Latest post
বিএমপি’র নবনিযুক্ত কমিশনার আবু রায়হান
রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধভাবেই ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছে : তথ্যমন্ত্রী
৫ আগস্ট যারা সরকারী ছুটি পাবেন না
Popular Posts
কলাপাড়ায় চলাচলে সড়ক আটকে বসতঘর নির্মানে ১৭ বছরের ভোগান্তি
(279)
NS_admin_03
May 11, 2026
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান
(199)
NS_admin_01
May 5, 2026
বিজয়ের উত্থানে টালমাটাল তামিলনাড়ুর পুরোনো জোট
(198)
NS_admin_01
May 5, 2026
আমি পদত্যাগ করব না: মমতা
(184)
NS_admin_01
May 5, 2026
৭ম দিনের এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২০ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৮ জন
(178)
NS_admin_01
May 5, 2026
Stay Connected
TT Ads
প্রচ্ছদ
বরিশাল
: বরিশালে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুর ৩ টায় নগরীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে এ সমাবেশ হয়। সমাবেশে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটে জনগণ প্রায় ৭০ ভাগ রায় দিয়েছে,ওই গণভোট না থাকলে এই সরকারও মানা হবে না। গণভোটকে ব্যর্থ করে দিলে আপনাদের ব্যর্থ করে দেয়া হবে। গণভোট মানতে জনগণ বাধ্য করবে। তিনি বলেন, ধোকার পথে পা বাড়াবেন না। আমাদের সাফ কথা গণভোটের গণরায় মানতেই হবে। যারা গণভোটের ভোট মানে না, তারা গণতন্ত্র মানে না, এরা গণতন্ত্রের শত্রু। আমরা চাই ফিরে আসুন, জনগণের রায়ের প্রতি আপনার সম্মান করুন। বৈষম্যের জন্য জুলাই হয়নি, বৈষম্যের কবর রচনার জন্য জুলাই হয়েছিল। সময় থাকতে সচেতন হন, মানুষের ম্যান্ডেটের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন, বলেন আমীরে জামায়াত। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের দাবিতে আজ ১৮ জুলাই শনিবার বিকেলে বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলের বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চব্বিশের ঐতিহ্য নিয়ে গড়ে উঠা জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ভুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে কোনো পরিবর্তন করা হলে আমরা আবার গর্জন করব। আমরা চুপ থাকবো না তার প্রতিবাদ করব। ঐতিহ্য গায়েব করা হয়ে থাকলে-তার ষোলো আনা আদায় করে ছাড়ব। জুলাইকে ধামাচাপা দিতে কত কসরত! বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা চব্বিশের তরুণ প্রজন্ম ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করে আমরা বাংলাদেশের নাগরিকদের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। গণভোটের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদ ও প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা গণআন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হব। আমরা এখনো হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি দিইনি; তবে জনগণের দাবি উপেক্ষা করা হলে ভবিষ্যতে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে, সতর্ক করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও সরকার সংস্কারের পক্ষে কথা বললেও বাস্তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। জনগণ গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই রায়কে উপেক্ষা করে শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। জনগণের সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রহসন মেনে নেওয়া হবে না। এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, আওয়ামী লীগের ফেরার কোনো সুযোগ নেই।, তাদের উসকানিমূলক বক্তব্যে আমরা কান দেবো না। আমরা চাই এদেশ থেকে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, মাস্তানি বন্ধ হোক। কিন্তু বিএনপি এসব শুনছে না। তারা আওয়ামী লীগের পতন থেকে শিক্ষা নেয়নি, বলেন তিনি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের ৭০ ভাগ জনগণ গণভোটে হ্যাঁ- এর পক্ষে রায় দিয়েছিল। জনগণ চেয়েছিল সংবিধান সংস্কার করে আগামী দিনে একটি ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ কায়েম করার জন্য। কিন্তু আমরা দেখলাম বর্তমান সরকার জাতীয় সংসদে থার্ড মেজরিটির গরমে তাঁরা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করে এক তরফা সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করেছে। এই সমাবেশ থেকে সরকার গঠিত খেলনা সংবিধান সংশোধন কমিটি প্রত্যাখ্যান করলাম। বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদকে সাংবিধানিক রূপ দেওয়ার জন্য গণভোটে প্রায় ৬৯% মানুষ হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় দিয়েছে। সুতরাং, এই সংবিধানকে সংস্কার করার জন্য ৬৯ শতাংশ মানুষের রায়কে উপেক্ষা করা যাবে না। আর ৭২-এর সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধের সংবিধান না- সেটা আওয়ামী লীগের সংবিধান। এটি চলতে দেওয়া যায় না। আমরা চলতে দেব না। আমরা ৭২-এর সংবিধান বাংলাদেশে চলতে দেব না, দিতে পারি না। এবি পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে যে ঘটনা ঘটেছে, তা শুধু স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি ঘটনা নয়; এটি গত আটশ বছরের বাংলা অঞ্চলের ইতিহাসেও একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। যারা মনে করছেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে বুক চিতিয়ে, বুলেটকে সামনে রেখে, শত বাধা উপেক্ষা করে যারা বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদ এবং দিল্লির আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত করেছে—তাদের ভয় দেখানোর জন্য বিদেশি গণমাধ্যমে রাতের আঁধারে সাক্ষাৎকার দিলেই বাংলাদেশের মানুষ ভয় পেয়ে যাবে, তারা ভুল করছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে অবমাননা, বিকৃতি বা শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের আত্মত্যাগকে খাটো করার বিরুদ্ধে সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান ব্যারিস্টার ফুয়াদ। বাংলাদেশ লেবার পার্টির সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, বাকশাল ও ভারতীয় অধিপত্যবাদ থেকে বাঁচার জন্য আমরা সংগ্রাম করেছিলাম। ৫ আগস্টের পর তারা চাঁদাবাজিতে নতুনত্ব এনেছে, আর ক্ষমতায় যাওয়ার পর গুম কমিশনকেই গুম করে ফেলেছে। বিএনপি আওয়ামী লীগের মতোই সব অপকর্ম করে যাচ্ছে। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, যারা মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে চাপ দিয়ে চাঁদা দাবি করে- তাদের কাছে উন্নয়ন দাবি করে কোনো লাভ নেই। যারা কথায় কথায় মিথ্যা কথা বলে, যারা জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারি করে, তাদের সাথে কোনো আপস নেই, মুনাফিকদের সাথে আপস নেই। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চান বলেন, বাংলাদেশের সামনে রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। জনগণের অধিকার, সুশাসন, গণতন্ত্র ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন। জনগণের সকল অধিকার ও রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি আদায়ে আমি দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ও বরিশাল অঞ্চল পরিচালক এডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি, নিয়োগ বাণিজ্য চলছে। যারা নির্বাচনের আগে ওয়াদা দেন একরকম, আর কাজ করেন ভিন্ন- তারাই মুনাফিক। বরিশালের উন্নয়নে জাতীয় সংসদে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরায় প্রধান অতিথি ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের প্রতি বরিশালবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান এডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যসচিব ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, বরিশাল অঞ্চল জামায়াতের টিম সদস্য ফখরুদ্দিন খান রাজীর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ডা. মাহমুদা আলম মিতু এমপি, ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নাল আবদীন, বরিশাল জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবদুল জব্বার, বিএম কলেজের সাবেক এজিএস শেখ নেয়ামুল করিমসহ ১১ দলের কেন্দ্রীয়, বিভাগীয়, মহানগরী ও জেলা পর্যায়ের নেতারা। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি(বিডিপি) মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির মুখ্য সংগঠন আরিফুল ইসলাম আদিব, এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম ভূইয়া প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
জাতীয়
বরিশাল
: বরিশালে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুর ৩ টায় নগরীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে এ সমাবেশ হয়। সমাবেশে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটে জনগণ প্রায় ৭০ ভাগ রায় দিয়েছে,ওই গণভোট না থাকলে এই সরকারও মানা হবে না। গণভোটকে ব্যর্থ করে দিলে আপনাদের ব্যর্থ করে দেয়া হবে। গণভোট মানতে জনগণ বাধ্য করবে। তিনি বলেন, ধোকার পথে পা বাড়াবেন না। আমাদের সাফ কথা গণভোটের গণরায় মানতেই হবে। যারা গণভোটের ভোট মানে না, তারা গণতন্ত্র মানে না, এরা গণতন্ত্রের শত্রু। আমরা চাই ফিরে আসুন, জনগণের রায়ের প্রতি আপনার সম্মান করুন। বৈষম্যের জন্য জুলাই হয়নি, বৈষম্যের কবর রচনার জন্য জুলাই হয়েছিল। সময় থাকতে সচেতন হন, মানুষের ম্যান্ডেটের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন, বলেন আমীরে জামায়াত। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের দাবিতে আজ ১৮ জুলাই শনিবার বিকেলে বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলের বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চব্বিশের ঐতিহ্য নিয়ে গড়ে উঠা জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ভুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে কোনো পরিবর্তন করা হলে আমরা আবার গর্জন করব। আমরা চুপ থাকবো না তার প্রতিবাদ করব। ঐতিহ্য গায়েব করা হয়ে থাকলে-তার ষোলো আনা আদায় করে ছাড়ব। জুলাইকে ধামাচাপা দিতে কত কসরত! বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা চব্বিশের তরুণ প্রজন্ম ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করে আমরা বাংলাদেশের নাগরিকদের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। গণভোটের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদ ও প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা গণআন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হব। আমরা এখনো হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি দিইনি; তবে জনগণের দাবি উপেক্ষা করা হলে ভবিষ্যতে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে, সতর্ক করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও সরকার সংস্কারের পক্ষে কথা বললেও বাস্তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। জনগণ গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই রায়কে উপেক্ষা করে শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। জনগণের সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রহসন মেনে নেওয়া হবে না। এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, আওয়ামী লীগের ফেরার কোনো সুযোগ নেই।, তাদের উসকানিমূলক বক্তব্যে আমরা কান দেবো না। আমরা চাই এদেশ থেকে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, মাস্তানি বন্ধ হোক। কিন্তু বিএনপি এসব শুনছে না। তারা আওয়ামী লীগের পতন থেকে শিক্ষা নেয়নি, বলেন তিনি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের ৭০ ভাগ জনগণ গণভোটে হ্যাঁ- এর পক্ষে রায় দিয়েছিল। জনগণ চেয়েছিল সংবিধান সংস্কার করে আগামী দিনে একটি ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ কায়েম করার জন্য। কিন্তু আমরা দেখলাম বর্তমান সরকার জাতীয় সংসদে থার্ড মেজরিটির গরমে তাঁরা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করে এক তরফা সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করেছে। এই সমাবেশ থেকে সরকার গঠিত খেলনা সংবিধান সংশোধন কমিটি প্রত্যাখ্যান করলাম। বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদকে সাংবিধানিক রূপ দেওয়ার জন্য গণভোটে প্রায় ৬৯% মানুষ হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় দিয়েছে। সুতরাং, এই সংবিধানকে সংস্কার করার জন্য ৬৯ শতাংশ মানুষের রায়কে উপেক্ষা করা যাবে না। আর ৭২-এর সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধের সংবিধান না- সেটা আওয়ামী লীগের সংবিধান। এটি চলতে দেওয়া যায় না। আমরা চলতে দেব না। আমরা ৭২-এর সংবিধান বাংলাদেশে চলতে দেব না, দিতে পারি না। এবি পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে যে ঘটনা ঘটেছে, তা শুধু স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি ঘটনা নয়; এটি গত আটশ বছরের বাংলা অঞ্চলের ইতিহাসেও একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। যারা মনে করছেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে বুক চিতিয়ে, বুলেটকে সামনে রেখে, শত বাধা উপেক্ষা করে যারা বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদ এবং দিল্লির আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত করেছে—তাদের ভয় দেখানোর জন্য বিদেশি গণমাধ্যমে রাতের আঁধারে সাক্ষাৎকার দিলেই বাংলাদেশের মানুষ ভয় পেয়ে যাবে, তারা ভুল করছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে অবমাননা, বিকৃতি বা শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের আত্মত্যাগকে খাটো করার বিরুদ্ধে সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান ব্যারিস্টার ফুয়াদ। বাংলাদেশ লেবার পার্টির সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, বাকশাল ও ভারতীয় অধিপত্যবাদ থেকে বাঁচার জন্য আমরা সংগ্রাম করেছিলাম। ৫ আগস্টের পর তারা চাঁদাবাজিতে নতুনত্ব এনেছে, আর ক্ষমতায় যাওয়ার পর গুম কমিশনকেই গুম করে ফেলেছে। বিএনপি আওয়ামী লীগের মতোই সব অপকর্ম করে যাচ্ছে। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, যারা মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে চাপ দিয়ে চাঁদা দাবি করে- তাদের কাছে উন্নয়ন দাবি করে কোনো লাভ নেই। যারা কথায় কথায় মিথ্যা কথা বলে, যারা জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারি করে, তাদের সাথে কোনো আপস নেই, মুনাফিকদের সাথে আপস নেই। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চান বলেন, বাংলাদেশের সামনে রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। জনগণের অধিকার, সুশাসন, গণতন্ত্র ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন। জনগণের সকল অধিকার ও রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি আদায়ে আমি দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ও বরিশাল অঞ্চল পরিচালক এডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি, নিয়োগ বাণিজ্য চলছে। যারা নির্বাচনের আগে ওয়াদা দেন একরকম, আর কাজ করেন ভিন্ন- তারাই মুনাফিক। বরিশালের উন্নয়নে জাতীয় সংসদে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরায় প্রধান অতিথি ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের প্রতি বরিশালবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান এডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যসচিব ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, বরিশাল অঞ্চল জামায়াতের টিম সদস্য ফখরুদ্দিন খান রাজীর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ডা. মাহমুদা আলম মিতু এমপি, ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নাল আবদীন, বরিশাল জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবদুল জব্বার, বিএম কলেজের সাবেক এজিএস শেখ নেয়ামুল করিমসহ ১১ দলের কেন্দ্রীয়, বিভাগীয়, মহানগরী ও জেলা পর্যায়ের নেতারা। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি(বিডিপি) মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির মুখ্য সংগঠন আরিফুল ইসলাম আদিব, এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম ভূইয়া প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
রাজনীতি
বরিশাল
: বরিশালে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুর ৩ টায় নগরীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে এ সমাবেশ হয়। সমাবেশে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটে জনগণ প্রায় ৭০ ভাগ রায় দিয়েছে,ওই গণভোট না থাকলে এই সরকারও মানা হবে না। গণভোটকে ব্যর্থ করে দিলে আপনাদের ব্যর্থ করে দেয়া হবে। গণভোট মানতে জনগণ বাধ্য করবে। তিনি বলেন, ধোকার পথে পা বাড়াবেন না। আমাদের সাফ কথা গণভোটের গণরায় মানতেই হবে। যারা গণভোটের ভোট মানে না, তারা গণতন্ত্র মানে না, এরা গণতন্ত্রের শত্রু। আমরা চাই ফিরে আসুন, জনগণের রায়ের প্রতি আপনার সম্মান করুন। বৈষম্যের জন্য জুলাই হয়নি, বৈষম্যের কবর রচনার জন্য জুলাই হয়েছিল। সময় থাকতে সচেতন হন, মানুষের ম্যান্ডেটের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন, বলেন আমীরে জামায়াত। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের দাবিতে আজ ১৮ জুলাই শনিবার বিকেলে বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলের বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চব্বিশের ঐতিহ্য নিয়ে গড়ে উঠা জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ভুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে কোনো পরিবর্তন করা হলে আমরা আবার গর্জন করব। আমরা চুপ থাকবো না তার প্রতিবাদ করব। ঐতিহ্য গায়েব করা হয়ে থাকলে-তার ষোলো আনা আদায় করে ছাড়ব। জুলাইকে ধামাচাপা দিতে কত কসরত! বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা চব্বিশের তরুণ প্রজন্ম ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করে আমরা বাংলাদেশের নাগরিকদের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। গণভোটের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদ ও প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা গণআন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হব। আমরা এখনো হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি দিইনি; তবে জনগণের দাবি উপেক্ষা করা হলে ভবিষ্যতে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে, সতর্ক করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও সরকার সংস্কারের পক্ষে কথা বললেও বাস্তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। জনগণ গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই রায়কে উপেক্ষা করে শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। জনগণের সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রহসন মেনে নেওয়া হবে না। এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, আওয়ামী লীগের ফেরার কোনো সুযোগ নেই।, তাদের উসকানিমূলক বক্তব্যে আমরা কান দেবো না। আমরা চাই এদেশ থেকে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, মাস্তানি বন্ধ হোক। কিন্তু বিএনপি এসব শুনছে না। তারা আওয়ামী লীগের পতন থেকে শিক্ষা নেয়নি, বলেন তিনি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের ৭০ ভাগ জনগণ গণভোটে হ্যাঁ- এর পক্ষে রায় দিয়েছিল। জনগণ চেয়েছিল সংবিধান সংস্কার করে আগামী দিনে একটি ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ কায়েম করার জন্য। কিন্তু আমরা দেখলাম বর্তমান সরকার জাতীয় সংসদে থার্ড মেজরিটির গরমে তাঁরা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করে এক তরফা সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করেছে। এই সমাবেশ থেকে সরকার গঠিত খেলনা সংবিধান সংশোধন কমিটি প্রত্যাখ্যান করলাম। বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদকে সাংবিধানিক রূপ দেওয়ার জন্য গণভোটে প্রায় ৬৯% মানুষ হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় দিয়েছে। সুতরাং, এই সংবিধানকে সংস্কার করার জন্য ৬৯ শতাংশ মানুষের রায়কে উপেক্ষা করা যাবে না। আর ৭২-এর সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধের সংবিধান না- সেটা আওয়ামী লীগের সংবিধান। এটি চলতে দেওয়া যায় না। আমরা চলতে দেব না। আমরা ৭২-এর সংবিধান বাংলাদেশে চলতে দেব না, দিতে পারি না। এবি পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে যে ঘটনা ঘটেছে, তা শুধু স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি ঘটনা নয়; এটি গত আটশ বছরের বাংলা অঞ্চলের ইতিহাসেও একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। যারা মনে করছেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে বুক চিতিয়ে, বুলেটকে সামনে রেখে, শত বাধা উপেক্ষা করে যারা বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদ এবং দিল্লির আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত করেছে—তাদের ভয় দেখানোর জন্য বিদেশি গণমাধ্যমে রাতের আঁধারে সাক্ষাৎকার দিলেই বাংলাদেশের মানুষ ভয় পেয়ে যাবে, তারা ভুল করছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে অবমাননা, বিকৃতি বা শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের আত্মত্যাগকে খাটো করার বিরুদ্ধে সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান ব্যারিস্টার ফুয়াদ। বাংলাদেশ লেবার পার্টির সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, বাকশাল ও ভারতীয় অধিপত্যবাদ থেকে বাঁচার জন্য আমরা সংগ্রাম করেছিলাম। ৫ আগস্টের পর তারা চাঁদাবাজিতে নতুনত্ব এনেছে, আর ক্ষমতায় যাওয়ার পর গুম কমিশনকেই গুম করে ফেলেছে। বিএনপি আওয়ামী লীগের মতোই সব অপকর্ম করে যাচ্ছে। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, যারা মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে চাপ দিয়ে চাঁদা দাবি করে- তাদের কাছে উন্নয়ন দাবি করে কোনো লাভ নেই। যারা কথায় কথায় মিথ্যা কথা বলে, যারা জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারি করে, তাদের সাথে কোনো আপস নেই, মুনাফিকদের সাথে আপস নেই। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চান বলেন, বাংলাদেশের সামনে রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। জনগণের অধিকার, সুশাসন, গণতন্ত্র ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন। জনগণের সকল অধিকার ও রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি আদায়ে আমি দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ও বরিশাল অঞ্চল পরিচালক এডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি, নিয়োগ বাণিজ্য চলছে। যারা নির্বাচনের আগে ওয়াদা দেন একরকম, আর কাজ করেন ভিন্ন- তারাই মুনাফিক। বরিশালের উন্নয়নে জাতীয় সংসদে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরায় প্রধান অতিথি ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের প্রতি বরিশালবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান এডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যসচিব ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, বরিশাল অঞ্চল জামায়াতের টিম সদস্য ফখরুদ্দিন খান রাজীর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ডা. মাহমুদা আলম মিতু এমপি, ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নাল আবদীন, বরিশাল জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবদুল জব্বার, বিএম কলেজের সাবেক এজিএস শেখ নেয়ামুল করিমসহ ১১ দলের কেন্দ্রীয়, বিভাগীয়, মহানগরী ও জেলা পর্যায়ের নেতারা। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি(বিডিপি) মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির মুখ্য সংগঠন আরিফুল ইসলাম আদিব, এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম ভূইয়া প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
সারাদেশ
বরিশাল
: বরিশালে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুর ৩ টায় নগরীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে এ সমাবেশ হয়। সমাবেশে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটে জনগণ প্রায় ৭০ ভাগ রায় দিয়েছে,ওই গণভোট না থাকলে এই সরকারও মানা হবে না। গণভোটকে ব্যর্থ করে দিলে আপনাদের ব্যর্থ করে দেয়া হবে। গণভোট মানতে জনগণ বাধ্য করবে। তিনি বলেন, ধোকার পথে পা বাড়াবেন না। আমাদের সাফ কথা গণভোটের গণরায় মানতেই হবে। যারা গণভোটের ভোট মানে না, তারা গণতন্ত্র মানে না, এরা গণতন্ত্রের শত্রু। আমরা চাই ফিরে আসুন, জনগণের রায়ের প্রতি আপনার সম্মান করুন। বৈষম্যের জন্য জুলাই হয়নি, বৈষম্যের কবর রচনার জন্য জুলাই হয়েছিল। সময় থাকতে সচেতন হন, মানুষের ম্যান্ডেটের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন, বলেন আমীরে জামায়াত। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের দাবিতে আজ ১৮ জুলাই শনিবার বিকেলে বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলের বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চব্বিশের ঐতিহ্য নিয়ে গড়ে উঠা জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ভুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে কোনো পরিবর্তন করা হলে আমরা আবার গর্জন করব। আমরা চুপ থাকবো না তার প্রতিবাদ করব। ঐতিহ্য গায়েব করা হয়ে থাকলে-তার ষোলো আনা আদায় করে ছাড়ব। জুলাইকে ধামাচাপা দিতে কত কসরত! বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা চব্বিশের তরুণ প্রজন্ম ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করে আমরা বাংলাদেশের নাগরিকদের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। গণভোটের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদ ও প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা গণআন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হব। আমরা এখনো হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি দিইনি; তবে জনগণের দাবি উপেক্ষা করা হলে ভবিষ্যতে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে, সতর্ক করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও সরকার সংস্কারের পক্ষে কথা বললেও বাস্তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। জনগণ গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই রায়কে উপেক্ষা করে শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। জনগণের সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রহসন মেনে নেওয়া হবে না। এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, আওয়ামী লীগের ফেরার কোনো সুযোগ নেই।, তাদের উসকানিমূলক বক্তব্যে আমরা কান দেবো না। আমরা চাই এদেশ থেকে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, মাস্তানি বন্ধ হোক। কিন্তু বিএনপি এসব শুনছে না। তারা আওয়ামী লীগের পতন থেকে শিক্ষা নেয়নি, বলেন তিনি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের ৭০ ভাগ জনগণ গণভোটে হ্যাঁ- এর পক্ষে রায় দিয়েছিল। জনগণ চেয়েছিল সংবিধান সংস্কার করে আগামী দিনে একটি ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ কায়েম করার জন্য। কিন্তু আমরা দেখলাম বর্তমান সরকার জাতীয় সংসদে থার্ড মেজরিটির গরমে তাঁরা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করে এক তরফা সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করেছে। এই সমাবেশ থেকে সরকার গঠিত খেলনা সংবিধান সংশোধন কমিটি প্রত্যাখ্যান করলাম। বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদকে সাংবিধানিক রূপ দেওয়ার জন্য গণভোটে প্রায় ৬৯% মানুষ হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় দিয়েছে। সুতরাং, এই সংবিধানকে সংস্কার করার জন্য ৬৯ শতাংশ মানুষের রায়কে উপেক্ষা করা যাবে না। আর ৭২-এর সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধের সংবিধান না- সেটা আওয়ামী লীগের সংবিধান। এটি চলতে দেওয়া যায় না। আমরা চলতে দেব না। আমরা ৭২-এর সংবিধান বাংলাদেশে চলতে দেব না, দিতে পারি না। এবি পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে যে ঘটনা ঘটেছে, তা শুধু স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি ঘটনা নয়; এটি গত আটশ বছরের বাংলা অঞ্চলের ইতিহাসেও একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। যারা মনে করছেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে বুক চিতিয়ে, বুলেটকে সামনে রেখে, শত বাধা উপেক্ষা করে যারা বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদ এবং দিল্লির আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত করেছে—তাদের ভয় দেখানোর জন্য বিদেশি গণমাধ্যমে রাতের আঁধারে সাক্ষাৎকার দিলেই বাংলাদেশের মানুষ ভয় পেয়ে যাবে, তারা ভুল করছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে অবমাননা, বিকৃতি বা শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের আত্মত্যাগকে খাটো করার বিরুদ্ধে সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান ব্যারিস্টার ফুয়াদ। বাংলাদেশ লেবার পার্টির সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, বাকশাল ও ভারতীয় অধিপত্যবাদ থেকে বাঁচার জন্য আমরা সংগ্রাম করেছিলাম। ৫ আগস্টের পর তারা চাঁদাবাজিতে নতুনত্ব এনেছে, আর ক্ষমতায় যাওয়ার পর গুম কমিশনকেই গুম করে ফেলেছে। বিএনপি আওয়ামী লীগের মতোই সব অপকর্ম করে যাচ্ছে। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, যারা মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে চাপ দিয়ে চাঁদা দাবি করে- তাদের কাছে উন্নয়ন দাবি করে কোনো লাভ নেই। যারা কথায় কথায় মিথ্যা কথা বলে, যারা জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারি করে, তাদের সাথে কোনো আপস নেই, মুনাফিকদের সাথে আপস নেই। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চান বলেন, বাংলাদেশের সামনে রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। জনগণের অধিকার, সুশাসন, গণতন্ত্র ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন। জনগণের সকল অধিকার ও রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি আদায়ে আমি দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ও বরিশাল অঞ্চল পরিচালক এডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি, নিয়োগ বাণিজ্য চলছে। যারা নির্বাচনের আগে ওয়াদা দেন একরকম, আর কাজ করেন ভিন্ন- তারাই মুনাফিক। বরিশালের উন্নয়নে জাতীয় সংসদে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরায় প্রধান অতিথি ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের প্রতি বরিশালবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান এডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যসচিব ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, বরিশাল অঞ্চল জামায়াতের টিম সদস্য ফখরুদ্দিন খান রাজীর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ডা. মাহমুদা আলম মিতু এমপি, ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নাল আবদীন, বরিশাল জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবদুল জব্বার, বিএম কলেজের সাবেক এজিএস শেখ নেয়ামুল করিমসহ ১১ দলের কেন্দ্রীয়, বিভাগীয়, মহানগরী ও জেলা পর্যায়ের নেতারা। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি(বিডিপি) মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির মুখ্য সংগঠন আরিফুল ইসলাম আদিব, এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম ভূইয়া প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
ঢাকা
বরিশাল
রাজশাহী
চট্টগ্রাম
খুলনা
ময়মনসিংহ
রংপুর
সিলেট
আন্তর্জাতিক
বরিশাল
: বরিশালে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুর ৩ টায় নগরীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে এ সমাবেশ হয়। সমাবেশে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটে জনগণ প্রায় ৭০ ভাগ রায় দিয়েছে,ওই গণভোট না থাকলে এই সরকারও মানা হবে না। গণভোটকে ব্যর্থ করে দিলে আপনাদের ব্যর্থ করে দেয়া হবে। গণভোট মানতে জনগণ বাধ্য করবে। তিনি বলেন, ধোকার পথে পা বাড়াবেন না। আমাদের সাফ কথা গণভোটের গণরায় মানতেই হবে। যারা গণভোটের ভোট মানে না, তারা গণতন্ত্র মানে না, এরা গণতন্ত্রের শত্রু। আমরা চাই ফিরে আসুন, জনগণের রায়ের প্রতি আপনার সম্মান করুন। বৈষম্যের জন্য জুলাই হয়নি, বৈষম্যের কবর রচনার জন্য জুলাই হয়েছিল। সময় থাকতে সচেতন হন, মানুষের ম্যান্ডেটের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন, বলেন আমীরে জামায়াত। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের দাবিতে আজ ১৮ জুলাই শনিবার বিকেলে বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলের বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চব্বিশের ঐতিহ্য নিয়ে গড়ে উঠা জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ভুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে কোনো পরিবর্তন করা হলে আমরা আবার গর্জন করব। আমরা চুপ থাকবো না তার প্রতিবাদ করব। ঐতিহ্য গায়েব করা হয়ে থাকলে-তার ষোলো আনা আদায় করে ছাড়ব। জুলাইকে ধামাচাপা দিতে কত কসরত! বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা চব্বিশের তরুণ প্রজন্ম ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করে আমরা বাংলাদেশের নাগরিকদের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। গণভোটের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদ ও প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা গণআন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হব। আমরা এখনো হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি দিইনি; তবে জনগণের দাবি উপেক্ষা করা হলে ভবিষ্যতে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে, সতর্ক করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও সরকার সংস্কারের পক্ষে কথা বললেও বাস্তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। জনগণ গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই রায়কে উপেক্ষা করে শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। জনগণের সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রহসন মেনে নেওয়া হবে না। এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, আওয়ামী লীগের ফেরার কোনো সুযোগ নেই।, তাদের উসকানিমূলক বক্তব্যে আমরা কান দেবো না। আমরা চাই এদেশ থেকে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, মাস্তানি বন্ধ হোক। কিন্তু বিএনপি এসব শুনছে না। তারা আওয়ামী লীগের পতন থেকে শিক্ষা নেয়নি, বলেন তিনি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের ৭০ ভাগ জনগণ গণভোটে হ্যাঁ- এর পক্ষে রায় দিয়েছিল। জনগণ চেয়েছিল সংবিধান সংস্কার করে আগামী দিনে একটি ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ কায়েম করার জন্য। কিন্তু আমরা দেখলাম বর্তমান সরকার জাতীয় সংসদে থার্ড মেজরিটির গরমে তাঁরা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করে এক তরফা সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করেছে। এই সমাবেশ থেকে সরকার গঠিত খেলনা সংবিধান সংশোধন কমিটি প্রত্যাখ্যান করলাম। বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদকে সাংবিধানিক রূপ দেওয়ার জন্য গণভোটে প্রায় ৬৯% মানুষ হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় দিয়েছে। সুতরাং, এই সংবিধানকে সংস্কার করার জন্য ৬৯ শতাংশ মানুষের রায়কে উপেক্ষা করা যাবে না। আর ৭২-এর সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধের সংবিধান না- সেটা আওয়ামী লীগের সংবিধান। এটি চলতে দেওয়া যায় না। আমরা চলতে দেব না। আমরা ৭২-এর সংবিধান বাংলাদেশে চলতে দেব না, দিতে পারি না। এবি পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে যে ঘটনা ঘটেছে, তা শুধু স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি ঘটনা নয়; এটি গত আটশ বছরের বাংলা অঞ্চলের ইতিহাসেও একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। যারা মনে করছেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে বুক চিতিয়ে, বুলেটকে সামনে রেখে, শত বাধা উপেক্ষা করে যারা বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদ এবং দিল্লির আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত করেছে—তাদের ভয় দেখানোর জন্য বিদেশি গণমাধ্যমে রাতের আঁধারে সাক্ষাৎকার দিলেই বাংলাদেশের মানুষ ভয় পেয়ে যাবে, তারা ভুল করছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে অবমাননা, বিকৃতি বা শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের আত্মত্যাগকে খাটো করার বিরুদ্ধে সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান ব্যারিস্টার ফুয়াদ। বাংলাদেশ লেবার পার্টির সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, বাকশাল ও ভারতীয় অধিপত্যবাদ থেকে বাঁচার জন্য আমরা সংগ্রাম করেছিলাম। ৫ আগস্টের পর তারা চাঁদাবাজিতে নতুনত্ব এনেছে, আর ক্ষমতায় যাওয়ার পর গুম কমিশনকেই গুম করে ফেলেছে। বিএনপি আওয়ামী লীগের মতোই সব অপকর্ম করে যাচ্ছে। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, যারা মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে চাপ দিয়ে চাঁদা দাবি করে- তাদের কাছে উন্নয়ন দাবি করে কোনো লাভ নেই। যারা কথায় কথায় মিথ্যা কথা বলে, যারা জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারি করে, তাদের সাথে কোনো আপস নেই, মুনাফিকদের সাথে আপস নেই। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চান বলেন, বাংলাদেশের সামনে রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। জনগণের অধিকার, সুশাসন, গণতন্ত্র ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন। জনগণের সকল অধিকার ও রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি আদায়ে আমি দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ও বরিশাল অঞ্চল পরিচালক এডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি, নিয়োগ বাণিজ্য চলছে। যারা নির্বাচনের আগে ওয়াদা দেন একরকম, আর কাজ করেন ভিন্ন- তারাই মুনাফিক। বরিশালের উন্নয়নে জাতীয় সংসদে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরায় প্রধান অতিথি ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের প্রতি বরিশালবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান এডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যসচিব ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, বরিশাল অঞ্চল জামায়াতের টিম সদস্য ফখরুদ্দিন খান রাজীর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ডা. মাহমুদা আলম মিতু এমপি, ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নাল আবদীন, বরিশাল জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবদুল জব্বার, বিএম কলেজের সাবেক এজিএস শেখ নেয়ামুল করিমসহ ১১ দলের কেন্দ্রীয়, বিভাগীয়, মহানগরী ও জেলা পর্যায়ের নেতারা। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি(বিডিপি) মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির মুখ্য সংগঠন আরিফুল ইসলাম আদিব, এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম ভূইয়া প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
বরিশাল বিভাগ
বরিশাল
: বরিশালে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুর ৩ টায় নগরীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে এ সমাবেশ হয়। সমাবেশে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটে জনগণ প্রায় ৭০ ভাগ রায় দিয়েছে,ওই গণভোট না থাকলে এই সরকারও মানা হবে না। গণভোটকে ব্যর্থ করে দিলে আপনাদের ব্যর্থ করে দেয়া হবে। গণভোট মানতে জনগণ বাধ্য করবে। তিনি বলেন, ধোকার পথে পা বাড়াবেন না। আমাদের সাফ কথা গণভোটের গণরায় মানতেই হবে। যারা গণভোটের ভোট মানে না, তারা গণতন্ত্র মানে না, এরা গণতন্ত্রের শত্রু। আমরা চাই ফিরে আসুন, জনগণের রায়ের প্রতি আপনার সম্মান করুন। বৈষম্যের জন্য জুলাই হয়নি, বৈষম্যের কবর রচনার জন্য জুলাই হয়েছিল। সময় থাকতে সচেতন হন, মানুষের ম্যান্ডেটের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন, বলেন আমীরে জামায়াত। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের দাবিতে আজ ১৮ জুলাই শনিবার বিকেলে বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলের বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চব্বিশের ঐতিহ্য নিয়ে গড়ে উঠা জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ভুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে কোনো পরিবর্তন করা হলে আমরা আবার গর্জন করব। আমরা চুপ থাকবো না তার প্রতিবাদ করব। ঐতিহ্য গায়েব করা হয়ে থাকলে-তার ষোলো আনা আদায় করে ছাড়ব। জুলাইকে ধামাচাপা দিতে কত কসরত! বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা চব্বিশের তরুণ প্রজন্ম ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করে আমরা বাংলাদেশের নাগরিকদের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। গণভোটের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদ ও প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা গণআন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হব। আমরা এখনো হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি দিইনি; তবে জনগণের দাবি উপেক্ষা করা হলে ভবিষ্যতে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে, সতর্ক করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও সরকার সংস্কারের পক্ষে কথা বললেও বাস্তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। জনগণ গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই রায়কে উপেক্ষা করে শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। জনগণের সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রহসন মেনে নেওয়া হবে না। এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, আওয়ামী লীগের ফেরার কোনো সুযোগ নেই।, তাদের উসকানিমূলক বক্তব্যে আমরা কান দেবো না। আমরা চাই এদেশ থেকে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, মাস্তানি বন্ধ হোক। কিন্তু বিএনপি এসব শুনছে না। তারা আওয়ামী লীগের পতন থেকে শিক্ষা নেয়নি, বলেন তিনি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের ৭০ ভাগ জনগণ গণভোটে হ্যাঁ- এর পক্ষে রায় দিয়েছিল। জনগণ চেয়েছিল সংবিধান সংস্কার করে আগামী দিনে একটি ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ কায়েম করার জন্য। কিন্তু আমরা দেখলাম বর্তমান সরকার জাতীয় সংসদে থার্ড মেজরিটির গরমে তাঁরা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করে এক তরফা সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করেছে। এই সমাবেশ থেকে সরকার গঠিত খেলনা সংবিধান সংশোধন কমিটি প্রত্যাখ্যান করলাম। বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদকে সাংবিধানিক রূপ দেওয়ার জন্য গণভোটে প্রায় ৬৯% মানুষ হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় দিয়েছে। সুতরাং, এই সংবিধানকে সংস্কার করার জন্য ৬৯ শতাংশ মানুষের রায়কে উপেক্ষা করা যাবে না। আর ৭২-এর সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধের সংবিধান না- সেটা আওয়ামী লীগের সংবিধান। এটি চলতে দেওয়া যায় না। আমরা চলতে দেব না। আমরা ৭২-এর সংবিধান বাংলাদেশে চলতে দেব না, দিতে পারি না। এবি পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে যে ঘটনা ঘটেছে, তা শুধু স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি ঘটনা নয়; এটি গত আটশ বছরের বাংলা অঞ্চলের ইতিহাসেও একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। যারা মনে করছেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে বুক চিতিয়ে, বুলেটকে সামনে রেখে, শত বাধা উপেক্ষা করে যারা বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদ এবং দিল্লির আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত করেছে—তাদের ভয় দেখানোর জন্য বিদেশি গণমাধ্যমে রাতের আঁধারে সাক্ষাৎকার দিলেই বাংলাদেশের মানুষ ভয় পেয়ে যাবে, তারা ভুল করছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে অবমাননা, বিকৃতি বা শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের আত্মত্যাগকে খাটো করার বিরুদ্ধে সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান ব্যারিস্টার ফুয়াদ। বাংলাদেশ লেবার পার্টির সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, বাকশাল ও ভারতীয় অধিপত্যবাদ থেকে বাঁচার জন্য আমরা সংগ্রাম করেছিলাম। ৫ আগস্টের পর তারা চাঁদাবাজিতে নতুনত্ব এনেছে, আর ক্ষমতায় যাওয়ার পর গুম কমিশনকেই গুম করে ফেলেছে। বিএনপি আওয়ামী লীগের মতোই সব অপকর্ম করে যাচ্ছে। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, যারা মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে চাপ দিয়ে চাঁদা দাবি করে- তাদের কাছে উন্নয়ন দাবি করে কোনো লাভ নেই। যারা কথায় কথায় মিথ্যা কথা বলে, যারা জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারি করে, তাদের সাথে কোনো আপস নেই, মুনাফিকদের সাথে আপস নেই। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চান বলেন, বাংলাদেশের সামনে রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। জনগণের অধিকার, সুশাসন, গণতন্ত্র ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন। জনগণের সকল অধিকার ও রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি আদায়ে আমি দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ও বরিশাল অঞ্চল পরিচালক এডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি, নিয়োগ বাণিজ্য চলছে। যারা নির্বাচনের আগে ওয়াদা দেন একরকম, আর কাজ করেন ভিন্ন- তারাই মুনাফিক। বরিশালের উন্নয়নে জাতীয় সংসদে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরায় প্রধান অতিথি ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের প্রতি বরিশালবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান এডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যসচিব ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, বরিশাল অঞ্চল জামায়াতের টিম সদস্য ফখরুদ্দিন খান রাজীর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ডা. মাহমুদা আলম মিতু এমপি, ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নাল আবদীন, বরিশাল জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবদুল জব্বার, বিএম কলেজের সাবেক এজিএস শেখ নেয়ামুল করিমসহ ১১ দলের কেন্দ্রীয়, বিভাগীয়, মহানগরী ও জেলা পর্যায়ের নেতারা। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি(বিডিপি) মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির মুখ্য সংগঠন আরিফুল ইসলাম আদিব, এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম ভূইয়া প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
বরিশাল
ঝালকাঠি
পটুয়াখালী
পিরোজপুর
বরগুনা
ভোলা
বিনোদন
বরিশাল
: বরিশালে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুর ৩ টায় নগরীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে এ সমাবেশ হয়। সমাবেশে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটে জনগণ প্রায় ৭০ ভাগ রায় দিয়েছে,ওই গণভোট না থাকলে এই সরকারও মানা হবে না। গণভোটকে ব্যর্থ করে দিলে আপনাদের ব্যর্থ করে দেয়া হবে। গণভোট মানতে জনগণ বাধ্য করবে। তিনি বলেন, ধোকার পথে পা বাড়াবেন না। আমাদের সাফ কথা গণভোটের গণরায় মানতেই হবে। যারা গণভোটের ভোট মানে না, তারা গণতন্ত্র মানে না, এরা গণতন্ত্রের শত্রু। আমরা চাই ফিরে আসুন, জনগণের রায়ের প্রতি আপনার সম্মান করুন। বৈষম্যের জন্য জুলাই হয়নি, বৈষম্যের কবর রচনার জন্য জুলাই হয়েছিল। সময় থাকতে সচেতন হন, মানুষের ম্যান্ডেটের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন, বলেন আমীরে জামায়াত। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের দাবিতে আজ ১৮ জুলাই শনিবার বিকেলে বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলের বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চব্বিশের ঐতিহ্য নিয়ে গড়ে উঠা জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ভুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে কোনো পরিবর্তন করা হলে আমরা আবার গর্জন করব। আমরা চুপ থাকবো না তার প্রতিবাদ করব। ঐতিহ্য গায়েব করা হয়ে থাকলে-তার ষোলো আনা আদায় করে ছাড়ব। জুলাইকে ধামাচাপা দিতে কত কসরত! বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা চব্বিশের তরুণ প্রজন্ম ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করে আমরা বাংলাদেশের নাগরিকদের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। গণভোটের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদ ও প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা গণআন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হব। আমরা এখনো হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি দিইনি; তবে জনগণের দাবি উপেক্ষা করা হলে ভবিষ্যতে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে, সতর্ক করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও সরকার সংস্কারের পক্ষে কথা বললেও বাস্তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। জনগণ গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই রায়কে উপেক্ষা করে শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। জনগণের সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রহসন মেনে নেওয়া হবে না। এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, আওয়ামী লীগের ফেরার কোনো সুযোগ নেই।, তাদের উসকানিমূলক বক্তব্যে আমরা কান দেবো না। আমরা চাই এদেশ থেকে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, মাস্তানি বন্ধ হোক। কিন্তু বিএনপি এসব শুনছে না। তারা আওয়ামী লীগের পতন থেকে শিক্ষা নেয়নি, বলেন তিনি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের ৭০ ভাগ জনগণ গণভোটে হ্যাঁ- এর পক্ষে রায় দিয়েছিল। জনগণ চেয়েছিল সংবিধান সংস্কার করে আগামী দিনে একটি ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ কায়েম করার জন্য। কিন্তু আমরা দেখলাম বর্তমান সরকার জাতীয় সংসদে থার্ড মেজরিটির গরমে তাঁরা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করে এক তরফা সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করেছে। এই সমাবেশ থেকে সরকার গঠিত খেলনা সংবিধান সংশোধন কমিটি প্রত্যাখ্যান করলাম। বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদকে সাংবিধানিক রূপ দেওয়ার জন্য গণভোটে প্রায় ৬৯% মানুষ হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় দিয়েছে। সুতরাং, এই সংবিধানকে সংস্কার করার জন্য ৬৯ শতাংশ মানুষের রায়কে উপেক্ষা করা যাবে না। আর ৭২-এর সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধের সংবিধান না- সেটা আওয়ামী লীগের সংবিধান। এটি চলতে দেওয়া যায় না। আমরা চলতে দেব না। আমরা ৭২-এর সংবিধান বাংলাদেশে চলতে দেব না, দিতে পারি না। এবি পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে যে ঘটনা ঘটেছে, তা শুধু স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি ঘটনা নয়; এটি গত আটশ বছরের বাংলা অঞ্চলের ইতিহাসেও একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। যারা মনে করছেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে বুক চিতিয়ে, বুলেটকে সামনে রেখে, শত বাধা উপেক্ষা করে যারা বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদ এবং দিল্লির আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত করেছে—তাদের ভয় দেখানোর জন্য বিদেশি গণমাধ্যমে রাতের আঁধারে সাক্ষাৎকার দিলেই বাংলাদেশের মানুষ ভয় পেয়ে যাবে, তারা ভুল করছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে অবমাননা, বিকৃতি বা শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের আত্মত্যাগকে খাটো করার বিরুদ্ধে সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান ব্যারিস্টার ফুয়াদ। বাংলাদেশ লেবার পার্টির সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, বাকশাল ও ভারতীয় অধিপত্যবাদ থেকে বাঁচার জন্য আমরা সংগ্রাম করেছিলাম। ৫ আগস্টের পর তারা চাঁদাবাজিতে নতুনত্ব এনেছে, আর ক্ষমতায় যাওয়ার পর গুম কমিশনকেই গুম করে ফেলেছে। বিএনপি আওয়ামী লীগের মতোই সব অপকর্ম করে যাচ্ছে। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, যারা মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে চাপ দিয়ে চাঁদা দাবি করে- তাদের কাছে উন্নয়ন দাবি করে কোনো লাভ নেই। যারা কথায় কথায় মিথ্যা কথা বলে, যারা জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারি করে, তাদের সাথে কোনো আপস নেই, মুনাফিকদের সাথে আপস নেই। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চান বলেন, বাংলাদেশের সামনে রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। জনগণের অধিকার, সুশাসন, গণতন্ত্র ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন। জনগণের সকল অধিকার ও রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি আদায়ে আমি দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ও বরিশাল অঞ্চল পরিচালক এডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি, নিয়োগ বাণিজ্য চলছে। যারা নির্বাচনের আগে ওয়াদা দেন একরকম, আর কাজ করেন ভিন্ন- তারাই মুনাফিক। বরিশালের উন্নয়নে জাতীয় সংসদে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরায় প্রধান অতিথি ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের প্রতি বরিশালবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান এডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যসচিব ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, বরিশাল অঞ্চল জামায়াতের টিম সদস্য ফখরুদ্দিন খান রাজীর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ডা. মাহমুদা আলম মিতু এমপি, ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নাল আবদীন, বরিশাল জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবদুল জব্বার, বিএম কলেজের সাবেক এজিএস শেখ নেয়ামুল করিমসহ ১১ দলের কেন্দ্রীয়, বিভাগীয়, মহানগরী ও জেলা পর্যায়ের নেতারা। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি(বিডিপি) মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির মুখ্য সংগঠন আরিফুল ইসলাম আদিব, এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম ভূইয়া প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
খেলাধুলা
বরিশাল
: বরিশালে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুর ৩ টায় নগরীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে এ সমাবেশ হয়। সমাবেশে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটে জনগণ প্রায় ৭০ ভাগ রায় দিয়েছে,ওই গণভোট না থাকলে এই সরকারও মানা হবে না। গণভোটকে ব্যর্থ করে দিলে আপনাদের ব্যর্থ করে দেয়া হবে। গণভোট মানতে জনগণ বাধ্য করবে। তিনি বলেন, ধোকার পথে পা বাড়াবেন না। আমাদের সাফ কথা গণভোটের গণরায় মানতেই হবে। যারা গণভোটের ভোট মানে না, তারা গণতন্ত্র মানে না, এরা গণতন্ত্রের শত্রু। আমরা চাই ফিরে আসুন, জনগণের রায়ের প্রতি আপনার সম্মান করুন। বৈষম্যের জন্য জুলাই হয়নি, বৈষম্যের কবর রচনার জন্য জুলাই হয়েছিল। সময় থাকতে সচেতন হন, মানুষের ম্যান্ডেটের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন, বলেন আমীরে জামায়াত। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের দাবিতে আজ ১৮ জুলাই শনিবার বিকেলে বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলের বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চব্বিশের ঐতিহ্য নিয়ে গড়ে উঠা জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ভুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে কোনো পরিবর্তন করা হলে আমরা আবার গর্জন করব। আমরা চুপ থাকবো না তার প্রতিবাদ করব। ঐতিহ্য গায়েব করা হয়ে থাকলে-তার ষোলো আনা আদায় করে ছাড়ব। জুলাইকে ধামাচাপা দিতে কত কসরত! বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা চব্বিশের তরুণ প্রজন্ম ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করে আমরা বাংলাদেশের নাগরিকদের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। গণভোটের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদ ও প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা গণআন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হব। আমরা এখনো হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি দিইনি; তবে জনগণের দাবি উপেক্ষা করা হলে ভবিষ্যতে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে, সতর্ক করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও সরকার সংস্কারের পক্ষে কথা বললেও বাস্তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। জনগণ গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই রায়কে উপেক্ষা করে শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। জনগণের সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রহসন মেনে নেওয়া হবে না। এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, আওয়ামী লীগের ফেরার কোনো সুযোগ নেই।, তাদের উসকানিমূলক বক্তব্যে আমরা কান দেবো না। আমরা চাই এদেশ থেকে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, মাস্তানি বন্ধ হোক। কিন্তু বিএনপি এসব শুনছে না। তারা আওয়ামী লীগের পতন থেকে শিক্ষা নেয়নি, বলেন তিনি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের ৭০ ভাগ জনগণ গণভোটে হ্যাঁ- এর পক্ষে রায় দিয়েছিল। জনগণ চেয়েছিল সংবিধান সংস্কার করে আগামী দিনে একটি ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ কায়েম করার জন্য। কিন্তু আমরা দেখলাম বর্তমান সরকার জাতীয় সংসদে থার্ড মেজরিটির গরমে তাঁরা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করে এক তরফা সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করেছে। এই সমাবেশ থেকে সরকার গঠিত খেলনা সংবিধান সংশোধন কমিটি প্রত্যাখ্যান করলাম। বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদকে সাংবিধানিক রূপ দেওয়ার জন্য গণভোটে প্রায় ৬৯% মানুষ হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় দিয়েছে। সুতরাং, এই সংবিধানকে সংস্কার করার জন্য ৬৯ শতাংশ মানুষের রায়কে উপেক্ষা করা যাবে না। আর ৭২-এর সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধের সংবিধান না- সেটা আওয়ামী লীগের সংবিধান। এটি চলতে দেওয়া যায় না। আমরা চলতে দেব না। আমরা ৭২-এর সংবিধান বাংলাদেশে চলতে দেব না, দিতে পারি না। এবি পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে যে ঘটনা ঘটেছে, তা শুধু স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি ঘটনা নয়; এটি গত আটশ বছরের বাংলা অঞ্চলের ইতিহাসেও একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। যারা মনে করছেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে বুক চিতিয়ে, বুলেটকে সামনে রেখে, শত বাধা উপেক্ষা করে যারা বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদ এবং দিল্লির আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত করেছে—তাদের ভয় দেখানোর জন্য বিদেশি গণমাধ্যমে রাতের আঁধারে সাক্ষাৎকার দিলেই বাংলাদেশের মানুষ ভয় পেয়ে যাবে, তারা ভুল করছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে অবমাননা, বিকৃতি বা শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের আত্মত্যাগকে খাটো করার বিরুদ্ধে সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান ব্যারিস্টার ফুয়াদ। বাংলাদেশ লেবার পার্টির সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, বাকশাল ও ভারতীয় অধিপত্যবাদ থেকে বাঁচার জন্য আমরা সংগ্রাম করেছিলাম। ৫ আগস্টের পর তারা চাঁদাবাজিতে নতুনত্ব এনেছে, আর ক্ষমতায় যাওয়ার পর গুম কমিশনকেই গুম করে ফেলেছে। বিএনপি আওয়ামী লীগের মতোই সব অপকর্ম করে যাচ্ছে। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, যারা মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে চাপ দিয়ে চাঁদা দাবি করে- তাদের কাছে উন্নয়ন দাবি করে কোনো লাভ নেই। যারা কথায় কথায় মিথ্যা কথা বলে, যারা জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারি করে, তাদের সাথে কোনো আপস নেই, মুনাফিকদের সাথে আপস নেই। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চান বলেন, বাংলাদেশের সামনে রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। জনগণের অধিকার, সুশাসন, গণতন্ত্র ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন। জনগণের সকল অধিকার ও রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি আদায়ে আমি দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ও বরিশাল অঞ্চল পরিচালক এডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি, নিয়োগ বাণিজ্য চলছে। যারা নির্বাচনের আগে ওয়াদা দেন একরকম, আর কাজ করেন ভিন্ন- তারাই মুনাফিক। বরিশালের উন্নয়নে জাতীয় সংসদে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরায় প্রধান অতিথি ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের প্রতি বরিশালবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান এডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যসচিব ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, বরিশাল অঞ্চল জামায়াতের টিম সদস্য ফখরুদ্দিন খান রাজীর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ডা. মাহমুদা আলম মিতু এমপি, ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নাল আবদীন, বরিশাল জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবদুল জব্বার, বিএম কলেজের সাবেক এজিএস শেখ নেয়ামুল করিমসহ ১১ দলের কেন্দ্রীয়, বিভাগীয়, মহানগরী ও জেলা পর্যায়ের নেতারা। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি(বিডিপি) মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির মুখ্য সংগঠন আরিফুল ইসলাম আদিব, এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম ভূইয়া প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বরিশাল
: বরিশালে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুর ৩ টায় নগরীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে এ সমাবেশ হয়। সমাবেশে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটে জনগণ প্রায় ৭০ ভাগ রায় দিয়েছে,ওই গণভোট না থাকলে এই সরকারও মানা হবে না। গণভোটকে ব্যর্থ করে দিলে আপনাদের ব্যর্থ করে দেয়া হবে। গণভোট মানতে জনগণ বাধ্য করবে। তিনি বলেন, ধোকার পথে পা বাড়াবেন না। আমাদের সাফ কথা গণভোটের গণরায় মানতেই হবে। যারা গণভোটের ভোট মানে না, তারা গণতন্ত্র মানে না, এরা গণতন্ত্রের শত্রু। আমরা চাই ফিরে আসুন, জনগণের রায়ের প্রতি আপনার সম্মান করুন। বৈষম্যের জন্য জুলাই হয়নি, বৈষম্যের কবর রচনার জন্য জুলাই হয়েছিল। সময় থাকতে সচেতন হন, মানুষের ম্যান্ডেটের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন, বলেন আমীরে জামায়াত। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের দাবিতে আজ ১৮ জুলাই শনিবার বিকেলে বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলের বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চব্বিশের ঐতিহ্য নিয়ে গড়ে উঠা জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ভুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে কোনো পরিবর্তন করা হলে আমরা আবার গর্জন করব। আমরা চুপ থাকবো না তার প্রতিবাদ করব। ঐতিহ্য গায়েব করা হয়ে থাকলে-তার ষোলো আনা আদায় করে ছাড়ব। জুলাইকে ধামাচাপা দিতে কত কসরত! বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা চব্বিশের তরুণ প্রজন্ম ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করে আমরা বাংলাদেশের নাগরিকদের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। গণভোটের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদ ও প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা গণআন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হব। আমরা এখনো হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি দিইনি; তবে জনগণের দাবি উপেক্ষা করা হলে ভবিষ্যতে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে, সতর্ক করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও সরকার সংস্কারের পক্ষে কথা বললেও বাস্তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। জনগণ গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই রায়কে উপেক্ষা করে শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। জনগণের সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রহসন মেনে নেওয়া হবে না। এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, আওয়ামী লীগের ফেরার কোনো সুযোগ নেই।, তাদের উসকানিমূলক বক্তব্যে আমরা কান দেবো না। আমরা চাই এদেশ থেকে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, মাস্তানি বন্ধ হোক। কিন্তু বিএনপি এসব শুনছে না। তারা আওয়ামী লীগের পতন থেকে শিক্ষা নেয়নি, বলেন তিনি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের ৭০ ভাগ জনগণ গণভোটে হ্যাঁ- এর পক্ষে রায় দিয়েছিল। জনগণ চেয়েছিল সংবিধান সংস্কার করে আগামী দিনে একটি ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ কায়েম করার জন্য। কিন্তু আমরা দেখলাম বর্তমান সরকার জাতীয় সংসদে থার্ড মেজরিটির গরমে তাঁরা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করে এক তরফা সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করেছে। এই সমাবেশ থেকে সরকার গঠিত খেলনা সংবিধান সংশোধন কমিটি প্রত্যাখ্যান করলাম। বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদকে সাংবিধানিক রূপ দেওয়ার জন্য গণভোটে প্রায় ৬৯% মানুষ হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় দিয়েছে। সুতরাং, এই সংবিধানকে সংস্কার করার জন্য ৬৯ শতাংশ মানুষের রায়কে উপেক্ষা করা যাবে না। আর ৭২-এর সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধের সংবিধান না- সেটা আওয়ামী লীগের সংবিধান। এটি চলতে দেওয়া যায় না। আমরা চলতে দেব না। আমরা ৭২-এর সংবিধান বাংলাদেশে চলতে দেব না, দিতে পারি না। এবি পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে যে ঘটনা ঘটেছে, তা শুধু স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি ঘটনা নয়; এটি গত আটশ বছরের বাংলা অঞ্চলের ইতিহাসেও একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। যারা মনে করছেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে বুক চিতিয়ে, বুলেটকে সামনে রেখে, শত বাধা উপেক্ষা করে যারা বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদ এবং দিল্লির আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত করেছে—তাদের ভয় দেখানোর জন্য বিদেশি গণমাধ্যমে রাতের আঁধারে সাক্ষাৎকার দিলেই বাংলাদেশের মানুষ ভয় পেয়ে যাবে, তারা ভুল করছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে অবমাননা, বিকৃতি বা শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের আত্মত্যাগকে খাটো করার বিরুদ্ধে সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান ব্যারিস্টার ফুয়াদ। বাংলাদেশ লেবার পার্টির সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, বাকশাল ও ভারতীয় অধিপত্যবাদ থেকে বাঁচার জন্য আমরা সংগ্রাম করেছিলাম। ৫ আগস্টের পর তারা চাঁদাবাজিতে নতুনত্ব এনেছে, আর ক্ষমতায় যাওয়ার পর গুম কমিশনকেই গুম করে ফেলেছে। বিএনপি আওয়ামী লীগের মতোই সব অপকর্ম করে যাচ্ছে। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, যারা মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে চাপ দিয়ে চাঁদা দাবি করে- তাদের কাছে উন্নয়ন দাবি করে কোনো লাভ নেই। যারা কথায় কথায় মিথ্যা কথা বলে, যারা জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারি করে, তাদের সাথে কোনো আপস নেই, মুনাফিকদের সাথে আপস নেই। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চান বলেন, বাংলাদেশের সামনে রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। জনগণের অধিকার, সুশাসন, গণতন্ত্র ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন। জনগণের সকল অধিকার ও রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি আদায়ে আমি দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ও বরিশাল অঞ্চল পরিচালক এডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি, নিয়োগ বাণিজ্য চলছে। যারা নির্বাচনের আগে ওয়াদা দেন একরকম, আর কাজ করেন ভিন্ন- তারাই মুনাফিক। বরিশালের উন্নয়নে জাতীয় সংসদে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরায় প্রধান অতিথি ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের প্রতি বরিশালবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান এডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যসচিব ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, বরিশাল অঞ্চল জামায়াতের টিম সদস্য ফখরুদ্দিন খান রাজীর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ডা. মাহমুদা আলম মিতু এমপি, ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নাল আবদীন, বরিশাল জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবদুল জব্বার, বিএম কলেজের সাবেক এজিএস শেখ নেয়ামুল করিমসহ ১১ দলের কেন্দ্রীয়, বিভাগীয়, মহানগরী ও জেলা পর্যায়ের নেতারা। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি(বিডিপি) মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির মুখ্য সংগঠন আরিফুল ইসলাম আদিব, এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম ভূইয়া প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
ভিডিও
ছবিঘর
লাইফস্টাইল
স্বাস্থ্য
প্রশাসন
আবহাওয়া বার্তা
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
আইটি টেক
অর্থনীতি
ক্যাম্পাস
Category: বরিশাল
Home
বরিশাল
NS_admin_03
July 18, 2026
6 sec read
51
গণভোটকে ব্যর্থ করে দিলে সরকারকে ব্যর্থ করে দেয়া হবে : জামায়াতে আমীর শফিকুর রহমান
NS_admin_03
July 16, 2026
1 sec read
35
কলাপাড়া চৌকি আদালত আইনজীবী সমিতির কমিটিতে সভাপতি নাসির, সম্পাদক আবুল
NS_admin_03
July 16, 2026
1 sec read
37
বিদ্যালয়ের জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ আলোচিত কাফির বিরুদ্ধে
NS_admin_03
July 16, 2026
1 sec read
55
বরিশালে ১১ দলীয় বিভাগীয় সমাবেশ ১৮ জুলাই
NS_admin_03
July 14, 2026
1 sec read
47
কলাপাড়ায় প্রান সংহতি সম্মাননা পেলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি)
NS_admin_03
July 10, 2026
3 sec read
43
বরিশালে থানায় হামলায় ১৮ জন গ্রেফতার
NS_admin_03
June 27, 2026
1 sec read
62
বরিশালে ‘উত্তরণ’ আয়োজনে জ্যৈষ্ঠ উৎসব ও বর্ষাবরণ
NS_admin_03
June 25, 2026
0 sec read
78
এইচএসসি’র প্রশ্নপত্র ফাঁস হলে সংশ্লিষ্টদের কঠিন শাস্তি : শিক্ষামন্ত্রী
NS_admin_03
May 20, 2026
1 sec read
97
ব্র্যাক বরিশালে এক বছরে ২৪ লাখ মানুষের পাশে
NS_admin_03
May 14, 2026
4 sec read
140
ব্রজমোহন বিদ্যালয় ১১ যুগপূর্তি উৎসবের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু
Prev.
1
2
3
Next
Popular Post
কলাপাড়ায় চলাচলে সড়ক আটকে বসতঘর নির্মানে ১৭ বছরের ভোগান্তি
(279)
NS_admin_03
May 11, 2026
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান
(199)
NS_admin_01
May 5, 2026
বিজয়ের উত্থানে টালমাটাল তামিলনাড়ুর পুরোনো জোট
(198)
NS_admin_01
May 5, 2026
আমি পদত্যাগ করব না: মমতা
(184)
NS_admin_01
May 5, 2026
৭ম দিনের এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২০ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৮ জন
(178)
NS_admin_01
May 5, 2026
Newsletter
Weather
Dhaka
moderate rain
26
℃
30º - 26º
humidity:
79%
wind:
7 km/h
31
℃
Sat
33
℃
Sun
32
℃
Mon
34
℃
Tue
35
℃
Wed
35
℃
Thu