Latest post
উজিরপুরে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে তিন বন্ধুর মৃত্যু
বকেয়া বেতন ও নোটিশ প্রত্যাহারের দাবিতে ইন্দো-বাংলার গেটে শ্রমিকদের অনশন
বরিশাল মেরিন একাডেমিতে বিশ্ব নৌ দিবস উদ্যাপন
Popular Posts
কলাপাড়ায় চলাচলে সড়ক আটকে বসতঘর নির্মানে ১৭ বছরের ভোগান্তি
(413)
NS_admin_03
May 11, 2026
বিজয়ের উত্থানে টালমাটাল তামিলনাড়ুর পুরোনো জোট
(390)
NS_admin_01
May 5, 2026
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান
(389)
NS_admin_01
May 5, 2026
আমি পদত্যাগ করব না: মমতা
(386)
NS_admin_01
May 5, 2026
গিনেস বুকে নাম লেখালেন পিরোজপুরের সিফাত
(376)
NS_admin_01
May 4, 2026
Stay Connected
TT Ads
প্রচ্ছদ
নিউজ ডেস্ক
: নীল লোহার গেটে ঝুলছে তালা। গেটের নিচে রাস্তার পাশে কমলা তেরপল বিছানো। তার ওপর সারি করে রাখা কয়েকটি স্টিলের থালা। থালাগুলো খালি। পাশে বসে আছেন নারী-পুরুষ শ্রমিকেরা। মাথার ওপর টাঙানো ব্যানারে লেখা, ‘প্রতীকী অনশন’। আজ সোমবার বরিশাল নগরের নথুল্লাবাদে ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসের গেটের সামনে এভাবেই অনশনে বসেছেন কারখানাটির শ্রমিকেরা। বকেয়া বেতন পরিশোধ, কারখানা খুলে দেওয়া এবং তাঁদের দেওয়া নোটিশ প্রত্যাহারের দাবিতে সকাল থেকে তাঁরা অবস্থান করছেন। শ্রমিকদের দাবি, গত ১২ সেপ্টেম্বর শ্রম আইন ১৩(১) ধারায় কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর ২৩ ধারায় সব শ্রমিককে একসঙ্গে এবং সাতজনকে আলাদাভাবে স্থায়ী বহিষ্কারের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা এসব নোটিশকে ‘অবৈধ’ দাবি করে প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছেন। কারখানা বন্ধের আগে এক কর্মকর্তার সঙ্গে এক শ্রমিকের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে শ্রমিকেরা জানান। ওই শ্রমিককে শোকজ করা হয়। তাঁদের ভাষ্য, তিনি শোকজের জবাবও দেন। এর পর কর্মকর্তারা কর্মবিরতিতে যান। পরে কারখানা বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়। শ্রমিকেরা বলছেন, তাঁরা আইন মেনে নিজেদের দাবি জানিয়েছিলেন। এর পরই কারখানা বন্ধ ও তাঁদের বিরুদ্ধে নোটিশ দেওয়া হয়। ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে কারখানার গেটের সামনে অবস্থান করছেন তাঁরা। বকেয়া বেতন নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে শ্রমিকদের। তাঁদের দাবি, ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আগস্ট মাসের বেতনও তাঁরা পাননি। শ্রমিকদের ছাটাই বহাল রাখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। যেখানে শ্রমিকদের প্রতিনিধি ২জন আর মালিক পক্ষের চারজন। গত শুক্রবার সকালে বকেয়া বেতনের দাবিতে হাতে থালা-বাসন নিয়ে ‘ভুখা মিছিল’ বের করেন শ্রমিকেরা। কারখানার গেট থেকে শুরু হয়ে নথুল্লাবাদের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে মিছিলটি আবার কারখানার সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ হয়। সমাবেশে শ্রমিকদের সঙ্গে সংহতি জানায় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট, রিকশা-ভ্যান চালক ইউনিয়ন এবং নগরের রেফকো ও মেডিমেট ফার্মাসিউটিক্যালসের শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা। সমাবেশে বক্তা মনীষা চক্রবর্তী বলেন, শ্রমিকেরা তাঁদের দাবি জানানোয় তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই ভয় উপেক্ষা করে শ্রমিকরা তাদের নিয়োগপত্র আর পরিচয়পত্র চাইতে গেলে মালিকপক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে ছাটাইয়ের উদ্যোগ নেয়। বকেয়া বেতন না দিয়ে তাদেরকে গনহারে চাকুরিচ্যুত করার নোটিশ দেয়। শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং তাঁদের বিরুদ্ধে দেওয়া নোটিশ প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি। শ্রমিকেরা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। আজ সোমবার গেটের সামনে বসে থাকা শ্রমিকদের সামনে তাই খালি থালা আর তালাবদ্ধ গেট। একদিকে কাজ বন্ধ, অন্যদিকে বেতন বকেয়া। কারখানা খুলে দিয়ে তাঁদের কাজে ফেরানোর অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা। #
জাতীয়
নিউজ ডেস্ক
: নীল লোহার গেটে ঝুলছে তালা। গেটের নিচে রাস্তার পাশে কমলা তেরপল বিছানো। তার ওপর সারি করে রাখা কয়েকটি স্টিলের থালা। থালাগুলো খালি। পাশে বসে আছেন নারী-পুরুষ শ্রমিকেরা। মাথার ওপর টাঙানো ব্যানারে লেখা, ‘প্রতীকী অনশন’। আজ সোমবার বরিশাল নগরের নথুল্লাবাদে ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসের গেটের সামনে এভাবেই অনশনে বসেছেন কারখানাটির শ্রমিকেরা। বকেয়া বেতন পরিশোধ, কারখানা খুলে দেওয়া এবং তাঁদের দেওয়া নোটিশ প্রত্যাহারের দাবিতে সকাল থেকে তাঁরা অবস্থান করছেন। শ্রমিকদের দাবি, গত ১২ সেপ্টেম্বর শ্রম আইন ১৩(১) ধারায় কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর ২৩ ধারায় সব শ্রমিককে একসঙ্গে এবং সাতজনকে আলাদাভাবে স্থায়ী বহিষ্কারের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা এসব নোটিশকে ‘অবৈধ’ দাবি করে প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছেন। কারখানা বন্ধের আগে এক কর্মকর্তার সঙ্গে এক শ্রমিকের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে শ্রমিকেরা জানান। ওই শ্রমিককে শোকজ করা হয়। তাঁদের ভাষ্য, তিনি শোকজের জবাবও দেন। এর পর কর্মকর্তারা কর্মবিরতিতে যান। পরে কারখানা বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়। শ্রমিকেরা বলছেন, তাঁরা আইন মেনে নিজেদের দাবি জানিয়েছিলেন। এর পরই কারখানা বন্ধ ও তাঁদের বিরুদ্ধে নোটিশ দেওয়া হয়। ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে কারখানার গেটের সামনে অবস্থান করছেন তাঁরা। বকেয়া বেতন নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে শ্রমিকদের। তাঁদের দাবি, ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আগস্ট মাসের বেতনও তাঁরা পাননি। শ্রমিকদের ছাটাই বহাল রাখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। যেখানে শ্রমিকদের প্রতিনিধি ২জন আর মালিক পক্ষের চারজন। গত শুক্রবার সকালে বকেয়া বেতনের দাবিতে হাতে থালা-বাসন নিয়ে ‘ভুখা মিছিল’ বের করেন শ্রমিকেরা। কারখানার গেট থেকে শুরু হয়ে নথুল্লাবাদের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে মিছিলটি আবার কারখানার সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ হয়। সমাবেশে শ্রমিকদের সঙ্গে সংহতি জানায় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট, রিকশা-ভ্যান চালক ইউনিয়ন এবং নগরের রেফকো ও মেডিমেট ফার্মাসিউটিক্যালসের শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা। সমাবেশে বক্তা মনীষা চক্রবর্তী বলেন, শ্রমিকেরা তাঁদের দাবি জানানোয় তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই ভয় উপেক্ষা করে শ্রমিকরা তাদের নিয়োগপত্র আর পরিচয়পত্র চাইতে গেলে মালিকপক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে ছাটাইয়ের উদ্যোগ নেয়। বকেয়া বেতন না দিয়ে তাদেরকে গনহারে চাকুরিচ্যুত করার নোটিশ দেয়। শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং তাঁদের বিরুদ্ধে দেওয়া নোটিশ প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি। শ্রমিকেরা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। আজ সোমবার গেটের সামনে বসে থাকা শ্রমিকদের সামনে তাই খালি থালা আর তালাবদ্ধ গেট। একদিকে কাজ বন্ধ, অন্যদিকে বেতন বকেয়া। কারখানা খুলে দিয়ে তাঁদের কাজে ফেরানোর অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা। #
রাজনীতি
নিউজ ডেস্ক
: নীল লোহার গেটে ঝুলছে তালা। গেটের নিচে রাস্তার পাশে কমলা তেরপল বিছানো। তার ওপর সারি করে রাখা কয়েকটি স্টিলের থালা। থালাগুলো খালি। পাশে বসে আছেন নারী-পুরুষ শ্রমিকেরা। মাথার ওপর টাঙানো ব্যানারে লেখা, ‘প্রতীকী অনশন’। আজ সোমবার বরিশাল নগরের নথুল্লাবাদে ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসের গেটের সামনে এভাবেই অনশনে বসেছেন কারখানাটির শ্রমিকেরা। বকেয়া বেতন পরিশোধ, কারখানা খুলে দেওয়া এবং তাঁদের দেওয়া নোটিশ প্রত্যাহারের দাবিতে সকাল থেকে তাঁরা অবস্থান করছেন। শ্রমিকদের দাবি, গত ১২ সেপ্টেম্বর শ্রম আইন ১৩(১) ধারায় কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর ২৩ ধারায় সব শ্রমিককে একসঙ্গে এবং সাতজনকে আলাদাভাবে স্থায়ী বহিষ্কারের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা এসব নোটিশকে ‘অবৈধ’ দাবি করে প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছেন। কারখানা বন্ধের আগে এক কর্মকর্তার সঙ্গে এক শ্রমিকের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে শ্রমিকেরা জানান। ওই শ্রমিককে শোকজ করা হয়। তাঁদের ভাষ্য, তিনি শোকজের জবাবও দেন। এর পর কর্মকর্তারা কর্মবিরতিতে যান। পরে কারখানা বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়। শ্রমিকেরা বলছেন, তাঁরা আইন মেনে নিজেদের দাবি জানিয়েছিলেন। এর পরই কারখানা বন্ধ ও তাঁদের বিরুদ্ধে নোটিশ দেওয়া হয়। ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে কারখানার গেটের সামনে অবস্থান করছেন তাঁরা। বকেয়া বেতন নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে শ্রমিকদের। তাঁদের দাবি, ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আগস্ট মাসের বেতনও তাঁরা পাননি। শ্রমিকদের ছাটাই বহাল রাখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। যেখানে শ্রমিকদের প্রতিনিধি ২জন আর মালিক পক্ষের চারজন। গত শুক্রবার সকালে বকেয়া বেতনের দাবিতে হাতে থালা-বাসন নিয়ে ‘ভুখা মিছিল’ বের করেন শ্রমিকেরা। কারখানার গেট থেকে শুরু হয়ে নথুল্লাবাদের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে মিছিলটি আবার কারখানার সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ হয়। সমাবেশে শ্রমিকদের সঙ্গে সংহতি জানায় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট, রিকশা-ভ্যান চালক ইউনিয়ন এবং নগরের রেফকো ও মেডিমেট ফার্মাসিউটিক্যালসের শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা। সমাবেশে বক্তা মনীষা চক্রবর্তী বলেন, শ্রমিকেরা তাঁদের দাবি জানানোয় তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই ভয় উপেক্ষা করে শ্রমিকরা তাদের নিয়োগপত্র আর পরিচয়পত্র চাইতে গেলে মালিকপক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে ছাটাইয়ের উদ্যোগ নেয়। বকেয়া বেতন না দিয়ে তাদেরকে গনহারে চাকুরিচ্যুত করার নোটিশ দেয়। শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং তাঁদের বিরুদ্ধে দেওয়া নোটিশ প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি। শ্রমিকেরা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। আজ সোমবার গেটের সামনে বসে থাকা শ্রমিকদের সামনে তাই খালি থালা আর তালাবদ্ধ গেট। একদিকে কাজ বন্ধ, অন্যদিকে বেতন বকেয়া। কারখানা খুলে দিয়ে তাঁদের কাজে ফেরানোর অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা। #
সারাদেশ
নিউজ ডেস্ক
: নীল লোহার গেটে ঝুলছে তালা। গেটের নিচে রাস্তার পাশে কমলা তেরপল বিছানো। তার ওপর সারি করে রাখা কয়েকটি স্টিলের থালা। থালাগুলো খালি। পাশে বসে আছেন নারী-পুরুষ শ্রমিকেরা। মাথার ওপর টাঙানো ব্যানারে লেখা, ‘প্রতীকী অনশন’। আজ সোমবার বরিশাল নগরের নথুল্লাবাদে ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসের গেটের সামনে এভাবেই অনশনে বসেছেন কারখানাটির শ্রমিকেরা। বকেয়া বেতন পরিশোধ, কারখানা খুলে দেওয়া এবং তাঁদের দেওয়া নোটিশ প্রত্যাহারের দাবিতে সকাল থেকে তাঁরা অবস্থান করছেন। শ্রমিকদের দাবি, গত ১২ সেপ্টেম্বর শ্রম আইন ১৩(১) ধারায় কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর ২৩ ধারায় সব শ্রমিককে একসঙ্গে এবং সাতজনকে আলাদাভাবে স্থায়ী বহিষ্কারের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা এসব নোটিশকে ‘অবৈধ’ দাবি করে প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছেন। কারখানা বন্ধের আগে এক কর্মকর্তার সঙ্গে এক শ্রমিকের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে শ্রমিকেরা জানান। ওই শ্রমিককে শোকজ করা হয়। তাঁদের ভাষ্য, তিনি শোকজের জবাবও দেন। এর পর কর্মকর্তারা কর্মবিরতিতে যান। পরে কারখানা বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়। শ্রমিকেরা বলছেন, তাঁরা আইন মেনে নিজেদের দাবি জানিয়েছিলেন। এর পরই কারখানা বন্ধ ও তাঁদের বিরুদ্ধে নোটিশ দেওয়া হয়। ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে কারখানার গেটের সামনে অবস্থান করছেন তাঁরা। বকেয়া বেতন নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে শ্রমিকদের। তাঁদের দাবি, ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আগস্ট মাসের বেতনও তাঁরা পাননি। শ্রমিকদের ছাটাই বহাল রাখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। যেখানে শ্রমিকদের প্রতিনিধি ২জন আর মালিক পক্ষের চারজন। গত শুক্রবার সকালে বকেয়া বেতনের দাবিতে হাতে থালা-বাসন নিয়ে ‘ভুখা মিছিল’ বের করেন শ্রমিকেরা। কারখানার গেট থেকে শুরু হয়ে নথুল্লাবাদের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে মিছিলটি আবার কারখানার সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ হয়। সমাবেশে শ্রমিকদের সঙ্গে সংহতি জানায় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট, রিকশা-ভ্যান চালক ইউনিয়ন এবং নগরের রেফকো ও মেডিমেট ফার্মাসিউটিক্যালসের শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা। সমাবেশে বক্তা মনীষা চক্রবর্তী বলেন, শ্রমিকেরা তাঁদের দাবি জানানোয় তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই ভয় উপেক্ষা করে শ্রমিকরা তাদের নিয়োগপত্র আর পরিচয়পত্র চাইতে গেলে মালিকপক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে ছাটাইয়ের উদ্যোগ নেয়। বকেয়া বেতন না দিয়ে তাদেরকে গনহারে চাকুরিচ্যুত করার নোটিশ দেয়। শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং তাঁদের বিরুদ্ধে দেওয়া নোটিশ প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি। শ্রমিকেরা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। আজ সোমবার গেটের সামনে বসে থাকা শ্রমিকদের সামনে তাই খালি থালা আর তালাবদ্ধ গেট। একদিকে কাজ বন্ধ, অন্যদিকে বেতন বকেয়া। কারখানা খুলে দিয়ে তাঁদের কাজে ফেরানোর অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা। #
ঢাকা
বরিশাল
রাজশাহী
চট্টগ্রাম
খুলনা
ময়মনসিংহ
রংপুর
সিলেট
আন্তর্জাতিক
নিউজ ডেস্ক
: নীল লোহার গেটে ঝুলছে তালা। গেটের নিচে রাস্তার পাশে কমলা তেরপল বিছানো। তার ওপর সারি করে রাখা কয়েকটি স্টিলের থালা। থালাগুলো খালি। পাশে বসে আছেন নারী-পুরুষ শ্রমিকেরা। মাথার ওপর টাঙানো ব্যানারে লেখা, ‘প্রতীকী অনশন’। আজ সোমবার বরিশাল নগরের নথুল্লাবাদে ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসের গেটের সামনে এভাবেই অনশনে বসেছেন কারখানাটির শ্রমিকেরা। বকেয়া বেতন পরিশোধ, কারখানা খুলে দেওয়া এবং তাঁদের দেওয়া নোটিশ প্রত্যাহারের দাবিতে সকাল থেকে তাঁরা অবস্থান করছেন। শ্রমিকদের দাবি, গত ১২ সেপ্টেম্বর শ্রম আইন ১৩(১) ধারায় কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর ২৩ ধারায় সব শ্রমিককে একসঙ্গে এবং সাতজনকে আলাদাভাবে স্থায়ী বহিষ্কারের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা এসব নোটিশকে ‘অবৈধ’ দাবি করে প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছেন। কারখানা বন্ধের আগে এক কর্মকর্তার সঙ্গে এক শ্রমিকের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে শ্রমিকেরা জানান। ওই শ্রমিককে শোকজ করা হয়। তাঁদের ভাষ্য, তিনি শোকজের জবাবও দেন। এর পর কর্মকর্তারা কর্মবিরতিতে যান। পরে কারখানা বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়। শ্রমিকেরা বলছেন, তাঁরা আইন মেনে নিজেদের দাবি জানিয়েছিলেন। এর পরই কারখানা বন্ধ ও তাঁদের বিরুদ্ধে নোটিশ দেওয়া হয়। ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে কারখানার গেটের সামনে অবস্থান করছেন তাঁরা। বকেয়া বেতন নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে শ্রমিকদের। তাঁদের দাবি, ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আগস্ট মাসের বেতনও তাঁরা পাননি। শ্রমিকদের ছাটাই বহাল রাখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। যেখানে শ্রমিকদের প্রতিনিধি ২জন আর মালিক পক্ষের চারজন। গত শুক্রবার সকালে বকেয়া বেতনের দাবিতে হাতে থালা-বাসন নিয়ে ‘ভুখা মিছিল’ বের করেন শ্রমিকেরা। কারখানার গেট থেকে শুরু হয়ে নথুল্লাবাদের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে মিছিলটি আবার কারখানার সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ হয়। সমাবেশে শ্রমিকদের সঙ্গে সংহতি জানায় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট, রিকশা-ভ্যান চালক ইউনিয়ন এবং নগরের রেফকো ও মেডিমেট ফার্মাসিউটিক্যালসের শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা। সমাবেশে বক্তা মনীষা চক্রবর্তী বলেন, শ্রমিকেরা তাঁদের দাবি জানানোয় তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই ভয় উপেক্ষা করে শ্রমিকরা তাদের নিয়োগপত্র আর পরিচয়পত্র চাইতে গেলে মালিকপক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে ছাটাইয়ের উদ্যোগ নেয়। বকেয়া বেতন না দিয়ে তাদেরকে গনহারে চাকুরিচ্যুত করার নোটিশ দেয়। শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং তাঁদের বিরুদ্ধে দেওয়া নোটিশ প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি। শ্রমিকেরা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। আজ সোমবার গেটের সামনে বসে থাকা শ্রমিকদের সামনে তাই খালি থালা আর তালাবদ্ধ গেট। একদিকে কাজ বন্ধ, অন্যদিকে বেতন বকেয়া। কারখানা খুলে দিয়ে তাঁদের কাজে ফেরানোর অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা। #
বরিশাল বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
: নীল লোহার গেটে ঝুলছে তালা। গেটের নিচে রাস্তার পাশে কমলা তেরপল বিছানো। তার ওপর সারি করে রাখা কয়েকটি স্টিলের থালা। থালাগুলো খালি। পাশে বসে আছেন নারী-পুরুষ শ্রমিকেরা। মাথার ওপর টাঙানো ব্যানারে লেখা, ‘প্রতীকী অনশন’। আজ সোমবার বরিশাল নগরের নথুল্লাবাদে ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসের গেটের সামনে এভাবেই অনশনে বসেছেন কারখানাটির শ্রমিকেরা। বকেয়া বেতন পরিশোধ, কারখানা খুলে দেওয়া এবং তাঁদের দেওয়া নোটিশ প্রত্যাহারের দাবিতে সকাল থেকে তাঁরা অবস্থান করছেন। শ্রমিকদের দাবি, গত ১২ সেপ্টেম্বর শ্রম আইন ১৩(১) ধারায় কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর ২৩ ধারায় সব শ্রমিককে একসঙ্গে এবং সাতজনকে আলাদাভাবে স্থায়ী বহিষ্কারের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা এসব নোটিশকে ‘অবৈধ’ দাবি করে প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছেন। কারখানা বন্ধের আগে এক কর্মকর্তার সঙ্গে এক শ্রমিকের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে শ্রমিকেরা জানান। ওই শ্রমিককে শোকজ করা হয়। তাঁদের ভাষ্য, তিনি শোকজের জবাবও দেন। এর পর কর্মকর্তারা কর্মবিরতিতে যান। পরে কারখানা বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়। শ্রমিকেরা বলছেন, তাঁরা আইন মেনে নিজেদের দাবি জানিয়েছিলেন। এর পরই কারখানা বন্ধ ও তাঁদের বিরুদ্ধে নোটিশ দেওয়া হয়। ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে কারখানার গেটের সামনে অবস্থান করছেন তাঁরা। বকেয়া বেতন নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে শ্রমিকদের। তাঁদের দাবি, ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আগস্ট মাসের বেতনও তাঁরা পাননি। শ্রমিকদের ছাটাই বহাল রাখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। যেখানে শ্রমিকদের প্রতিনিধি ২জন আর মালিক পক্ষের চারজন। গত শুক্রবার সকালে বকেয়া বেতনের দাবিতে হাতে থালা-বাসন নিয়ে ‘ভুখা মিছিল’ বের করেন শ্রমিকেরা। কারখানার গেট থেকে শুরু হয়ে নথুল্লাবাদের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে মিছিলটি আবার কারখানার সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ হয়। সমাবেশে শ্রমিকদের সঙ্গে সংহতি জানায় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট, রিকশা-ভ্যান চালক ইউনিয়ন এবং নগরের রেফকো ও মেডিমেট ফার্মাসিউটিক্যালসের শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা। সমাবেশে বক্তা মনীষা চক্রবর্তী বলেন, শ্রমিকেরা তাঁদের দাবি জানানোয় তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই ভয় উপেক্ষা করে শ্রমিকরা তাদের নিয়োগপত্র আর পরিচয়পত্র চাইতে গেলে মালিকপক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে ছাটাইয়ের উদ্যোগ নেয়। বকেয়া বেতন না দিয়ে তাদেরকে গনহারে চাকুরিচ্যুত করার নোটিশ দেয়। শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং তাঁদের বিরুদ্ধে দেওয়া নোটিশ প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি। শ্রমিকেরা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। আজ সোমবার গেটের সামনে বসে থাকা শ্রমিকদের সামনে তাই খালি থালা আর তালাবদ্ধ গেট। একদিকে কাজ বন্ধ, অন্যদিকে বেতন বকেয়া। কারখানা খুলে দিয়ে তাঁদের কাজে ফেরানোর অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা। #
বরিশাল
ঝালকাঠি
পটুয়াখালী
পিরোজপুর
বরগুনা
ভোলা
বিনোদন
নিউজ ডেস্ক
: নীল লোহার গেটে ঝুলছে তালা। গেটের নিচে রাস্তার পাশে কমলা তেরপল বিছানো। তার ওপর সারি করে রাখা কয়েকটি স্টিলের থালা। থালাগুলো খালি। পাশে বসে আছেন নারী-পুরুষ শ্রমিকেরা। মাথার ওপর টাঙানো ব্যানারে লেখা, ‘প্রতীকী অনশন’। আজ সোমবার বরিশাল নগরের নথুল্লাবাদে ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসের গেটের সামনে এভাবেই অনশনে বসেছেন কারখানাটির শ্রমিকেরা। বকেয়া বেতন পরিশোধ, কারখানা খুলে দেওয়া এবং তাঁদের দেওয়া নোটিশ প্রত্যাহারের দাবিতে সকাল থেকে তাঁরা অবস্থান করছেন। শ্রমিকদের দাবি, গত ১২ সেপ্টেম্বর শ্রম আইন ১৩(১) ধারায় কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর ২৩ ধারায় সব শ্রমিককে একসঙ্গে এবং সাতজনকে আলাদাভাবে স্থায়ী বহিষ্কারের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা এসব নোটিশকে ‘অবৈধ’ দাবি করে প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছেন। কারখানা বন্ধের আগে এক কর্মকর্তার সঙ্গে এক শ্রমিকের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে শ্রমিকেরা জানান। ওই শ্রমিককে শোকজ করা হয়। তাঁদের ভাষ্য, তিনি শোকজের জবাবও দেন। এর পর কর্মকর্তারা কর্মবিরতিতে যান। পরে কারখানা বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়। শ্রমিকেরা বলছেন, তাঁরা আইন মেনে নিজেদের দাবি জানিয়েছিলেন। এর পরই কারখানা বন্ধ ও তাঁদের বিরুদ্ধে নোটিশ দেওয়া হয়। ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে কারখানার গেটের সামনে অবস্থান করছেন তাঁরা। বকেয়া বেতন নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে শ্রমিকদের। তাঁদের দাবি, ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আগস্ট মাসের বেতনও তাঁরা পাননি। শ্রমিকদের ছাটাই বহাল রাখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। যেখানে শ্রমিকদের প্রতিনিধি ২জন আর মালিক পক্ষের চারজন। গত শুক্রবার সকালে বকেয়া বেতনের দাবিতে হাতে থালা-বাসন নিয়ে ‘ভুখা মিছিল’ বের করেন শ্রমিকেরা। কারখানার গেট থেকে শুরু হয়ে নথুল্লাবাদের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে মিছিলটি আবার কারখানার সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ হয়। সমাবেশে শ্রমিকদের সঙ্গে সংহতি জানায় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট, রিকশা-ভ্যান চালক ইউনিয়ন এবং নগরের রেফকো ও মেডিমেট ফার্মাসিউটিক্যালসের শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা। সমাবেশে বক্তা মনীষা চক্রবর্তী বলেন, শ্রমিকেরা তাঁদের দাবি জানানোয় তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই ভয় উপেক্ষা করে শ্রমিকরা তাদের নিয়োগপত্র আর পরিচয়পত্র চাইতে গেলে মালিকপক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে ছাটাইয়ের উদ্যোগ নেয়। বকেয়া বেতন না দিয়ে তাদেরকে গনহারে চাকুরিচ্যুত করার নোটিশ দেয়। শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং তাঁদের বিরুদ্ধে দেওয়া নোটিশ প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি। শ্রমিকেরা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাà¦