কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ও তার দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার(০১ মার্চ) পৌর শহরের উকিল পট্টি এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত সুমন ফকির উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক। তার অপর দুই সহযোগী সজীব এবং রাসেল।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সুমন ফকির তার সহযোগীদের নিয়ে নীলগঞ্জ ইউনিয়নে মব সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে চাঁদা আদায় ও হয়রানি করে আসছিল। ইউনিয়নের মজিদপুর গ্রামের চাঁন মিয়ার মাছের ঘের থেকে আড়াই লক্ষ টাকা মূল্যের মাছ ধরার উপকরণ সামগ্রী চাঁদার দাবিতে জোরপূর্বক নিয়ে আসে। এ সময় তারা প্রতিবাদ করলে তাদেরকে মারধরসহ নারীদের শ্লীলতাহানি করে। এ ঘটনায় চাঁন মিয়া বাদী হয়ে সুমন কে প্রধান আসামি করে সাত জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন বাদল মৃধা বলেন, নীলগঞ্জ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সুমনকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ উপ-পরিদর্শক মো. ফোরকান মিয়া জানান, গ্রেফতারকৃত আসামি সুমন সহ তার দুই সহযোগীকে রবিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Print this entry

 

অনলাইন ডেস্ক:  ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি এবং আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম ও ফার্স নিউজ এই মৃত্যুর সংবাদটি নিশ্চিত করেছন।
রোববার সকালে আইআরআইবি-র বিশেষ বুলেটিনে জানানো হয়, ‘ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শাহাদাত বরণ করেছেন’।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, শনিবার ভোরে যখন ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করে, তখন খামেনি তেহরানের একটি অত্যন্ত সুরক্ষিত গোপন স্থানে তার শীর্ষ উপদেষ্টাদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেছিলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবারই প্রথম খামেনির মৃত্যুর দাবিটি সামনে আনেন। পরবর্তীতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানান, ওই হামলায় কেবল খামেনি নন, তার প্রধান সহযোগীরাও নিহত হয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে ইরানের সাবেক ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সচিব আলী শামখানি এবং ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপোরের নাম নিশ্চিত করা হয়েছে। ইরানি সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, হামলার ঠিক আগমুহূর্তে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সচিব আলী লারিজানি এবং শামখানির সঙ্গে খামেনি একটি ভূগর্ভস্থ সুরক্ষিত বাংকারে কৌশলগত আলোচনা করছিলেন।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা আয়াতুল্লাহ খামেনির বাসভবন ও সংলগ্ন এলাকার কিছু স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করেছে। ছবিতে দেখা গেছে, খামেনির সুউচ্চ প্রাসাদটি সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে এবং স্থাপনাটির চারপাশ পুড়ে কালো হয়ে গেছে। ধ্বংসস্তূপের চিত্র দেখে প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, অত্যন্ত শক্তিশালী বাংকার-বাস্টার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হয়েছে, যা মাটির গভীরে থাকা সুরক্ষিত কক্ষও ধ্বংস করতে সক্ষম।

এই ঘটনার পর থেকে ইরানে চরম শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধের উত্তেজনা এক নতুন মোড় নিয়েছে। আইআরজিসি-র পক্ষ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহ প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে।

সং‌গ্রিহিত: ইত্তেফাক

Print this entry

 

বিবিসি নিউজ বাংলা থেকে সংগৃহিত: ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন জায়গায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে কয়েকটি দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি।

সংবাদ সংস্থাটির খবরে বলা হয়েছে, যেসব ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে তার মধ্যে মধ্যে কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি, কুয়েতের আল সালেম বিমান ঘাঁটি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল ধাফরা বিমান ঘাঁটি এবং বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তর।

সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বাহরাইন, কাতারের দোহার পর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আজ জানিয়েছে যে রাজধানী আবুধাবিতে একটি আবাসিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরো পড়ে একজন নিহত হয়েছেন।

ওদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তেহরানে নেই এবং তাকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স একজন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে খবর দিয়েছে।

বিবিসি আরবি বিভাগ জানিয়েছে, তেহরানে খামেনির সদরদপ্তর ও প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদের কাছেই বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

এর আগে ইরানের হামলা চালানোর তথ্য জানায় ইসরায়েল। তারা এটিকে “পূর্ব-নির্ধারিত আক্রমণ” বলে উল্লেখ করে।

আজ সকালে এক বিবৃতিতে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ ইসরায়েলজুড়ে “বিশেষ এবং স্থায়ী জরুরি অবস্থা” ঘোষণা করেছেন।

Print this entry

 

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা স্কাউট’স নেতৃবৃন্দের সাথে বরিশাল আঞ্চলিক স্কাউট’স নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দরবার হলে এ মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা স্কাউট’স সভাপতি ও কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্কাউট’স বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক কমিশনার ও লিডার ট্রেনার দেবাশীষ হালদার, আঞ্চলিক পরিচালক ও লিডার ট্রেনার মো.সাইফুল ইসলাম, উপপরিচালক মো.ইকবাল হাসান, বরিশাল অঞ্চলের ৩জন ডিআরসি শফিকুল ইসলাম, সানজিদা পারভীন ও মোস্তাফিজুর রহমান, ঘুর্নিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির সহকারী পরিচালক মো.আসাদুজ্জামান খান, উপজেলা সমবায় অফিসার মো. আব্বাস আলী, উপজেলা স্কাউট’স সম্পাদক ও মুসুল্লিয়াবাদ একে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফখরুল ইসলাম, কমিশনার মো.ইকবাল বাশার খান এ এলটি, ট্রেজারার নূরুল হক উডব্যাজার, সহ-সভাপতি মা মা নৈ এএলটি, মিজানুর রহমান এএলটি, মাওলানা হাবিবুর রহমান, শাহাবুদ্দিন তালুকদার, সহকারী কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন, দেলোয়ার হোসেন এবং শাহিদা পারভীন,
উপজেলা স্কাউট লিডার মো.শাহ আলম, গ্রুপ লিডার মো.নজরুল ইসলাম, সহযোজিত সদস্য ও ইউনিট লিডার নিজাম উদ্দিন এবং ডলি খানসহ উপজেলা স্কাউট’স সদস্যরা।
এর আগে উপজেলা স্কাউট’স এর নির্বাহি সভা অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা হাবিবুর রহমান। পরে নূর মোহাম্মদ মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্কাউট গ্রুপের সদস্য মো.রাহাতের অকাল মৃত্যুতে ১ মিনিট শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করা হয়।
স্কাউটস বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক ও লিডার ট্রেনার মো.সাইফুল ইসলাম বলেন, এই অঞ্চলের যতগুলো উপজেলা রয়েছে স্কাউটিং এ কলাপাড়ার সুনাম রয়েছে। উপজেলা স্কাউটস এর জন্য স্থায়ী স্থাপনা পেতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার’র সহায়তা কামনা করেন তিনি।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাউছার হামিদ বলেন, স্কাউটিং এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে উপজেলার অনেক ক্ষেত্রে কাজ করতে হবে। কো-কারিকুলাম এক্টিভিটি, স্কাউটিং, খেলাধুলা এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে উপজেলার সকল পর্যায়ের শিক্ষকদের একযোগে কাজ করার আহবান জানান তিনি।

Print this entry

 

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় আগুনে পুড়ে ভূস্মিভূত হয়েছে ৮ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এসময় আরও ৩ টি দোকান আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। শুক্রবার(২৭ ফেব্রুয়ারী) সকাল সাড়ে ছয়টায় দিকে পৌর শহরের বেড়িবাঁধে বাইরে সী-কুইন হোটেল সংলগ্ন এলাকায় এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। মুহুর্তেই আগুনের লেলিহান শিখায় ২ টি খাবার হোটেল, ২ টি কাপড়ের দোকান, ১ টি মুদি মনোহরী দোকান, ১ টি ঝিনুকের দোকান, ১ টি জেনারেটরের দোকান ও ১ টি চায়ের দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১ টি টিম ঘটনাস্থলে পৌছে প্রায় এক ঘন্টা প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। আগুনে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তবে কিভাবে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে সেটি নিশ্চিত করতে পারেনি কেউ।
কলাপাড়া ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ আবুল হোসেন বলেন, সকাল আটটার দিকে খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পৌছে এক ঘন্টার প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমান তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে।

Print this entry

 

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কাওসার (২৭) নামের এক বিএনপির সমর্থককে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে বাচ্চু সিকদার নামের এক আওয়ামীলীগের সমর্থকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল দশটায় উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের হাজীপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা আহত কাওসারকে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করেছে। সে পূর্ব হাজীপুর গ্রামের আবুল কালাম রাঢ়ীর ছেলে।
আহত কাওসার বলেন, সকাল দশটার দিকে সে প্রয়োজনীয় কাজে হাজীপুর বাজারে আসেন। এসময় আওয়ামীলীগের সমর্থক বাচ্চুর সঙ্গে তার দেখা হয়। পরে তারা দুজনে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির রাজনীতি নিয়ে তর্কে জড়ান। এক পর্যায়ে বাচ্চু দাবি করেন আওয়ামীলীগের দয়া ছাড়া বিএনপি ক্ষমতায় আসতে পারতোনা। কাওসার এমন কথার প্রতিবাদ জানালে বাচ্চু তাকে কিছু বুঝে ওঠার আগেই মাথায় আঘাত করে। এতে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে ফের তাকে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে বাচ্চু বলেন, রাজনীতির বিষয়ে তার সঙ্গে আমার কোন আলোচনা হয়নি। তবে সে আমার সঙ্গে প্রচন্ড রকমের খারাপ ব্যবহার করেছে। এ কারনে তার সঙ্গে আমার হাতাহাতি হয়েছে।
এ বিষয়ে কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলামের সঙ্গে সঙ্গে বার বার যোগাযোগ করা চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিব করেননি।

Print this entry

 

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের নয়াপাড়া আবাসিক এলাকায় মাদকদ্রব্যের সন্ধানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা ৩০ মিনিট থেকে এ অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসিন সাদেক।

অভিযানে চারজনকে আটক করা হয়। তারা হলেন— মো. সোহেল (৩৪), মো. ইউসুফ (২৯), রবিউল ইসলাম (২৩) ও মো. নাইম শাহাজী (২৪)।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ও ৪২(১) ধারায় দণ্ড প্রদান করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে—
মো. সোহেলকে ২ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৭ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
মো. ইউসুফকে ১ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৭ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
রবিউল ইসলামকে ১৪ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৩ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
মো. নাইম শাহাজীকে ১ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৭ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযানে সহযোগিতা করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পটুয়াখালী-এর একটি চৌকস টিম। এছাড়া স্থানীয় এলাকাবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রশাসনকে সহায়তা করেন।
মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসিন সাদেক।

Print this entry

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার(২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এ অভিযোগ করেন কলাপাড়া পৌর শহরের ৫নং ওয়ার্ডের সম্প্রতি সড়কের বাসিন্দা ভুক্তভোগী জসিম হাওলাদার। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সামনের দরজার তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে আলমিরা, সুকেস সহ সকল আসবাবপত্র এলোমেলো করে নগদ টাকা এবং স্বর্নালংকার নিয়ে পিছনের দরজা খুলে অন্য তালা মেরে পালিয়ে যায় চোর।

ভুক্তভোগী জসিম হাওলাদার বলেন, আমার স্ত্রী দীর্ঘদিন বাড়িতে নেই। গত সপ্তাহে আমি চিকিৎসার জন্য ঢাকা গিয়েছিলাম। আজ বাসায় এসে দেখি সামনের তালা নেই। সেখানে ছোট একটি তালা দেয়া। কাছে গিয়ে দেখি তালা ভাঙ্গার আলামত রয়েছে। আমি প্রতিবেশী এবং আত্নীয়দের সহায়তায় তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করি। ভিতরে গিয়ে দেখি সকল আসবাবপত্র এলোমেলো। আলমারি ভেঙ্গে ড্রয়ারে থাকা নগদ ১৫ হাজার টাকা এবং আনুমানিক ২ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে।
কলাপাড়া থানার এস আই মো. রাসেল জানান, এর আগে জসিম হাওলাদার পারিবারিক বিষয় নিয়ে কলাপাড়া থানায় একটি জিডি করেছিলেন। ঘটনাটি শুনেছি আমি নিজে গিয়ে তদন্ত করব।লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Print this entry

 

বরিশাল: ‎বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন বরিশাল জেলা শাখার আহ্বায়ক সাব্বির হোসেন সোহাগসহ তার নেতৃত্বে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৫০ জন  নেতাকর্মী বরিশাল জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদে যোগদান করেছে।

‎বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫ টার দিকে বরিশাল সদর রোড  সংলগ্ন হোটেল সেডোনায় জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের আয়োজিত ইফতার মাহফিলের উপস্থিত হয়ে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্র অধিকার পরিষদে যোগদান করেন।

‎এ সময় কেন্দ্রীয়  ছাত্র অধিকার পরিষদের বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো:রাশেদুল ইসলাম বলেন,আমরা সবাই একসাথে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে কাজ করে যাবো।পুরনো বিপ্লবী সহযোদ্ধারা আবার একত্রিত হচ্ছে যা আমাদের রাজনীতিকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করবে।

‎এ বিষয়ে বরিশাল জেলা ছাত্রঅধিকার পরিষদের  সাবেক সাধারণ সম্পাদক জনাব ইমরান শিকদার  জানান, বিভিন্ন সংগঠনের দায়িত্বশীল বিপ্লবীরছাত্র অধিকার পরিষদে যোগ দিচ্ছে,  এটা ইতিবাচক রাজনীতির জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। আমরা তাদের নিয়ে দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে করবো।

‎ছাত্রঅধিকার পরিষদে যোগদান করা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন বরিশাল জেলার আহ্বায়ক সাব্বির হোসেন সোহাগ বলেন,
‎বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, বরিশাল জেলা আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আমার জন্য ছিল অত্যন্ত গর্বের এবং সম্মানের। এই পথচলায়  সবার আন্তরিক সহযোগিতা, ভালোবাসা ও সমর্থন আমাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করেছে।

‎ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক কিছু কারণে আমি আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে আমি সবসময় এই সংগঠনের  ন্যায্য দাবি, আদর্শ ও লক্ষ্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং সমর্থনকারী হিসেবে থাকবো।

‎আমি মনে করে বর্তমানে যদি কোনো সংগঠনের নৈতিকতা ঠিক থাকে সেটাই হলো ছাত্র অধিকার পরিষদ।
‎আমি বিশ্বাস করি, সকলের  সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই সংগঠন  আরও শক্তিশালী হবে এবং তারুণ্যের কণ্ঠস্বর জালেমদের মসনদ কাপিয়ে দিবে।

‎বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ছেড়ে ছাত্রঅধিকার  পরিষদে যোগদানকৃত নেতাকর্মীরা হলেন-বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বরিশাল জেলার আহবায়ক, সাব্বির হোসেন সোহাগ, যুগ্ম আহবায়ক মোঃ সিফাত, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সজল হাওলাদার সাওন। এছাড়াও  মাহিন আব্দুল্লাহ, মো তামজীদ হোসেন শাওন,
‎মোহাম্মাদ রায়হান হাওলাদার, মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল, মোঃ ইমরান হোসেন কাইয়ুম, মেহেদী হাসান, আবেদ ইসলাম শাকিল, শফিকুল ইসলাম তুষার, মুনিম শাহরিয়ার
‎ইমন,বিল্লালহোসেন,মোহাম্মদ ফয়সাল হোসেন,মোঃ হাসান শিকদার, আব্দুর রহমান খান,
‎মোঃ মাইদুল, মোহাম্মদ সাইমন খান,
‎মো লিজন,মো ইব্রাহিম সহ অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী।

Print this entry

 

বরিশাল: বিচারকের উপস্থিতিতে এজলাসে অশোভন আচরণ ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগে করা মামলায় বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তার সঙ্গে আরও নাম এসেছে
অন্তত ২০ জন আইনজীবীর।

গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই আদালত চত্বরে জড়ো হন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। শুরু হয় বিক্ষোভ, কার্যত বন্ধ হয়ে যায় জেলার অধিকাংশ আদালতের বিচারিক কার্যক্রম।

বিচারকের উপস্থিতিতে এজলাসে অশোভন আচরণ ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগে করা মামলায় বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে বুধবার দুপুরে আদালত চত্বর থেকেই লিংকনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনের নিচতলার মেট্রো হাজতখানায় পাঠানো হয়। সেই ফটক ঘিরেই অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা। ফলে আদালতপাড়ার ভেতরে প্রবেশ ও বাহির হওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বাবলু বলেন, সভাপতিকে তার চেয়ার থেকেই তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জানতে চাইলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলার বাদী অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার। সাক্ষীর তালিকায় রয়েছেন আদালতের নাজির, কোর্ট ইন্সপেক্টর, একাধিক থানার জিআরও, স্টেনোগ্রাফার ও অফিস সহায়করা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শরীয়তউল্লাহের এজলাসে বিচার চলাকালে আসামিরা হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। এই ঘটনায় আসামী‌দের বিরু‌দ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দা‌য়ের হ‌য়ে‌ছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, একাধিক মামলার আসামি তালুকদার মো. ইউনুস ও কাজী মনিরুল ইসলামকে সোমবার জামিন দেন অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। এর আগে জামিন পান সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন এবং যুবলীগ নেতা মাহমুদুল হক খান মামুন। এরপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার রাতে সাদিকুর রহমান লিংকনের বক্তব্যে উত্তেজনা আরও বাড়ে। তিনি দাবি করেন, আগেই জানানো হয়েছিল যে ইউনুসকে জামিন দেওয়া হবে। জামিন না দেওয়ার অনুরোধ জানানো হলেও তা মানা হয়নি। তার অভিযোগ, বিপুল অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে এই জামিন দেওয়া হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ তখনও সামনে আসেনি। অপরদিকে বুধবার সকাল থেকেই জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ব্যানারে আদালত বর্জন কর্মসূচি শুরু হয়। ফোরামের সদস্যসচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, এটি প্রতীকী কর্মসূচি। ভবিষ্যতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির কথাও জানান তিনি।

দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আদালতপাড়ায় চাপা উত্তেজনা আরও ঘনীভূত হয়। একদিকে বিচার বিভাগের মর্যাদা ও শৃঙ্খলার প্রশ্ন, অন্যদিকে রাজনৈতিক পক্ষপাত ও গ্রেপ্তারের অভিযোগ। এই টানাপোড়েনে এখন স্থবির বরিশালের আদালতপাড়া।

Print this entry