা তিনি সহ্য করতে পারেননি। স্বামীর অকালপ্রয়াণে দিশেহারা স্ত্রী লক্ষ্মী মালো কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "দীর্ঘ ১৭টি বছর একটা পদে কাজ করার পরও চাকরি স্থায়ী না হওয়ার ভয় আর পরিবার নিয়ে চিন্তায় উনি মানসিকভাবে একদম ভেঙে পড়েছিলেন। এই দুশ্চিন্তাই ওনার প্রাণটা কেড়ে নিল।" মৃত্যুকালে সাগর হালদার রেখে গেছেন মাত্র ২ বছর ২ মাস বয়সী দুটি জমজ কন্যা সন্তান। বাবার স্নেহ ও আশ্রয় বোঝার আগেই অবুঝ দুটি শিশুর ভবিষ্যৎ এখন ঘোর অনিশ্চয়তায় ঢেকে গেছে। একদিকে এক তরুণের সুদীর্ঘ ১৭ বছরের শ্রম আর স্থায়ী পদের স্বপ্ন, অন্যদিকে অকালে এতিম হয়ে যাওয়া দুটি নিষ্পাপ শিশু—সাগর হালদারের এই আকস্মিক ও করুণ বিদায় ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসসহ গোটা এলাকায় এক ভারী শোকের আবহাওয়া সৃষ্টি করেছে।
  • সারাদেশ
      ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:  সুদীর্ঘ ১৭টি বছর ধরে অপেক্ষার প্রহর গুণছিলেন—একদিন চাকরিটা স্থায়ী হবে, দূর হবে ভবিষ্যতের সব অনিশ্চয়তা। কিন্তু সেই কাঙ্ক্ষিত স্থায়ী নিয়োগের সুবিধাই শেষ পর্যন্ত কাল হয়ে দাঁড়াল সাগর হালদারের (৩৭) জীবনে। পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের আউটসোর্সিং ডাটা এন্ট্রি অপারেটর সাগর হালদার গত ১০ জুলাই অংশ নিয়েছিলেন কাঙ্ক্ষিত স্থায়ীকরণ পরীক্ষায়। কিন্তু পরীক্ষা আশানুরূপ না হওয়ায় তীব্র হতাশা ও মানসিক দুশ্চিন্তা গ্রাস করে তাকে। সেই যে ভেঙে পড়েছিলেন, আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারলেন না। পরীক্ষার মাত্র তিনদিনের মাথায়, গত ২৮ জুলাই অফিসে কর্মরত অবস্থাতেই হঠাৎ তীব্র ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন তিনি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে ভর্তি করা হয় ঢাকার আগারগাঁওস্থ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে। সেখানে দীর্ঘ ১০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০:৩০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। নিহত সাগর হালদার পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাজারের বাসিন্দা মনিন্দ্র নাথ হালদারের সন্তান। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই দশক ধরে নির্বাচন অফিসে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে এলেও আউটসোর্সিং পদের অনিশ্চয়তা তাকে প্রতিনিয়ত তাড়া করে বেড়াত। সম্প্রতি পদটি স্থায়ী করার উদ্যোগ নেওয়া হলে নতুন করে স্বপ্নের বুনন শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু পরীক্ষার ফল নিয়ে হতাশা তাকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেয়, যা তিনি সহ্য করতে পারেননি। স্বামীর অকালপ্রয়াণে দিশেহারা স্ত্রী লক্ষ্মী মালো কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "দীর্ঘ ১৭টি বছর একটা পদে কাজ করার পরও চাকরি স্থায়ী না হওয়ার ভয় আর পরিবার নিয়ে চিন্তায় উনি মানসিকভাবে একদম ভেঙে পড়েছিলেন। এই দুশ্চিন্তাই ওনার প্রাণটা কেড়ে নিল।" মৃত্যুকালে সাগর হালদার রেখে গেছেন মাত্র ২ বছর ২ মাস বয়সী দুটি জমজ কন্যা সন্তান। বাবার স্নেহ ও আশ্রয় বোঝার আগেই অবুঝ দুটি শিশুর ভবিষ্যৎ এখন ঘোর অনিশ্চয়তায় ঢেকে গেছে। একদিকে এক তরুণের সুদীর্ঘ ১৭ বছরের শ্রম আর স্থায়ী পদের স্বপ্ন, অন্যদিকে অকালে এতিম হয়ে যাওয়া দুটি নিষ্পাপ শিশু—সাগর হালদারের এই আকস্মিক ও করুণ বিদায় ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসসহ গোটা এলাকায় এক ভারী শোকের আবহাওয়া সৃষ্টি করেছে।
    • ঢাকা
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
    • সিলেট
  • আন্তর্জাতিক
      ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:  সুদীর্ঘ ১৭টি বছর ধরে অপেক্ষার প্রহর গুণছিলেন—একদিন চাকরিটা স্থায়ী হবে, দূর হবে ভবিষ্যতের সব অনিশ্চয়তা। কিন্তু সেই কাঙ্ক্ষিত স্থায়ী নিয়োগের সুবিধাই শেষ পর্যন্ত কাল হয়ে দাঁড়াল সাগর হালদারের (৩৭) জীবনে। পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের আউটসোর্সিং ডাটা এন্ট্রি অপারেটর সাগর হালদার গত ১০ জুলাই অংশ নিয়েছিলেন কাঙ্ক্ষিত স্থায়ীকরণ পরীক্ষায়। কিন্তু পরীক্ষা আশানুরূপ না হওয়ায় তীব্র হতাশা ও মানসিক দুশ্চিন্তা গ্রাস করে তাকে। সেই যে ভেঙে পড়েছিলেন, আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারলেন না। পরীক্ষার মাত্র তিনদিনের মাথায়, গত ২৮ জুলাই অফিসে কর্মরত অবস্থাতেই হঠাৎ তীব্র ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন তিনি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে ভর্তি করা হয় ঢাকার আগারগাঁওস্থ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে। সেখানে দীর্ঘ ১০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০:৩০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। নিহত সাগর হালদার পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাজারের বাসিন্দা মনিন্দ্র নাথ হালদারের সন্তান। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই দশক ধরে নির্বাচন অফিসে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে এলেও আউটসোর্সিং পদের অনিশ্চয়তা তাকে প্রতিনিয়ত তাড়া করে বেড়াত। সম্প্রতি পদটি স্থায়ী করার উদ্যোগ নেওয়া হলে নতুন করে স্বপ্নের বুনন শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু পরীক্ষার ফল নিয়ে হতাশা তাকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেয়, যা তিনি সহ্য করতে পারেননি। স্বামীর অকালপ্রয়াণে দিশেহারা স্ত্রী লক্ষ্মী মালো কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "দীর্ঘ ১৭টি বছর একটা পদে কাজ করার পরও চাকরি স্থায়ী না হওয়ার ভয় আর পরিবার নিয়ে চিন্তায় উনি মানসিকভাবে একদম ভেঙে পড়েছিলেন। এই দুশ্চিন্তাই ওনার প্রাণটা কেড়ে নিল।" মৃত্যুকালে সাগর হালদার রেখে গেছেন মাত্র ২ বছর ২ মাস বয়সী দুটি জমজ কন্যা সন্তান। বাবার স্নেহ ও আশ্রয় বোঝার আগেই অবুঝ দুটি শিশুর ভবিষ্যৎ এখন ঘোর অনিশ্চয়তায় ঢেকে গেছে। একদিকে এক তরুণের সুদীর্ঘ ১৭ বছরের শ্রম আর স্থায়ী পদের স্বপ্ন, অন্যদিকে অকালে এতিম হয়ে যাওয়া দুটি নিষ্পাপ শিশু—সাগর হালদারের এই আকস্মিক ও করুণ বিদায় ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসসহ গোটা এলাকায় এক ভারী শোকের আবহাওয়া সৃষ্টি করেছে।
  • বরিশাল বিভাগ
      ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:  সুদীর্ঘ ১৭টি বছর ধরে অপেক্ষার প্রহর গুণছিলেন—একদিন চাকরিটা স্থায়ী হবে, দূর হবে ভবিষ্যতের সব অনিশ্চয়তা। কিন্তু সেই কাঙ্ক্ষিত স্থায়ী নিয়োগের সুবিধাই শেষ পর্যন্ত কাল হয়ে দাঁড়াল সাগর হালদারের (৩৭) জীবনে। পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের আউটসোর্সিং ডাটা এন্ট্রি অপারেটর সাগর হালদার গত ১০ জুলাই অংশ নিয়েছিলেন কাঙ্ক্ষিত স্থায়ীকরণ পরীক্ষায়। কিন্তু পরীক্ষা আশানুরূপ না হওয়ায় তীব্র হতাশা ও মানসিক দুশ্চিন্তা গ্রাস করে তাকে। সেই যে ভেঙে পড়েছিলেন, আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারলেন না। পরীক্ষার মাত্র তিনদিনের মাথায়, গত ২৮ জুলাই অফিসে কর্মরত অবস্থাতেই হঠাৎ তীব্র ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন তিনি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে ভর্তি করা হয় ঢাকার আগারগাঁওস্থ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে। সেখানে দীর্ঘ ১০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০:৩০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। নিহত সাগর হালদার পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাজারের বাসিন্দা মনিন্দ্র নাথ হালদারের সন্তান। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই দশক ধরে নির্বাচন অফিসে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে এলেও আউটসোর্সিং পদের অনিশ্চয়তা তাকে প্রতিনিয়ত তাড়া করে বেড়াত। সম্প্রতি পদটি স্থায়ী করার উদ্যোগ নেওয়া হলে নতুন করে স্বপ্নের বুনন শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু পরীক্ষার ফল নিয়ে হতাশা তাকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেয়, যা তিনি সহ্য করতে পারেননি। স্বামীর অকালপ্রয়াণে দিশেহারা স্ত্রী লক্ষ্মী মালো কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "দীর্ঘ ১৭টি বছর একটা পদে কাজ করার পরও চাকরি স্থায়ী না হওয়ার ভয় আর পরিবার নিয়ে চিন্তায় উনি মানসিকভাবে একদম ভেঙে পড়েছিলেন। এই দুশ্চিন্তাই ওনার প্রাণটা কেড়ে নিল।" মৃত্যুকালে সাগর হালদার রেখে গেছেন মাত্র ২ বছর ২ মাস বয়সী দুটি জমজ কন্যা সন্তান। বাবার স্নেহ ও আশ্রয় বোঝার আগেই অবুঝ দুটি শিশুর ভবিষ্যৎ এখন ঘোর অনিশ্চয়তায় ঢেকে গেছে। একদিকে এক তরুণের সুদীর্ঘ ১৭ বছরের শ্রম আর স্থায়ী পদের স্বপ্ন, অন্যদিকে অকালে এতিম হয়ে যাওয়া দুটি নিষ্পাপ শিশু—সাগর হালদারের এই আকস্মিক ও করুণ বিদায় ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসসহ গোটা এলাকায় এক ভারী শোকের আবহাওয়া সৃষ্টি করেছে।
    • বরিশাল
    • ঝালকাঠি
    • পটুয়াখালী
    • পিরোজপুর
    • বরগুনা
    • ভোলা
  • বিনোদন
      ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:  সুদীর্ঘ ১৭টি বছর ধরে অপেক্ষার প্রহর গুণছিলেন—একদিন চাকরিটা স্থায়ী হবে, দূর হবে ভবিষ্যতের সব অনিশ্চয়তা। কিন্তু সেই কাঙ্ক্ষিত স্থায়ী নিয়োগের সুবিধাই শেষ পর্যন্ত কাল হয়ে দাঁড়াল সাগর হালদারের (৩৭) জীবনে। পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের আউটসোর্সিং ডাটা এন্ট্রি অপারেটর সাগর হালদার গত ১০ জুলাই অংশ নিয়েছিলেন কাঙ্ক্ষিত স্থায়ীকরণ পরীক্ষায়। কিন্তু পরীক্ষা আশানুরূপ না হওয়ায় তীব্র হতাশা ও মানসিক দুশ্চিন্তা গ্রাস করে তাকে। সেই যে ভেঙে পড়েছিলেন, আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারলেন না। পরীক্ষার মাত্র তিনদিনের মাথায়, গত ২৮ জুলাই অফিসে কর্মরত অবস্থাতেই হঠাৎ তীব্র ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন তিনি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে ভর্তি করা হয় ঢাকার আগারগাঁওস্থ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে। সেখানে দীর্ঘ ১০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০:৩০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। নিহত সাগর হালদার পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাজারের বাসিন্দা মনিন্দ্র নাথ হালদারের সন্তান। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই দশক ধরে নির্বাচন অফিসে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে এলেও আউটসোর্সিং পদের অনিশ্চয়তা তাকে প্রতিনিয়ত তাড়া করে বেড়াত। সম্প্রতি পদটি স্থায়ী করার উদ্যোগ নেওয়া হলে নতুন করে স্বপ্নের বুনন শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু পরীক্ষার ফল নিয়ে হতাশা তাকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেয়, যা তিনি সহ্য করতে পারেননি। স্বামীর অকালপ্রয়াণে দিশেহারা স্ত্রী লক্ষ্মী মালো কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "দীর্ঘ ১৭টি বছর একটা পদে কাজ করার পরও চাকরি স্থায়ী না হওয়ার ভয় আর পরিবার নিয়ে চিন্তায় উনি মানসিকভাবে একদম ভেঙে পড়েছিলেন। এই দুশ্চিন্তাই ওনার প্রাণটা কেড়ে নিল।" মৃত্যুকালে সাগর হালদার রেখে গেছেন মাত্র ২ বছর ২ মাস বয়সী দুটি জমজ কন্যা সন্তান। বাবার স্নেহ ও আশ্রয় বোঝার আগেই অবুঝ দুটি শিশুর ভবিষ্যৎ এখন ঘোর অনিশ্চয়তায় ঢেকে গেছে। একদিকে এক তরুণের সুদীর্ঘ ১৭ বছরের শ্রম আর স্থায়ী পদের স্বপ্ন, অন্যদিকে অকালে এতিম হয়ে যাওয়া দুটি নিষ্পাপ শিশু—সাগর হালদারের এই আকস্মিক ও করুণ বিদায় ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসসহ গোটা এলাকায় এক ভারী শোকের আবহাওয়া সৃষ্টি করেছে।
  • খেলাধুলা
      ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:  সুদীর্ঘ ১৭টি বছর ধরে অপেক্ষার প্রহর গুণছিলেন—একদিন চাকরিটা স্থায়ী হবে, দূর হবে ভবিষ্যতের সব অনিশ্চয়তা। কিন্তু সেই কাঙ্ক্ষিত স্থায়ী নিয়োগের সুবিধাই শেষ পর্যন্ত কাল হয়ে দাঁড়াল সাগর হালদারের (৩৭) জীবনে। পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের আউটসোর্সিং ডাটা এন্ট্রি অপারেটর সাগর হালদার গত ১০ জুলাই অংশ নিয়েছিলেন কাঙ্ক্ষিত স্থায়ীকরণ পরীক্ষায়। কিন্তু পরীক্ষা আশানুরূপ না হওয়ায় তীব্র হতাশা ও মানসিক দুশ্চিন্তা গ্রাস করে তাকে। সেই যে ভেঙে পড়েছিলেন, আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারলেন না। পরীক্ষার মাত্র তিনদিনের মাথায়, গত ২৮ জুলাই অফিসে কর্মরত অবস্থাতেই হঠাৎ তীব্র ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন তিনি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে ভর্তি করা হয় ঢাকার আগারগাঁওস্থ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে। সেখানে দীর্ঘ ১০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০:৩০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। নিহত সাগর হালদার পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাজারের বাসিন্দা মনিন্দ্র নাথ হালদারের সন্তান। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই দশক ধরে নির্বাচন অফিসে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে এলেও আউটসোর্সিং পদের অনিশ্চয়তা তাকে প্রতিনিয়ত তাড়া করে বেড়াত। সম্প্রতি পদটি স্থায়ী করার উদ্যোগ নেওয়া হলে নতুন করে স্বপ্নের বুনন শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু পরীক্ষার ফল নিয়ে হতাশা তাকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেয়, যা তিনি সহ্য করতে পারেননি। স্বামীর অকালপ্রয়াণে দিশেহারা স্ত্রী লক্ষ্মী মালো কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "দীর্ঘ ১৭টি বছর একটা পদে কাজ করার পরও চাকরি স্থায়ী না হওয়ার ভয় আর পরিবার নিয়ে চিন্তায় উনি মানসিকভাবে একদম ভেঙে পড়েছিলেন। এই দুশ্চিন্তাই ওনার প্রাণটা কেড়ে নিল।" মৃত্যুকালে সাগর হালদার রেখে গেছেন মাত্র ২ বছর ২ মাস বয়সী দুটি জমজ কন্যা সন্তান। বাবার স্নেহ ও আশ্রয় বোঝার আগেই অবুঝ দুটি শিশুর ভবিষ্যৎ এখন ঘোর অনিশ্চয়তায় ঢেকে গেছে। একদিকে এক তরুণের সুদীর্ঘ ১৭ বছরের শ্রম আর স্থায়ী পদের স্বপ্ন, অন্যদিকে অকালে এতিম হয়ে যাওয়া দুটি নিষ্পাপ শিশু—সাগর হালদারের এই আকস্মিক ও করুণ বিদায় ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসসহ গোটা এলাকায় এক ভারী শোকের আবহাওয়া সৃষ্টি করেছে।
    • ক্রিকেট