Latest post
কুয়াকাটা সৈকতে ৫৮ ফুট দৈর্ঘ্যের মৃত তিমি
সাংবাদিক তুহিনের উপর হামলা: প্রতিবাদে কলাপাড়ায় মানববন্ধন
বরিশালে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা
Popular Posts
কলাপাড়ায় চলাচলে সড়ক আটকে বসতঘর নির্মানে ১৭ বছরের ভোগান্তি
(195)
NS_admin_03
May 11, 2026
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান
(126)
NS_admin_01
May 5, 2026
বিজয়ের উত্থানে টালমাটাল তামিলনাড়ুর পুরোনো জোট
(122)
NS_admin_01
May 5, 2026
সকালে মুখ শুষ্ক থাকে? জেনে নিন কারণ
(111)
NS_admin_01
May 5, 2026
আমি পদত্যাগ করব না: মমতা
(110)
NS_admin_01
May 5, 2026
Stay Connected
TT Ads
প্রচ্ছদ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সৎ সাংবাদিকতাকে আজ সুরক্ষা দিতে হবে অসৎ সাংবাদিকতার হাত থেকে। নামমাত্র ও ভাসমান সাংবাদিকদের ভিড়ে পেশাদার সাংবাদিকরা পথভ্রষ্ট হচ্ছেন।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, সমাজ রাষ্ট্র রাজনীতিকে প্রশ্ন করার ক্ষমতা হচ্ছে গণমাধ্যমের। সে প্রধানমন্ত্রী হোক, রাষ্ট্রপতি হোক, মন্ত্রী হোক, ডিসি হোক, ইঞ্জিনিয়ার হোক- তার প্রতিটি কাজ নিরক্ষণ করা, প্রশ্নবিদ্ধ করা সাংবাদিকদের কাজ। এই প্রশ্নবিদ্ধ করার ক্ষমতাকে কেউ ব্ল্যাকমেইলের ইন্সট্রুমেন্ট হিসাবে কাজে লাগাতে চান, তখন পেশাদার সাংবাদিকরা বিপদের মধ্যে পড়ে যান। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকার, ফ্যাসিবাদী রাজনীতি, স্বৈরাচারী সরকার- স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করতে চায় এবং গণমাধ্যমে গদি সাংবাদিকতা তৈরি করতে চায়। তারা চায় তারা দেশ শাসন করবে তাদের খুশি মতো, শোষণ করবে তাদের খুশি মতো, লুট করবে তাদের খুশি মতো, খুন করবে, গুম করবে এবং তাদের এই অপকর্মের পক্ষে জনমত তৈরি করার জন্য গণমাধ্যম কাজ করবে । আবার কিছু গণমাধ্যম এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে নির্যাতিত হচ্ছে, নিপীড়িত হচ্ছে, তাদের কণ্ঠস্বরকে রোধ করে দেওয়া হচ্ছে, নির্যাতন করা হচ্ছে, মামলা দেওয়া হচ্ছে। গণমাধ্যমের যে দায়িত্ব এবং ক্ষমতা- তা একদিকে যেমন জনগণের পক্ষে ব্যবহার করা যায়, ঠিক তেমনি এটাকে জনগণের বিরুদ্ধেও ব্যবহার করা যায়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, পত্রিকার মালিক সমিতির সাথে প্রধানমন্ত্রীর ইতোমধ্যে বৈঠক হয়েছে। আমরা দেশে একটি সুষ্ঠু গণমাধ্যম পরিবেশকে নিশ্চিত করতে চাই এবং সেই কারণেই কোনে পত্রিকার কত ছাপা সংখ্যা এবং কোন টেলিভিশনের প্রচার সংখ্যা কত- এ বিষয়ে আমাদের একটি স্বচ্ছ হিসাব থাকতে হবে। ভুল ছাপার হিসাবের নামে কোন সরকারি সুযোগ-সুবিধা আর পাবে না। আমরা একটি সঠিক নীতিমালার ভিত্তিতে কোন সংবাদপত্র এবং টেলিভিশনের গ্রহণযোগ্যতা যতটুকু আছে তার একটি ডিজিটাল ম্যানেজমেন্টের দিকে যেতে শুরু করব। আমরা স্বীকার করি এবং মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি সংবাদপত্র শিল্পজগৎ অন্য কোনো শিল্পজগতের সাথে তুলনা করা যায় না। গার্মেন্টস শিল্প জগৎ কিংবা অন্য কোনো শিল্প জগতের সাথে সংবাদপত্র শিল্পজগৎকে তুলনা করা হয় না। সে কারণেই আমরা এই শিল্পজগতের উদ্যোক্তাদেরকেও সব ধরনের সহযোগিতা দিতে চাই। কেননা সংবাদপত্র শুধুমাত্র উদ্যোক্তাদের মুনাফার জন্য নয়, সংবাদপত্র টেলিভিশন কিংবা যে কোনো গণমাধ্যম যদি স্বাধীনভাবে কাজ করে তাহলে সমাজ রাজনীতি একটি লাগাতার জবাবদিহিতার মধ্যে চলতে বাধ্য থাকবে। আর যত বেশি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়, শাসনব্যবস্থা পরিচ্ছন্ন করা যায়, সবচেয়ে বেশি লাভবান হয় দেশ এবং জাতি। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতার সংজ্ঞা বদল হয়ে গেছে। আগে সাংবাদিকতা বলতে যা বুঝাতো এখন তা বুঝায় না। প্রচলিত গণমাধ্যম বলতে যেমন আমরা বিভিন্ন বড় বড় পত্রপত্রিকাকে বুঝতাম এখন কিন্তু গণমাধ্যম বলতে তা বুঝায় না। এখন একজন মেধাবী ব্যক্তি তার শয়নকক্ষে বসে শুধু ইউটিউব প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে তিনি যেমন গ্রাউন্ড তৈরি করতে পারেন, যে পরিমাণ মানুষকে প্রভাবিত করতে পারেন, আধুনিক অনেক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানও তা পারে না। এমনকি একজন সাধারণ বুদ্ধিমান নাগরিক তার সামনে ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা কিংবা দুর্ঘটনা মুহূর্তে ক্যামেরা বন্দি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেন, তখন প্রচলিত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান তার কাছ থেকেই কিন্তু সংবাদটি সংগ্রহ করে। এমন অনেক কাজ করছেন একজন সৎ এবং বুদ্ধিমান নাগরিক। যাদের কাছে ডিভাইস আছে, ইন্টারনেট ক্ষমতার কারণে সিটিজেন জার্নালিজম এখন অনেক বেশি পাওয়ারফুল। পরিবর্তনের এই গতির সাথে যদি আপনারা তাল মিলাতে না পারেন তাহলে আপনি গণমাধ্যম কর্মী হিসাবে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পরবেন। মন্ত্রী বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ে আমি কাজ করতে গিয়ে উপলব্ধি করেছি- আমার হাতে একটি বাটন ফোন আর জনগণের চাহিদা ডিজিটাল সার্ভিস। একটি বাটন ফোন দিয়ে যেমন ডিজিটাল সার্ভিস দেওয়া যায় না, সরকারের বর্তমান রাষ্ট্র কাঠামোর যে তথ্য ব্যবস্থা যে ধরনের অবকাঠামো বিরাজ করে এ ধরনের অবকাঠামো দিয়ে আধুনিককালের তথ্য সেবা দেওয়ার কোনো উপায় নেই। সঙ্গত কারণেই আমাদেরকে অনেক গভীরভাবে চিন্তা করতে হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিকুর রহমান টিপু এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মো. গোলজার হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মৌসুমী মাহবুব, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.কে.এম ইরাদত মানু, ঢাকা চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য মো. মোশাররফ হোসেন এবং সাবেক মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান প্রমুখ।
জাতীয়
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সৎ সাংবাদিকতাকে আজ সুরক্ষা দিতে হবে অসৎ সাংবাদিকতার হাত থেকে। নামমাত্র ও ভাসমান সাংবাদিকদের ভিড়ে পেশাদার সাংবাদিকরা পথভ্রষ্ট হচ্ছেন।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, সমাজ রাষ্ট্র রাজনীতিকে প্রশ্ন করার ক্ষমতা হচ্ছে গণমাধ্যমের। সে প্রধানমন্ত্রী হোক, রাষ্ট্রপতি হোক, মন্ত্রী হোক, ডিসি হোক, ইঞ্জিনিয়ার হোক- তার প্রতিটি কাজ নিরক্ষণ করা, প্রশ্নবিদ্ধ করা সাংবাদিকদের কাজ। এই প্রশ্নবিদ্ধ করার ক্ষমতাকে কেউ ব্ল্যাকমেইলের ইন্সট্রুমেন্ট হিসাবে কাজে লাগাতে চান, তখন পেশাদার সাংবাদিকরা বিপদের মধ্যে পড়ে যান। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকার, ফ্যাসিবাদী রাজনীতি, স্বৈরাচারী সরকার- স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করতে চায় এবং গণমাধ্যমে গদি সাংবাদিকতা তৈরি করতে চায়। তারা চায় তারা দেশ শাসন করবে তাদের খুশি মতো, শোষণ করবে তাদের খুশি মতো, লুট করবে তাদের খুশি মতো, খুন করবে, গুম করবে এবং তাদের এই অপকর্মের পক্ষে জনমত তৈরি করার জন্য গণমাধ্যম কাজ করবে । আবার কিছু গণমাধ্যম এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে নির্যাতিত হচ্ছে, নিপীড়িত হচ্ছে, তাদের কণ্ঠস্বরকে রোধ করে দেওয়া হচ্ছে, নির্যাতন করা হচ্ছে, মামলা দেওয়া হচ্ছে। গণমাধ্যমের যে দায়িত্ব এবং ক্ষমতা- তা একদিকে যেমন জনগণের পক্ষে ব্যবহার করা যায়, ঠিক তেমনি এটাকে জনগণের বিরুদ্ধেও ব্যবহার করা যায়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, পত্রিকার মালিক সমিতির সাথে প্রধানমন্ত্রীর ইতোমধ্যে বৈঠক হয়েছে। আমরা দেশে একটি সুষ্ঠু গণমাধ্যম পরিবেশকে নিশ্চিত করতে চাই এবং সেই কারণেই কোনে পত্রিকার কত ছাপা সংখ্যা এবং কোন টেলিভিশনের প্রচার সংখ্যা কত- এ বিষয়ে আমাদের একটি স্বচ্ছ হিসাব থাকতে হবে। ভুল ছাপার হিসাবের নামে কোন সরকারি সুযোগ-সুবিধা আর পাবে না। আমরা একটি সঠিক নীতিমালার ভিত্তিতে কোন সংবাদপত্র এবং টেলিভিশনের গ্রহণযোগ্যতা যতটুকু আছে তার একটি ডিজিটাল ম্যানেজমেন্টের দিকে যেতে শুরু করব। আমরা স্বীকার করি এবং মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি সংবাদপত্র শিল্পজগৎ অন্য কোনো শিল্পজগতের সাথে তুলনা করা যায় না। গার্মেন্টস শিল্প জগৎ কিংবা অন্য কোনো শিল্প জগতের সাথে সংবাদপত্র শিল্পজগৎকে তুলনা করা হয় না। সে কারণেই আমরা এই শিল্পজগতের উদ্যোক্তাদেরকেও সব ধরনের সহযোগিতা দিতে চাই। কেননা সংবাদপত্র শুধুমাত্র উদ্যোক্তাদের মুনাফার জন্য নয়, সংবাদপত্র টেলিভিশন কিংবা যে কোনো গণমাধ্যম যদি স্বাধীনভাবে কাজ করে তাহলে সমাজ রাজনীতি একটি লাগাতার জবাবদিহিতার মধ্যে চলতে বাধ্য থাকবে। আর যত বেশি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়, শাসনব্যবস্থা পরিচ্ছন্ন করা যায়, সবচেয়ে বেশি লাভবান হয় দেশ এবং জাতি। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতার সংজ্ঞা বদল হয়ে গেছে। আগে সাংবাদিকতা বলতে যা বুঝাতো এখন তা বুঝায় না। প্রচলিত গণমাধ্যম বলতে যেমন আমরা বিভিন্ন বড় বড় পত্রপত্রিকাকে বুঝতাম এখন কিন্তু গণমাধ্যম বলতে তা বুঝায় না। এখন একজন মেধাবী ব্যক্তি তার শয়নকক্ষে বসে শুধু ইউটিউব প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে তিনি যেমন গ্রাউন্ড তৈরি করতে পারেন, যে পরিমাণ মানুষকে প্রভাবিত করতে পারেন, আধুনিক অনেক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানও তা পারে না। এমনকি একজন সাধারণ বুদ্ধিমান নাগরিক তার সামনে ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা কিংবা দুর্ঘটনা মুহূর্তে ক্যামেরা বন্দি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেন, তখন প্রচলিত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান তার কাছ থেকেই কিন্তু সংবাদটি সংগ্রহ করে। এমন অনেক কাজ করছেন একজন সৎ এবং বুদ্ধিমান নাগরিক। যাদের কাছে ডিভাইস আছে, ইন্টারনেট ক্ষমতার কারণে সিটিজেন জার্নালিজম এখন অনেক বেশি পাওয়ারফুল। পরিবর্তনের এই গতির সাথে যদি আপনারা তাল মিলাতে না পারেন তাহলে আপনি গণমাধ্যম কর্মী হিসাবে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পরবেন। মন্ত্রী বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ে আমি কাজ করতে গিয়ে উপলব্ধি করেছি- আমার হাতে একটি বাটন ফোন আর জনগণের চাহিদা ডিজিটাল সার্ভিস। একটি বাটন ফোন দিয়ে যেমন ডিজিটাল সার্ভিস দেওয়া যায় না, সরকারের বর্তমান রাষ্ট্র কাঠামোর যে তথ্য ব্যবস্থা যে ধরনের অবকাঠামো বিরাজ করে এ ধরনের অবকাঠামো দিয়ে আধুনিককালের তথ্য সেবা দেওয়ার কোনো উপায় নেই। সঙ্গত কারণেই আমাদেরকে অনেক গভীরভাবে চিন্তা করতে হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিকুর রহমান টিপু এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মো. গোলজার হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মৌসুমী মাহবুব, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.কে.এম ইরাদত মানু, ঢাকা চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য মো. মোশাররফ হোসেন এবং সাবেক মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান প্রমুখ।
রাজনীতি
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সৎ সাংবাদিকতাকে আজ সুরক্ষা দিতে হবে অসৎ সাংবাদিকতার হাত থেকে। নামমাত্র ও ভাসমান সাংবাদিকদের ভিড়ে পেশাদার সাংবাদিকরা পথভ্রষ্ট হচ্ছেন।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, সমাজ রাষ্ট্র রাজনীতিকে প্রশ্ন করার ক্ষমতা হচ্ছে গণমাধ্যমের। সে প্রধানমন্ত্রী হোক, রাষ্ট্রপতি হোক, মন্ত্রী হোক, ডিসি হোক, ইঞ্জিনিয়ার হোক- তার প্রতিটি কাজ নিরক্ষণ করা, প্রশ্নবিদ্ধ করা সাংবাদিকদের কাজ। এই প্রশ্নবিদ্ধ করার ক্ষমতাকে কেউ ব্ল্যাকমেইলের ইন্সট্রুমেন্ট হিসাবে কাজে লাগাতে চান, তখন পেশাদার সাংবাদিকরা বিপদের মধ্যে পড়ে যান। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকার, ফ্যাসিবাদী রাজনীতি, স্বৈরাচারী সরকার- স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করতে চায় এবং গণমাধ্যমে গদি সাংবাদিকতা তৈরি করতে চায়। তারা চায় তারা দেশ শাসন করবে তাদের খুশি মতো, শোষণ করবে তাদের খুশি মতো, লুট করবে তাদের খুশি মতো, খুন করবে, গুম করবে এবং তাদের এই অপকর্মের পক্ষে জনমত তৈরি করার জন্য গণমাধ্যম কাজ করবে । আবার কিছু গণমাধ্যম এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে নির্যাতিত হচ্ছে, নিপীড়িত হচ্ছে, তাদের কণ্ঠস্বরকে রোধ করে দেওয়া হচ্ছে, নির্যাতন করা হচ্ছে, মামলা দেওয়া হচ্ছে। গণমাধ্যমের যে দায়িত্ব এবং ক্ষমতা- তা একদিকে যেমন জনগণের পক্ষে ব্যবহার করা যায়, ঠিক তেমনি এটাকে জনগণের বিরুদ্ধেও ব্যবহার করা যায়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, পত্রিকার মালিক সমিতির সাথে প্রধানমন্ত্রীর ইতোমধ্যে বৈঠক হয়েছে। আমরা দেশে একটি সুষ্ঠু গণমাধ্যম পরিবেশকে নিশ্চিত করতে চাই এবং সেই কারণেই কোনে পত্রিকার কত ছাপা সংখ্যা এবং কোন টেলিভিশনের প্রচার সংখ্যা কত- এ বিষয়ে আমাদের একটি স্বচ্ছ হিসাব থাকতে হবে। ভুল ছাপার হিসাবের নামে কোন সরকারি সুযোগ-সুবিধা আর পাবে না। আমরা একটি সঠিক নীতিমালার ভিত্তিতে কোন সংবাদপত্র এবং টেলিভিশনের গ্রহণযোগ্যতা যতটুকু আছে তার একটি ডিজিটাল ম্যানেজমেন্টের দিকে যেতে শুরু করব। আমরা স্বীকার করি এবং মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি সংবাদপত্র শিল্পজগৎ অন্য কোনো শিল্পজগতের সাথে তুলনা করা যায় না। গার্মেন্টস শিল্প জগৎ কিংবা অন্য কোনো শিল্প জগতের সাথে সংবাদপত্র শিল্পজগৎকে তুলনা করা হয় না। সে কারণেই আমরা এই শিল্পজগতের উদ্যোক্তাদেরকেও সব ধরনের সহযোগিতা দিতে চাই। কেননা সংবাদপত্র শুধুমাত্র উদ্যোক্তাদের মুনাফার জন্য নয়, সংবাদপত্র টেলিভিশন কিংবা যে কোনো গণমাধ্যম যদি স্বাধীনভাবে কাজ করে তাহলে সমাজ রাজনীতি একটি লাগাতার জবাবদিহিতার মধ্যে চলতে বাধ্য থাকবে। আর যত বেশি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়, শাসনব্যবস্থা পরিচ্ছন্ন করা যায়, সবচেয়ে বেশি লাভবান হয় দেশ এবং জাতি। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতার সংজ্ঞা বদল হয়ে গেছে। আগে সাংবাদিকতা বলতে যা বুঝাতো এখন তা বুঝায় না। প্রচলিত গণমাধ্যম বলতে যেমন আমরা বিভিন্ন বড় বড় পত্রপত্রিকাকে বুঝতাম এখন কিন্তু গণমাধ্যম বলতে তা বুঝায় না। এখন একজন মেধাবী ব্যক্তি তার শয়নকক্ষে বসে শুধু ইউটিউব প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে তিনি যেমন গ্রাউন্ড তৈরি করতে পারেন, যে পরিমাণ মানুষকে প্রভাবিত করতে পারেন, আধুনিক অনেক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানও তা পারে না। এমনকি একজন সাধারণ বুদ্ধিমান নাগরিক তার সামনে ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা কিংবা দুর্ঘটনা মুহূর্তে ক্যামেরা বন্দি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেন, তখন প্রচলিত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান তার কাছ থেকেই কিন্তু সংবাদটি সংগ্রহ করে। এমন অনেক কাজ করছেন একজন সৎ এবং বুদ্ধিমান নাগরিক। যাদের কাছে ডিভাইস আছে, ইন্টারনেট ক্ষমতার কারণে সিটিজেন জার্নালিজম এখন অনেক বেশি পাওয়ারফুল। পরিবর্তনের এই গতির সাথে যদি আপনারা তাল মিলাতে না পারেন তাহলে আপনি গণমাধ্যম কর্মী হিসাবে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পরবেন। মন্ত্রী বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ে আমি কাজ করতে গিয়ে উপলব্ধি করেছি- আমার হাতে একটি বাটন ফোন আর জনগণের চাহিদা ডিজিটাল সার্ভিস। একটি বাটন ফোন দিয়ে যেমন ডিজিটাল সার্ভিস দেওয়া যায় না, সরকারের বর্তমান রাষ্ট্র কাঠামোর যে তথ্য ব্যবস্থা যে ধরনের অবকাঠামো বিরাজ করে এ ধরনের অবকাঠামো দিয়ে আধুনিককালের তথ্য সেবা দেওয়ার কোনো উপায় নেই। সঙ্গত কারণেই আমাদেরকে অনেক গভীরভাবে চিন্তা করতে হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিকুর রহমান টিপু এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মো. গোলজার হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মৌসুমী মাহবুব, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.কে.এম ইরাদত মানু, ঢাকা চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য মো. মোশাররফ হোসেন এবং সাবেক মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান প্রমুখ।
সারাদেশ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সৎ সাংবাদিকতাকে আজ সুরক্ষা দিতে হবে অসৎ সাংবাদিকতার হাত থেকে। নামমাত্র ও ভাসমান সাংবাদিকদের ভিড়ে পেশাদার সাংবাদিকরা পথভ্রষ্ট হচ্ছেন।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, সমাজ রাষ্ট্র রাজনীতিকে প্রশ্ন করার ক্ষমতা হচ্ছে গণমাধ্যমের। সে প্রধানমন্ত্রী হোক, রাষ্ট্রপতি হোক, মন্ত্রী হোক, ডিসি হোক, ইঞ্জিনিয়ার হোক- তার প্রতিটি কাজ নিরক্ষণ করা, প্রশ্নবিদ্ধ করা সাংবাদিকদের কাজ। এই প্রশ্নবিদ্ধ করার ক্ষমতাকে কেউ ব্ল্যাকমেইলের ইন্সট্রুমেন্ট হিসাবে কাজে লাগাতে চান, তখন পেশাদার সাংবাদিকরা বিপদের মধ্যে পড়ে যান। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকার, ফ্যাসিবাদী রাজনীতি, স্বৈরাচারী সরকার- স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করতে চায় এবং গণমাধ্যমে গদি সাংবাদিকতা তৈরি করতে চায়। তারা চায় তারা দেশ শাসন করবে তাদের খুশি মতো, শোষণ করবে তাদের খুশি মতো, লুট করবে তাদের খুশি মতো, খুন করবে, গুম করবে এবং তাদের এই অপকর্মের পক্ষে জনমত তৈরি করার জন্য গণমাধ্যম কাজ করবে । আবার কিছু গণমাধ্যম এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে নির্যাতিত হচ্ছে, নিপীড়িত হচ্ছে, তাদের কণ্ঠস্বরকে রোধ করে দেওয়া হচ্ছে, নির্যাতন করা হচ্ছে, মামলা দেওয়া হচ্ছে। গণমাধ্যমের যে দায়িত্ব এবং ক্ষমতা- তা একদিকে যেমন জনগণের পক্ষে ব্যবহার করা যায়, ঠিক তেমনি এটাকে জনগণের বিরুদ্ধেও ব্যবহার করা যায়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, পত্রিকার মালিক সমিতির সাথে প্রধানমন্ত্রীর ইতোমধ্যে বৈঠক হয়েছে। আমরা দেশে একটি সুষ্ঠু গণমাধ্যম পরিবেশকে নিশ্চিত করতে চাই এবং সেই কারণেই কোনে পত্রিকার কত ছাপা সংখ্যা এবং কোন টেলিভিশনের প্রচার সংখ্যা কত- এ বিষয়ে আমাদের একটি স্বচ্ছ হিসাব থাকতে হবে। ভুল ছাপার হিসাবের নামে কোন সরকারি সুযোগ-সুবিধা আর পাবে না। আমরা একটি সঠিক নীতিমালার ভিত্তিতে কোন সংবাদপত্র এবং টেলিভিশনের গ্রহণযোগ্যতা যতটুকু আছে তার একটি ডিজিটাল ম্যানেজমেন্টের দিকে যেতে শুরু করব। আমরা স্বীকার করি এবং মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি সংবাদপত্র শিল্পজগৎ অন্য কোনো শিল্পজগতের সাথে তুলনা করা যায় না। গার্মেন্টস শিল্প জগৎ কিংবা অন্য কোনো শিল্প জগতের সাথে সংবাদপত্র শিল্পজগৎকে তুলনা করা হয় না। সে কারণেই আমরা এই শিল্পজগতের উদ্যোক্তাদেরকেও সব ধরনের সহযোগিতা দিতে চাই। কেননা সংবাদপত্র শুধুমাত্র উদ্যোক্তাদের মুনাফার জন্য নয়, সংবাদপত্র টেলিভিশন কিংবা যে কোনো গণমাধ্যম যদি স্বাধীনভাবে কাজ করে তাহলে সমাজ রাজনীতি একটি লাগাতার জবাবদিহিতার মধ্যে চলতে বাধ্য থাকবে। আর যত বেশি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়, শাসনব্যবস্থা পরিচ্ছন্ন করা যায়, সবচেয়ে বেশি লাভবান হয় দেশ এবং জাতি। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতার সংজ্ঞা বদল হয়ে গেছে। আগে সাংবাদিকতা বলতে যা বুঝাতো এখন তা বুঝায় না। প্রচলিত গণমাধ্যম বলতে যেমন আমরা বিভিন্ন বড় বড় পত্রপত্রিকাকে বুঝতাম এখন কিন্তু গণমাধ্যম বলতে তা বুঝায় না। এখন একজন মেধাবী ব্যক্তি তার শয়নকক্ষে বসে শুধু ইউটিউব প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে তিনি যেমন গ্রাউন্ড তৈরি করতে পারেন, যে পরিমাণ মানুষকে প্রভাবিত করতে পারেন, আধুনিক অনেক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানও তা পারে না। এমনকি একজন সাধারণ বুদ্ধিমান নাগরিক তার সামনে ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা কিংবা দুর্ঘটনা মুহূর্তে ক্যামেরা বন্দি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেন, তখন প্রচলিত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান তার কাছ থেকেই কিন্তু সংবাদটি সংগ্রহ করে। এমন অনেক কাজ করছেন একজন সৎ এবং বুদ্ধিমান নাগরিক। যাদের কাছে ডিভাইস আছে, ইন্টারনেট ক্ষমতার কারণে সিটিজেন জার্নালিজম এখন অনেক বেশি পাওয়ারফুল। পরিবর্তনের এই গতির সাথে যদি আপনারা তাল মিলাতে না পারেন তাহলে আপনি গণমাধ্যম কর্মী হিসাবে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পরবেন। মন্ত্রী বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ে আমি কাজ করতে গিয়ে উপলব্ধি করেছি- আমার হাতে একটি বাটন ফোন আর জনগণের চাহিদা ডিজিটাল সার্ভিস। একটি বাটন ফোন দিয়ে যেমন ডিজিটাল সার্ভিস দেওয়া যায় না, সরকারের বর্তমান রাষ্ট্র কাঠামোর যে তথ্য ব্যবস্থা যে ধরনের অবকাঠামো বিরাজ করে এ ধরনের অবকাঠামো দিয়ে আধুনিককালের তথ্য সেবা দেওয়ার কোনো উপায় নেই। সঙ্গত কারণেই আমাদেরকে অনেক গভীরভাবে চিন্তা করতে হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিকুর রহমান টিপু এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মো. গোলজার হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মৌসুমী মাহবুব, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.কে.এম ইরাদত মানু, ঢাকা চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য মো. মোশাররফ হোসেন এবং সাবেক মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান প্রমুখ।
ঢাকা
বরিশাল
রাজশাহী
চট্টগ্রাম
খুলনা
ময়মনসিংহ
রংপুর
সিলেট
আন্তর্জাতিক
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সৎ সাংবাদিকতাকে আজ সুরক্ষা দিতে হবে অসৎ সাংবাদিকতার হাত থেকে। নামমাত্র ও ভাসমান সাংবাদিকদের ভিড়ে পেশাদার সাংবাদিকরা পথভ্রষ্ট হচ্ছেন।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, সমাজ রাষ্ট্র রাজনীতিকে প্রশ্ন করার ক্ষমতা হচ্ছে গণমাধ্যমের। সে প্রধানমন্ত্রী হোক, রাষ্ট্রপতি হোক, মন্ত্রী হোক, ডিসি হোক, ইঞ্জিনিয়ার হোক- তার প্রতিটি কাজ নিরক্ষণ করা, প্রশ্নবিদ্ধ করা সাংবাদিকদের কাজ। এই প্রশ্নবিদ্ধ করার ক্ষমতাকে কেউ ব্ল্যাকমেইলের ইন্সট্রুমেন্ট হিসাবে কাজে লাগাতে চান, তখন পেশাদার সাংবাদিকরা বিপদের মধ্যে পড়ে যান। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকার, ফ্যাসিবাদী রাজনীতি, স্বৈরাচারী সরকার- স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করতে চায় এবং গণমাধ্যমে গদি সাংবাদিকতা তৈরি করতে চায়। তারা চায় তারা দেশ শাসন করবে তাদের খুশি মতো, শোষণ করবে তাদের খুশি মতো, লুট করবে তাদের খুশি মতো, খুন করবে, গুম করবে এবং তাদের এই অপকর্মের পক্ষে জনমত তৈরি করার জন্য গণমাধ্যম কাজ করবে । আবার কিছু গণমাধ্যম এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে নির্যাতিত হচ্ছে, নিপীড়িত হচ্ছে, তাদের কণ্ঠস্বরকে রোধ করে দেওয়া হচ্ছে, নির্যাতন করা হচ্ছে, মামলা দেওয়া হচ্ছে। গণমাধ্যমের যে দায়িত্ব এবং ক্ষমতা- তা একদিকে যেমন জনগণের পক্ষে ব্যবহার করা যায়, ঠিক তেমনি এটাকে জনগণের বিরুদ্ধেও ব্যবহার করা যায়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, পত্রিকার মালিক সমিতির সাথে প্রধানমন্ত্রীর ইতোমধ্যে বৈঠক হয়েছে। আমরা দেশে একটি সুষ্ঠু গণমাধ্যম পরিবেশকে নিশ্চিত করতে চাই এবং সেই কারণেই কোনে পত্রিকার কত ছাপা সংখ্যা এবং কোন টেলিভিশনের প্রচার সংখ্যা কত- এ বিষয়ে আমাদের একটি স্বচ্ছ হিসাব থাকতে হবে। ভুল ছাপার হিসাবের নামে কোন সরকারি সুযোগ-সুবিধা আর পাবে না। আমরা একটি সঠিক নীতিমালার ভিত্তিতে কোন সংবাদপত্র এবং টেলিভিশনের গ্রহণযোগ্যতা যতটুকু আছে তার একটি ডিজিটাল ম্যানেজমেন্টের দিকে যেতে শুরু করব। আমরা স্বীকার করি এবং মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি সংবাদপত্র শিল্পজগৎ অন্য কোনো শিল্পজগতের সাথে তুলনা করা যায় না। গার্মেন্টস শিল্প জগৎ কিংবা অন্য কোনো শিল্প জগতের সাথে সংবাদপত্র শিল্পজগৎকে তুলনা করা হয় না। সে কারণেই আমরা এই শিল্পজগতের উদ্যোক্তাদেরকেও সব ধরনের সহযোগিতা দিতে চাই। কেননা সংবাদপত্র শুধুমাত্র উদ্যোক্তাদের মুনাফার জন্য নয়, সংবাদপত্র টেলিভিশন কিংবা যে কোনো গণমাধ্যম যদি স্বাধীনভাবে কাজ করে তাহলে সমাজ রাজনীতি একটি লাগাতার জবাবদিহিতার মধ্যে চলতে বাধ্য থাকবে। আর যত বেশি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়, শাসনব্যবস্থা পরিচ্ছন্ন করা যায়, সবচেয়ে বেশি লাভবান হয় দেশ এবং জাতি। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতার সংজ্ঞা বদল হয়ে গেছে। আগে সাংবাদিকতা বলতে যা বুঝাতো এখন তা বুঝায় না। প্রচলিত গণমাধ্যম বলতে যেমন আমরা বিভিন্ন বড় বড় পত্রপত্রিকাকে বুঝতাম এখন কিন্তু গণমাধ্যম বলতে তা বুঝায় না। এখন একজন মেধাবী ব্যক্তি তার শয়নকক্ষে বসে শুধু ইউটিউব প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে তিনি যেমন গ্রাউন্ড তৈরি করতে পারেন, যে পরিমাণ মানুষকে প্রভাবিত করতে পারেন, আধুনিক অনেক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানও তা পারে না। এমনকি একজন সাধারণ বুদ্ধিমান নাগরিক তার সামনে ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা কিংবা দুর্ঘটনা মুহূর্তে ক্যামেরা বন্দি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেন, তখন প্রচলিত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান তার কাছ থেকেই কিন্তু সংবাদটি সংগ্রহ করে। এমন অনেক কাজ করছেন একজন সৎ এবং বুদ্ধিমান নাগরিক। যাদের কাছে ডিভাইস আছে, ইন্টারনেট ক্ষমতার কারণে সিটিজেন জার্নালিজম এখন অনেক বেশি পাওয়ারফুল। পরিবর্তনের এই গতির সাথে যদি আপনারা তাল মিলাতে না পারেন তাহলে আপনি গণমাধ্যম কর্মী হিসাবে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পরবেন। মন্ত্রী বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ে আমি কাজ করতে গিয়ে উপলব্ধি করেছি- আমার হাতে একটি বাটন ফোন আর জনগণের চাহিদা ডিজিটাল সার্ভিস। একটি বাটন ফোন দিয়ে যেমন ডিজিটাল সার্ভিস দেওয়া যায় না, সরকারের বর্তমান রাষ্ট্র কাঠামোর যে তথ্য ব্যবস্থা যে ধরনের অবকাঠামো বিরাজ করে এ ধরনের অবকাঠামো দিয়ে আধুনিককালের তথ্য সেবা দেওয়ার কোনো উপায় নেই। সঙ্গত কারণেই আমাদেরকে অনেক গভীরভাবে চিন্তা করতে হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিকুর রহমান টিপু এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মো. গোলজার হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মৌসুমী মাহবুব, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.কে.এম ইরাদত মানু, ঢাকা চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য মো. মোশাররফ হোসেন এবং সাবেক মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান প্রমুখ।
বরিশাল বিভাগ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সৎ সাংবাদিকতাকে আজ সুরক্ষা দিতে হবে অসৎ সাংবাদিকতার হাত থেকে। নামমাত্র ও ভাসমান সাংবাদিকদের ভিড়ে পেশাদার সাংবাদিকরা পথভ্রষ্ট হচ্ছেন।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, সমাজ রাষ্ট্র রাজনীতিকে প্রশ্ন করার ক্ষমতা হচ্ছে গণমাধ্যমের। সে প্রধানমন্ত্রী হোক, রাষ্ট্রপতি হোক, মন্ত্রী হোক, ডিসি হোক, ইঞ্জিনিয়ার হোক- তার প্রতিটি কাজ নিরক্ষণ করা, প্রশ্নবিদ্ধ করা সাংবাদিকদের কাজ। এই প্রশ্নবিদ্ধ করার ক্ষমতাকে কেউ ব্ল্যাকমেইলের ইন্সট্রুমেন্ট হিসাবে কাজে লাগাতে চান, তখন পেশাদার সাংবাদিকরা বিপদের মধ্যে পড়ে যান। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকার, ফ্যাসিবাদী রাজনীতি, স্বৈরাচারী সরকার- স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করতে চায় এবং গণমাধ্যমে গদি সাংবাদিকতা তৈরি করতে চায়। তারা চায় তারা দেশ শাসন করবে তাদের খুশি মতো, শোষণ করবে তাদের খুশি মতো, লুট করবে তাদের খুশি মতো, খুন করবে, গুম করবে এবং তাদের এই অপকর্মের পক্ষে জনমত তৈরি করার জন্য গণমাধ্যম কাজ করবে । আবার কিছু গণমাধ্যম এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে নির্যাতিত হচ্ছে, নিপীড়িত হচ্ছে, তাদের কণ্ঠস্বরকে রোধ করে দেওয়া হচ্ছে, নির্যাতন করা হচ্ছে, মামলা দেওয়া হচ্ছে। গণমাধ্যমের যে দায়িত্ব এবং ক্ষমতা- তা একদিকে যেমন জনগণের পক্ষে ব্যবহার করা যায়, ঠিক তেমনি এটাকে জনগণের বিরুদ্ধেও ব্যবহার করা যায়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, পত্রিকার মালিক সমিতির সাথে প্রধানমন্ত্রীর ইতোমধ্যে বৈঠক হয়েছে। আমরা দেশে একটি সুষ্ঠু গণমাধ্যম পরিবেশকে নিশ্চিত করতে চাই এবং সেই কারণেই কোনে পত্রিকার কত ছাপা সংখ্যা এবং কোন টেলিভিশনের প্রচার সংখ্যা কত- এ বিষয়ে আমাদের একটি স্বচ্ছ হিসাব থাকতে হবে। ভুল ছাপার হিসাবের নামে কোন সরকারি সুযোগ-সুবিধা আর পাবে না। আমরা একটি সঠিক নীতিমালার ভিত্তিতে কোন সংবাদপত্র এবং টেলিভিশনের গ্রহণযোগ্যতা যতটুকু আছে তার একটি ডিজিটাল ম্যানেজমেন্টের দিকে যেতে শুরু করব। আমরা স্বীকার করি এবং মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি সংবাদপত্র শিল্পজগৎ অন্য কোনো শিল্পজগতের সাথে তুলনা করা যায় না। গার্মেন্টস শিল্প জগৎ কিংবা অন্য কোনো শিল্প জগতের সাথে সংবাদপত্র শিল্পজগৎকে তুলনা করা হয় না। সে কারণেই আমরা এই শিল্পজগতের উদ্যোক্তাদেরকেও সব ধরনের সহযোগিতা দিতে চাই। কেননা সংবাদপত্র শুধুমাত্র উদ্যোক্তাদের মুনাফার জন্য নয়, সংবাদপত্র টেলিভিশন কিংবা যে কোনো গণমাধ্যম যদি স্বাধীনভাবে কাজ করে তাহলে সমাজ রাজনীতি একটি লাগাতার জবাবদিহিতার মধ্যে চলতে বাধ্য থাকবে। আর যত বেশি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়, শাসনব্যবস্থা পরিচ্ছন্ন করা যায়, সবচেয়ে বেশি লাভবান হয় দেশ এবং জাতি। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতার সংজ্ঞা বদল হয়ে গেছে। আগে সাংবাদিকতা বলতে যা বুঝাতো এখন তা বুঝায় না। প্রচলিত গণমাধ্যম বলতে যেমন আমরা বিভিন্ন বড় বড় পত্রপত্রিকাকে বুঝতাম এখন কিন্তু গণমাধ্যম বলতে তা বুঝায় না। এখন একজন মেধাবী ব্যক্তি তার শয়নকক্ষে বসে শুধু ইউটিউব প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে তিনি যেমন গ্রাউন্ড তৈরি করতে পারেন, যে পরিমাণ মানুষকে প্রভাবিত করতে পারেন, আধুনিক অনেক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানও তা পারে না। এমনকি একজন সাধারণ বুদ্ধিমান নাগরিক তার সামনে ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা কিংবা দুর্ঘটনা মুহূর্তে ক্যামেরা বন্দি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেন, তখন প্রচলিত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান তার কাছ থেকেই কিন্তু সংবাদটি সংগ্রহ করে। এমন অনেক কাজ করছেন একজন সৎ এবং বুদ্ধিমান নাগরিক। যাদের কাছে ডিভাইস আছে, ইন্টারনেট ক্ষমতার কারণে সিটিজেন জার্নালিজম এখন অনেক বেশি পাওয়ারফুল। পরিবর্তনের এই গতির সাথে যদি আপনারা তাল মিলাতে না পারেন তাহলে আপনি গণমাধ্যম কর্মী হিসাবে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পরবেন। মন্ত্রী বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ে আমি কাজ করতে গিয়ে উপলব্ধি করেছি- আমার হাতে একটি বাটন ফোন আর জনগণের চাহিদা ডিজিটাল সার্ভিস। একটি বাটন ফোন দিয়ে যেমন ডিজিটাল সার্ভিস দেওয়া যায় না, সরকারের বর্তমান রাষ্ট্র কাঠামোর যে তথ্য ব্যবস্থা যে ধরনের অবকাঠামো বিরাজ করে এ ধরনের অবকাঠামো দিয়ে আধুনিককালের তথ্য সেবা দেওয়ার কোনো উপায় নেই। সঙ্গত কারণেই আমাদেরকে অনেক গভীরভাবে চিন্তা করতে হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিকুর রহমান টিপু এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মো. গোলজার হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মৌসুমী মাহবুব, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.কে.এম ইরাদত মানু, ঢাকা চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য মো. মোশাররফ হোসেন এবং সাবেক মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান প্রমুখ।
বরিশাল
ঝালকাঠি
পটুয়াখালী
পিরোজপুর
বরগুনা
ভোলা
বিনোদন
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সৎ সাংবাদিকতাকে আজ সুরক্ষা দিতে হবে অসৎ সাংবাদিকতার হাত থেকে। নামমাত্র ও ভাসমান সাংবাদিকদের ভিড়ে পেশাদার সাংবাদিকরা পথভ্রষ্ট হচ্ছেন।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, সমাজ রাষ্ট্র রাজনীতিকে প্রশ্ন করার ক্ষমতা হচ্ছে গণমাধ্যমের। সে প্রধানমন্ত্রী হোক, রাষ্ট্রপতি হোক, মন্ত্রী হোক, ডিসি হোক, ইঞ্জিনিয়ার হোক- তার প্রতিটি কাজ নিরক্ষণ করা, প্রশ্নবিদ্ধ করা সাংবাদিকদের কাজ। এই প্রশ্নবিদ্ধ করার ক্ষমতাকে কেউ ব্ল্যাকমেইলের ইন্সট্রুমেন্ট হিসাবে কাজে লাগাতে চান, তখন পেশাদার সাংবাদিকরা বিপদের মধ্যে পড়ে যান। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকার, ফ্যাসিবাদী রাজনীতি, স্বৈরাচারী সরকার- স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করতে চায় এবং গণমাধ্যমে গদি সাংবাদিকতা তৈরি করতে চায়। তারা চায় তারা দেশ শাসন করবে তাদের খুশি মতো, শোষণ করবে তাদের খুশি মতো, লুট করবে তাদের খুশি মতো, খুন করবে, গুম করবে এবং তাদের এই অপকর্মের পক্ষে জনমত তৈরি করার জন্য গণমাধ্যম কাজ করবে । আবার কিছু গণমাধ্যম এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে নির্যাতিত হচ্ছে, নিপীড়িত হচ্ছে, তাদের কণ্ঠস্বরকে রোধ করে দেওয়া হচ্ছে, নির্যাতন করা হচ্ছে, মামলা দেওয়া হচ্ছে। গণমাধ্যমের যে দায়িত্ব এবং ক্ষমতা- তা একদিকে যেমন জনগণের পক্ষে ব্যবহার করা যায়, ঠিক তেমনি এটাকে জনগণের বিরুদ্ধেও ব্যবহার করা যায়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, পত্রিকার মালিক সমিতির সাথে প্রধানমন্ত্রীর ইতোমধ্যে বৈঠক হয়েছে। আমরা দেশে একটি সুষ্ঠু গণমাধ্যম পরিবেশকে নিশ্চিত করতে চাই এবং সেই কারণেই কোনে পত্রিকার কত ছাপা সংখ্যা এবং কোন টেলিভিশনের প্রচার সংখ্যা কত- এ বিষয়ে আমাদের একটি স্বচ্ছ হিসাব থাকতে হবে। ভুল ছাপার হিসাবের নামে কোন সরকারি সুযোগ-সুবিধা আর পাবে না। আমরা একটি সঠিক নীতিমালার ভিত্তিতে কোন সংবাদপত্র এবং টেলিভিশনের গ্রহণযোগ্যতা যতটুকু আছে তার একটি ডিজিটাল ম্যানেজমেন্টের দিকে যেতে শুরু করব। আমরা স্বীকার করি এবং মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি সংবাদপত্র শিল্পজগৎ অন্য কোনো শিল্পজগতের সাথে তুলনা করা যায় না। গার্মেন্টস শিল্প জগৎ কিংবা অন্য কোনো শিল্প জগতের সাথে সংবাদপত্র শিল্পজগৎকে তুলনা করা হয় না। সে কারণেই আমরা এই শিল্পজগতের উদ্যোক্তাদেরকেও সব ধরনের সহযোগিতা দিতে চাই। কেননা সংবাদপত্র শুধুমাত্র উদ্যোক্তাদের মুনাফার জন্য নয়, সংবাদপত্র টেলিভিশন কিংবা যে কোনো গণমাধ্যম যদি স্বাধীনভাবে কাজ করে তাহলে সমাজ রাজনীতি একটি লাগাতার জবাবদিহিতার মধ্যে চলতে বাধ্য থাকবে। আর যত বেশি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়, শাসনব্যবস্থা পরিচ্ছন্ন করা যায়, সবচেয়ে বেশি লাভবান হয় দেশ এবং জাতি। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতার সংজ্ঞা বদল হয়ে গেছে। আগে সাংবাদিকতা বলতে যা বুঝাতো এখন তা বুঝায় না। প্রচলিত গণমাধ্যম বলতে যেমন আমরা বিভিন্ন বড় বড় পত্রপত্রিকাকে বুঝতাম এখন কিন্তু গণমাধ্যম বলতে তা বুঝায় না। এখন একজন মেধাবী ব্যক্তি তার শয়নকক্ষে বসে শুধু ইউটিউব প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে তিনি যেমন গ্রাউন্ড তৈরি করতে পারেন, যে পরিমাণ মানুষকে প্রভাবিত করতে পারেন, আধুনিক অনেক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানও তা পারে না। এমনকি একজন সাধারণ বুদ্ধিমান নাগরিক তার সামনে ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা কিংবা দুর্ঘটনা মুহূর্তে ক্যামেরা বন্দি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেন, তখন প্রচলিত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান তার কাছ থেকেই কিন্তু সংবাদটি সংগ্রহ করে। এমন অনেক কাজ করছেন একজন সৎ এবং বুদ্ধিমান নাগরিক। যাদের কাছে ডিভাইস আছে, ইন্টারনেট ক্ষমতার কারণে সিটিজেন জার্নালিজম এখন অনেক বেশি পাওয়ারফুল। পরিবর্তনের এই গতির সাথে যদি আপনারা তাল মিলাতে না পারেন তাহলে আপনি গণমাধ্যম কর্মী হিসাবে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পরবেন। মন্ত্রী বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ে আমি কাজ করতে গিয়ে উপলব্ধি করেছি- আমার হাতে একটি বাটন ফোন আর জনগণের চাহিদা ডিজিটাল সার্ভিস। একটি বাটন ফোন দিয়ে যেমন ডিজিটাল সার্ভিস দেওয়া যায় না, সরকারের বর্তমান রাষ্ট্র কাঠামোর যে তথ্য ব্যবস্থা যে ধরনের অবকাঠামো বিরাজ করে এ ধরনের অবকাঠামো দিয়ে আধুনিককালের তথ্য সেবা দেওয়ার কোনো উপায় নেই। সঙ্গত কারণেই আমাদেরকে অনেক গভীরভাবে চিন্তা করতে হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিকুর রহমান টিপু এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মো. গোলজার হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মৌসুমী মাহবুব, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.কে.এম ইরাদত মানু, ঢাকা চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য মো. মোশাররফ হোসেন এবং সাবেক মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান প্রমুখ।
খেলাধুলা
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সৎ সাংবাদিকতাকে আজ সুরক্ষা দিতে হবে অসৎ সাংবাদিকতার হাত থেকে। নামমাত্র ও ভাসমান সাংবাদিকদের ভিড়ে পেশাদার সাংবাদিকরা পথভ্রষ্ট হচ্ছেন।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, সমাজ রাষ্ট্র রাজনীতিকে প্রশ্ন করার ক্ষমতা হচ্ছে গণমাধ্যমের। সে প্রধানমন্ত্রী হোক, রাষ্ট্রপতি হোক, মন্ত্রী হোক, ডিসি হোক, ইঞ্জিনিয়ার হোক- তার প্রতিটি কাজ নিরক্ষণ করা, প্রশ্নবিদ্ধ করা সাংবাদিকদের কাজ। এই প্রশ্নবিদ্ধ করার ক্ষমতাকে কেউ ব্ল্যাকমেইলের ইন্সট্রুমেন্ট হিসাবে কাজে লাগাতে চান, তখন পেশাদার সাংবাদিকরা বিপদের মধ্যে পড়ে যান। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকার, ফ্যাসিবাদী রাজনীতি, স্বৈরাচারী সরকার- স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করতে চায় এবং গণমাধ্যমে গদি সাংবাদিকতা তৈরি করতে চায়। তারা চায় তারা দেশ শাসন করবে তাদের খুশি মতো, শোষণ করবে তাদের খুশি মতো, লুট করবে তাদের খুশি মতো, খুন করবে, গুম করবে এবং তাদের এই অপকর্মের পক্ষে জনমত তৈরি করার জন্য গণমাধ্যম কাজ করবে । আবার কিছু গণমাধ্যম এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে নির্যাতিত হচ্ছে, নিপীড়িত হচ্ছে, তাদের কণ্ঠস্বরকে রোধ করে দেওয়া হচ্ছে, নির্যাতন করা হচ্ছে, মামলা দেওয়া হচ্ছে। গণমাধ্যমের যে দায়িত্ব এবং ক্ষমতা- তা একদিকে যেমন জনগণের পক্ষে ব্যবহার করা যায়, ঠিক তেমনি এটাকে জনগণের বিরুদ্ধেও ব্যবহার করা যায়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, পত্রিকার মালিক সমিতির সাথে প্রধানমন্ত্রীর ইতোমধ্যে বৈঠক হয়েছে। আমরা দেশে একটি সুষ্ঠু গণমাধ্যম পরিবেশকে নিশ্চিত করতে চাই এবং সেই কারণেই কোনে পত্রিকার কত ছাপা সংখ্যা এবং কোন টেলিভিশনের প্রচার সংখ্যা কত- এ বিষয়ে আমাদের একটি স্বচ্ছ হিসাব থাকতে হবে। ভুল ছাপার হিসাবের নামে কোন সরকারি সুযোগ-সুবিধা আর পাবে না। আমরা একটি সঠিক নীতিমালার ভিত্তিতে কোন সংবাদপত্র এবং টেলিভিশনের গ্রহণযোগ্যতা যতটুকু আছে তার একটি ডিজিটাল ম্যানেজমেন্টের দিকে যেতে শুরু করব। আমরা স্বীকার করি এবং মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি সংবাদপত্র শিল্পজগৎ অন্য কোনো শিল্পজগতের সাথে তুলনা করা যায় না। গার্মেন্টস শিল্প জগৎ কিংবা অন্য কোনো শিল্প জগতের সাথে সংবাদপত্র শিল্পজগৎকে তুলনা করা হয় না। সে কারণেই আমরা এই শিল্পজগতের উদ্যোক্তাদেরকেও সব ধরনের সহযোগিতা দিতে চাই। কেননা সংবাদপত্র শুধুমাত্র উদ্যোক্তাদের মুনাফার জন্য নয়, সংবাদপত্র টেলিভিশন কিংবা যে কোনো গণমাধ্যম যদি স্বাধীনভাবে কাজ করে তাহলে সমাজ রাজনীতি একটি লাগাতার জবাবদিহিতার মধ্যে চলতে বাধ্য থাকবে। আর যত বেশি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়, শাসনব্যবস্থা পরিচ্ছন্ন করা যায়, সবচেয়ে বেশি লাভবান হয় দেশ এবং জাতি। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতার সংজ্ঞা বদল হয়ে গেছে। আগে সাংবাদিকতা বলতে যা বুঝাতো এখন তা বুঝায় না। প্রচলিত গণমাধ্যম বলতে যেমন আমরা বিভিন্ন বড় বড় পত্রপত্রিকাকে বুঝতাম এখন কিন্তু গণমাধ্যম বলতে তা বুঝায় না। এখন একজন মেধাবী ব্যক্তি তার শয়নকক্ষে বসে শুধু ইউটিউব প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে তিনি যেমন গ্রাউন্ড তৈরি করতে পারেন, যে পরিমাণ মানুষকে প্রভাবিত করতে পারেন, আধুনিক অনেক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানও তা পারে না। এমনকি একজন সাধারণ বুদ্ধিমান নাগরিক তার সামনে ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা কিংবা দুর্ঘটনা মুহূর্তে ক্যামেরা বন্দি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেন, তখন প্রচলিত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান তার কাছ থেকেই কিন্তু সংবাদটি সংগ্রহ করে। এমন অনেক কাজ করছেন একজন সৎ এবং বুদ্ধিমান নাগরিক। যাদের কাছে ডিভাইস আছে, ইন্টারনেট ক্ষমতার কারণে সিটিজেন জার্নালিজম এখন অনেক বেশি পাওয়ারফুল। পরিবর্তনের এই গতির সাথে যদি আপনারা তাল মিলাতে না পারেন তাহলে আপনি গণমাধ্যম কর্মী হিসাবে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পরবেন। মন্ত্রী বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ে আমি কাজ করতে গিয়ে উপলব্ধি করেছি- আমার হাতে একটি বাটন ফোন আর জনগণের চাহিদা ডিজিটাল সার্ভিস। একটি বাটন ফোন দিয়ে যেমন ডিজিটাল সার্ভিস দেওয়া যায় না, সরকারের বর্তমান রাষ্ট্র কাঠামোর যে তথ্য ব্যবস্থা যে ধরনের অবকাঠামো বিরাজ করে এ ধরনের অবকাঠামো দিয়ে আধুনিককালের তথ্য সেবা দেওয়ার কোনো উপায় নেই। সঙ্গত কারণেই আমাদেরকে অনেক গভীরভাবে চিন্তা করতে হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিকুর রহমান টিপু এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মো. গোলজার হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মৌসুমী মাহবুব, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.কে.এম ইরাদত মানু, ঢাকা চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য মো. মোশাররফ হোসেন এবং সাবেক মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান প্রমুখ।
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সৎ সাংবাদিকতাকে আজ সুরক্ষা দিতে হবে অসৎ সাংবাদিকতার হাত থেকে। নামমাত্র ও ভাসমান সাংবাদিকদের ভিড়ে পেশাদার সাংবাদিকরা পথভ্রষ্ট হচ্ছেন।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, সমাজ রাষ্ট্র রাজনীতিকে প্রশ্ন করার ক্ষমতা হচ্ছে গণমাধ্যমের। সে প্রধানমন্ত্রী হোক, রাষ্ট্রপতি হোক, মন্ত্রী হোক, ডিসি হোক, ইঞ্জিনিয়ার হোক- তার প্রতিটি কাজ নিরক্ষণ করা, প্রশ্নবিদ্ধ করা সাংবাদিকদের কাজ। এই প্রশ্নবিদ্ধ করার ক্ষমতাকে কেউ ব্ল্যাকমেইলের ইন্সট্রুমেন্ট হিসাবে কাজে লাগাতে চান, তখন পেশাদার সাংবাদিকরা বিপদের মধ্যে পড়ে যান। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকার, ফ্যাসিবাদী রাজনীতি, স্বৈরাচারী সরকার- স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করতে চায় এবং গণমাধ্যমে গদি সাংবাদিকতা তৈরি করতে চায়। তারা চায় তারা দেশ শাসন করবে তাদের খুশি মতো, শোষণ করবে তাদের খুশি মতো, লুট করবে তাদের খুশি মতো, খুন করবে, গুম করবে এবং তাদের এই অপকর্মের পক্ষে জনমত তৈরি করার জন্য গণমাধ্যম কাজ করবে । আবার কিছু গণমাধ্যম এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে নির্যাতিত হচ্ছে, নিপীড়িত হচ্ছে, তাদের কণ্ঠস্বরকে রোধ করে দেওয়া হচ্ছে, নির্যাতন করা হচ্ছে, মামলা দেওয়া হচ্ছে। গণমাধ্যমের যে দায়িত্ব এবং ক্ষমতা- তা একদিকে যেমন জনগণের পক্ষে ব্যবহার করা যায়, ঠিক তেমনি এটাকে জনগণের বিরুদ্ধেও ব্যবহার করা যায়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, পত্রিকার মালিক সমিতির সাথে প্রধানমন্ত্রীর ইতোমধ্যে বৈঠক হয়েছে। আমরা দেশে একটি সুষ্ঠু গণমাধ্যম পরিবেশকে নিশ্চিত করতে চাই এবং সেই কারণেই কোনে পত্রিকার কত ছাপা সংখ্যা এবং কোন টেলিভিশনের প্রচার সংখ্যা কত- এ বিষয়ে আমাদের একটি স্বচ্ছ হিসাব থাকতে হবে। ভুল ছাপার হিসাবের নামে কোন সরকারি সুযোগ-সুবিধা আর পাবে না। আমরা একটি সঠিক নীতিমালার ভিত্তিতে কোন সংবাদপত্র এবং টেলিভিশনের গ্রহণযোগ্যতা যতটুকু আছে তার একটি ডিজিটাল ম্যানেজমেন্টের দিকে যেতে শুরু করব। আমরা স্বীকার করি এবং মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি সংবাদপত্র শিল্পজগৎ অন্য কোনো শিল্পজগতের সাথে তুলনা করা যায় না। গার্মেন্টস শিল্প জগৎ কিংবা অন্য কোনো শিল্প জগতের সাথে সংবাদপত্র শিল্পজগৎকে তুলনা করা হয় না। সে কারণেই আমরা এই শিল্পজগতের উদ্যোক্তাদেরকেও সব ধরনের সহযোগিতা দিতে চাই। কেননা সংবাদপত্র শুধুমাত্র উদ্যোক্তাদের মুনাফার জন্য নয়, সংবাদপত্র টেলিভিশন কিংবা যে কোনো গণমাধ্যম যদি স্বাধীনভাবে কাজ করে তাহলে সমাজ রাজনীতি একটি লাগাতার জবাবদিহিতার মধ্যে চলতে বাধ্য থাকবে। আর যত বেশি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়, শাসনব্যবস্থা পরিচ্ছন্ন করা যায়, সবচেয়ে বেশি লাভবান হয় দেশ এবং জাতি। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতার সংজ্ঞা বদল হয়ে গেছে। আগে সাংবাদিকতা বলতে যা বুঝাতো এখন তা বুঝায় না। প্রচলিত গণমাধ্যম বলতে যেমন আমরা বিভিন্ন বড় বড় পত্রপত্রিকাকে বুঝতাম এখন কিন্তু গণমাধ্যম বলতে তা বুঝায় না। এখন একজন মেধাবী ব্যক্তি তার শয়নকক্ষে বসে শুধু ইউটিউব প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে তিনি যেমন গ্রাউন্ড তৈরি করতে পারেন, যে পরিমাণ মানুষকে প্রভাবিত করতে পারেন, আধুনিক অনেক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানও তা পারে না। এমনকি একজন সাধারণ বুদ্ধিমান নাগরিক তার সামনে ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা কিংবা দুর্ঘটনা মুহূর্তে ক্যামেরা বন্দি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেন, তখন প্রচলিত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান তার কাছ থেকেই কিন্তু সংবাদটি সংগ্রহ করে। এমন অনেক কাজ করছেন একজন সৎ এবং বুদ্ধিমান নাগরিক। যাদের কাছে ডিভাইস আছে, ইন্টারনেট ক্ষমতার কারণে সিটিজেন জার্নালিজম এখন অনেক বেশি পাওয়ারফুল। পরিবর্তনের এই গতির সাথে যদি আপনারা তাল মিলাতে না পারেন তাহলে আপনি গণমাধ্যম কর্মী হিসাবে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পরবেন। মন্ত্রী বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ে আমি কাজ করতে গিয়ে উপলব্ধি করেছি- আমার হাতে একটি বাটন ফোন আর জনগণের চাহিদা ডিজিটাল সার্ভিস। একটি বাটন ফোন দিয়ে যেমন ডিজিটাল সার্ভিস দেওয়া যায় না, সরকারের বর্তমান রাষ্ট্র কাঠামোর যে তথ্য ব্যবস্থা যে ধরনের অবকাঠামো বিরাজ করে এ ধরনের অবকাঠামো দিয়ে আধুনিককালের তথ্য সেবা দেওয়ার কোনো উপায় নেই। সঙ্গত কারণেই আমাদেরকে অনেক গভীরভাবে চিন্তা করতে হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিকুর রহমান টিপু এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মো. গোলজার হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মৌসুমী মাহবুব, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.কে.এম ইরাদত মানু, ঢাকা চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য মো. মোশাররফ হোসেন এবং সাবেক মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান প্রমুখ।
ভিডিও
ছবিঘর
লাইফস্টাইল
স্বাস্থ্য
প্রশাসন
আবহাওয়া বার্তা
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
আইটি টেক
অর্থনীতি
ক্যাম্পাস
Category: রাজনীতি
Home
রাজনীতি
NS_admin_01
May 5, 2026
3 sec read
76
সৎ সাংবাদিকতাকে অসৎ সাংবাদিকতার হাত থেকে সুরক্ষা দিতে হবে : তথ্যমন্ত্রী
NS_admin_01
May 5, 2026
1 sec read
78
রূপপুরের সেই বালিশ জাদুঘরে রাখা উচিত, বললেন প্রধানমন্ত্রী
Popular Post
কলাপাড়ায় চলাচলে সড়ক আটকে বসতঘর নির্মানে ১৭ বছরের ভোগান্তি
(195)
NS_admin_03
May 11, 2026
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান
(126)
NS_admin_01
May 5, 2026
বিজয়ের উত্থানে টালমাটাল তামিলনাড়ুর পুরোনো জোট
(122)
NS_admin_01
May 5, 2026
সকালে মুখ শুষ্ক থাকে? জেনে নিন কারণ
(111)
NS_admin_01
May 5, 2026
আমি পদত্যাগ করব না: মমতা
(110)
NS_admin_01
May 5, 2026
Newsletter
Weather
Dhaka
broken clouds
30
℃
34º - 27º
humidity:
53%
wind:
7 km/h
34
℃
Sun
34
℃
Mon
34
℃
Tue
33
℃
Wed
34
℃
Thu
34
℃
Fri