TT Ads
Spread the love

 

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল ফিতরের চতুর্থ দিনে পটুয়াখালীর পর্যটন কেন্দ্র সাগর কণ্যা কুয়াকাটায় পর্যটকদের ঢল নেমেছে। ব্যাংক বীমাসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং অধিকাংশ সরকারি দপ্তর খুললেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পর্যটকদের বাড়তি আনাগোনা লক্ষ্য করা গেছে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই সৈকতের জিরো পয়েন্টে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া তিন নদীর মোহনা, লেম্বুর বন, শুটকি পল্লী, ঝাউ বাগান ও গঙ্গামতিসহ সকল দশর্নীয় স্থানে রয়েছে পর্যটকদের বাড়তি। আগতরা পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে গাঁ ভাসিয়ে মিতালীতে মেতেছেন বেশিরভাগ পর্যটক। অনেক পর্যটক বালু খেলায় মেতেছেন। অনেকে সৈকতের বেঞ্চিতে বসে সমুদ্রের তীড়ে আছড়ে পড়া ঢেউসহ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। পর্যটকদের ভীড়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও বেড়েছে কর্মচাঞ্চল্য। বুকিং রয়েছে শতভাগ হোটেল-মোটেল। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপর রয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
যশোর থেকে আসা শিক্ষক দম্পতি নাবিল-ইরা বলেন, বাচ্চাদের স্কুল বন্ধ রয়েছে তারা বায়না ধরেছে কুয়াকাটা ঘুরতে আসবে। গতকাল বিকেলে এখানে এসেছি। সকাল থেকে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে ঘুরে দেখেছি। বাচ্চারা অনেক আনন্দ করছে। ঢাকা থেকে আসা অপ পর্যটক সোলায়মান জানান, দুদিন ধরে এখানে রয়েছি। সুন্দরবন, লাল কাকড়া, গঙ্গামতি ও লেবুর চর ঘুরে দেখেছি। হোটেলের খাবারের দাম নিয়ে কিছুটা অসস্থি প্রকাশ করেন তিনি।
কুয়াকাটা পায়রা রেস্টুরেন্ট এন্ড মিনি চাইনিজের স্বত্বাধিকার রেজাউল করিম জানান, অধিক পরিমাণ পর্যটকের আনাগোনায় বেচা বিক্রি মাশাল্লাহ ভালো। আশা করছি ২৮ তারিখ পর্যন্ত এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ জানান, ঈদ উপলক্ষে আমাদের হোটেল-মোটেল গুলোতে ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ কক্ষ আগেই বুকিং হয়ে গেছে।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হাবিবুর রহমান বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিক টহল দিচ্ছি।

Print this entry

TT Ads

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *