Latest post
প্রাথমিক শাখায় ভর্তি বন্ধের দাবি, বিক্ষোভে বরিশাল সরকারি মডেল স্কুলের শিক্ষার্থীরা
বরিশালে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুর্গোৎসবের শুভ মহালয়া অনুষ্ঠিত
Popular Posts
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান
(509)
NS_admin_01
May 5, 2026
বিজয়ের উত্থানে টালমাটাল তামিলনাড়ুর পুরোনো জোট
(506)
NS_admin_01
May 5, 2026
কলাপাড়ায় চলাচলে সড়ক আটকে বসতঘর নির্মানে ১৭ বছরের ভোগান্তি
(505)
NS_admin_03
May 11, 2026
আমি পদত্যাগ করব না: মমতা
(498)
NS_admin_01
May 5, 2026
৭ম দিনের এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২০ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৮ জন
(483)
NS_admin_01
May 5, 2026
Stay Connected
TT Ads
প্রচ্ছদ
কলাপাড়া (পটুয়াখালী):
পটুয়াখালী জেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। সচিব থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি দপ্তরে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কর্মরত রয়েছেন। বরিশাল বিভাগের মধ্যে নামকরা এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে নানা সমস্যায় জর্জরিত। বিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই ক্লাশ না করে প্রাইভেট, কোচিং এ ব্যাস্ত থাকের। বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে পরিদর্শন করতে গিয়ে বিদ্যালয় কর্তপক্ষের দায়িত্ব জ্ঞানহীনতার আরও একটি প্রমাণ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিদ্যালয় মূল ভবনের পিছনে ১০ থেকে ১২টি পূর্ণ বয়ষ্ক রেইনট্রি গাছ কোন রোগে আক্রান্ত হয়ে শুকিয়ে মারা যাচ্ছে। যা বিদ্যালয়ের পিছনে বসবাসকৃত অধিবাসীরা এবং অনেক সময় ভাসমান লোকজন ভেঙ্গে কিংবা কেটে নিয়ে যাচ্ছে। গাছগুলো সংরক্ষন বা অপসারনপূর্বক নুতন করে বৃক্ষ রোপনের কোন উৎসাহ পরিলক্ষিত হয়নি। এ যেন সরকারি মাল দরিয়া মে ঢাল। বিদ্যালয়ের পাড় ভেঙ্গে বিশাল আকৃতির খেজুর গাছ পুকুরে পড়ে আছে দেখার কেউ নেই। বিদ্যালয় পুকুর পাড়ে এখনো পড়ে আছে বড় সাইজের দুটি মেহগণি গাছের গোড়া যা কাটা হয়েছে একবারেই স্পষ্ট। গাছদুটি মরা গাছ ছিলা না পর্যবেক্ষন করলে সহজেই বোঝা সম্ভব। প্রধান শিক্ষক খেজুর গাছের কথা বললেও মেহগনি গাছ কাটার ব্যপারে কোন সদোত্তর দিতে পরেননি। এবং গাছ কাটার কোন কমিটি কিংবা কোন অনুমোদনও দেখাতে পারেন নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় বিদ্যালয় কোয়ার্টারে বসবাসকৃত জনৈক শিক্ষক উক্ত গাছ কেটে ফার্নিচার বানিয়েছেন যা সম্পুর্ণ অবৈধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। জানা গেছে অভিযুক্ত ঐ শিক্ষক বিগত সরকারের সময় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গরু পালন করতেন। এবং বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে নিয়মিত গরু চরাতেন। বিদ্যালয়ের কক্ষ ব্যবহার করে গড়ে তুলেছেন কোচিং বাণিজ্য। যেখানে আসার জন্য শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ প্রয়োগ করা হয়। প্রধান শিক্ষক ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী হওয়ায় এ সকল অন্যায় অপরাধ গুলো মেনে নিচ্ছেন অবলীলায়। এই জীবিত গাছ কাটা সম্পর্কে বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক মাহামুদুল হাসান বলেন, দুইটি রেইন্ট্রি গাছ ছিলো, দুটিই পড়ে আছে। কোন গাছ বিক্রি হয়নি। বিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষক সুজিত শিকদার বলেন ঝড়ে স্কুলের কিছু মেহগনি গাছ পড়ে গেছে। সেগুলো সেখানেই আছে। কোন গাছ কাটা হয়নি। সুতরাং গাছ কাটার সাথে আমার সম্পৃক্ততা কিভাবে থাকবে? এছাড়াও তিনি আরও বলেন, আমি, সুবাস চন্দ্র বিশ্বাস এবং আরও শিক্ষক এখানে বাস করি। আমরা এগুলো দেখে রাখি। আমি ক্লাশে পরে ফোন দিব। বিদ্যালয়ের অপর আবাসিক শিক্ষক সুবাস চন্দ্র বিশ্বাসের মুঠোফোন ০১৭১৯৭৩৩৮৮২ নম্বরে বিভিন্ন সময় ১৫ বার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আবদুর রহিম বলেন, কোন গাছ বিক্রি হয়নি। একটি খেজুর গাছ ঝড়ে পুকুরে পড়ে গেছে। কতৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো ভাবে গাছ কাটা সম্ভব না। তাই সেটাও কাটা হয়নি। উপজেলা শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব) আকরাম হোসেন বলেন, তিনি কয়েকটি উপজেলার দ্বায়িত্বে আছেন। তাই তিনি এব্যাপারে কোন তথ্য জানেন না। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে, যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাউসার হামিদ এর মুঠোফোনে ০১৭৩৩৩৩৪১৫৫ একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
জাতীয়
কলাপাড়া (পটুয়াখালী):
পটুয়াখালী জেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। সচিব থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি দপ্তরে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কর্মরত রয়েছেন। বরিশাল বিভাগের মধ্যে নামকরা এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে নানা সমস্যায় জর্জরিত। বিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই ক্লাশ না করে প্রাইভেট, কোচিং এ ব্যাস্ত থাকের। বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে পরিদর্শন করতে গিয়ে বিদ্যালয় কর্তপক্ষের দায়িত্ব জ্ঞানহীনতার আরও একটি প্রমাণ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিদ্যালয় মূল ভবনের পিছনে ১০ থেকে ১২টি পূর্ণ বয়ষ্ক রেইনট্রি গাছ কোন রোগে আক্রান্ত হয়ে শুকিয়ে মারা যাচ্ছে। যা বিদ্যালয়ের পিছনে বসবাসকৃত অধিবাসীরা এবং অনেক সময় ভাসমান লোকজন ভেঙ্গে কিংবা কেটে নিয়ে যাচ্ছে। গাছগুলো সংরক্ষন বা অপসারনপূর্বক নুতন করে বৃক্ষ রোপনের কোন উৎসাহ পরিলক্ষিত হয়নি। এ যেন সরকারি মাল দরিয়া মে ঢাল। বিদ্যালয়ের পাড় ভেঙ্গে বিশাল আকৃতির খেজুর গাছ পুকুরে পড়ে আছে দেখার কেউ নেই। বিদ্যালয় পুকুর পাড়ে এখনো পড়ে আছে বড় সাইজের দুটি মেহগণি গাছের গোড়া যা কাটা হয়েছে একবারেই স্পষ্ট। গাছদুটি মরা গাছ ছিলা না পর্যবেক্ষন করলে সহজেই বোঝা সম্ভব। প্রধান শিক্ষক খেজুর গাছের কথা বললেও মেহগনি গাছ কাটার ব্যপারে কোন সদোত্তর দিতে পরেননি। এবং গাছ কাটার কোন কমিটি কিংবা কোন অনুমোদনও দেখাতে পারেন নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় বিদ্যালয় কোয়ার্টারে বসবাসকৃত জনৈক শিক্ষক উক্ত গাছ কেটে ফার্নিচার বানিয়েছেন যা সম্পুর্ণ অবৈধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। জানা গেছে অভিযুক্ত ঐ শিক্ষক বিগত সরকারের সময় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গরু পালন করতেন। এবং বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে নিয়মিত গরু চরাতেন। বিদ্যালয়ের কক্ষ ব্যবহার করে গড়ে তুলেছেন কোচিং বাণিজ্য। যেখানে আসার জন্য শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ প্রয়োগ করা হয়। প্রধান শিক্ষক ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী হওয়ায় এ সকল অন্যায় অপরাধ গুলো মেনে নিচ্ছেন অবলীলায়। এই জীবিত গাছ কাটা সম্পর্কে বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক মাহামুদুল হাসান বলেন, দুইটি রেইন্ট্রি গাছ ছিলো, দুটিই পড়ে আছে। কোন গাছ বিক্রি হয়নি। বিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষক সুজিত শিকদার বলেন ঝড়ে স্কুলের কিছু মেহগনি গাছ পড়ে গেছে। সেগুলো সেখানেই আছে। কোন গাছ কাটা হয়নি। সুতরাং গাছ কাটার সাথে আমার সম্পৃক্ততা কিভাবে থাকবে? এছাড়াও তিনি আরও বলেন, আমি, সুবাস চন্দ্র বিশ্বাস এবং আরও শিক্ষক এখানে বাস করি। আমরা এগুলো দেখে রাখি। আমি ক্লাশে পরে ফোন দিব। বিদ্যালয়ের অপর আবাসিক শিক্ষক সুবাস চন্দ্র বিশ্বাসের মুঠোফোন ০১৭১৯৭৩৩৮৮২ নম্বরে বিভিন্ন সময় ১৫ বার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আবদুর রহিম বলেন, কোন গাছ বিক্রি হয়নি। একটি খেজুর গাছ ঝড়ে পুকুরে পড়ে গেছে। কতৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো ভাবে গাছ কাটা সম্ভব না। তাই সেটাও কাটা হয়নি। উপজেলা শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব) আকরাম হোসেন বলেন, তিনি কয়েকটি উপজেলার দ্বায়িত্বে আছেন। তাই তিনি এব্যাপারে কোন তথ্য জানেন না। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে, যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাউসার হামিদ এর মুঠোফোনে ০১৭৩৩৩৩৪১৫৫ একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
রাজনীতি
কলাপাড়া (পটুয়াখালী):
পটুয়াখালী জেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। সচিব থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি দপ্তরে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কর্মরত রয়েছেন। বরিশাল বিভাগের মধ্যে নামকরা এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে নানা সমস্যায় জর্জরিত। বিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই ক্লাশ না করে প্রাইভেট, কোচিং এ ব্যাস্ত থাকের। বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে পরিদর্শন করতে গিয়ে বিদ্যালয় কর্তপক্ষের দায়িত্ব জ্ঞানহীনতার আরও একটি প্রমাণ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিদ্যালয় মূল ভবনের পিছনে ১০ থেকে ১২টি পূর্ণ বয়ষ্ক রেইনট্রি গাছ কোন রোগে আক্রান্ত হয়ে শুকিয়ে মারা যাচ্ছে। যা বিদ্যালয়ের পিছনে বসবাসকৃত অধিবাসীরা এবং অনেক সময় ভাসমান লোকজন ভেঙ্গে কিংবা কেটে নিয়ে যাচ্ছে। গাছগুলো সংরক্ষন বা অপসারনপূর্বক নুতন করে বৃক্ষ রোপনের কোন উৎসাহ পরিলক্ষিত হয়নি। এ যেন সরকারি মাল দরিয়া মে ঢাল। বিদ্যালয়ের পাড় ভেঙ্গে বিশাল আকৃতির খেজুর গাছ পুকুরে পড়ে আছে দেখার কেউ নেই। বিদ্যালয় পুকুর পাড়ে এখনো পড়ে আছে বড় সাইজের দুটি মেহগণি গাছের গোড়া যা কাটা হয়েছে একবারেই স্পষ্ট। গাছদুটি মরা গাছ ছিলা না পর্যবেক্ষন করলে সহজেই বোঝা সম্ভব। প্রধান শিক্ষক খেজুর গাছের কথা বললেও মেহগনি গাছ কাটার ব্যপারে কোন সদোত্তর দিতে পরেননি। এবং গাছ কাটার কোন কমিটি কিংবা কোন অনুমোদনও দেখাতে পারেন নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় বিদ্যালয় কোয়ার্টারে বসবাসকৃত জনৈক শিক্ষক উক্ত গাছ কেটে ফার্নিচার বানিয়েছেন যা সম্পুর্ণ অবৈধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। জানা গেছে অভিযুক্ত ঐ শিক্ষক বিগত সরকারের সময় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গরু পালন করতেন। এবং বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে নিয়মিত গরু চরাতেন। বিদ্যালয়ের কক্ষ ব্যবহার করে গড়ে তুলেছেন কোচিং বাণিজ্য। যেখানে আসার জন্য শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ প্রয়োগ করা হয়। প্রধান শিক্ষক ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী হওয়ায় এ সকল অন্যায় অপরাধ গুলো মেনে নিচ্ছেন অবলীলায়। এই জীবিত গাছ কাটা সম্পর্কে বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক মাহামুদুল হাসান বলেন, দুইটি রেইন্ট্রি গাছ ছিলো, দুটিই পড়ে আছে। কোন গাছ বিক্রি হয়নি। বিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষক সুজিত শিকদার বলেন ঝড়ে স্কুলের কিছু মেহগনি গাছ পড়ে গেছে। সেগুলো সেখানেই আছে। কোন গাছ কাটা হয়নি। সুতরাং গাছ কাটার সাথে আমার সম্পৃক্ততা কিভাবে থাকবে? এছাড়াও তিনি আরও বলেন, আমি, সুবাস চন্দ্র বিশ্বাস এবং আরও শিক্ষক এখানে বাস করি। আমরা এগুলো দেখে রাখি। আমি ক্লাশে পরে ফোন দিব। বিদ্যালয়ের অপর আবাসিক শিক্ষক সুবাস চন্দ্র বিশ্বাসের মুঠোফোন ০১৭১৯৭৩৩৮৮২ নম্বরে বিভিন্ন সময় ১৫ বার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আবদুর রহিম বলেন, কোন গাছ বিক্রি হয়নি। একটি খেজুর গাছ ঝড়ে পুকুরে পড়ে গেছে। কতৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো ভাবে গাছ কাটা সম্ভব না। তাই সেটাও কাটা হয়নি। উপজেলা শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব) আকরাম হোসেন বলেন, তিনি কয়েকটি উপজেলার দ্বায়িত্বে আছেন। তাই তিনি এব্যাপারে কোন তথ্য জানেন না। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে, যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাউসার হামিদ এর মুঠোফোনে ০১৭৩৩৩৩৪১৫৫ একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
সারাদেশ
কলাপাড়া (পটুয়াখালী):
পটুয়াখালী জেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। সচিব থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি দপ্তরে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কর্মরত রয়েছেন। বরিশাল বিভাগের মধ্যে নামকরা এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে নানা সমস্যায় জর্জরিত। বিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই ক্লাশ না করে প্রাইভেট, কোচিং এ ব্যাস্ত থাকের। বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে পরিদর্শন করতে গিয়ে বিদ্যালয় কর্তপক্ষের দায়িত্ব জ্ঞানহীনতার আরও একটি প্রমাণ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিদ্যালয় মূল ভবনের পিছনে ১০ থেকে ১২টি পূর্ণ বয়ষ্ক রেইনট্রি গাছ কোন রোগে আক্রান্ত হয়ে শুকিয়ে মারা যাচ্ছে। যা বিদ্যালয়ের পিছনে বসবাসকৃত অধিবাসীরা এবং অনেক সময় ভাসমান লোকজন ভেঙ্গে কিংবা কেটে নিয়ে যাচ্ছে। গাছগুলো সংরক্ষন বা অপসারনপূর্বক নুতন করে বৃক্ষ রোপনের কোন উৎসাহ পরিলক্ষিত হয়নি। এ যেন সরকারি মাল দরিয়া মে ঢাল। বিদ্যালয়ের পাড় ভেঙ্গে বিশাল আকৃতির খেজুর গাছ পুকুরে পড়ে আছে দেখার কেউ নেই। বিদ্যালয় পুকুর পাড়ে এখনো পড়ে আছে বড় সাইজের দুটি মেহগণি গাছের গোড়া যা কাটা হয়েছে একবারেই স্পষ্ট। গাছদুটি মরা গাছ ছিলা না পর্যবেক্ষন করলে সহজেই বোঝা সম্ভব। প্রধান শিক্ষক খেজুর গাছের কথা বললেও মেহগনি গাছ কাটার ব্যপারে কোন সদোত্তর দিতে পরেননি। এবং গাছ কাটার কোন কমিটি কিংবা কোন অনুমোদনও দেখাতে পারেন নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় বিদ্যালয় কোয়ার্টারে বসবাসকৃত জনৈক শিক্ষক উক্ত গাছ কেটে ফার্নিচার বানিয়েছেন যা সম্পুর্ণ অবৈধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। জানা গেছে অভিযুক্ত ঐ শিক্ষক বিগত সরকারের সময় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গরু পালন করতেন। এবং বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে নিয়মিত গরু চরাতেন। বিদ্যালয়ের কক্ষ ব্যবহার করে গড়ে তুলেছেন কোচিং বাণিজ্য। যেখানে আসার জন্য শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ প্রয়োগ করা হয়। প্রধান শিক্ষক ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী হওয়ায় এ সকল অন্যায় অপরাধ গুলো মেনে নিচ্ছেন অবলীলায়। এই জীবিত গাছ কাটা সম্পর্কে বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক মাহামুদুল হাসান বলেন, দুইটি রেইন্ট্রি গাছ ছিলো, দুটিই পড়ে আছে। কোন গাছ বিক্রি হয়নি। বিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষক সুজিত শিকদার বলেন ঝড়ে স্কুলের কিছু মেহগনি গাছ পড়ে গেছে। সেগুলো সেখানেই আছে। কোন গাছ কাটা হয়নি। সুতরাং গাছ কাটার সাথে আমার সম্পৃক্ততা কিভাবে থাকবে? এছাড়াও তিনি আরও বলেন, আমি, সুবাস চন্দ্র বিশ্বাস এবং আরও শিক্ষক এখানে বাস করি। আমরা এগুলো দেখে রাখি। আমি ক্লাশে পরে ফোন দিব। বিদ্যালয়ের অপর আবাসিক শিক্ষক সুবাস চন্দ্র বিশ্বাসের মুঠোফোন ০১৭১৯৭৩৩৮৮২ নম্বরে বিভিন্ন সময় ১৫ বার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আবদুর রহিম বলেন, কোন গাছ বিক্রি হয়নি। একটি খেজুর গাছ ঝড়ে পুকুরে পড়ে গেছে। কতৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো ভাবে গাছ কাটা সম্ভব না। তাই সেটাও কাটা হয়নি। উপজেলা শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব) আকরাম হোসেন বলেন, তিনি কয়েকটি উপজেলার দ্বায়িত্বে আছেন। তাই তিনি এব্যাপারে কোন তথ্য জানেন না। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে, যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাউসার হামিদ এর মুঠোফোনে ০১৭৩৩৩৩৪১৫৫ একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
ঢাকা
বরিশাল
রাজশাহী
চট্টগ্রাম
খুলনা
ময়মনসিংহ
রংপুর
সিলেট
আন্তর্জাতিক
কলাপাড়া (পটুয়াখালী):
পটুয়াখালী জেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। সচিব থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি দপ্তরে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কর্মরত রয়েছেন। বরিশাল বিভাগের মধ্যে নামকরা এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে নানা সমস্যায় জর্জরিত। বিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই ক্লাশ না করে প্রাইভেট, কোচিং এ ব্যাস্ত থাকের। বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে পরিদর্শন করতে গিয়ে বিদ্যালয় কর্তপক্ষের দায়িত্ব জ্ঞানহীনতার আরও একটি প্রমাণ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিদ্যালয় মূল ভবনের পিছনে ১০ থেকে ১২টি পূর্ণ বয়ষ্ক রেইনট্রি গাছ কোন রোগে আক্রান্ত হয়ে শুকিয়ে মারা যাচ্ছে। যা বিদ্যালয়ের পিছনে বসবাসকৃত অধিবাসীরা এবং অনেক সময় ভাসমান লোকজন ভেঙ্গে কিংবা কেটে নিয়ে যাচ্ছে। গাছগুলো সংরক্ষন বা অপসারনপূর্বক নুতন করে বৃক্ষ রোপনের কোন উৎসাহ পরিলক্ষিত হয়নি। এ যেন সরকারি মাল দরিয়া মে ঢাল। বিদ্যালয়ের পাড় ভেঙ্গে বিশাল আকৃতির খেজুর গাছ পুকুরে পড়ে আছে দেখার কেউ নেই। বিদ্যালয় পুকুর পাড়ে এখনো পড়ে আছে বড় সাইজের দুটি মেহগণি গাছের গোড়া যা কাটা হয়েছে একবারেই স্পষ্ট। গাছদুটি মরা গাছ ছিলা না পর্যবেক্ষন করলে সহজেই বোঝা সম্ভব। প্রধান শিক্ষক খেজুর গাছের কথা বললেও মেহগনি গাছ কাটার ব্যপারে কোন সদোত্তর দিতে পরেননি। এবং গাছ কাটার কোন কমিটি কিংবা কোন অনুমোদনও দেখাতে পারেন নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় বিদ্যালয় কোয়ার্টারে বসবাসকৃত জনৈক শিক্ষক উক্ত গাছ কেটে ফার্নিচার বানিয়েছেন যা সম্পুর্ণ অবৈধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। জানা গেছে অভিযুক্ত ঐ শিক্ষক বিগত সরকারের সময় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গরু পালন করতেন। এবং বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে নিয়মিত গরু চরাতেন। বিদ্যালয়ের কক্ষ ব্যবহার করে গড়ে তুলেছেন কোচিং বাণিজ্য। যেখানে আসার জন্য শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ প্রয়োগ করা হয়। প্রধান শিক্ষক ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী হওয়ায় এ সকল অন্যায় অপরাধ গুলো মেনে নিচ্ছেন অবলীলায়। এই জীবিত গাছ কাটা সম্পর্কে বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক মাহামুদুল হাসান বলেন, দুইটি রেইন্ট্রি গাছ ছিলো, দুটিই পড়ে আছে। কোন গাছ বিক্রি হয়নি। বিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষক সুজিত শিকদার বলেন ঝড়ে স্কুলের কিছু মেহগনি গাছ পড়ে গেছে। সেগুলো সেখানেই আছে। কোন গাছ কাটা হয়নি। সুতরাং গাছ কাটার সাথে আমার সম্পৃক্ততা কিভাবে থাকবে? এছাড়াও তিনি আরও বলেন, আমি, সুবাস চন্দ্র বিশ্বাস এবং আরও শিক্ষক এখানে বাস করি। আমরা এগুলো দেখে রাখি। আমি ক্লাশে পরে ফোন দিব। বিদ্যালয়ের অপর আবাসিক শিক্ষক সুবাস চন্দ্র বিশ্বাসের মুঠোফোন ০১৭১৯৭৩৩৮৮২ নম্বরে বিভিন্ন সময় ১৫ বার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আবদুর রহিম বলেন, কোন গাছ বিক্রি হয়নি। একটি খেজুর গাছ ঝড়ে পুকুরে পড়ে গেছে। কতৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো ভাবে গাছ কাটা সম্ভব না। তাই সেটাও কাটা হয়নি। উপজেলা শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব) আকরাম হোসেন বলেন, তিনি কয়েকটি উপজেলার দ্বায়িত্বে আছেন। তাই তিনি এব্যাপারে কোন তথ্য জানেন না। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে, যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাউসার হামিদ এর মুঠোফোনে ০১৭৩৩৩৩৪১৫৫ একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল বিভাগ
কলাপাড়া (পটুয়াখালী):
পটুয়াখালী জেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। সচিব থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি দপ্তরে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কর্মরত রয়েছেন। বরিশাল বিভাগের মধ্যে নামকরা এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে নানা সমস্যায় জর্জরিত। বিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই ক্লাশ না করে প্রাইভেট, কোচিং এ ব্যাস্ত থাকের। বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে পরিদর্শন করতে গিয়ে বিদ্যালয় কর্তপক্ষের দায়িত্ব জ্ঞানহীনতার আরও একটি প্রমাণ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিদ্যালয় মূল ভবনের পিছনে ১০ থেকে ১২টি পূর্ণ বয়ষ্ক রেইনট্রি গাছ কোন রোগে আক্রান্ত হয়ে শুকিয়ে মারা যাচ্ছে। যা বিদ্যালয়ের পিছনে বসবাসকৃত অধিবাসীরা এবং অনেক সময় ভাসমান লোকজন ভেঙ্গে কিংবা কেটে নিয়ে যাচ্ছে। গাছগুলো সংরক্ষন বা অপসারনপূর্বক নুতন করে বৃক্ষ রোপনের কোন উৎসাহ পরিলক্ষিত হয়নি। এ যেন সরকারি মাল দরিয়া মে ঢাল। বিদ্যালয়ের পাড় ভেঙ্গে বিশাল আকৃতির খেজুর গাছ পুকুরে পড়ে আছে দেখার কেউ নেই। বিদ্যালয় পুকুর পাড়ে এখনো পড়ে আছে বড় সাইজের দুটি মেহগণি গাছের গোড়া যা কাটা হয়েছে একবারেই স্পষ্ট। গাছদুটি মরা গাছ ছিলা না পর্যবেক্ষন করলে সহজেই বোঝা সম্ভব। প্রধান শিক্ষক খেজুর গাছের কথা বললেও মেহগনি গাছ কাটার ব্যপারে কোন সদোত্তর দিতে পরেননি। এবং গাছ কাটার কোন কমিটি কিংবা কোন অনুমোদনও দেখাতে পারেন নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় বিদ্যালয় কোয়ার্টারে বসবাসকৃত জনৈক শিক্ষক উক্ত গাছ কেটে ফার্নিচার বানিয়েছেন যা সম্পুর্ণ অবৈধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। জানা গেছে অভিযুক্ত ঐ শিক্ষক বিগত সরকারের সময় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গরু পালন করতেন। এবং বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে নিয়মিত গরু চরাতেন। বিদ্যালয়ের কক্ষ ব্যবহার করে গড়ে তুলেছেন কোচিং বাণিজ্য। যেখানে আসার জন্য শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ প্রয়োগ করা হয়। প্রধান শিক্ষক ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী হওয়ায় এ সকল অন্যায় অপরাধ গুলো মেনে নিচ্ছেন অবলীলায়। এই জীবিত গাছ কাটা সম্পর্কে বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক মাহামুদুল হাসান বলেন, দুইটি রেইন্ট্রি গাছ ছিলো, দুটিই পড়ে আছে। কোন গাছ বিক্রি হয়নি। বিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষক সুজিত শিকদার বলেন ঝড়ে স্কুলের কিছু মেহগনি গাছ পড়ে গেছে। সেগুলো সেখানেই আছে। কোন গাছ কাটা হয়নি। সুতরাং গাছ কাটার সাথে আমার সম্পৃক্ততা কিভাবে থাকবে? এছাড়াও তিনি আরও বলেন, আমি, সুবাস চন্দ্র বিশ্বাস এবং আরও শিক্ষক এখানে বাস করি। আমরা এগুলো দেখে রাখি। আমি ক্লাশে পরে ফোন দিব। বিদ্যালয়ের অপর আবাসিক শিক্ষক সুবাস চন্দ্র বিশ্বাসের মুঠোফোন ০১৭১৯৭৩৩৮৮২ নম্বরে বিভিন্ন সময় ১৫ বার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আবদুর রহিম বলেন, কোন গাছ বিক্রি হয়নি। একটি খেজুর গাছ ঝড়ে পুকুরে পড়ে গেছে। কতৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো ভাবে গাছ কাটা সম্ভব না। তাই সেটাও কাটা হয়নি। উপজেলা শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব) আকরাম হোসেন বলেন, তিনি কয়েকটি উপজেলার দ্বায়িত্বে আছেন। তাই তিনি এব্যাপারে কোন তথ্য জানেন না। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে, যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাউসার হামিদ এর মুঠোফোনে ০১৭৩৩৩৩৪১৫৫ একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল
ঝালকাঠি
পটুয়াখালী
পিরোজপুর
বরগুনা