কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক সামুদ্রিক প্রাণীর মৃতদেহ ভেসে আসার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ৬টার দিকে সৈকতের জিরো পয়েন্টের পশ্চিম পাশে জোয়ারের পানির সাথে ডলফিনটি ভেসে আসে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ডলফিনটির শরীরের চামড়া উঠে গেছে, পেট ফেটে গেছে এবং বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে, যা এর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ইঙ্গিত দেয়।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উপরা সদস্য আব্দুল জলিল প্রথম ডলফিনটি দেখতে পেয়ে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি ইরাবতী প্রজাতির ডলফিন। এ প্রজাতির ডলফিনের মাথা গোলাকার এবং সাধারণ ডলফিনের মতো লম্বা ঠোঁট থাকে না। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অগভীর উপকূলীয় জল এবং বড় নদীগুলোতে এদের বিচরণ। বিপন্ন এই প্রজাতি সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উপকূল পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু বলেন,বারবার মৃত ডলফিন ও কচ্ছপ ভেসে আসা আমাদের সামুদ্রিক পরিবেশের জন্য বড় হুমকির ইঙ্গিত। অনিয়ন্ত্রিত মাছ ধরা, প্লাস্টিক দূষণ এবং নৌযানের অসচেতন চলাচল’র পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, এ ধরনের ঘটনা আমাদের জন্য স্পষ্ট অশনিসংকেত। ডলফিনের মৃত্যু উপকূলীয় পরিবেশের অবনতির বার্তা দেয়। দ্রুত কারণ উদ্ঘাটন করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
মহিপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ডলফিনটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণে তদন্ত কার্যক্রম চলছে। পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং স্থানীয়দের সচেতন করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।পরে ডলফিন রক্ষা কমিটি, কুয়াকাটা পৌরসভা, বন বিভাগ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উপরা সদস্যরা যৌথভাবে মৃত ডলফিনটি মাটি চাপা দেন।
সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের ঘটনা অব্যাহত থাকলে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে। তাই দ্রুত কার্যকর ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।

Print this entry

 

বরিশাল: বরিশাল নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাগরদি দরগাহ বাড়ি ব্রিজ সংলগ্ন একটি তিনতলা ভবনের নিচতলায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ভবনটির জানালাগুলো উড়ে গেছে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) ফজরের নামাজের পর এ বিস্ফোরণের ঘটনায় দুইজন আহত হয়েছেন।

আহত মানিক চন্দ্র শীল ও তার ছেলে মৃদুল চন্দ্র শীলকে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকার একটি ঘরে হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি পরিবার বসবাস করতো। সেখানে বাবা, মা ও ছেলে তিন জন থাকতেন। মঙ্গলবার রাতে রান্না শেষ করে ডিউটির জন্য ওই নারী অফিসে যান। এসময় তিনি গ্যাসের চুলা বন্ধ করতে ভুলে যান। পরে সকালে উঠে গৃহকর্তা গ্যাসের চুলা বন্ধ করতে গেলে বিকট শব্দে সবকিছু ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

স্থানীয়রা জানায়, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোর‌ণ হয়ে পুরো ঘরের মালামাল ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে এদিকে সেদিকে ছিটিকে পড়ে। এতে ঘরের দরজা জানালাও ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। এমনকি পার্শ্ববর্তী একটি ফ্ল্যাটের দরজা জানালাও ভেঙে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বাবা ও ছেলেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে জানা যাবে যে কীভাবে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণ করা না গেলেও বাসার মালামাল সবকিছু নষ্ট হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ছেলে মৃদুল কম ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বাবা মানিক বেশি আহত হয়েছেন। হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা চলছে।

ফায়ার সার্ভিস ও আহতদের সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে গ্যাস সিলিন্ডার পরিবর্তন করা হয়। এরপর বুধবার ফজরের নামাজের পর মানিক চন্দ্র গ্যাসের চুলা জ্বালাতে গেলে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনার সময় বাসায় মানিক ও তার ছেলে উপস্থিত ছিলেন। এতে মানিকের হাত ও পা পুড়ে যায় এবং তার ছেলে মাথায় আঘাত পান।

ফায়ার সার্ভিস বরিশাল সদর স্টেশনের সিনিয়র কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিক হয়ে এ বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে ভবনের নিচতলার একটি কক্ষে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

Print this entry

 

বরিশাল: দীর্ঘ ১৩ বছর পর বরিশালে পুনরায় শুরু হয়েছে ২য় বিভাগ ক্রিকেট লীগ। মোট ৩২টি দল অংশগ্রহণ করছে এবারের আসরে, যা ৮টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রতিযোগিতায় লড়বে।
আজ আনুষ্ঠানিকভাবে এই লীগের উদ্বোধন করেন বরিশালের জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সুমন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাবেক ক্রিকেটার, ক্রীড়া সংগঠকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয় ফরচুন বরিশাল ও গৌরনদী ক্রিকেট একাডেমি। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই ম্যাচে ফরচুন বরিশাল জয়লাভ করে শুভ সূচনা করে টুর্নামেন্টের।
দীর্ঘ বিরতির পর এমন একটি আয়োজনকে ঘিরে বরিশালের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Print this entry

 

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:  বাংলা পুরাতন বছরকে বিদার আর নতুন বছরকে বরনে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলা শহরে বর্নাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার(১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে আটটায় উপজেলা মাঠ প্রাঙ্গণ থেকে শোভাযাত্রাটি বের করা হয়।
পরে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে পৌর অডিটরিয়ামে মিলিত হয়। এসময় লোকজ সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউসার হামিদ। এ সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন শিকদার উপস্থিত ছিলেন। উৎসব মুখর পরিবেশের এ শোভাযাত্রায় বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ, বিএনপি ও জামায়াত সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহন করেন।শোভাযাত্রায় শিক্ষার্থীরা বর, কনে, মালেকাবানু, পালকির বউ, বাউল, বেহুলা লক্ষিন্দর, কৃষক, জমিদার, স্বরসতি, রাধা, কৃষ্ণ, জেলে, কুমার ও কামার সাজে সজ্জিত হয়ে দক্ষিনাঞ্চলের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও কৃষ্টি কালচার ফুটিয়ে তোলেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কাবাডি প্রতিযোগিতা ও কারাবন্দীদের মাঝে উন্নত খাবার পরিবেশেনসহ নানা আয়োজনে দিনটি উদযাপন করছে জেলা প্রশাসন।

Print this entry

 

ঝালকাঠী: বরিশাল-খুলনা মহাসড়কের ঝালকাঠীর রায়াপুরে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় ঝালকাঠি পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হুমায়ুন করিব সাগর ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে। দুর্ঘটনায় বাইক চালক ঝালকাঠী ষ্টেশন রোডের ব্যবসায়ী থাই সোহেল নামে পরিচিত গুরুতর আহত হয়েছে। রোববার দুপুর ১ টার পর এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

ঘটনাস্থল থেকে আহতবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয়রা তাকে
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় । সাগরের মরদেহ উদ্ধার করেছে নলছিটি থানা পুলিশ।

Print this entry

বরিশাল: হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারিদের বর্ধিত হারে অবসর ভাতা ও কল্যাণ ভাতা অবসর গ্রহণের ছয় মাসের মধ্যে প্রদানের দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

অবসরপ্রাপ্ত এমপিও ভুক্ত বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারি কল্যাণ সমিতি (স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসা) বরিশালের আয়োজনে শনিবার (১১ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় বরিশাল নগরের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

পরবর্তীতে নগরের সিটি কলেজ প্রাঙ্গনে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অবসরপ্রাপ্ত এমপিও ভুক্ত বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারি কল্যাণ সমিতি, বরিশালের সভাপতি অধ্যক্ষ (অব) সুভাষ চন্দ্র পাল বলেন, আমরা বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীরা ৯৫ ভাগ শিক্ষার দায়িত্ব পালন করেও সরকারি শিক্ষক কর্মচারির তুলনায় অনেক বেশি বৈষম্যের শিকার। শুধু আর্থিক সুবিধা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে নয়, সামাজিক মর্যাদার ক্ষেত্রেও আমরা অনেক বেশি উপেক্ষিত। এ ধরনের বঞ্চনা ও উপেক্ষা সহ্য করে আমাদেরকে কর্মজীবন অতিবাহিত করতে হয়েছে। অবসরকালীন সময়ে আমাদের বেতন ভাতা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় আমরা সীমাহীন দুরবস্থার মধ্যে পড়ি। অবসর গ্রহণের ৪-৫ বছর পরেও অবসর ভাতা ও কল্যাণ ভাতা না পেয়ে অসংখ্য শিক্ষক কর্মচারি প্রয়োজনীয় খাদ্য ও চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুবরণের মতো অমানবিক পরিণতি বরণ করেন।

অবসরপ্রাপ্ত এমপিও ভুক্ত বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারি কল্যাণ সমিতি, বরিশালের সম্পাদক উপাধ্যক্ষ (অব) আনোয়ারুল হক বলেন, বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারিদের অবসরকালীন এমন দুর্দশা থেকে মুক্তি লাভের প্রত্যাশায় আমাদের একজন হিতাকাঙ্খী বিপ্লব কান্তি দাস গত ২০১৯ সালে মহামান্য হাইকোর্টে একটি রিট(পিটিশন দাখিল করেন। মহামান্য হাইকোর্ট ২০২৪ সালেল ২২ ফেব্রুয়ারির দেয়া রায়ে বেসরকারি অবসরপ্রাপ্ত এমপিও ভুক্ত শিক্ষক কর্মচারিদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ভাতা পূর্বের ৬% কর্তনের স্থলে আরো ৪% বেশি কর্তন করায় মোট ১০% হওয়ায় বর্ধিত হারে অবসরভাতা ও কল্যাণ ভাতা অবসর গ্রহণের ৬ মাসের মধ্যে প্রদানের নির্দেশ দেন। আমরা দ্রুত হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেছি।

যার ধারাবাহিকতায় গত বছরের ১২ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে শিক্ষা উপদেষ্টা বরাবরে স্মারকলিপি দিয়েছি। গত ৭ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রীর নিকট সরাসরি আমাদের দাবির স্বপক্ষে আবেদন দেয়ার প্রস্তাব করলে তিনি এ বিষয়ের পরে আমাদের কথা শুনবেন বলে ওয়াদা দিয়েছেন।

এছাড়াও এই অর্থ প্রদানে ছয় মাসের বেশি বিলম্ব হলে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারিদের জিপি ফান্ডের মত আনুপাতিক হারে অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা প্রদানের এবং সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের মত আমাদেরও উৎসব ভাতা, বৈশাখী ভাতা এবং চিকিৎসা ভাতা প্রদানের দাবি করছি।

বক্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে অবসর গ্রহণের ৬ মাসের মধ্যে অবসর ভাতা ও কল্যাণ ভাতা প্রদান সহ উল্লেখিত পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষদের নেতা গোলাম মাহাবুব, অধ্যক্ষ শেখ মো. শাহাবুদ্দীন, হারুন অর রশীদ, আমিনুর রহমান খোকন, জলিলুর রহমান, এ.বি.এম মুসা, এস এম মিজানুর রহমান, তুষার সেন, মো. ফজলুর রহমান, সুভাষ পাল, অধ্যক্ষ মো. মিজানুর রহমান সেলিম, মো. আনোয়ারুল হক, ফারুক বিন ওয়াহীদ, আবুল কাশেম, আনিসুর রহমান, মো. শাহে আলম, আ. কাদের মাল, আমিনুর রহমান খোকন, হারুন অর রশিদ, আনিসুর রহমান, কর্মচারীদের নেতা রফিকুল ইসলাম বাবুল প্রমুখ।

Print this entry

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ সব সরকার আমলেই ক্ষমতাবান স্বাচিব নেতা ডাঃ মানবেন্দ্র সরকায়। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি সবার সাথে সুসম্পর্ক রেখে ম্যানেজ প্রক্রিয়ায় বহাল তবিয়তে এখনোও হেমায়েত উদ্দিন ডায়াবেটিক হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক পদটি দখল করে রেখেছেন। তার দুর্নীতির কারনে নগরীর হেমায়েত উদ্দিন ডায়াবেটিক হাসপাতাল এখন রুগ্ন প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে। পরিচালনা পর্ষদের লোকজন ও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা মিলে গত কয়েক বছরে কোটি কোটি টাকা লুট করছেন। অথচ কর্মচারীদের বেতনের সময় এলে বলা হচ্ছে ‘টাকা নেই। দুর্নীতিবাজদের মধ্যে সবার আগে নাম আসে হাসপাতালের বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মানবেন্দ্র সরকারের। নানা অপকর্মের ঘটনায় এখান থেকে বিদায় নিলেও আবারও যোগদান করেছে একই কর্মস্থলে। বিধি অনুযায়ী যেখানে তার এই হাসপাতালে চাকরি করারই কথা না সেখানে তিনি তত্ত্বাবধায়কের চেয়ারে বসে আছেন। আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, খোকন সেরনিয়াবাত এমনকি শাজাহান ওমর পর্যন্ত তার হাত রয়েছে। ৫ আগষ্ট পটপরিবর্তনের পর হঠাৎ করেই তিনি বিএনপি নেতাদের সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রেখে পূর্বের ন্যায় হাসপাতালে অনিয়ম কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০২৩ সালের ১৬ নভেম্বর হাসপাতালের কার্যকরি কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হাসপাতালে কর্মরত কর্মকর্তাদের বয়সসীমা ৬২ এবং কর্মচারীদের বয়সসীমা ৬৫ বছর। কিন্তু হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মানবেন্দ্র সরকারের বর্তমান বয়স ৭৪ বছর। সে হিসাবে আরো ৯ বছর আগে তার এই হাসপাতাল ত্যাগ করার কথা। কিন্তু তিনি কোনভাবেই এই হাসপাতাল ছাড়তে নারাজ। বয়সের কারনে যেন তাকে হাসপাতাল ছাড়তে না হয় সে জন্য তিনি সাবেক সিটি মেয়র আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিবায়াত ও ঝালকাঠির তৎকালীন সংসদ সদস্য শাহজাহান ওমরের সুপারিশে চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি করেন। এখানে উল্লেখ্য যে ‘এই হাসপাতালে তার চাকরি হয়েছিলো আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও সাবেক সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর সুপারিশে। ২০২৩ সালে ২০ নভেম্বর তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্ব থেকে নিজেই অব্যহতি নিয়েছিলেন। এর কিছুদিন পর খোকন সেরনিবায়াত ও এমপি শাহজাহান ওমরের সুপারিশ নিয়ে আবার স্ব-পদে বহাল হন। বর্তমানে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড, মজিবর রহমান সরোয়ারেরও সুপারিশ আনেন তার চাকরি টিকিয়ে রাখার জন্য। অভিযোগ রয়েছে মানবেন্দ্র তত্ত্বাবধায়ক হওয়ার কারনে হিন্দু সম্প্রদায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিশেষ সুবিধা পেয়ে আসছেন। ডা: মানবেন্দ্র সরকারের খামখেয়ালীপনার সর্বশেষ শিকার হয়েছেন হাসপাতালের অফিস সহায়ক আনিসুর রহমান। এর আগেও তার কথা মতো না চলায় বেশ কয়েকজনকে তিনি বিনা নোটিশে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন। ৫ আগষ্টের পর ভোলপাল্টে তিনি এখন বিএনপি নেতা। এর আগে স্বাচিপ নেতা পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়ানো ডাঃ মানবেন্দ্র সরকার এখন বিএনপির স্থানীয় এমপি থেকে শুরু করে ছোট বড় সব নেতাদের বাসায় বাসায় যাচ্ছেন। তত্ত্বাবাধয়ক পদটি ধরে রাখার জন্য চিকিৎসকদের মানসম্মান ইতিমধ্যেই তিনি বিসর্জন দিয়েছেন বলে ডায়াবেটিক হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন। হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তার দুর্ব্যবহারের কারণে অতিষ্ট হয়ে উঠলেও কেউ তার বিরুদ্ধে কিছু বলার সাহস পায় না। নিজেকে বিএনপির ঘনিষ্ট সহযোগি হিসেবে প্রচার করে তার ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বেড়াচ্ছেন। সম্প্রতি তিনি কোন ধরনের অভিযোগ ছাড়াই প্রতিহিংসাপরায়ন হয়ে আনিস নামের এক কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন। তার দোষ ছিলো আনিস তাকে আসা-যাওয়ার পথে সালাম দিতো না। এ ঘটনায় হাসপাতালে চরম উত্তেজনা তৈরী হয়েছে কর্মচারীদের মধ্যে। ফুঁসে উঠেছেন হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তারা হাসপাতালের। তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মানবেন্দ্র সরকারের দ্রুত অপসারন দাবী করেছেন। এসব বিষয়ে জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও রিসিভ করেননি তিনি।

Print this entry

নিউজ সাইড ট্যুয়েন্টিফোর:  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরপরই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। ট্রাম্পের এ নাটকীয় ঘোষণার মাত্র ১৫ মিনিটের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১২ ডলারেরও বেশি কমে গেছে।

নিউইয়র্ক সময় মঙ্গলবার রাতে মে মাসে সরবরাহের জন্য ডব্লিউটিআই তেলের দাম ১২ দশমিক ৪ ডলার বা ১০ দশমিক ৬৬ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ১০০ দশমিক ৯০ ডলারে নেমে আসে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে এই ঘোষণা আসায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। এর আগে ইরানের তেলক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং পাল্টাপাল্টি হিসেবে তেহরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিতে তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। সূত্র: রয়টার্স

Print this entry

প্রতিনিধি (কলাপাড়া) পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর উপকূলীয় এলাকার সমুদ্রগামী জেলেদের জালানি তেল সংকট নিরসনে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ডিজেল সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন। দরিদ্র জেলে জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকার কথা বিবেচনায় রেখে জরুরিভাবে ২৭ হাজার লিটার ডিজেল অতিরিক্ত সরবরাহ করা হয়েছে। সমুদ্রে জেলেদের মাছ শিকার নিশ্চিত করতে এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) শেষ বিকালে কলাপাড়া উপজেলার ‘বিসমিল্লাহ ফিলিং স্টেশন’ ও মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র আলীপুর ‘ফরাজী ট্রেডার্স’ পাম্পের মাধ্যমে এই জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়েছে।ছোট-মাঝারি ও বড় ট্রলারকে চাহিদা অনুসারে চারশো থেকে শুরু করে ১ হাজার লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হয়। জ্বালানী তেল বিতরণের জন্য আগেই আলীপুর ফরাজি ট্রেডার্স পাম্পে ১২ হাজার এবং বিসমিল্লাহ ফিলিং স্টেশন কে ১৫ হাজার লিটার ডিজেল অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইয়াসীন সাদেক এ খবর নিশ্চিত করেন।
সড়কপথ স্বাভাবিক রাখতে যানবাহনের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি চাহিদা সচল রাখার পাশাপাশি জেলেদের জালানি চাহিদা পুরণে এমন উদ্যোগ সময়োপযোগী বলে জানিয়েছেন মৎস্যজীবিরা।
সমুদ্রে মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে ১৫ এপ্রিল। এরই মধ্যে অন্তত একটিবার জেলেরা যেন সাগরে মাছ ধরার সুযোগ পায় এর জন্য এমন বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়।
জেলে, ট্রলারমালিকরা তাঁদের স্বাভাবিক কাজকর্ম কিছুটা যেন সচল করতে পারেন তার জন্য জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এই বিশেষ ব্যবস্থাপনা।
জেলেদের জালানি সংকট কাটাতে জেলা প্রশাসক’র নির্দেশনায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানালেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক।
প্রায় ১০০ ট্রলারের জেলেরা প্রয়োজনীয় জ্বালানি পাবেন।রবিবারও এ জ্বালানি সরবরাহ করা হবে।ইয়াসীন সাদেক জানান, মহিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: ফজলু গাজী ও লতাচাপলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মিজানুর রহমান কে অবগত করে সুষ্ঠুভাবে জেলেদের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ করা হয়েছে। ২৭ হাজার লিটার ডিজেল আলীপুর ও মহিপুরে পেট্রোল পাম্প এলাকায় ওখানকার জেলেদের মধ্যে সরাসরি সরবরাহ করায় জেলে ট্রলার মালিকদের মনে এক ধরনের স্বস্তি ফিরে এসেছে। যদিও এই পরিমাণ ডিজেলে জেলেদের প্রয়োজনীয় জ্বালানি সংকট দূর হবে না।
প্রায় ২০০ ছোট-বড় ট্রলার গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারের জন্য জালানি পেয়ে খুশি জেলেরা। ট্রলার মালিক ও জেলেরা জানান, বড় ট্রলার যাহারা ১৬-২৫ জন জেলে নিয়ে ১৫-১৬দিনের জন্য সমুদ্রে যায় তাঁদের প্রত্যেকের একেকবারে ৭০০-৮০০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন।
কিন্তু জ্বালানি তেলের ভয়াবহ সংকটে কুয়াকাটা, আলীপুর-মহিপুর সহ কলাপাড়া উপকূলে প্রায় আড়াই’শ ট্রলার মালিকসহ অন্তত ২০ হাজার জেলে বেকার হয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিষয়টি একাধিক গণমাধ্যমে উঠে আসায় উপজেলা প্রশাসন থেকে এমন জরুরি বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে উপজেলা প্রশাসন থেকে বলা হয়েছে প্রয়োজনে আরো ডিজেল সরবরাহ করা হবে।
মহিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মৎস্য ব্যবসায়ী নেতা ফজলু গাজী জানান, জেলেদের জীবন-জীবিকার কথা ও সমুদ্র অর্থনীতির কথা বিবেচনায় রেখে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ট্রলারে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আজকের উদ্যোগের জন্য তিনি প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান।
মৎস্য বন্দর মহিপুর আড়ত মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি রাজু আহমেদ রাজা জানান, সরকারের এমন বিশেষ ব্যবস্থাপনায় জেলেদের অনেক কাজে আসবে। এমন উদ্যোগের তিনি প্রশংসা করেন।
ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো,ইয়াসীন সাদেক বলেন, মহিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: ফজলু গাজী ও লতাচাপলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মিজানুর রহমান কে অবগত করে সুষ্ঠুভাবে জেলেদের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী জানান, জেলেদের সমস্যাটি বিশেষ বিবেচনায় নিয়ে তাঁদের ডিজেল সরবরাহের জন্য কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Print this entry

 

বরিশাল: নারী উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা নিয়ে বিসিসি প্রশাসক এ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন কাছে তুলে ধরেন এনকেএম প্রতিষ্ঠাতা গাজী রণী শ্রাবনী। তিনি বলেন,এসএমই উদ্যোক্তারা ইচ্ছা হলেই একটা আউটলেট নিতে পারেনা, যে পরিমাণ অর্থ এডভান্স দিতে হয়, সে পরিমাণ টাকা অনেক উদ্যোক্তার ইনভেস্ট ও থাকেনা। উদ্যোক্তাদের পণ্য প্রদর্শনের জন্য সরকারী ভেনু হলে ছোট ছোট উদ্যোক্তারা অনেক উপকৃত হতো, এতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতো এবং দেশের অর্থনৈতিতেও ভূমিকা রাখত।

এনকেএম বরিশাল জেলা প্রতিনিধি আবিদা সুলতানা বলেন, সিটি করপোরেশন এর সহায়তায় যদি মাসিক বা সাপ্তাহিক মেলা করার সুযোগ করে দেয়া হতো তাহলে আমাদের জন্য সুবিধা হতো।

বিসিসি প্রশাসক এ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন উদ্যোক্তাদের প্রস্তাব গুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন নারীদের নিয়ে আমি বহু বছর ধরে কাজ করি, নারীরা এগিয়ে গেলে আমাদের দেশ এগিয়ে যাবে। আমার প্লান আছে আমরা একটা পয়েন্ট করব যেখানে নারী উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন ধরনের পণ্য থাকবে এবং সেগুলো সেখানে সেল হবে। আমাদের নারীদের স্কিল বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিতে হবে, যাতে তারা মানসম্মত পণ্য তৈরি করতে পারে, এবং এই পণ্য দেশীয় বাজার সহ আন্তর্জাতিক বাজারেও যেন স্হান পায়। এসময় উদ্যোক্তাদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন এনকেএম ই-কমার্স সোসাইটি প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট গাজী রণী শ্রাবনী, বরিশাল জেলা প্রতিনিধি আবিদা সুলতানা, সুলতানা রাজিয়া মুন,ইমা আফরোজ,আসমা আক্তার,তামিমা আক্তার ইশা, শ্বেতা পোদ্দার, রুমা মিম , খায়রুন জাহান, আমেনা মুন্নী, সোনিয়া আক্তার আরজুসহ আরও অনেক উদ্যোক্তারা।

Print this entry