TT Ads
Spread the love

 

বরিশাল: ঘাটত্যাগের ৩০ মিনিট পূর্বে ৪ লঞ্চের যাত্রা বাতিল করেছে বিআইডব্লিউটিএ। এতে দুর্ভোগে পড়ে যাত্রী সাধারণত।
রবিবার রাত সাড়ে ৮ টায় লঞ্চঘাটে গিয়ে দেখা গেছে,
বরিশাল থেকে রাজধানী ঢাকাগামী ৫টি বিলাসবহুল লঞ্চের যাত্রা আকস্মিক বাতিল করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। বরিশাল নৌবন্দর থেকে সরাসরি ঢাকাগামী চারটি এবং একটি ভায়া লঞ্চকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। ঘন কুয়াশার কারণে গত দুইদিন ধরে মাঝ নদীতে লঞ্চে লঞ্চে সংঘাত এবং যাত্রীর প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নিল সংস্থাটি। লঞ্চগুলো বরিশাল নদীবন্দর ত্যাগ করার ঘণ্টাখানেক আগে যাত্রা বাতিল হওয়ায় আগন্তক যাত্রীরা ভোগান্তির শিকার হন।

দুইদিন ধরে শৈত্য প্রবাহের কারণে প্রচন্ড শীত পড়ছে এবং উত্তরের শীতল হাওয়া বয়ে যাওয়ায় বরিশাল জনপদের বাসিন্দারা জবুথবু হয়ে পড়েছেন। এবং ঘন কুয়াশার কারণে মাঝ নদীতে একাধিক দুর্ঘটনা ও প্রাণবিয়োগের ঘটনা ঘটে। রোববার সারা দিন ঘন কুয়াশার কারণে বরিশালের আকাশে সূর্যের আলোর দেখা মেলেনি।

বরিশাল আবহাওয়া অফিস বলছে, রোববার বরিশাল জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত কয়েকদিন ধরেই জেলায় তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছে, যার সাথে যোগ হয়েছে ঘন কুয়াশা। মূলত এই ঘন কুয়াশার কারণেই মাঝনদীতে দুর্ঘটনা ঘটছে এবং প্রাণহানি হয়, যার প্রেক্ষিতে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখার মতো সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয় বিআইডব্লিউটিএ।

তবে ঘাটত্যাগ করার মাত্র ৩০ মিনিট আগে লঞ্চ যাত্রা বাতিলের সিদ্ধান্ত যাত্রীদের বিক্ষুব্ধ করে তোলে এবং এনিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করতেও দেখা যায়। ঢাকার উদ্দেশে বরিশাল নদীবন্দরে আসা বাকেরগঞ্জের হারুন হাওলাদার জানান, প্রচণ্ড শীতের মধ্যে পরিবার নিয়ে দুই ঘণ্টা বসে থাকার পর জানানো হয় আজ আর লঞ্চ ছাড়বে না। এখন রাতের বেলা বস্তাবোডিং নিয়ে বাসায় ফিরতে হচ্ছে, যা চরম দুর্ভোগের।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বরিশালের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর জুলফিকার আলী জানান, কেন্দ্রীয় অফিসের নির্দেশনার আলোকে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পারাবত-১১ ও ১২, এম খান-৭, সুরভী-৭ এবং ভায়া পরিবহনরত সুন্দরবন-১২ লঞ্চের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। পরবর্তীতে ঘোষণার আগপর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।’

Print this entry

TT Ads

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *