Latest post
প্রাথমিক শাখায় ভর্তি বন্ধের দাবি, বিক্ষোভে বরিশাল সরকারি মডেল স্কুলের শিক্ষার্থীরা
বরিশালে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুর্গোৎসবের শুভ মহালয়া অনুষ্ঠিত
Popular Posts
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান
(509)
NS_admin_01
May 5, 2026
বিজয়ের উত্থানে টালমাটাল তামিলনাড়ুর পুরোনো জোট
(506)
NS_admin_01
May 5, 2026
কলাপাড়ায় চলাচলে সড়ক আটকে বসতঘর নির্মানে ১৭ বছরের ভোগান্তি
(505)
NS_admin_03
May 11, 2026
আমি পদত্যাগ করব না: মমতা
(498)
NS_admin_01
May 5, 2026
৭ম দিনের এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২০ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৮ জন
(483)
NS_admin_01
May 5, 2026
Stay Connected
TT Ads
প্রচ্ছদ
ঢাকা
: দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথে ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচলরত মানামী লঞ্চের মালিক সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো: আবদুস সালামকে চেক প্রতারণার একটি মামলায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক মেহেদী হাসান এ রায় প্রদান করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ইসমত আরা বাদী হয়ে এনআই অ্যাক্টের ১৩৮/১৪০ ধারায় সিআর ৮৩৭/৩১ নম্বর মামলাটি আদালতে দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, জয়েন্ট স্টকের মালিকানা অনুযায়ী মানামী লঞ্চের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার ফিরোজ আলম, শেয়ারহোল্ডার ইসমত আরা এবং শেয়ারহোল্ডার আহমেদ জাকিকে নিয়ে লঞ্চ পরিচালনা এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব করার কথা ছিল। কিন্তু কৌশলে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম তাদেরকে ব্যবস্থাপনা থেকে সরিয়ে দেন। এমনকি তিন বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব না দিয়ে তাদের হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। পরে লঞ্চ মালিকদের এক বৈঠকে মানামী লঞ্চ পরিচালনার তিন বছরের হিসাব অনুযায়ী ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা পরিশোধের সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী আবদুস সালাম ওই টাকা পরিশোধের জন্য ইসমত আরাকে ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। চেকটি ঢাকার গুলশান শাখার সিটি ব্যাংকে জমা দিয়ে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করা হলে তিনবার চেকটি ডিজঅনার হয়। পরে এ ঘটনায় চেক প্রতারণার মামলা করা হয়। এদিকে বরিশাল লঞ্চ মালিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ আবদুর রহিম জানান, লঞ্চ মালিক সমিতি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত। তৎকালীন সময়ে ক্ষমতার প্রভাবে আবদুস সালাম এ কাজ করেছেন বলে তিনি দাবি করেন। এখন আইনি বিষয়টি মেনে নিতে হবে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের কোনো কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মানামী লঞ্চের সুপারভাইজার বাপ্পি জানান, মালিক আবদুস সালাম বর্তমানে বিদেশে রয়েছেন। তার সঙ্গে কথা বলে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন তিনি।
জাতীয়
ঢাকা
: দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথে ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচলরত মানামী লঞ্চের মালিক সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো: আবদুস সালামকে চেক প্রতারণার একটি মামলায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক মেহেদী হাসান এ রায় প্রদান করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ইসমত আরা বাদী হয়ে এনআই অ্যাক্টের ১৩৮/১৪০ ধারায় সিআর ৮৩৭/৩১ নম্বর মামলাটি আদালতে দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, জয়েন্ট স্টকের মালিকানা অনুযায়ী মানামী লঞ্চের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার ফিরোজ আলম, শেয়ারহোল্ডার ইসমত আরা এবং শেয়ারহোল্ডার আহমেদ জাকিকে নিয়ে লঞ্চ পরিচালনা এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব করার কথা ছিল। কিন্তু কৌশলে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম তাদেরকে ব্যবস্থাপনা থেকে সরিয়ে দেন। এমনকি তিন বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব না দিয়ে তাদের হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। পরে লঞ্চ মালিকদের এক বৈঠকে মানামী লঞ্চ পরিচালনার তিন বছরের হিসাব অনুযায়ী ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা পরিশোধের সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী আবদুস সালাম ওই টাকা পরিশোধের জন্য ইসমত আরাকে ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। চেকটি ঢাকার গুলশান শাখার সিটি ব্যাংকে জমা দিয়ে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করা হলে তিনবার চেকটি ডিজঅনার হয়। পরে এ ঘটনায় চেক প্রতারণার মামলা করা হয়। এদিকে বরিশাল লঞ্চ মালিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ আবদুর রহিম জানান, লঞ্চ মালিক সমিতি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত। তৎকালীন সময়ে ক্ষমতার প্রভাবে আবদুস সালাম এ কাজ করেছেন বলে তিনি দাবি করেন। এখন আইনি বিষয়টি মেনে নিতে হবে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের কোনো কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মানামী লঞ্চের সুপারভাইজার বাপ্পি জানান, মালিক আবদুস সালাম বর্তমানে বিদেশে রয়েছেন। তার সঙ্গে কথা বলে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন তিনি।
রাজনীতি
ঢাকা
: দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথে ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচলরত মানামী লঞ্চের মালিক সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো: আবদুস সালামকে চেক প্রতারণার একটি মামলায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক মেহেদী হাসান এ রায় প্রদান করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ইসমত আরা বাদী হয়ে এনআই অ্যাক্টের ১৩৮/১৪০ ধারায় সিআর ৮৩৭/৩১ নম্বর মামলাটি আদালতে দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, জয়েন্ট স্টকের মালিকানা অনুযায়ী মানামী লঞ্চের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার ফিরোজ আলম, শেয়ারহোল্ডার ইসমত আরা এবং শেয়ারহোল্ডার আহমেদ জাকিকে নিয়ে লঞ্চ পরিচালনা এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব করার কথা ছিল। কিন্তু কৌশলে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম তাদেরকে ব্যবস্থাপনা থেকে সরিয়ে দেন। এমনকি তিন বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব না দিয়ে তাদের হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। পরে লঞ্চ মালিকদের এক বৈঠকে মানামী লঞ্চ পরিচালনার তিন বছরের হিসাব অনুযায়ী ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা পরিশোধের সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী আবদুস সালাম ওই টাকা পরিশোধের জন্য ইসমত আরাকে ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। চেকটি ঢাকার গুলশান শাখার সিটি ব্যাংকে জমা দিয়ে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করা হলে তিনবার চেকটি ডিজঅনার হয়। পরে এ ঘটনায় চেক প্রতারণার মামলা করা হয়। এদিকে বরিশাল লঞ্চ মালিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ আবদুর রহিম জানান, লঞ্চ মালিক সমিতি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত। তৎকালীন সময়ে ক্ষমতার প্রভাবে আবদুস সালাম এ কাজ করেছেন বলে তিনি দাবি করেন। এখন আইনি বিষয়টি মেনে নিতে হবে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের কোনো কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মানামী লঞ্চের সুপারভাইজার বাপ্পি জানান, মালিক আবদুস সালাম বর্তমানে বিদেশে রয়েছেন। তার সঙ্গে কথা বলে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন তিনি।
সারাদেশ
ঢাকা
: দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথে ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচলরত মানামী লঞ্চের মালিক সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো: আবদুস সালামকে চেক প্রতারণার একটি মামলায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক মেহেদী হাসান এ রায় প্রদান করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ইসমত আরা বাদী হয়ে এনআই অ্যাক্টের ১৩৮/১৪০ ধারায় সিআর ৮৩৭/৩১ নম্বর মামলাটি আদালতে দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, জয়েন্ট স্টকের মালিকানা অনুযায়ী মানামী লঞ্চের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার ফিরোজ আলম, শেয়ারহোল্ডার ইসমত আরা এবং শেয়ারহোল্ডার আহমেদ জাকিকে নিয়ে লঞ্চ পরিচালনা এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব করার কথা ছিল। কিন্তু কৌশলে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম তাদেরকে ব্যবস্থাপনা থেকে সরিয়ে দেন। এমনকি তিন বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব না দিয়ে তাদের হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। পরে লঞ্চ মালিকদের এক বৈঠকে মানামী লঞ্চ পরিচালনার তিন বছরের হিসাব অনুযায়ী ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা পরিশোধের সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী আবদুস সালাম ওই টাকা পরিশোধের জন্য ইসমত আরাকে ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। চেকটি ঢাকার গুলশান শাখার সিটি ব্যাংকে জমা দিয়ে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করা হলে তিনবার চেকটি ডিজঅনার হয়। পরে এ ঘটনায় চেক প্রতারণার মামলা করা হয়। এদিকে বরিশাল লঞ্চ মালিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ আবদুর রহিম জানান, লঞ্চ মালিক সমিতি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত। তৎকালীন সময়ে ক্ষমতার প্রভাবে আবদুস সালাম এ কাজ করেছেন বলে তিনি দাবি করেন। এখন আইনি বিষয়টি মেনে নিতে হবে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের কোনো কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মানামী লঞ্চের সুপারভাইজার বাপ্পি জানান, মালিক আবদুস সালাম বর্তমানে বিদেশে রয়েছেন। তার সঙ্গে কথা বলে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন তিনি।
ঢাকা
বরিশাল
রাজশাহী
চট্টগ্রাম
খুলনা
ময়মনসিংহ
রংপুর
সিলেট
আন্তর্জাতিক
ঢাকা
: দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথে ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচলরত মানামী লঞ্চের মালিক সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো: আবদুস সালামকে চেক প্রতারণার একটি মামলায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক মেহেদী হাসান এ রায় প্রদান করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ইসমত আরা বাদী হয়ে এনআই অ্যাক্টের ১৩৮/১৪০ ধারায় সিআর ৮৩৭/৩১ নম্বর মামলাটি আদালতে দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, জয়েন্ট স্টকের মালিকানা অনুযায়ী মানামী লঞ্চের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার ফিরোজ আলম, শেয়ারহোল্ডার ইসমত আরা এবং শেয়ারহোল্ডার আহমেদ জাকিকে নিয়ে লঞ্চ পরিচালনা এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব করার কথা ছিল। কিন্তু কৌশলে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম তাদেরকে ব্যবস্থাপনা থেকে সরিয়ে দেন। এমনকি তিন বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব না দিয়ে তাদের হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। পরে লঞ্চ মালিকদের এক বৈঠকে মানামী লঞ্চ পরিচালনার তিন বছরের হিসাব অনুযায়ী ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা পরিশোধের সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী আবদুস সালাম ওই টাকা পরিশোধের জন্য ইসমত আরাকে ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। চেকটি ঢাকার গুলশান শাখার সিটি ব্যাংকে জমা দিয়ে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করা হলে তিনবার চেকটি ডিজঅনার হয়। পরে এ ঘটনায় চেক প্রতারণার মামলা করা হয়। এদিকে বরিশাল লঞ্চ মালিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ আবদুর রহিম জানান, লঞ্চ মালিক সমিতি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত। তৎকালীন সময়ে ক্ষমতার প্রভাবে আবদুস সালাম এ কাজ করেছেন বলে তিনি দাবি করেন। এখন আইনি বিষয়টি মেনে নিতে হবে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের কোনো কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মানামী লঞ্চের সুপারভাইজার বাপ্পি জানান, মালিক আবদুস সালাম বর্তমানে বিদেশে রয়েছেন। তার সঙ্গে কথা বলে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন তিনি।
বরিশাল বিভাগ
ঢাকা
: দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথে ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচলরত মানামী লঞ্চের মালিক সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো: আবদুস সালামকে চেক প্রতারণার একটি মামলায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক মেহেদী হাসান এ রায় প্রদান করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ইসমত আরা বাদী হয়ে এনআই অ্যাক্টের ১৩৮/১৪০ ধারায় সিআর ৮৩৭/৩১ নম্বর মামলাটি আদালতে দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, জয়েন্ট স্টকের মালিকানা অনুযায়ী মানামী লঞ্চের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার ফিরোজ আলম, শেয়ারহোল্ডার ইসমত আরা এবং শেয়ারহোল্ডার আহমেদ জাকিকে নিয়ে লঞ্চ পরিচালনা এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব করার কথা ছিল। কিন্তু কৌশলে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম তাদেরকে ব্যবস্থাপনা থেকে সরিয়ে দেন। এমনকি তিন বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব না দিয়ে তাদের হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। পরে লঞ্চ মালিকদের এক বৈঠকে মানামী লঞ্চ পরিচালনার তিন বছরের হিসাব অনুযায়ী ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা পরিশোধের সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী আবদুস সালাম ওই টাকা পরিশোধের জন্য ইসমত আরাকে ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। চেকটি ঢাকার গুলশান শাখার সিটি ব্যাংকে জমা দিয়ে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করা হলে তিনবার চেকটি ডিজঅনার হয়। পরে এ ঘটনায় চেক প্রতারণার মামলা করা হয়। এদিকে বরিশাল লঞ্চ মালিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ আবদুর রহিম জানান, লঞ্চ মালিক সমিতি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত। তৎকালীন সময়ে ক্ষমতার প্রভাবে আবদুস সালাম এ কাজ করেছেন বলে তিনি দাবি করেন। এখন আইনি বিষয়টি মেনে নিতে হবে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের কোনো কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মানামী লঞ্চের সুপারভাইজার বাপ্পি জানান, মালিক আবদুস সালাম বর্তমানে বিদেশে রয়েছেন। তার সঙ্গে কথা বলে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন তিনি।
বরিশাল
ঝালকাঠি
পটুয়াখালী
পিরোজপুর
বরগুনা
ভোলা
বিনোদন
ঢাকা
: দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথে ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচলরত মানামী লঞ্চের মালিক সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো: আবদুস সালামকে চেক প্রতারণার একটি মামলায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক মেহেদী হাসান এ রায় প্রদান করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ইসমত আরা বাদী হয়ে এনআই অ্যাক্টের ১৩৮/১৪০ ধারায় সিআর ৮৩৭/৩১ নম্বর মামলাটি আদালতে দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, জয়েন্ট স্টকের মালিকানা অনুযায়ী মানামী লঞ্চের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার ফিরোজ আলম, শেয়ারহোল্ডার ইসমত আরা এবং শেয়ারহোল্ডার আহমেদ জাকিকে নিয়ে লঞ্চ পরিচালনা এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব করার কথা ছিল। কিন্তু কৌশলে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম তাদেরকে ব্যবস্থাপনা থেকে সরিয়ে দেন। এমনকি তিন বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব না দিয়ে তাদের হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। পরে লঞ্চ মালিকদের এক বৈঠকে মানামী লঞ্চ পরিচালনার তিন বছরের হিসাব অনুযায়ী ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা পরিশোধের সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী আবদুস সালাম ওই টাকা পরিশোধের জন্য ইসমত আরাকে ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। চেকটি ঢাকার গুলশান শাখার সিটি ব্যাংকে জমা দিয়ে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করা হলে তিনবার চেকটি ডিজঅনার হয়। পরে এ ঘটনায় চেক প্রতারণার মামলা করা হয়। এদিকে বরিশাল লঞ্চ মালিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ আবদুর রহিম জানান, লঞ্চ মালিক সমিতি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত। তৎকালীন সময়ে ক্ষমতার প্রভাবে আবদুস সালাম এ কাজ করেছেন বলে তিনি দাবি করেন। এখন আইনি বিষয়টি মেনে নিতে হবে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের কোনো কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মানামী লঞ্চের সুপারভাইজার বাপ্পি জানান, মালিক আবদুস সালাম বর্তমানে বিদেশে রয়েছেন। তার সঙ্গে কথা বলে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন তিনি।
খেলাধুলা
ঢাকা
: দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথে ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচলরত মানামী লঞ্চের মালিক সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো: আবদুস সালামকে চেক প্রতারণার একটি মামলায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক মেহেদী হাসান এ রায় প্রদান করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ইসমত আরা বাদী হয়ে এনআই অ্যাক্টের ১৩৮/১৪০ ধারায় সিআর ৮৩৭/৩১ নম্বর মামলাটি আদালতে দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, জয়েন্ট স্টকের মালিকানা অনুযায়ী মানামী লঞ্চের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার ফিরোজ আলম, শেয়ারহোল্ডার ইসমত আরা এবং শেয়ারহোল্ডার আহমেদ জাকিকে নিয়ে লঞ্চ পরিচালনা এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব করার কথা ছিল। কিন্তু কৌশলে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম তাদেরকে ব্যবস্থাপনা থেকে সরিয়ে দেন। এমনকি তিন বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব না দিয়ে তাদের হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। পরে লঞ্চ মালিকদের এক বৈঠকে মানামী লঞ্চ পরিচালনার তিন বছরের হিসাব অনুযায়ী ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা পরিশোধের সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী আবদুস সালাম ওই টাকা পরিশোধের জন্য ইসমত আরাকে ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। চেকটি ঢাকার গুলশান শাখার সিটি ব্যাংকে জমা দিয়ে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করা হলে তিনবার চেকটি ডিজঅনার হয়। পরে এ ঘটনায় চেক প্রতারণার মামলা করা হয়। এদিকে বরিশাল লঞ্চ মালিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ আবদুর রহিম জানান, লঞ্চ মালিক সমিতি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত। তৎকালীন সময়ে ক্ষমতার প্রভাবে আবদুস সালাম এ কাজ করেছেন বলে তিনি দাবি করেন। এখন আইনি বিষয়টি মেনে নিতে হবে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের কোনো কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মানামী লঞ্চের সুপারভাইজার বাপ্পি জানান, মালিক আবদুস সালাম বর্তমানে বিদেশে রয়েছেন। তার সঙ্গে কথা বলে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন তিনি।
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
ঢাকা
: দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথে ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচলরত মানামী লঞ্চের মালিক সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো: আবদুস সালামকে চেক প্রতারণার একটি মামলায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক মেহেদী হাসান এ রায় প্রদান করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ইসমত আরা বাদী হয়ে এনআই অ্যাক্টের ১৩৮/১৪০ ধারায় সিআর ৮৩৭/৩১ নম্বর মামলাটি আদালতে দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, জয়েন্ট স্টকের মালিকানা অনুযায়ী মানামী লঞ্চের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার ফিরোজ আলম, শেয়ারহোল্ডার ইসমত আরা এবং শেয়ারহোল্ডার আহমেদ জাকিকে নিয়ে লঞ্চ পরিচালনা এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব করার কথা ছিল। কিন্তু কৌশলে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম তাদেরকে ব্যবস্থাপনা থেকে সরিয়ে দেন। এমনকি তিন বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব না দিয়ে তাদের হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। পরে লঞ্চ মালিকদের এক বৈঠকে মানামী লঞ্চ পরিচালনার তিন বছরের হিসাব অনুযায়ী ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা পরিশোধের সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী আবদুস সালাম ওই টাকা পরিশোধের জন্য ইসমত আরাকে ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। চেকটি ঢাকার গুলশান শাখার সিটি ব্যাংকে জমা দিয়ে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করা হলে তিনবার চেকটি ডিজঅনার হয়। পরে এ ঘটনায় চেক প্রতারণার মামলা করা হয়। এদিকে বরিশাল লঞ্চ মালিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ আবদুর রহিম জানান, লঞ্চ মালিক সমিতি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত। তৎকালীন সময়ে ক্ষমতার প্রভাবে আবদুস সালাম এ কাজ করেছেন বলে তিনি দাবি করেন। এখন আইনি বিষয়টি মেনে নিতে হবে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের কোনো কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মানামী লঞ্চের সুপারভাইজার বাপ্পি জানান, মালিক আবদুস সালাম বর্তমানে বিদেশে রয়েছেন। তার সঙ্গে কথা বলে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন তিনি।
ভিডিও
ছবিঘর
লাইফস্টাইল
স্বাস্থ্য
প্রশাসন
আবহাওয়া বার্তা
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
আইটি টেক
অর্থনীতি
ক্যাম্পাস
Category: সারাদেশ
Home
সারাদেশ
NS_admin_03
August 20, 2026
3 sec read
200
মানামী লঞ্চের মালিককে ১ বছরের কারাদণ্ড ও ৬ কোটি টাকা জরিমানা
NS_admin_03
August 18, 2026
1 sec read
256
রেঞ্জ ডিআইজি বরিশালের সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়েছেন
NS_admin_03
August 16, 2026
2 sec read
133
আইনজীবীদের ব্যথা আমি পেয়ে গেছি বরিশাল বারে এসে: আইন মন্ত্রী
NS_admin_03
August 14, 2026
0 sec read
179
বরিশালে লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে হারিকেন হাতে মিছিল