Newsside24.com Newsside24.com

Latest post

কলাপাড়ায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস, সিজন-২ প্রস্তুতি সভা।

কলাপাড়ায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস, সিজন-২ প্রস্তুতি সভা।

  • NS_admin_03
  • October 29, 2026
চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধ: অনুমোদিত প্ল্যান ছাড়াই দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ

চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধ: অনুমোদিত প্ল্যান ছাড়াই দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ

  • NS_admin_03
  • October 29, 2026
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের সাদাছড়ি বিতরণ করলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের সাদাছড়ি বিতরণ করলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব

  • NS_admin_03
  • October 28, 2026

Popular Posts

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান (597)

  • NS_admin_01
  • May 5, 2026
বিজয়ের উত্থানে টালমাটাল তামিলনাড়ুর পুরোনো জোট

বিজয়ের উত্থানে টালমাটাল তামিলনাড়ুর পুরোনো জোট (591)

  • NS_admin_01
  • May 5, 2026
আমি পদত্যাগ করব না: মমতা

আমি পদত্যাগ করব না: মমতা (590)

  • NS_admin_01
  • May 5, 2026
কলাপাড়ায় চলাচলে সড়ক আটকে বসতঘর নির্মানে ১৭ বছরের ভোগান্তি

কলাপাড়ায় চলাচলে সড়ক আটকে বসতঘর নির্মানে ১৭ বছরের ভোগান্তি (581)

  • NS_admin_03
  • May 11, 2026
৩০ দিনের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করতে চায় ইরান

৩০ দিনের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করতে চায় ইরান (574)

  • NS_admin_01
  • May 5, 2026

Stay Connected

Newsside24.com Newsside24.com

TT Ads
  • প্রচ্ছদ
      নিজস্ব প্রতিবেদক: বরিশাল নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের গাউছিয়া সড়কের মৌলভী বাড়ি মসজিদ গলির মোমেন উদ্দিন লেনে চলাচলের রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে দোস্ত ফিলিং স্টেশনের মালিক শাওন খানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় চরম উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ পেয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্ল্যান শাখার কর্মকর্তারা নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) নগরীর সাগরদী এলাকার ওই লেনে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের কাজ শুরু হলে এ নিয়ে প্রতিবেশীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, শাওন খান দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় জমি কিনে বসবাস করে আসছেন। তবে হঠাৎ করেই প্রতিবেশীদের চলাচলের রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবেশীরা একাধিকবার অনুরোধ জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাঁদের। শাওন খানের প্রতিবেশী আবু বকর সিদ্দিক বলেন, “শাওন খানের পরিবারের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করেই তিনি আমাদের চলাচলের রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করছেন। আমরা বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও তিনি আমাদের কথা শোনেননি। এ বিষয়ে সিটি করপোরেশন ও প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার দাবি করছি।” স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বহু বছর আগে ওই স্থানে বরিশাল সিটি করপোরেশনের একটি ঢালাই করা রাস্তা ছিল। পরবর্তী সময়ে মাটি ভরাটের কারণে রাস্তাটি চাপা পড়ে যায়। তবে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে ওই পথ দিয়ে চলাচল করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, চলাচলের সুবিধার্থে অন্তত চার ফুট জায়গা ছেড়ে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের অনুরোধ জানানো হলেও তাতে সাড়া দেননি জমির মালিক। প্রতিবেশী রেমিজা বেগম বলেন, “তিন ফুটের মতো জায়গা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে রাস্তা এতটাই সংকুচিত হয়ে যাবে যে একটি অ্যাম্বুলেন্সও বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না। দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ এভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় আমরা দুশ্চিন্তায় রয়েছি। আমরা সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের কাছে এর সুষ্ঠু সমাধান চাই।” এলাকার প্রায় ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা বলেন, “এই রাস্তা আমাদের বাপ-দাদার আমল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এখন যদি সেই পথ দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করা হয়, তাহলে আমরা কোথায় যাব? জরুরি প্রয়োজনে অসুস্থ কাউকে হাসপাতালে নিতে অ্যাম্বুলেন্সও বাড়িতে ঢুকতে পারবে না। আমাদের চলাচলের পথ যেন কেউ দখল করতে না পারে, সে জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।” এদিকে, বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের সময় বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্ল্যান শাখার কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, চলাচলের রাস্তা দখলের পাশাপাশি বাউন্ডারি নির্মাণের জন্য অনুমোদিত প্ল্যানও ছিল না। তবে বিষয়টি নিয়ে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে জানতে দোস্ত ফিলিং স্টেশনের মালিক শাওন খানের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে তাঁর প্রতিনিধি মোতালেব হাজী বলেন, “এখানে সম্পূর্ণ জায়গা শাওন খানের। তিনি যদি সম্পূর্ণ রাস্তা বন্ধও করে দেন, তারপরও কারও কিছু করার নেই। কারণ, এই জমির সম্পূর্ণ মালিক তিনি।” স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, জমির মালিকানা ও দীর্ঘদিনের চলাচলের পথের প্রকৃত অবস্থা সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা হোক। একই সঙ্গে জরুরি সেবার যানবাহন চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করে বিরোধটির আইনসম্মত সমাধানে বরিশাল সিটি করপোরেশন ও প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।
  • জাতীয়
      নিজস্ব প্রতিবেদক: বরিশাল নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের গাউছিয়া সড়কের মৌলভী বাড়ি মসজিদ গলির মোমেন উদ্দিন লেনে চলাচলের রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে দোস্ত ফিলিং স্টেশনের মালিক শাওন খানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় চরম উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ পেয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্ল্যান শাখার কর্মকর্তারা নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) নগরীর সাগরদী এলাকার ওই লেনে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের কাজ শুরু হলে এ নিয়ে প্রতিবেশীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, শাওন খান দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় জমি কিনে বসবাস করে আসছেন। তবে হঠাৎ করেই প্রতিবেশীদের চলাচলের রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবেশীরা একাধিকবার অনুরোধ জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাঁদের। শাওন খানের প্রতিবেশী আবু বকর সিদ্দিক বলেন, “শাওন খানের পরিবারের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করেই তিনি আমাদের চলাচলের রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করছেন। আমরা বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও তিনি আমাদের কথা শোনেননি। এ বিষয়ে সিটি করপোরেশন ও প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার দাবি করছি।” স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বহু বছর আগে ওই স্থানে বরিশাল সিটি করপোরেশনের একটি ঢালাই করা রাস্তা ছিল। পরবর্তী সময়ে মাটি ভরাটের কারণে রাস্তাটি চাপা পড়ে যায়। তবে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে ওই পথ দিয়ে চলাচল করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, চলাচলের সুবিধার্থে অন্তত চার ফুট জায়গা ছেড়ে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের অনুরোধ জানানো হলেও তাতে সাড়া দেননি জমির মালিক। প্রতিবেশী রেমিজা বেগম বলেন, “তিন ফুটের মতো জায়গা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে রাস্তা এতটাই সংকুচিত হয়ে যাবে যে একটি অ্যাম্বুলেন্সও বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না। দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ এভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় আমরা দুশ্চিন্তায় রয়েছি। আমরা সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের কাছে এর সুষ্ঠু সমাধান চাই।” এলাকার প্রায় ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা বলেন, “এই রাস্তা আমাদের বাপ-দাদার আমল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এখন যদি সেই পথ দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করা হয়, তাহলে আমরা কোথায় যাব? জরুরি প্রয়োজনে অসুস্থ কাউকে হাসপাতালে নিতে অ্যাম্বুলেন্সও বাড়িতে ঢুকতে পারবে না। আমাদের চলাচলের পথ যেন কেউ দখল করতে না পারে, সে জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।” এদিকে, বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের সময় বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্ল্যান শাখার কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, চলাচলের রাস্তা দখলের পাশাপাশি বাউন্ডারি নির্মাণের জন্য অনুমোদিত প্ল্যানও ছিল না। তবে বিষয়টি নিয়ে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে জানতে দোস্ত ফিলিং স্টেশনের মালিক শাওন খানের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে তাঁর প্রতিনিধি মোতালেব হাজী বলেন, “এখানে সম্পূর্ণ জায়গা শাওন খানের। তিনি যদি সম্পূর্ণ রাস্তা বন্ধও করে দেন, তারপরও কারও কিছু করার নেই। কারণ, এই জমির সম্পূর্ণ মালিক তিনি।” স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, জমির মালিকানা ও দীর্ঘদিনের চলাচলের পথের প্রকৃত অবস্থা সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা হোক। একই সঙ্গে জরুরি সেবার যানবাহন চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করে বিরোধটির আইনসম্মত সমাধানে বরিশাল সিটি করপোরেশন ও প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।
  • রাজনীতি
      নিজস্ব প্রতিবেদক: বরিশাল নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের গাউছিয়া সড়কের মৌলভী বাড়ি মসজিদ গলির মোমেন উদ্দিন লেনে চলাচলের রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে দোস্ত ফিলিং স্টেশনের মালিক শাওন খানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় চরম উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ পেয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্ল্যান শাখার কর্মকর্তারা নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) নগরীর সাগরদী এলাকার ওই লেনে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের কাজ শুরু হলে এ নিয়ে প্রতিবেশীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, শাওন খান দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় জমি কিনে বসবাস করে আসছেন। তবে হঠাৎ করেই প্রতিবেশীদের চলাচলের রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবেশীরা একাধিকবার অনুরোধ জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাঁদের। শাওন খানের প্রতিবেশী আবু বকর সিদ্দিক বলেন, “শাওন খানের পরিবারের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করেই তিনি আমাদের চলাচলের রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করছেন। আমরা বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও তিনি আমাদের কথা শোনেননি। এ বিষয়ে সিটি করপোরেশন ও প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার দাবি করছি।” স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বহু বছর আগে ওই স্থানে বরিশাল সিটি করপোরেশনের একটি ঢালাই করা রাস্তা ছিল। পরবর্তী সময়ে মাটি ভরাটের কারণে রাস্তাটি চাপা পড়ে যায়। তবে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে ওই পথ দিয়ে চলাচল করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, চলাচলের সুবিধার্থে অন্তত চার ফুট জায়গা ছেড়ে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের অনুরোধ জানানো হলেও তাতে সাড়া দেননি জমির মালিক। প্রতিবেশী রেমিজা বেগম বলেন, “তিন ফুটের মতো জায়গা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে রাস্তা এতটাই সংকুচিত হয়ে যাবে যে একটি অ্যাম্বুলেন্সও বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না। দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ এভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় আমরা দুশ্চিন্তায় রয়েছি। আমরা সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের কাছে এর সুষ্ঠু সমাধান চাই।” এলাকার প্রায় ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা বলেন, “এই রাস্তা আমাদের বাপ-দাদার আমল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এখন যদি সেই পথ দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করা হয়, তাহলে আমরা কোথায় যাব? জরুরি প্রয়োজনে অসুস্থ কাউকে হাসপাতালে নিতে অ্যাম্বুলেন্সও বাড়িতে ঢুকতে পারবে না। আমাদের চলাচলের পথ যেন কেউ দখল করতে না পারে, সে জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।” এদিকে, বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের সময় বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্ল্যান শাখার কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, চলাচলের রাস্তা দখলের পাশাপাশি বাউন্ডারি নির্মাণের জন্য অনুমোদিত প্ল্যানও ছিল না। তবে বিষয়টি নিয়ে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে জানতে দোস্ত ফিলিং স্টেশনের মালিক শাওন খানের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে তাঁর প্রতিনিধি মোতালেব হাজী বলেন, “এখানে সম্পূর্ণ জায়গা শাওন খানের। তিনি যদি সম্পূর্ণ রাস্তা বন্ধও করে দেন, তারপরও কারও কিছু করার নেই। কারণ, এই জমির সম্পূর্ণ মালিক তিনি।” স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, জমির মালিকানা ও দীর্ঘদিনের চলাচলের পথের প্রকৃত অবস্থা সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা হোক। একই সঙ্গে জরুরি সেবার যানবাহন চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করে বিরোধটির আইনসম্মত সমাধানে বরিশাল সিটি করপোরেশন ও প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।
  • সারাদেশ
      নিজস্ব প্রতিবেদক: বরিশাল নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের গাউছিয়া সড়কের মৌলভী বাড়ি মসজিদ গলির মোমেন উদ্দিন লেনে চলাচলের রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে দোস্ত ফিলিং স্টেশনের মালিক শাওন খানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় চরম উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ পেয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্ল্যান শাখার কর্মকর্তারা নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) নগরীর সাগরদী এলাকার ওই লেনে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের কাজ শুরু হলে এ নিয়ে প্রতিবেশীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, শাওন খান দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় জমি কিনে বসবাস করে আসছেন। তবে হঠাৎ করেই প্রতিবেশীদের চলাচলের রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবেশীরা একাধিকবার অনুরোধ জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাঁদের। শাওন খানের প্রতিবেশী আবু বকর সিদ্দিক বলেন, “শাওন খানের পরিবারের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করেই তিনি আমাদের চলাচলের রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করছেন। আমরা বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও তিনি আমাদের কথা শোনেননি। এ বিষয়ে সিটি করপোরেশন ও প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার দাবি করছি।” স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বহু বছর আগে ওই স্থানে বরিশাল সিটি করপোরেশনের একটি ঢালাই করা রাস্তা ছিল। পরবর্তী সময়ে মাটি ভরাটের কারণে রাস্তাটি চাপা পড়ে যায়। তবে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে ওই পথ দিয়ে চলাচল করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, চলাচলের সুবিধার্থে অন্তত চার ফুট জায়গা ছেড়ে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের অনুরোধ জানানো হলেও তাতে সাড়া দেননি জমির মালিক। প্রতিবেশী রেমিজা বেগম বলেন, “তিন ফুটের মতো জায়গা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে রাস্তা এতটাই সংকুচিত হয়ে যাবে যে একটি অ্যাম্বুলেন্সও বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না। দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ এভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় আমরা দুশ্চিন্তায় রয়েছি। আমরা সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের কাছে এর সুষ্ঠু সমাধান চাই।” এলাকার প্রায় ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা বলেন, “এই রাস্তা আমাদের বাপ-দাদার আমল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এখন যদি সেই পথ দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করা হয়, তাহলে আমরা কোথায় যাব? জরুরি প্রয়োজনে অসুস্থ কাউকে হাসপাতালে নিতে অ্যাম্বুলেন্সও বাড়িতে ঢুকতে পারবে না। আমাদের চলাচলের পথ যেন কেউ দখল করতে না পারে, সে জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।” এদিকে, বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের সময় বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্ল্যান শাখার কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, চলাচলের রাস্তা দখলের পাশাপাশি বাউন্ডারি নির্মাণের জন্য অনুমোদিত প্ল্যানও ছিল না। তবে বিষয়টি নিয়ে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে জানতে দোস্ত ফিলিং স্টেশনের মালিক শাওন খানের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে তাঁর প্রতিনিধি মোতালেব হাজী বলেন, “এখানে সম্পূর্ণ জায়গা শাওন খানের। তিনি যদি সম্পূর্ণ রাস্তা বন্ধও করে দেন, তারপরও কারও কিছু করার নেই। কারণ, এই জমির সম্পূর্ণ মালিক তিনি।” স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, জমির মালিকানা ও দীর্ঘদিনের চলাচলের পথের প্রকৃত অবস্থা সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা হোক। একই সঙ্গে জরুরি সেবার যানবাহন চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করে বিরোধটির আইনসম্মত সমাধানে বরিশাল সিটি করপোরেশন ও প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।
    • ঢাকা
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
    • সিলেট
  • আন্তর্জাতিক
      নিজস্ব প্রতিবেদক: বরিশাল নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের গাউছিয়া সড়কের মৌলভী বাড়ি মসজিদ গলির মোমেন উদ্দিন লেনে চলাচলের রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে দোস্ত ফিলিং স্টেশনের মালিক শাওন খানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় চরম উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ পেয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্ল্যান শাখার কর্মকর্তারা নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) নগরীর সাগরদী এলাকার ওই লেনে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের কাজ শুরু হলে এ নিয়ে প্রতিবেশীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, শাওন খান দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় জমি কিনে বসবাস করে আসছেন। তবে হঠাৎ করেই প্রতিবেশীদের চলাচলের রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবেশীরা একাধিকবার অনুরোধ জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাঁদের। শাওন খানের প্রতিবেশী আবু বকর সিদ্দিক বলেন, “শাওন খানের পরিবারের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করেই তিনি আমাদের চলাচলের রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করছেন। আমরা বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও তিনি আমাদের কথা শোনেননি। এ বিষয়ে সিটি করপোরেশন ও প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার দাবি করছি।” স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বহু বছর আগে ওই স্থানে বরিশাল সিটি করপোরেশনের একটি ঢালাই করা রাস্তা ছিল। পরবর্তী সময়ে মাটি ভরাটের কারণে রাস্তাটি চাপা পড়ে যায়। তবে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে ওই পথ দিয়ে চলাচল করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, চলাচলের সুবিধার্থে অন্তত চার ফুট জায়গা ছেড়ে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের অনুরোধ জানানো হলেও তাতে সাড়া দেননি জমির মালিক। প্রতিবেশী রেমিজা বেগম বলেন, “তিন ফুটের মতো জায়গা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে রাস্তা এতটাই সংকুচিত হয়ে যাবে যে একটি অ্যাম্বুলেন্সও বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না। দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ এভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় আমরা দুশ্চিন্তায় রয়েছি। আমরা সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের কাছে এর সুষ্ঠু সমাধান চাই।” এলাকার প্রায় ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা বলেন, “এই রাস্তা আমাদের বাপ-দাদার আমল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এখন যদি সেই পথ দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করা হয়, তাহলে আমরা কোথায় যাব? জরুরি প্রয়োজনে অসুস্থ কাউকে হাসপাতালে নিতে অ্যাম্বুলেন্সও বাড়িতে ঢুকতে পারবে না। আমাদের চলাচলের পথ যেন কেউ দখল করতে না পারে, সে জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।” এদিকে, বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের সময় বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্ল্যান শাখার কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, চলাচলের রাস্তা দখলের পাশাপাশি বাউন্ডারি নির্মাণের জন্য অনুমোদিত প্ল্যানও ছিল না। তবে বিষয়টি নিয়ে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে জানতে দোস্ত ফিলিং স্টেশনের মালিক শাওন খানের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে তাঁর প্রতিনিধি মোতালেব হাজী বলেন, “এখানে সম্পূর্ণ জায়গা শাওন খানের। তিনি যদি সম্পূর্ণ রাস্তা বন্ধও করে দেন, তারপরও কারও কিছু করার নেই। কারণ, এই জমির সম্পূর্ণ মালিক তিনি।” স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, জমির মালিকানা ও দীর্ঘদিনের চলাচলের পথের প্রকৃত অবস্থা সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা হোক। একই সঙ্গে জরুরি সেবার যানবাহন চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করে বিরোধটির আইনসম্মত সমাধানে বরিশাল সিটি করপোরেশন ও প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।
  • বরিশাল বিভাগ
      নিজস্ব প্রতিবেদক: বরিশাল নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের গাউছিয়া সড়কের মৌলভী বাড়ি মসজিদ গলির মোমেন উদ্দিন লেনে চলাচলের রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে দোস্ত ফিলিং স্টেশনের মালিক শাওন খানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় চরম উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ পেয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্ল্যান শাখার কর্মকর্তারা নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) নগরীর সাগরদী এলাকার ওই লেনে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের কাজ শুরু হলে এ নিয়ে প্রতিবেশীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, শাওন খান দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় জমি কিনে বসবাস করে আসছেন। তবে হঠাৎ করেই প্রতিবেশীদের চলাচলের রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবেশীরা একাধিকবার অনুরোধ জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাঁদের। শাওন খানের প্রতিবেশী আবু বকর সিদ্দিক বলেন, “শাওন খানের পরিবারের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করেই তিনি আমাদের চলাচলের রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করছেন। আমরা বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও তিনি আমাদের কথা শোনেননি। এ বিষয়ে সিটি করপোরেশন ও প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার দাবি করছি।” স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বহু বছর আগে ওই স্থানে বরিশাল সিটি করপোরেশনের একটি ঢালাই করা রাস্তা ছিল। পরবর্তী সময়ে মাটি ভরাটের কারণে রাস্তাটি চাপা পড়ে যায়। তবে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে ওই পথ দিয়ে চলাচল করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, চলাচলের সুবিধার্থে অন্তত চার ফুট জায়গা ছেড়ে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের অনুরোধ জানানো হলেও তাতে সাড়া দেননি জমির মালিক। প্রতিবেশী রেমিজা বেগম বলেন, “তিন ফুটের মতো জায়গা দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে রাস্তা এতটাই সংকুচিত হয়ে যাবে যে একটি অ্যাম্বুলেন্সও বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না। দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ এভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় আমরা দুশ্চিন্তায় রয়েছি। আমরা সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের কাছে à