Newsside24.com Newsside24.com

Latest post

প্রাথমিক শাখায় ভর্তি বন্ধের দাবি, বিক্ষোভে বরিশাল সরকারি মডেল স্কুলের শিক্ষার্থীরা

প্রাথমিক শাখায় ভর্তি বন্ধের দাবি, বিক্ষোভে বরিশাল সরকারি মডেল স্কুলের শিক্ষার্থীরা

  • NS_admin_03
  • October 12, 2026
বরিশালে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান

বরিশালে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান

  • NS_admin_03
  • October 11, 2026
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুর্গোৎসবের শুভ মহালয়া অনুষ্ঠিত

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুর্গোৎসবের শুভ মহালয়া অনুষ্ঠিত

  • NS_admin_03
  • October 10, 2026

Popular Posts

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান (509)

  • NS_admin_01
  • May 5, 2026
বিজয়ের উত্থানে টালমাটাল তামিলনাড়ুর পুরোনো জোট

বিজয়ের উত্থানে টালমাটাল তামিলনাড়ুর পুরোনো জোট (506)

  • NS_admin_01
  • May 5, 2026
কলাপাড়ায় চলাচলে সড়ক আটকে বসতঘর নির্মানে ১৭ বছরের ভোগান্তি

কলাপাড়ায় চলাচলে সড়ক আটকে বসতঘর নির্মানে ১৭ বছরের ভোগান্তি (505)

  • NS_admin_03
  • May 11, 2026
আমি পদত্যাগ করব না: মমতা

আমি পদত্যাগ করব না: মমতা (498)

  • NS_admin_01
  • May 5, 2026
৭ম দিনের এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২০ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৮ জন

৭ম দিনের এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২০ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৮ জন (483)

  • NS_admin_01
  • May 5, 2026

Stay Connected

Newsside24.com Newsside24.com

TT Ads
  • প্রচ্ছদ
      বরিশাল : মিথ্যা গুজবে আগৈলঝাড়া থানা আক্রমনের ঘটনা এবং জড়িতদের গ্রেফতার করেছে বরিশাল জেলা পুলিশ। এঘটনায় জেলা পুলিশ সংবাদ সম্মেলন করেছে। লিখিত সংবাদ থেকে জানা গেছে, গত ০৮/০৭/২০২৬ খ্রি. সন্ধ্যায় আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ কর্তৃক আগৈলঝাড়া থানার মামলা নং-১৪/২৩, তারিখ-২৬ নভেম্বর ২০২৫ খ্রি. ধারা-৪৫৭/৩৮০/৪৬১/৩৪ পেনাল কোড-এর তদন্তে প্রাপ্ত আসামি রিয়াজ ফকির (২৬), পিতা-সিদ্দিক ফকির, সাং-ফুল্লশ্রী, থানা-আগৈলঝাড়া, বরিশালকে গ্রেপ্তার করা হয়। উক্ত রিয়াজ ফকির চুরি, মাদক, পুলিশের কাজে বাধাদানসহ একাধিক মামলায় চার্জশিটভুক্ত আসামি। উক্ত আসামি থানা হাজতে থাকাকালীন থানা হাজতের লোহার দরজার সাথে নিজের মাথা নিজেই আঘাত করে থানা হাজত খানার মধ্যে অচেতন হওয়ার ভান করে শুয়ে থাকে। আসামি রিয়াজ ফকিরকে দ্রুত আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। পরবর্তীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক উক্ত আসামি রিয়াজ ফকিরকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশালে রেফার করেন। পুলিশ পাহারায় উক্ত আসামি রিয়াজ ফকির শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুষ্কৃতিকারীদের পরিকল্পনা মোতাবেক প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ইন্ধনে চিকিৎসাধীন রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে দেয়, যাতে সাধারণ মানুষের মনে পুলিশের প্রতি বিরূপ মনোভাব সৃষ্টি হয়। রিয়াজ ফকিরের পিতা-মাতা, ভাই-বোনসহ এলাকার ২০০-৩০০ জন নারী-পুরুষ একত্রিত হয়ে “রিয়াজ হত্যার বিচার চাই”, “পুলিশের ফাঁসি চাই” স্লোগানসহ আগৈলঝাড়া থানায় আকস্মিক হামলা করে। তখন পুলিশ সদস্যরা তাদের নিবৃত্ত করতে গেলে তারা উপর্যুপরি ডিউটি অফিসারসহ উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের আক্রমণ করে। একপর্যায়ে ডিউটি অফিসারকে টেনে হিচড়ে থানার বাইরে নিয়ে গুরুতর আহত করে। উক্ত হামলায় থানায় কর্তব্যরত ডিউটি অফিসারসহ ৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়। পরে হামলাকারীরা ডিউটি অফিসারের রুম থেকে ল্যাপটপ নিয়ে যায় এবং বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ৩ জন আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং ১ জন পুলিশ সদস্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশালে চিকিৎসা গ্রহণ করে। উক্ত ঘটনায় এজাহারনামীয় ৪৩ জন এবং অজ্ঞাত ২০০-৩০০ জনকে আসামি করে আগৈলঝাড়া থানার মামলা নং-৯, জিআর নং-১১৭, তারিখ-১০ জুলাই, ২০২৬ খ্রি.ধারা-১৪৩/১৪৭/৪৪৭/৪৪৮/১৮৬/৩৫৩/৩৩২/৩৩৩ /৪২৭/৩৮০/৫০৬/১০৯/৩৪ পেনাল কোড রুজু করা হয়। গত ১০/০৭/২০২৬ খ্রি. মামলাটি রুজু করা হয় এবং মামলা রুজুর পর অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে মামলাটির তদন্ত শুরু করা হয়। উক্ত ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে জেলা পুলিশের একাধিক টিম তৎপর হয় এবং সিসিটিভি ফুটেজ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও এবং অন্যান্য মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে ঘটনার সাথে জড়িত মোট ১৮ জন আসামিকে ঘটনার দিনই গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া পরবর্তীতে এজাহারে উল্লেখিত ৪৩ জন এবং এজাহার বহির্ভূত ১৭ জনসহ মোট ৬০ জন আসামিকে প্রাথমিকভাব শনাক্ত করা হয়। উক্ত ৬০ জন আসামির মধ্যে এজাহারনামীয় ২৮ জন এবং তদন্তে প্রাপ্ত ১৭ জনের মধ্যে ৪ জনসহ মোট ৩২ জনকে গ্রেপ্তারপূর্বক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। মামলাটি রুজুর পর থেকে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহায়তায় এবং প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনায় মামলাটি নিবিড় ভাবে তদন্ত সম্পন্ন করা হয়। তদন্তকালে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি, সিসিটিভি ফুটেজ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ছবি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিলের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। অতি দ্রুতই বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে বলে জানা গেছে। অত্র মামলাটি তদন্তকালে প্রথম থেকেই স্থানীয় আগৈলঝাড়ার জনগণ, সাংবাদিক, সুশীল সমাজ, সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সর্বোপরি বরিশালবাসী সার্বিক সহযোগিতা ও অকুণ্ঠ সমর্থন করার জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। বরিশাল জেলা পুলিশ প্রত্যাশা করে, ভবিষ্যতে যেকোনো প্রয়োজনে সকলেই আমাদের প্রতি পূর্বের ন্যায় সমর্থন অব্যাহত রাখবেন ।
  • জাতীয়
      বরিশাল : মিথ্যা গুজবে আগৈলঝাড়া থানা আক্রমনের ঘটনা এবং জড়িতদের গ্রেফতার করেছে বরিশাল জেলা পুলিশ। এঘটনায় জেলা পুলিশ সংবাদ সম্মেলন করেছে। লিখিত সংবাদ থেকে জানা গেছে, গত ০৮/০৭/২০২৬ খ্রি. সন্ধ্যায় আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ কর্তৃক আগৈলঝাড়া থানার মামলা নং-১৪/২৩, তারিখ-২৬ নভেম্বর ২০২৫ খ্রি. ধারা-৪৫৭/৩৮০/৪৬১/৩৪ পেনাল কোড-এর তদন্তে প্রাপ্ত আসামি রিয়াজ ফকির (২৬), পিতা-সিদ্দিক ফকির, সাং-ফুল্লশ্রী, থানা-আগৈলঝাড়া, বরিশালকে গ্রেপ্তার করা হয়। উক্ত রিয়াজ ফকির চুরি, মাদক, পুলিশের কাজে বাধাদানসহ একাধিক মামলায় চার্জশিটভুক্ত আসামি। উক্ত আসামি থানা হাজতে থাকাকালীন থানা হাজতের লোহার দরজার সাথে নিজের মাথা নিজেই আঘাত করে থানা হাজত খানার মধ্যে অচেতন হওয়ার ভান করে শুয়ে থাকে। আসামি রিয়াজ ফকিরকে দ্রুত আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। পরবর্তীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক উক্ত আসামি রিয়াজ ফকিরকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশালে রেফার করেন। পুলিশ পাহারায় উক্ত আসামি রিয়াজ ফকির শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুষ্কৃতিকারীদের পরিকল্পনা মোতাবেক প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ইন্ধনে চিকিৎসাধীন রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে দেয়, যাতে সাধারণ মানুষের মনে পুলিশের প্রতি বিরূপ মনোভাব সৃষ্টি হয়। রিয়াজ ফকিরের পিতা-মাতা, ভাই-বোনসহ এলাকার ২০০-৩০০ জন নারী-পুরুষ একত্রিত হয়ে “রিয়াজ হত্যার বিচার চাই”, “পুলিশের ফাঁসি চাই” স্লোগানসহ আগৈলঝাড়া থানায় আকস্মিক হামলা করে। তখন পুলিশ সদস্যরা তাদের নিবৃত্ত করতে গেলে তারা উপর্যুপরি ডিউটি অফিসারসহ উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের আক্রমণ করে। একপর্যায়ে ডিউটি অফিসারকে টেনে হিচড়ে থানার বাইরে নিয়ে গুরুতর আহত করে। উক্ত হামলায় থানায় কর্তব্যরত ডিউটি অফিসারসহ ৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়। পরে হামলাকারীরা ডিউটি অফিসারের রুম থেকে ল্যাপটপ নিয়ে যায় এবং বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ৩ জন আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং ১ জন পুলিশ সদস্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশালে চিকিৎসা গ্রহণ করে। উক্ত ঘটনায় এজাহারনামীয় ৪৩ জন এবং অজ্ঞাত ২০০-৩০০ জনকে আসামি করে আগৈলঝাড়া থানার মামলা নং-৯, জিআর নং-১১৭, তারিখ-১০ জুলাই, ২০২৬ খ্রি.ধারা-১৪৩/১৪৭/৪৪৭/৪৪৮/১৮৬/৩৫৩/৩৩২/৩৩৩ /৪২৭/৩৮০/৫০৬/১০৯/৩৪ পেনাল কোড রুজু করা হয়। গত ১০/০৭/২০২৬ খ্রি. মামলাটি রুজু করা হয় এবং মামলা রুজুর পর অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে মামলাটির তদন্ত শুরু করা হয়। উক্ত ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে জেলা পুলিশের একাধিক টিম তৎপর হয় এবং সিসিটিভি ফুটেজ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও এবং অন্যান্য মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে ঘটনার সাথে জড়িত মোট ১৮ জন আসামিকে ঘটনার দিনই গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া পরবর্তীতে এজাহারে উল্লেখিত ৪৩ জন এবং এজাহার বহির্ভূত ১৭ জনসহ মোট ৬০ জন আসামিকে প্রাথমিকভাব শনাক্ত করা হয়। উক্ত ৬০ জন আসামির মধ্যে এজাহারনামীয় ২৮ জন এবং তদন্তে প্রাপ্ত ১৭ জনের মধ্যে ৪ জনসহ মোট ৩২ জনকে গ্রেপ্তারপূর্বক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। মামলাটি রুজুর পর থেকে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহায়তায় এবং প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনায় মামলাটি নিবিড় ভাবে তদন্ত সম্পন্ন করা হয়। তদন্তকালে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি, সিসিটিভি ফুটেজ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ছবি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিলের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। অতি দ্রুতই বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে বলে জানা গেছে। অত্র মামলাটি তদন্তকালে প্রথম থেকেই স্থানীয় আগৈলঝাড়ার জনগণ, সাংবাদিক, সুশীল সমাজ, সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সর্বোপরি বরিশালবাসী সার্বিক সহযোগিতা ও অকুণ্ঠ সমর্থন করার জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। বরিশাল জেলা পুলিশ প্রত্যাশা করে, ভবিষ্যতে যেকোনো প্রয়োজনে সকলেই আমাদের প্রতি পূর্বের ন্যায় সমর্থন অব্যাহত রাখবেন ।
  • রাজনীতি
      বরিশাল : মিথ্যা গুজবে আগৈলঝাড়া থানা আক্রমনের ঘটনা এবং জড়িতদের গ্রেফতার করেছে বরিশাল জেলা পুলিশ। এঘটনায় জেলা পুলিশ সংবাদ সম্মেলন করেছে। লিখিত সংবাদ থেকে জানা গেছে, গত ০৮/০৭/২০২৬ খ্রি. সন্ধ্যায় আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ কর্তৃক আগৈলঝাড়া থানার মামলা নং-১৪/২৩, তারিখ-২৬ নভেম্বর ২০২৫ খ্রি. ধারা-৪৫৭/৩৮০/৪৬১/৩৪ পেনাল কোড-এর তদন্তে প্রাপ্ত আসামি রিয়াজ ফকির (২৬), পিতা-সিদ্দিক ফকির, সাং-ফুল্লশ্রী, থানা-আগৈলঝাড়া, বরিশালকে গ্রেপ্তার করা হয়। উক্ত রিয়াজ ফকির চুরি, মাদক, পুলিশের কাজে বাধাদানসহ একাধিক মামলায় চার্জশিটভুক্ত আসামি। উক্ত আসামি থানা হাজতে থাকাকালীন থানা হাজতের লোহার দরজার সাথে নিজের মাথা নিজেই আঘাত করে থানা হাজত খানার মধ্যে অচেতন হওয়ার ভান করে শুয়ে থাকে। আসামি রিয়াজ ফকিরকে দ্রুত আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। পরবর্তীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক উক্ত আসামি রিয়াজ ফকিরকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশালে রেফার করেন। পুলিশ পাহারায় উক্ত আসামি রিয়াজ ফকির শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুষ্কৃতিকারীদের পরিকল্পনা মোতাবেক প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ইন্ধনে চিকিৎসাধীন রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে দেয়, যাতে সাধারণ মানুষের মনে পুলিশের প্রতি বিরূপ মনোভাব সৃষ্টি হয়। রিয়াজ ফকিরের পিতা-মাতা, ভাই-বোনসহ এলাকার ২০০-৩০০ জন নারী-পুরুষ একত্রিত হয়ে “রিয়াজ হত্যার বিচার চাই”, “পুলিশের ফাঁসি চাই” স্লোগানসহ আগৈলঝাড়া থানায় আকস্মিক হামলা করে। তখন পুলিশ সদস্যরা তাদের নিবৃত্ত করতে গেলে তারা উপর্যুপরি ডিউটি অফিসারসহ উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের আক্রমণ করে। একপর্যায়ে ডিউটি অফিসারকে টেনে হিচড়ে থানার বাইরে নিয়ে গুরুতর আহত করে। উক্ত হামলায় থানায় কর্তব্যরত ডিউটি অফিসারসহ ৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়। পরে হামলাকারীরা ডিউটি অফিসারের রুম থেকে ল্যাপটপ নিয়ে যায় এবং বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ৩ জন আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং ১ জন পুলিশ সদস্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশালে চিকিৎসা গ্রহণ করে। উক্ত ঘটনায় এজাহারনামীয় ৪৩ জন এবং অজ্ঞাত ২০০-৩০০ জনকে আসামি করে আগৈলঝাড়া থানার মামলা নং-৯, জিআর নং-১১৭, তারিখ-১০ জুলাই, ২০২৬ খ্রি.ধারা-১৪৩/১৪৭/৪৪৭/৪৪৮/১৮৬/৩৫৩/৩৩২/৩৩৩ /৪২৭/৩৮০/৫০৬/১০৯/৩৪ পেনাল কোড রুজু করা হয়। গত ১০/০৭/২০২৬ খ্রি. মামলাটি রুজু করা হয় এবং মামলা রুজুর পর অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে মামলাটির তদন্ত শুরু করা হয়। উক্ত ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে জেলা পুলিশের একাধিক টিম তৎপর হয় এবং সিসিটিভি ফুটেজ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও এবং অন্যান্য মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে ঘটনার সাথে জড়িত মোট ১৮ জন আসামিকে ঘটনার দিনই গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া পরবর্তীতে এজাহারে উল্লেখিত ৪৩ জন এবং এজাহার বহির্ভূত ১৭ জনসহ মোট ৬০ জন আসামিকে প্রাথমিকভাব শনাক্ত করা হয়। উক্ত ৬০ জন আসামির মধ্যে এজাহারনামীয় ২৮ জন এবং তদন্তে প্রাপ্ত ১৭ জনের মধ্যে ৪ জনসহ মোট ৩২ জনকে গ্রেপ্তারপূর্বক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। মামলাটি রুজুর পর থেকে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহায়তায় এবং প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনায় মামলাটি নিবিড় ভাবে তদন্ত সম্পন্ন করা হয়। তদন্তকালে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি, সিসিটিভি ফুটেজ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ছবি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিলের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। অতি দ্রুতই বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে বলে জানা গেছে। অত্র মামলাটি তদন্তকালে প্রথম থেকেই স্থানীয় আগৈলঝাড়ার জনগণ, সাংবাদিক, সুশীল সমাজ, সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সর্বোপরি বরিশালবাসী সার্বিক সহযোগিতা ও অকুণ্ঠ সমর্থন করার জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। বরিশাল জেলা পুলিশ প্রত্যাশা করে, ভবিষ্যতে যেকোনো প্রয়োজনে সকলেই আমাদের প্রতি পূর্বের ন্যায় সমর্থন অব্যাহত রাখবেন ।
  • সারাদেশ
      বরিশাল : মিথ্যা গুজবে আগৈলঝাড়া থানা আক্রমনের ঘটনা এবং জড়িতদের গ্রেফতার করেছে বরিশাল জেলা পুলিশ। এঘটনায় জেলা পুলিশ সংবাদ সম্মেলন করেছে। লিখিত সংবাদ থেকে জানা গেছে, গত ০৮/০৭/২০২৬ খ্রি. সন্ধ্যায় আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ কর্তৃক আগৈলঝাড়া থানার মামলা নং-১৪/২৩, তারিখ-২৬ নভেম্বর ২০২৫ খ্রি. ধারা-৪৫৭/৩৮০/৪৬১/৩৪ পেনাল কোড-এর তদন্তে প্রাপ্ত আসামি রিয়াজ ফকির (২৬), পিতা-সিদ্দিক ফকির, সাং-ফুল্লশ্রী, থানা-আগৈলঝাড়া, বরিশালকে গ্রেপ্তার করা হয়। উক্ত রিয়াজ ফকির চুরি, মাদক, পুলিশের কাজে বাধাদানসহ একাধিক মামলায় চার্জশিটভুক্ত আসামি। উক্ত আসামি থানা হাজতে থাকাকালীন থানা হাজতের লোহার দরজার সাথে নিজের মাথা নিজেই আঘাত করে থানা হাজত খানার মধ্যে অচেতন হওয়ার ভান করে শুয়ে থাকে। আসামি রিয়াজ ফকিরকে দ্রুত আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। পরবর্তীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক উক্ত আসামি রিয়াজ ফকিরকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশালে রেফার করেন। পুলিশ পাহারায় উক্ত আসামি রিয়াজ ফকির শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুষ্কৃতিকারীদের পরিকল্পনা মোতাবেক প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ইন্ধনে চিকিৎসাধীন রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে দেয়, যাতে সাধারণ মানুষের মনে পুলিশের প্রতি বিরূপ মনোভাব সৃষ্টি হয়। রিয়াজ ফকিরের পিতা-মাতা, ভাই-বোনসহ এলাকার ২০০-৩০০ জন নারী-পুরুষ একত্রিত হয়ে “রিয়াজ হত্যার বিচার চাই”, “পুলিশের ফাঁসি চাই” স্লোগানসহ আগৈলঝাড়া থানায় আকস্মিক হামলা করে। তখন পুলিশ সদস্যরা তাদের নিবৃত্ত করতে গেলে তারা উপর্যুপরি ডিউটি অফিসারসহ উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের আক্রমণ করে। একপর্যায়ে ডিউটি অফিসারকে টেনে হিচড়ে থানার বাইরে নিয়ে গুরুতর আহত করে। উক্ত হামলায় থানায় কর্তব্যরত ডিউটি অফিসারসহ ৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়। পরে হামলাকারীরা ডিউটি অফিসারের রুম থেকে ল্যাপটপ নিয়ে যায় এবং বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ৩ জন আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং ১ জন পুলিশ সদস্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশালে চিকিৎসা গ্রহণ করে। উক্ত ঘটনায় এজাহারনামীয় ৪৩ জন এবং অজ্ঞাত ২০০-৩০০ জনকে আসামি করে আগৈলঝাড়া থানার মামলা নং-৯, জিআর নং-১১৭, তারিখ-১০ জুলাই, ২০২৬ খ্রি.ধারা-১৪৩/১৪৭/৪৪৭/৪৪৮/১৮৬/৩৫৩/৩৩২/৩৩৩ /৪২৭/৩৮০/৫০৬/১০৯/৩৪ পেনাল কোড রুজু করা হয়। গত ১০/০৭/২০২৬ খ্রি. মামলাটি রুজু করা হয় এবং মামলা রুজুর পর অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে মামলাটির তদন্ত শুরু করা হয়। উক্ত ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে জেলা পুলিশের একাধিক টিম তৎপর হয় এবং সিসিটিভি ফুটেজ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও এবং অন্যান্য মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে ঘটনার সাথে জড়িত মোট ১৮ জন আসামিকে ঘটনার দিনই গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া পরবর্তীতে এজাহারে উল্লেখিত ৪৩ জন এবং এজাহার বহির্ভূত ১৭ জনসহ মোট ৬০ জন আসামিকে প্রাথমিকভাব শনাক্ত করা হয়। উক্ত ৬০ জন আসামির মধ্যে এজাহারনামীয় ২৮ জন এবং তদন্তে প্রাপ্ত ১৭ জনের মধ্যে ৪ জনসহ মোট ৩২ জনকে গ্রেপ্তারপূর্বক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। মামলাটি রুজুর পর থেকে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহায়তায় এবং প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনায় মামলাটি নিবিড় ভাবে তদন্ত সম্পন্ন করা হয়। তদন্তকালে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি, সিসিটিভি ফুটেজ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ছবি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিলের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। অতি দ্রুতই বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে বলে জানা গেছে। অত্র মামলাটি তদন্তকালে প্রথম থেকেই স্থানীয় আগৈলঝাড়ার জনগণ, সাংবাদিক, সুশীল সমাজ, সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সর্বোপরি বরিশালবাসী সার্বিক সহযোগিতা ও অকুণ্ঠ সমর্থন করার জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। বরিশাল জেলা পুলিশ প্রত্যাশা করে, ভবিষ্যতে যেকোনো প্রয়োজনে সকলেই আমাদের প্রতি পূর্বের ন্যায় সমর্থন অব্যাহত রাখবেন ।
    • ঢাকা
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
    • সিলেট
  • আন্তর্জাতিক
      বরিশাল : মিথ্যা গুজবে আগৈলঝাড়া থানা আক্রমনের ঘটনা এবং জড়িতদের গ্রেফতার করেছে বরিশাল জেলা পুলিশ। এঘটনায় জেলা পুলিশ সংবাদ সম্মেলন করেছে। লিখিত সংবাদ থেকে জানা গেছে, গত ০৮/০৭/২০২৬ খ্রি. সন্ধ্যায় আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ কর্তৃক আগৈলঝাড়া থানার মামলা নং-১৪/২৩, তারিখ-২৬ নভেম্বর ২০২৫ খ্রি. ধারা-৪৫৭/৩৮০/৪৬১/৩৪ পেনাল কোড-এর তদন্তে প্রাপ্ত আসামি রিয়াজ ফকির (২৬), পিতা-সিদ্দিক ফকির, সাং-ফুল্লশ্রী, থানা-আগৈলঝাড়া, বরিশালকে গ্রেপ্তার করা হয়। উক্ত রিয়াজ ফকির চুরি, মাদক, পুলিশের কাজে বাধাদানসহ একাধিক মামলায় চার্জশিটভুক্ত আসামি। উক্ত আসামি থানা হাজতে থাকাকালীন থানা হাজতের লোহার দরজার সাথে নিজের মাথা নিজেই আঘাত করে থানা হাজত খানার মধ্যে অচেতন হওয়ার ভান করে শুয়ে থাকে। আসামি রিয়াজ ফকিরকে দ্রুত আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। পরবর্তীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক উক্ত আসামি রিয়াজ ফকিরকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশালে রেফার করেন। পুলিশ পাহারায় উক্ত আসামি রিয়াজ ফকির শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুষ্কৃতিকারীদের পরিকল্পনা মোতাবেক প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ইন্ধনে চিকিৎসাধীন রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে দেয়, যাতে সাধারণ মানুষের মনে পুলিশের প্রতি বিরূপ মনোভাব সৃষ্টি হয়। রিয়াজ ফকিরের পিতা-মাতা, ভাই-বোনসহ এলাকার ২০০-৩০০ জন নারী-পুরুষ একত্রিত হয়ে “রিয়াজ হত্যার বিচার চাই”, “পুলিশের ফাঁসি চাই” স্লোগানসহ আগৈলঝাড়া থানায় আকস্মিক হামলা করে। তখন পুলিশ সদস্যরা তাদের নিবৃত্ত করতে গেলে তারা উপর্যুপরি ডিউটি অফিসারসহ উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের আক্রমণ করে। একপর্যায়ে ডিউটি অফিসারকে টেনে হিচড়ে থানার বাইরে নিয়ে গুরুতর আহত করে। উক্ত হামলায় থানায় কর্তব্যরত ডিউটি অফিসারসহ ৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়। পরে হামলাকারীরা ডিউটি অফিসারের রুম থেকে ল্যাপটপ নিয়ে যায় এবং বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ৩ জন আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং ১ জন পুলিশ সদস্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশালে চিকিৎসা গ্রহণ করে। উক্ত ঘটনায় এজাহারনামীয় ৪৩ জন এবং অজ্ঞাত ২০০-৩০০ জনকে আসামি করে আগৈলঝাড়া থানার মামলা নং-৯, জিআর নং-১১৭, তারিখ-১০ জুলাই, ২০২৬ খ্রি.ধারা-১৪৩/১৪৭/৪৪৭/৪৪৮/১৮৬/৩৫৩/৩৩২/৩৩৩ /৪২৭/৩৮০/৫০৬/১০৯/৩৪ পেনাল কোড রুজু করা হয়। গত ১০/০৭/২০২৬ খ্রি. মামলাটি রুজু করা হয় এবং মামলা রুজুর পর অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে মামলাটির তদন্ত শুরু করা হয়। উক্ত ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে জেলা পুলিশের একাধিক টিম তৎপর হয় এবং সিসিটিভি ফুটেজ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও এবং অন্যান্য মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে ঘটনার সাথে জড়িত মোট ১৮ জন আসামিকে ঘটনার দিনই গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া পরবর্তীতে এজাহারে উল্লেখিত ৪৩ জন এবং এজাহার বহির্ভূত ১৭ জনসহ মোট ৬০ জন আসামিকে প্রাথমিকভাব শনাক্ত করা হয়। উক্ত ৬০ জন আসামির মধ্যে এজাহারনামীয় ২৮ জন এবং তদন্তে প্রাপ্ত ১৭ জনের মধ্যে ৪ জনসহ মোট ৩২ জনকে গ্রেপ্তারপূর্বক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। মামলাটি রুজুর পর থেকে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহায়তায় এবং প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনায় মামলাটি নিবিড় ভাবে তদন্ত সম্পন্ন করা হয়। তদন্তকালে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি, সিসিটিভি ফুটেজ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ছবি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিলের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। অতি দ্রুতই বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে বলে জানা গেছে। অত্র মামলাটি তদন্তকালে প্রথম থেকেই স্থানীয় আগৈলঝাড়ার জনগণ, সাংবাদিক, সুশীল সমাজ, সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সর্বোপরি বরিশালবাসী সার্বিক সহযোগিতা ও অকুণ্ঠ সমর্থন করার জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। বরিশাল জেলা পুলিশ প্রত্যাশা করে, ভবিষ্যতে যেকোনো প্রয়োজনে সকলেই আমাদের প্রতি পূর্বের ন্যায় সমর্থন অব্যাহত রাখবেন ।
  • বরিশাল বিভাগ
      বরিশাল : মিথ্যা গুজবে আগৈলঝাড়া থানা আক্রমনের ঘটনা এবং জড়িতদের গ্রেফতার করেছে বরিশাল জেলা পুলিশ। এঘটনায় জেলা পুলিশ সংবাদ সম্মেলন করেছে। লিখিত সংবাদ থেকে জানা গেছে, গত ০৮/০৭/২০২৬ খ্রি. সন্ধ্যায় আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ কর্তৃক আগৈলঝাড়া থানার মামলা নং-১৪/২৩, তারিখ-২৬ নভেম্বর ২০২৫ খ্রি. ধারা-৪৫৭/৩৮০/৪৬১/৩৪ পেনাল কোড-এর