Newsside24.com Newsside24.com

Latest post

বরিশালে মহুরি হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

বরিশালে মহুরি হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

  • NS_admin_03
  • September 22, 2026
কলাপাড়ায় পরিত্যক্ত ঘরে যুবকের ঝুলন্ত লাশ

কলাপাড়ায় পরিত্যক্ত ঘরে যুবকের ঝুলন্ত লাশ

  • NS_admin_03
  • September 21, 2026
বরিশালে বেগম জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত জমি উদ্ধারের দাবিতে বিক্ষোভ

বরিশালে বেগম জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত জমি উদ্ধারের দাবিতে বিক্ষোভ

  • NS_admin_03
  • September 20, 2026

Popular Posts

কলাপাড়ায় চলাচলে সড়ক আটকে বসতঘর নির্মানে ১৭ বছরের ভোগান্তি

কলাপাড়ায় চলাচলে সড়ক আটকে বসতঘর নির্মানে ১৭ বছরের ভোগান্তি (397)

  • NS_admin_03
  • May 11, 2026
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান (375)

  • NS_admin_01
  • May 5, 2026
বিজয়ের উত্থানে টালমাটাল তামিলনাড়ুর পুরোনো জোট

বিজয়ের উত্থানে টালমাটাল তামিলনাড়ুর পুরোনো জোট (374)

  • NS_admin_01
  • May 5, 2026
আমি পদত্যাগ করব না: মমতা

আমি পদত্যাগ করব না: মমতা (370)

  • NS_admin_01
  • May 5, 2026
গিনেস বুকে নাম লেখালেন পিরোজপুরের সিফাত

গিনেস বুকে নাম লেখালেন পিরোজপুরের সিফাত (360)

  • NS_admin_01
  • May 4, 2026

Stay Connected

Newsside24.com Newsside24.com

TT Ads
  • প্রচ্ছদ
    দিনের শুরুতে আপনার শক্তি স্থিতিশীল মনে হতে পারে, কিন্তু আমাদের খাবার নীরবে নির্ধারণ করে দেয় যে সেই শক্তি আসলে কতক্ষণ স্থায়ী হবে। অনেক সাধারণ খাবার প্রথমে দ্রুত শক্তি জোগায়, কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরেই আমাদেরকে ক্লান্ত ও নিস্তেজ করে তোলে। পুষ্টিবিদদের মতে, দিনের মাঝামাঝি সময়ে শক্তি কমে যাওয়া এবং ক্রমাগত ক্লান্তির পেছনে কিছু দৈনন্দিন খাবারই হতে পারে গোপন কারণ। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলোকে আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ মনে হলেও দীর্ঘস্থায়ী শক্তিকে ব্যাহত করতে পারে। এই খাবারগুলো বেশিরভাগ সময় রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয় বা কমিয়ে দেয় অথবা শরীরের পক্ষে এগুলো দক্ষতার সঙ্গে হজম করা কঠিন হয়ে পড়ে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন ৫টি খাবার সম্পর্কে- ১. ফলের রস ফলের রসকে স্বাস্থ্যকর মনে হতে পারে, কিন্তু ফাইবার ছাড়া এটি শরীরে ভিন্নভাবে কাজ করে। দ্রুত চিনি শোষিত হওয়ার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। এর পরেই হঠাৎ করে শক্তি কমে যায়, যার ফলে ক্লান্ত ও অবসন্ন বোধ হতে পারে। অন্যদিকে, আস্ত ফলে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার নিঃসরণকে ধীর করে দেয়। ফলের রসের পরিবর্তে আস্ত ফল খেলে তা স্থিতিশীল শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।   ২. ঘন ঘন ক্যাফেইন গ্রহণ ক্যাফেইন সাময়িকভাবে সজাগ অনুভূতি দিতে পারে, কিন্তু এর ওপর খুব বেশি নির্ভর করলে তা হিতে বিপরীত হতে পারে। কফি বা চা থেকে নিয়মিত শক্তি বৃদ্ধি আপনার স্বাভাবিক শক্তির ছন্দে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ধীরে ধীরে এটি নির্ভরতা এবং অবশেষে অবসাদের কারণ হতে পারে। শক্তি বাড়ানোর পরিবর্তে এটি দিনের শেষে আপনাকে আরও ক্লান্ত করে তুলতে পারে। এই চক্র এড়ানোর জন্য পরিমিতিবোধই মূল বিষয়। দিনে এক বা দুই কাপের বেশি চা-কফি না খাওয়াই উত্তম। ৩. ক্রিমি পাস্তা বা সাদা ভাত   ক্রিমি পাস্তা বা বেশি পরিমাণে সাদা ভাতের মতো সমৃদ্ধ ও ভারী খাবার শরীরের পক্ষে হজম করা কঠিন হতে পারে। এর জন্য শরীর থেকে বেশি শক্তির প্রয়োজন হয়, যার ফলে অলস, ঘুমঘুম ভাব দেখা দেয় যা ‘ফুড কোমা’ নামে পরিচিত। এই খাবারগুলোতে রক্তে শর্করার মাত্রা ভারসাম্য রাখতে পর্যাপ্ত ফাইবার এবং প্রোটিনের অভাবও থাকতে পারে। ফলে, খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই শক্তি কমে যায়। এর বদলে হালকা খাবার বেছে নিলে উপকার পাবেন। ৪. চিনিমুক্ত এনার্জি ড্রিংকস চিনিমুক্ত লেবেল থাকা সত্ত্বেও এই পানীয়গুলো সবসময় শক্তিদায়ক হয় না। এগুলোতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কৃত্রিম মিষ্টি এবং উত্তেজক পদার্থ থাকে যা বিপাক এবং ঘুমের ধরনকে ব্যাহত করতে পারে। যদিও এগুলো দ্রুত শক্তি জোগাতে পারে, তবে তার পরবর্তী প্রভাব হিসেবে ক্লান্তি এবং অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। ধীরে ধীরে এসব পানীয় আপনার স্বাভাবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণকেও প্রভাবিত করতে পারে। এ ধরনের পানীয়র বদলে ডাবের পানি বা অন্যান্য প্রাকৃতিক পানীয় পান করা যেতে পারে। ৫. বিস্কুট বিস্কুট একটি সাধারণ ও জনপ্রিয় নাস্তা, কিন্তু এগুলো সাধারণত পরিশোধিত ময়দা এবং অতিরিক্ত চিনি দিয়ে তৈরি হয়। এই সংমিশ্রণের ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং তারপরেই তা সমানভাবে দ্রুত কমে যায়। এর ফলে অল্প সময়ের জন্য শক্তি পাওয়া যায় যা দ্রুতই মিলিয়ে যায়। ঘন ঘন এটি খেলে আপনি শক্তির এই রোলারকোস্টারে আটকে থাকতে পারেন। এর পরিবর্তে ভারসাম্যপূর্ণ নাস্তা খেলে শক্তি বজায় রাখা সহজ হতে পারে।
  • জাতীয়
    দিনের শুরুতে আপনার শক্তি স্থিতিশীল মনে হতে পারে, কিন্তু আমাদের খাবার নীরবে নির্ধারণ করে দেয় যে সেই শক্তি আসলে কতক্ষণ স্থায়ী হবে। অনেক সাধারণ খাবার প্রথমে দ্রুত শক্তি জোগায়, কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরেই আমাদেরকে ক্লান্ত ও নিস্তেজ করে তোলে। পুষ্টিবিদদের মতে, দিনের মাঝামাঝি সময়ে শক্তি কমে যাওয়া এবং ক্রমাগত ক্লান্তির পেছনে কিছু দৈনন্দিন খাবারই হতে পারে গোপন কারণ। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলোকে আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ মনে হলেও দীর্ঘস্থায়ী শক্তিকে ব্যাহত করতে পারে। এই খাবারগুলো বেশিরভাগ সময় রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয় বা কমিয়ে দেয় অথবা শরীরের পক্ষে এগুলো দক্ষতার সঙ্গে হজম করা কঠিন হয়ে পড়ে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন ৫টি খাবার সম্পর্কে- ১. ফলের রস ফলের রসকে স্বাস্থ্যকর মনে হতে পারে, কিন্তু ফাইবার ছাড়া এটি শরীরে ভিন্নভাবে কাজ করে। দ্রুত চিনি শোষিত হওয়ার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। এর পরেই হঠাৎ করে শক্তি কমে যায়, যার ফলে ক্লান্ত ও অবসন্ন বোধ হতে পারে। অন্যদিকে, আস্ত ফলে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার নিঃসরণকে ধীর করে দেয়। ফলের রসের পরিবর্তে আস্ত ফল খেলে তা স্থিতিশীল শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।   ২. ঘন ঘন ক্যাফেইন গ্রহণ ক্যাফেইন সাময়িকভাবে সজাগ অনুভূতি দিতে পারে, কিন্তু এর ওপর খুব বেশি নির্ভর করলে তা হিতে বিপরীত হতে পারে। কফি বা চা থেকে নিয়মিত শক্তি বৃদ্ধি আপনার স্বাভাবিক শক্তির ছন্দে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ধীরে ধীরে এটি নির্ভরতা এবং অবশেষে অবসাদের কারণ হতে পারে। শক্তি বাড়ানোর পরিবর্তে এটি দিনের শেষে আপনাকে আরও ক্লান্ত করে তুলতে পারে। এই চক্র এড়ানোর জন্য পরিমিতিবোধই মূল বিষয়। দিনে এক বা দুই কাপের বেশি চা-কফি না খাওয়াই উত্তম। ৩. ক্রিমি পাস্তা বা সাদা ভাত   ক্রিমি পাস্তা বা বেশি পরিমাণে সাদা ভাতের মতো সমৃদ্ধ ও ভারী খাবার শরীরের পক্ষে হজম করা কঠিন হতে পারে। এর জন্য শরীর থেকে বেশি শক্তির প্রয়োজন হয়, যার ফলে অলস, ঘুমঘুম ভাব দেখা দেয় যা ‘ফুড কোমা’ নামে পরিচিত। এই খাবারগুলোতে রক্তে শর্করার মাত্রা ভারসাম্য রাখতে পর্যাপ্ত ফাইবার এবং প্রোটিনের অভাবও থাকতে পারে। ফলে, খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই শক্তি কমে যায়। এর বদলে হালকা খাবার বেছে নিলে উপকার পাবেন। ৪. চিনিমুক্ত এনার্জি ড্রিংকস চিনিমুক্ত লেবেল থাকা সত্ত্বেও এই পানীয়গুলো সবসময় শক্তিদায়ক হয় না। এগুলোতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কৃত্রিম মিষ্টি এবং উত্তেজক পদার্থ থাকে যা বিপাক এবং ঘুমের ধরনকে ব্যাহত করতে পারে। যদিও এগুলো দ্রুত শক্তি জোগাতে পারে, তবে তার পরবর্তী প্রভাব হিসেবে ক্লান্তি এবং অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। ধীরে ধীরে এসব পানীয় আপনার স্বাভাবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণকেও প্রভাবিত করতে পারে। এ ধরনের পানীয়র বদলে ডাবের পানি বা অন্যান্য প্রাকৃতিক পানীয় পান করা যেতে পারে। ৫. বিস্কুট বিস্কুট একটি সাধারণ ও জনপ্রিয় নাস্তা, কিন্তু এগুলো সাধারণত পরিশোধিত ময়দা এবং অতিরিক্ত চিনি দিয়ে তৈরি হয়। এই সংমিশ্রণের ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং তারপরেই তা সমানভাবে দ্রুত কমে যায়। এর ফলে অল্প সময়ের জন্য শক্তি পাওয়া যায় যা দ্রুতই মিলিয়ে যায়। ঘন ঘন এটি খেলে আপনি শক্তির এই রোলারকোস্টারে আটকে থাকতে পারেন। এর পরিবর্তে ভারসাম্যপূর্ণ নাস্তা খেলে শক্তি বজায় রাখা সহজ হতে পারে।
  • রাজনীতি
    দিনের শুরুতে আপনার শক্তি স্থিতিশীল মনে হতে পারে, কিন্তু আমাদের খাবার নীরবে নির্ধারণ করে দেয় যে সেই শক্তি আসলে কতক্ষণ স্থায়ী হবে। অনেক সাধারণ খাবার প্রথমে দ্রুত শক্তি জোগায়, কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরেই আমাদেরকে ক্লান্ত ও নিস্তেজ করে তোলে। পুষ্টিবিদদের মতে, দিনের মাঝামাঝি সময়ে শক্তি কমে যাওয়া এবং ক্রমাগত ক্লান্তির পেছনে কিছু দৈনন্দিন খাবারই হতে পারে গোপন কারণ। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলোকে আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ মনে হলেও দীর্ঘস্থায়ী শক্তিকে ব্যাহত করতে পারে। এই খাবারগুলো বেশিরভাগ সময় রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয় বা কমিয়ে দেয় অথবা শরীরের পক্ষে এগুলো দক্ষতার সঙ্গে হজম করা কঠিন হয়ে পড়ে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন ৫টি খাবার সম্পর্কে- ১. ফলের রস ফলের রসকে স্বাস্থ্যকর মনে হতে পারে, কিন্তু ফাইবার ছাড়া এটি শরীরে ভিন্নভাবে কাজ করে। দ্রুত চিনি শোষিত হওয়ার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। এর পরেই হঠাৎ করে শক্তি কমে যায়, যার ফলে ক্লান্ত ও অবসন্ন বোধ হতে পারে। অন্যদিকে, আস্ত ফলে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার নিঃসরণকে ধীর করে দেয়। ফলের রসের পরিবর্তে আস্ত ফল খেলে তা স্থিতিশীল শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।   ২. ঘন ঘন ক্যাফেইন গ্রহণ ক্যাফেইন সাময়িকভাবে সজাগ অনুভূতি দিতে পারে, কিন্তু এর ওপর খুব বেশি নির্ভর করলে তা হিতে বিপরীত হতে পারে। কফি বা চা থেকে নিয়মিত শক্তি বৃদ্ধি আপনার স্বাভাবিক শক্তির ছন্দে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ধীরে ধীরে এটি নির্ভরতা এবং অবশেষে অবসাদের কারণ হতে পারে। শক্তি বাড়ানোর পরিবর্তে এটি দিনের শেষে আপনাকে আরও ক্লান্ত করে তুলতে পারে। এই চক্র এড়ানোর জন্য পরিমিতিবোধই মূল বিষয়। দিনে এক বা দুই কাপের বেশি চা-কফি না খাওয়াই উত্তম। ৩. ক্রিমি পাস্তা বা সাদা ভাত   ক্রিমি পাস্তা বা বেশি পরিমাণে সাদা ভাতের মতো সমৃদ্ধ ও ভারী খাবার শরীরের পক্ষে হজম করা কঠিন হতে পারে। এর জন্য শরীর থেকে বেশি শক্তির প্রয়োজন হয়, যার ফলে অলস, ঘুমঘুম ভাব দেখা দেয় যা ‘ফুড কোমা’ নামে পরিচিত। এই খাবারগুলোতে রক্তে শর্করার মাত্রা ভারসাম্য রাখতে পর্যাপ্ত ফাইবার এবং প্রোটিনের অভাবও থাকতে পারে। ফলে, খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই শক্তি কমে যায়। এর বদলে হালকা খাবার বেছে নিলে উপকার পাবেন। ৪. চিনিমুক্ত এনার্জি ড্রিংকস চিনিমুক্ত লেবেল থাকা সত্ত্বেও এই পানীয়গুলো সবসময় শক্তিদায়ক হয় না। এগুলোতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কৃত্রিম মিষ্টি এবং উত্তেজক পদার্থ থাকে যা বিপাক এবং ঘুমের ধরনকে ব্যাহত করতে পারে। যদিও এগুলো দ্রুত শক্তি জোগাতে পারে, তবে তার পরবর্তী প্রভাব হিসেবে ক্লান্তি এবং অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। ধীরে ধীরে এসব পানীয় আপনার স্বাভাবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণকেও প্রভাবিত করতে পারে। এ ধরনের পানীয়র বদলে ডাবের পানি বা অন্যান্য প্রাকৃতিক পানীয় পান করা যেতে পারে। ৫. বিস্কুট বিস্কুট একটি সাধারণ ও জনপ্রিয় নাস্তা, কিন্তু এগুলো সাধারণত পরিশোধিত ময়দা এবং অতিরিক্ত চিনি দিয়ে তৈরি হয়। এই সংমিশ্রণের ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং তারপরেই তা সমানভাবে দ্রুত কমে যায়। এর ফলে অল্প সময়ের জন্য শক্তি পাওয়া যায় যা দ্রুতই মিলিয়ে যায়। ঘন ঘন এটি খেলে আপনি শক্তির এই রোলারকোস্টারে আটকে থাকতে পারেন। এর পরিবর্তে ভারসাম্যপূর্ণ নাস্তা খেলে শক্তি বজায় রাখা সহজ হতে পারে।
  • সারাদেশ
    দিনের শুরুতে আপনার শক্তি স্থিতিশীল মনে হতে পারে, কিন্তু আমাদের খাবার নীরবে নির্ধারণ করে দেয় যে সেই শক্তি আসলে কতক্ষণ স্থায়ী হবে। অনেক সাধারণ খাবার প্রথমে দ্রুত শক্তি জোগায়, কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরেই আমাদেরকে ক্লান্ত ও নিস্তেজ করে তোলে। পুষ্টিবিদদের মতে, দিনের মাঝামাঝি সময়ে শক্তি কমে যাওয়া এবং ক্রমাগত ক্লান্তির পেছনে কিছু দৈনন্দিন খাবারই হতে পারে গোপন কারণ। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলোকে আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ মনে হলেও দীর্ঘস্থায়ী শক্তিকে ব্যাহত করতে পারে। এই খাবারগুলো বেশিরভাগ সময় রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয় বা কমিয়ে দেয় অথবা শরীরের পক্ষে এগুলো দক্ষতার সঙ্গে হজম করা কঠিন হয়ে পড়ে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন ৫টি খাবার সম্পর্কে- ১. ফলের রস ফলের রসকে স্বাস্থ্যকর মনে হতে পারে, কিন্তু ফাইবার ছাড়া এটি শরীরে ভিন্নভাবে কাজ করে। দ্রুত চিনি শোষিত হওয়ার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। এর পরেই হঠাৎ করে শক্তি কমে যায়, যার ফলে ক্লান্ত ও অবসন্ন বোধ হতে পারে। অন্যদিকে, আস্ত ফলে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার নিঃসরণকে ধীর করে দেয়। ফলের রসের পরিবর্তে আস্ত ফল খেলে তা স্থিতিশীল শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।   ২. ঘন ঘন ক্যাফেইন গ্রহণ ক্যাফেইন সাময়িকভাবে সজাগ অনুভূতি দিতে পারে, কিন্তু এর ওপর খুব বেশি নির্ভর করলে তা হিতে বিপরীত হতে পারে। কফি বা চা থেকে নিয়মিত শক্তি বৃদ্ধি আপনার স্বাভাবিক শক্তির ছন্দে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ধীরে ধীরে এটি নির্ভরতা এবং অবশেষে অবসাদের কারণ হতে পারে। শক্তি বাড়ানোর পরিবর্তে এটি দিনের শেষে আপনাকে আরও ক্লান্ত করে তুলতে পারে। এই চক্র এড়ানোর জন্য পরিমিতিবোধই মূল বিষয়। দিনে এক বা দুই কাপের বেশি চা-কফি না খাওয়াই উত্তম। ৩. ক্রিমি পাস্তা বা সাদা ভাত   ক্রিমি পাস্তা বা বেশি পরিমাণে সাদা ভাতের মতো সমৃদ্ধ ও ভারী খাবার শরীরের পক্ষে হজম করা কঠিন হতে পারে। এর জন্য শরীর থেকে বেশি শক্তির প্রয়োজন হয়, যার ফলে অলস, ঘুমঘুম ভাব দেখা দেয় যা ‘ফুড কোমা’ নামে পরিচিত। এই খাবারগুলোতে রক্তে শর্করার মাত্রা ভারসাম্য রাখতে পর্যাপ্ত ফাইবার এবং প্রোটিনের অভাবও থাকতে পারে। ফলে, খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই শক্তি কমে যায়। এর বদলে হালকা খাবার বেছে নিলে উপকার পাবেন। ৪. চিনিমুক্ত এনার্জি ড্রিংকস চিনিমুক্ত লেবেল থাকা সত্ত্বেও এই পানীয়গুলো সবসময় শক্তিদায়ক হয় না। এগুলোতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কৃত্রিম মিষ্টি এবং উত্তেজক পদার্থ থাকে যা বিপাক এবং ঘুমের ধরনকে ব্যাহত করতে পারে। যদিও এগুলো দ্রুত শক্তি জোগাতে পারে, তবে তার পরবর্তী প্রভাব হিসেবে ক্লান্তি এবং অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। ধীরে ধীরে এসব পানীয় আপনার স্বাভাবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণকেও প্রভাবিত করতে পারে। এ ধরনের পানীয়র বদলে ডাবের পানি বা অন্যান্য প্রাকৃতিক পানীয় পান করা যেতে পারে। ৫. বিস্কুট বিস্কুট একটি সাধারণ ও জনপ্রিয় নাস্তা, কিন্তু এগুলো সাধারণত পরিশোধিত ময়দা এবং অতিরিক্ত চিনি দিয়ে তৈরি হয়। এই সংমিশ্রণের ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং তারপরেই তা সমানভাবে দ্রুত কমে যায়। এর ফলে অল্প সময়ের জন্য শক্তি পাওয়া যায় যা দ্রুতই মিলিয়ে যায়। ঘন ঘন এটি খেলে আপনি শক্তির এই রোলারকোস্টারে আটকে থাকতে পারেন। এর পরিবর্তে ভারসাম্যপূর্ণ নাস্তা খেলে শক্তি বজায় রাখা সহজ হতে পারে।
    • ঢাকা
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
    • সিলেট
  • আন্তর্জাতিক
    দিনের শুরুতে আপনার শক্তি স্থিতিশীল মনে হতে পারে, কিন্তু আমাদের খাবার নীরবে নির্ধারণ করে দেয় যে সেই শক্তি আসলে কতক্ষণ স্থায়ী হবে। অনেক সাধারণ খাবার প্রথমে দ্রুত শক্তি জোগায়, কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরেই আমাদেরকে ক্লান্ত ও নিস্তেজ করে তোলে। পুষ্টিবিদদের মতে, দিনের মাঝামাঝি সময়ে শক্তি কমে যাওয়া এবং ক্রমাগত ক্লান্তির পেছনে কিছু দৈনন্দিন খাবারই হতে পারে গোপন কারণ। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলোকে আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ মনে হলেও দীর্ঘস্থায়ী শক্তিকে ব্যাহত করতে পারে। এই খাবারগুলো বেশিরভাগ সময় রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয় বা কমিয়ে দেয় অথবা শরীরের পক্ষে এগুলো দক্ষতার সঙ্গে হজম করা কঠিন হয়ে পড়ে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন ৫টি খাবার সম্পর্কে- ১. ফলের রস ফলের রসকে স্বাস্থ্যকর মনে হতে পারে, কিন্তু ফাইবার ছাড়া এটি শরীরে ভিন্নভাবে কাজ করে। দ্রুত চিনি শোষিত হওয়ার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। এর পরেই হঠাৎ করে শক্তি কমে যায়, যার ফলে ক্লান্ত ও অবসন্ন বোধ হতে পারে। অন্যদিকে, আস্ত ফলে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার নিঃসরণকে ধীর করে দেয়। ফলের রসের পরিবর্তে আস্ত ফল খেলে তা স্থিতিশীল শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।   ২. ঘন ঘন ক্যাফেইন গ্রহণ ক্যাফেইন সাময়িকভাবে সজাগ অনুভূতি দিতে পারে, কিন্তু এর ওপর খুব বেশি নির্ভর করলে তা হিতে বিপরীত হতে পারে। কফি বা চা থেকে নিয়মিত শক্তি বৃদ্ধি আপনার স্বাভাবিক শক্তির ছন্দে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ধীরে ধীরে এটি নির্ভরতা এবং অবশেষে অবসাদের কারণ হতে পারে। শক্তি বাড়ানোর পরিবর্তে এটি দিনের শেষে আপনাকে আরও ক্লান্ত করে তুলতে পারে। এই চক্র এড়ানোর জন্য পরিমিতিবোধই মূল বিষয়। দিনে এক বা দুই কাপের বেশি চা-কফি না খাওয়াই উত্তম। ৩. ক্রিমি পাস্তা বা সাদা ভাত   ক্রিমি পাস্তা বা বেশি পরিমাণে সাদা ভাতের মতো সমৃদ্ধ ও ভারী খাবার শরীরের পক্ষে হজম করা কঠিন হতে পারে। এর জন্য শরীর থেকে বেশি শক্তির প্রয়োজন হয়, যার ফলে অলস, ঘুমঘুম ভাব দেখা দেয় যা ‘ফুড কোমা’ নামে পরিচিত। এই খাবারগুলোতে রক্তে শর্করার মাত্রা ভারসাম্য রাখতে পর্যাপ্ত ফাইবার এবং প্রোটিনের অভাবও থাকতে পারে। ফলে, খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই শক্তি কমে যায়। এর বদলে হালকা খাবার বেছে নিলে উপকার পাবেন। ৪. চিনিমুক্ত এনার্জি ড্রিংকস চিনিমুক্ত লেবেল থাকা সত্ত্বেও এই পানীয়গুলো সবসময় শক্তিদায়ক হয় না। এগুলোতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কৃত্রিম মিষ্টি এবং উত্তেজক পদার্থ থাকে যা বিপাক এবং ঘুমের ধরনকে ব্যাহত করতে পারে। যদিও এগুলো দ্রুত শক্তি জোগাতে পারে, তবে তার পরবর্তী প্রভাব হিসেবে ক্লান্তি এবং অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। ধীরে ধীরে এসব পানীয় আপনার স্বাভাবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণকেও প্রভাবিত করতে পারে। এ ধরনের পানীয়র বদলে ডাবের পানি বা অন্যান্য প্রাকৃতিক পানীয় পান করা যেতে পারে। ৫. বিস্কুট বিস্কুট একটি সাধারণ ও জনপ্রিয় নাস্তা, কিন্তু এগুলো সাধারণত পরিশোধিত ময়দা এবং অতিরিক্ত চিনি দিয়ে তৈরি হয়। এই সংমিশ্রণের ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং তারপরেই তা সমানভাবে দ্রুত কমে যায়। এর ফলে অল্প সময়ের জন্য শক্তি পাওয়া যায় যা দ্রুতই মিলিয়ে যায়। ঘন ঘন এটি খেলে আপনি শক্তির এই রোলারকোস্টারে আটকে থাকতে পারেন। এর পরিবর্তে ভারসাম্যপূর্ণ নাস্তা খেলে শক্তি বজায় রাখা সহজ হতে পারে।
  • বরিশাল বিভাগ
    দিনের শুরুতে আপনার শক্তি স্থিতিশীল মনে হতে পারে, কিন্তু আমাদের খাবার নীরবে নির্ধারণ করে দেয় যে সেই শক্তি আসলে কতক্ষণ স্থায়ী হবে। অনেক সাধারণ খাবার প্রথমে দ্রুত শক্তি জোগায়, কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরেই আমাদেরকে ক্লান্ত ও নিস্তেজ করে তোলে। পুষ্টিবিদদের মতে, দিনের মাঝামাঝি সময়ে শক্তি কমে যাওয়া এবং ক্রমাগত ক্লান্তির পেছনে কিছু দৈনন্দিন খাবারই হতে পারে গোপন কারণ। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলোকে আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ মনে হলেও দীর্ঘস্থায়ী শক্তিকে ব্যাহত করতে পারে। এই খাবারগুলো বেশিরভাগ সময় রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয় বা কমিয়ে দেয় অথবা শরীরের পক্ষে এগুলো দক্ষতার সঙ্গে হজম করা কঠিন হয়ে পড়ে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন ৫টি খাবার সম্পর্কে- ১. ফলের রস ফলের রসকে স্বাস্থ্যকর মনে হতে পারে, কিন্তু ফাইবার ছাড়া এটি শরীরে ভিন্নভাবে কাজ করে। দ্রুত চিনি শোষিত হওয়ার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। এর পরেই হঠাৎ করে শক্তি কমে যায়, যার ফলে ক্লান্ত ও অবসন্ন বোধ হতে পারে। অন্যদিকে, আস্ত ফলে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার নিঃসরণকে ধীর করে দেয়। ফলের রসের পরিবর্তে আস্ত ফল খেলে তা স্থিতিশীল শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।   ২. ঘন ঘন ক্যাফেইন গ্রহণ ক্যাফেইন সাময়িকভাবে সজাগ অনুভূতি দিতে পারে, কিন্তু এর ওপর খুব বেশি নির্ভর করলে তা হিতে বিপরীত হতে পারে। কফি বা চা থেকে নিয়মিত শক্তি বৃদ্ধি আপনার স্বাভাবিক শক্তির ছন্দে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ধীরে ধীরে এটি নির্ভরতা এবং অবশেষে অবসাদের কারণ হতে পারে। শক্তি বাড়ানোর পরিবর্তে এটি দিনের শেষে আপনাকে আরও ক্লান্ত করে তুলতে পারে। এই চক্র এড়ানোর জন্য পরিমিতিবোধই মূল বিষয়। দিনে এক বা দুই কাপের বেশি চা-কফি না খাওয়াই উত্তম। ৩. ক্রিমি পাস্তা বা সাদা ভাত   ক্রিমি পাস্তা বা বেশি পরিমাণে সাদা ভাতের মতো সমৃদ্ধ ও ভারী খাবার শরীরের পক্ষে হজম করা কঠিন হতে পারে। এর জন্য শরীর থেকে বেশি শক্তির প্রয়োজন হয়, যার ফলে অলস, ঘুমঘুম ভাব দেখা দেয় যা ‘ফুড কোমা’ নামে পরিচিত। এই খাবারগুলোতে রক্তে শর্করার মাত্রা ভারসাম্য রাখতে পর্যাপ্ত ফাইবার এবং প্রোটিনের অভাবও থাকতে পারে। ফলে, খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই শক্তি কমে যায়। এর বদলে হালকা খাবার বেছে নিলে উপকার পাবেন। ৪. চিনিমুক্ত এনার্জি ড্রিংকস চিনিমুক্ত লেবেল থাকা সত্ত্বেও এই পানীয়গুলো সবসময় শক্তিদায়ক হয় না। এগুলোতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কৃত্রিম মিষ্টি এবং উত্তেজক পদার্থ থাকে যা বিপাক এবং ঘুমের ধরনকে ব্যাহত করতে পারে। যদিও এগুলো দ্রুত শক্তি জোগাতে পারে, তবে তার পরবর্তী প্রভাব হিসেবে ক্লান্তি এবং অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। ধীরে ধীরে এসব পানীয় আপনার স্বাভাবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণকেও প্রভাবিত করতে পারে। এ ধরনের পানীয়র বদলে ডাবের পানি বা অন্যান্য প্রাকৃতিক পানীয় পান করা যেতে পারে। ৫. বিস্কুট বিস্কুট একটি সাধারণ ও জনপ্রিয় নাস্তা, কিন্তু এগুলো সাধারণত পরিশোধিত ময়দা এবং অতিরিক্ত চিনি দিয়ে তৈরি হয়। এই সংমিশ্রণের ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং তারপরেই তা সমানভাবে দ্রুত কমে যায়। এর ফলে অল্প সময়ের জন্য শক্তি পাওয়া যায় যা দ্রুতই মিলিয়ে যায়। ঘন ঘন এটি খেলে আপনি শক্তির এই রোলারকোস্টারে আটকে থাকতে পারেন। এর পরিবর্তে ভারসাম্যপূর্ণ নাস্তা খেলে শক্তি বজায় রাখা সহজ হতে পারে।
    • বরিশাল
    • ঝালকাঠি
    • পটুয়াখালী
    • পিরোজপুর
    • বরগুনা
    • ভোলা
  • বিনোদন
    দিনের শুরুতে আপনার শক্তি স্থিতিশীল মনে হতে পারে, কিন্তু আমাদের খাবার নীরবে নির্ধারণ করে দেয় যে সেই শক্তি আসলে কতক্ষণ স্থায়ী হবে। অনেক সাধারণ খাবার প্রথমে দ্রুত শক্তি জোগায়, কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরেই আমাদেরকে ক্লান্ত ও নিস্তেজ করে তোলে। পুষ্টিবিদদের মতে, দিনের মাঝামাঝি সময়ে শক্তি কমে যাওয়া এবং ক্রমাগত ক্লান্তির পেছনে কিছু দৈনন্দিন খাবারই হতে পারে গোপন কারণ। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলোকে আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ মনে হলেও দীর্ঘস্থায়ী শক্তিকে ব্যাহত করতে পারে। এই খাবারগুলো বেশিরভাগ সময় রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয় বা কমিয়ে দেয় অথবা শরীরের পক্ষে এগুলো দক্ষতার সঙ্গে হজম করা কঠিন হয়ে পড়ে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন ৫টি খাবার সম্পর্কে- ১. ফলের রস ফলের রসকে স্বাস্থ্যকর মনে হতে পারে, কিন্তু ফাইবার ছাড়া এটি শরীরে ভিন্নভাবে কাজ করে। দ্রুত চিনি শোষিত হওয়ার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। এর পরেই হঠাৎ করে শক্তি কমে যায়, যার ফলে ক্লান্ত ও অবসন্ন বোধ হতে পারে। অন্যদিকে, আস্ত ফলে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার নিঃসরণকে ধীর করে দেয়। ফলের রসের পরিবর্তে আস্ত ফল খেলে তা স্থিতিশীল শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।   ২. ঘন ঘন ক্যাফেইন গ্রহণ ক্যাফেইন সাময়িকভাবে সজাগ অনুভূতি দিতে পারে, কিন্তু এর ওপর খুব বেশি নির্ভর করলে তা হিতে বিপরীত হতে পারে। কফি বা চা থেকে নিয়মিত শক্তি বৃদ্ধি আপনার স্বাভাবিক শক্তির ছন্দে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ধীরে ধীরে এটি নির্ভরতা এবং অবশেষে অবসাদের কারণ হতে পারে। শক্তি বাড়ানোর পরিবর্তে এটি দিনের শেষে আপনাকে আরও ক্লান্ত করে তুলতে পারে। এই চক্র এড়ানোর জন্য পরিমিতিবোধই মূল বিষয়। দিনে এক বা দুই কাপের বেশি চা-কফি না খাওয়াই উত্তম। ৩. ক্রিমি পাস্তা বা সাদা ভাত   ক্রিমি পাস্তা বা বেশি পরিমাণে সাদা ভাতের মতো সমৃদ্ধ ও ভারী খাবার শরীরের পক্ষে হজম করা কঠিন হতে পারে। এর জন্য শরীর থেকে বেশি শক্তির প্রয়োজন হয়, যার ফলে অলস, ঘুমঘুম ভাব দেখা দেয় যা ‘ফুড কোমা’ নামে পরিচিত। এই খাবারগুলোতে রক্তে শর্করার মাত্রা ভারসাম্য রাখতে পর্যাপ্ত ফাইবার এবং প্রোটিনের অভাবও থাকতে পারে। ফলে, খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই শক্তি কমে যায়। এর বদলে হালকা খাবার বেছে নিলে উপকার পাবেন। ৪. চিনিমুক্ত এনার্জি ড্রিংকস চিনিমুক্ত লেবেল থাকা সত্ত্বেও এই পানীয়গুলো সবসময় শক্তিদায়ক হয় না। এগুলোতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কৃত্রিম মিষ্টি এবং উত্তেজক পদার্থ থাকে যা বিপাক এবং ঘুমের ধরনকে ব্যাহত করতে পারে। যদিও এগুলো দ্রুত শক্তি জোগাতে পারে, তবে তার পরবর্তী প্রভাব হিসেবে ক্লান্তি এবং অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। ধীরে ধীরে এসব পানীয় আপনার স্বাভাবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণকেও প্রভাবিত করতে পারে। এ ধরনের পানীয়র বদলে ডাবের পানি বা অন্যান্য প্রাকৃতিক পানীয় পান করা যেতে পারে। ৫. বিস্কুট বিস্কুট একটি সাধারণ ও জনপ্রিয় নাস্তা, কিন্তু এগুলো সাধারণত পরিশোধিত ময়দা এবং অতিরিক্ত চিনি দিয়ে তৈরি হয়। এই সংমিশ্রণের ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং তারপরেই তা সমানভাবে দ্রুত কমে যায়। এর ফলে অল্প সময়ের জন্য শক্তি পাওয়া যায় যা দ্রুতই মিলিয়ে যায়। ঘন ঘন এটি খেলে আপনি শক্তির এই রোলারকোস্টারে আটকে থাকতে পারেন। এর পরিবর্তে ভারসাম্যপূর্ণ নাস্তা খেলে শক্তি বজায় রাখা সহজ হতে পারে।
  • খেলাধুলা
    দিনের শুরুতে আপনার শক্তি স্থিতিশীল মনে হতে পারে, কিন্তু আমাদের খাবার নীরবে নির্ধারণ করে দেয় যে সেই শক্তি আসলে কতক্ষণ স্থায়ী হবে। অনেক সাধারণ খাবার প্রথমে দ্রুত শক্তি জোগায়, কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরেই আমাদেরকে ক্লান্ত ও নিস্তেজ করে তোলে। পুষ্টিবিদদের মতে, দিনের মাঝামাঝি সময়ে শক্তি কমে যাওয়া এবং ক্রমাগত ক্লান্তির পেছনে কিছু দৈনন্দিন খাবারই হতে পারে গোপন কারণ। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলোকে আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ মনে হলেও দীর্ঘস্থায়ী শক্তিকে ব্যাহত করতে পারে। এই খাবারগুলো বেশিরভাগ সময় রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয় বা কমিয়ে দেয় অথবা শরীরের পক্ষে এগুলো দক্ষতার সঙ্গে হজম করা কঠিন হয়ে পড়ে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন ৫টি খাবার সম্পর্কে- ১. ফলের রস ফলের রসকে স্বাস্থ্যকর মনে হতে পারে, কিন্তু ফাইবার ছাড়া এটি শরীরে ভিন্নভাবে কাজ করে। দ্রুত চিনি শোষিত হওয়ার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। এর পরেই হঠাৎ করে শক্তি কমে যায়, যার ফলে ক্লান্ত ও অবসন্ন বোধ হতে পারে। অন্যদিকে, আস্ত ফলে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার নিঃসরণকে ধীর করে দেয়। ফলের রসের পরিবর্তে আস্ত ফল খেলে তা স্থিতিশীল শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।   ২. ঘন ঘন ক্যাফেইন গ্রহণ ক্যাফেইন সাময়িকভাবে সজাগ অনুভূতি দিতে পারে, কিন্তু এর ওপর খুব বেশি নির্ভর করলে তা হিতে বিপরীত হতে পারে। কফি বা চা থেকে নিয়মিত শক্তি বৃদ্ধি আপনার স্বাভাবিক শক্তির ছন্দে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ধীরে ধীরে এটি নির্ভরতা এবং অবশেষে অবসাদের কারণ হতে পারে। শক্তি বাড়ানোর পরিবর্তে এটি দিনের শেষে আপনাকে আরও ক্লান্ত করে তুলতে পারে। এই চক্র এড়ানোর জন্য পরিমিতিবোধই মূল বিষয়। দিনে এক বা দুই কাপের বেশি চা-কফি না খাওয়াই উত্তম। ৩. ক্রিমি পাস্তা বা সাদা ভাত   ক্রিমি পাস্তা বা বেশি পরিমাণে সাদা ভাতের মতো সমৃদ্ধ ও ভারী খাবার শরীরের পক্ষে হজম করা কঠিন হতে পারে। এর জন্য শরীর থেকে বেশি শক্তির প্রয়োজন হয়, যার ফলে অলস, ঘুমঘুম ভাব দেখা দেয় যা ‘ফুড কোমা’ নামে পরিচিত। এই খাবারগুলোতে রক্তে শর্করার মাত্রা ভারসাম্য রাখতে পর্যাপ্ত ফাইবার এবং প্রোটিনের অভাবও থাকতে পারে। ফলে, খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই শক্তি কমে যায়। এর বদলে হালকা খাবার বেছে নিলে উপকার পাবেন। ৪. চিনিমুক্ত এনার্জি ড্রিংকস চিনিমুক্ত লেবেল থাকা সত্ত্বেও এই পানীয়গুলো সবসময় শক্তিদায়ক হয় না। এগুলোতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কৃত্রিম মিষ্টি এবং উত্তেজক পদার্থ থাকে যা বিপাক এবং ঘুমের ধরনকে ব্যাহত করতে পারে। যদিও এগুলো দ্রুত শক্তি জোগাতে পারে, তবে তার পরবর্তী প্রভাব হিসেবে ক্লান্তি এবং অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। ধীরে ধীরে এসব পানীয় আপনার স্বাভাবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণকেও প্রভাবিত করতে পারে। এ ধরনের পানীয়র বদলে ডাবের পানি বা অন্যান্য প্রাকৃতিক পানীয় পান করা যেতে পারে। ৫. বিস্কুট বিস্কুট একটি সাধারণ ও জনপ্রিয় নাস্তা, কিন্তু এগুলো সাধারণত পরিশোধিত ময়দা এবং অতিরিক্ত চিনি দিয়ে তৈরি হয়। এই সংমিশ্রণের ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং তারপরেই তা সমানভাবে দ্রুত কমে যায়। এর ফলে অল্প সময়ের জন্য শক্তি পাওয়া যায় যা দ্রুতই মিলিয়ে যায়। ঘন ঘন এটি খেà