Latest post
কলাপাড়ায় দীর্ঘ ১৫ বছর পর আলোর মুখ দেখলেন ঘরবন্দী সালেহা
মিথ্যা গুজবে আগৈলঝাড়া থানা আক্রমনে জড়িতদের গ্রেফতার
ফুলবাড়ীতে অরক্ষিত কয়লা উত্তোলন বন্ধের দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ
Popular Posts
কলাপাড়ায় চলাচলে সড়ক আটকে বসতঘর নির্মানে ১৭ বছরের ভোগান্তি
(315)
NS_admin_03
May 11, 2026
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান
(223)
NS_admin_01
May 5, 2026
বিজয়ের উত্থানে টালমাটাল তামিলনাড়ুর পুরোনো জোট
(222)
NS_admin_01
May 5, 2026
আমি পদত্যাগ করব না: মমতা
(218)
NS_admin_01
May 5, 2026
৭ম দিনের এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২০ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৮ জন
(204)
NS_admin_01
May 5, 2026
Stay Connected
TT Ads
প্রচ্ছদ
বরিশাল
: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্ধারণ করে দেওয়া দুটি লক্ষ্য বাস্তবায়ন করাই আমাদের মন্ত্রণালয়ের মূল লক্ষ্য। যার মধ্যে একটি হলো- কোনো পাঠদান বয়সি শিক্ষার্থী ও শিশু যেন শ্রেণিকক্ষের বাহিরে না থাকে এবং দ্বিতীয়টি হলো, প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন সঠিকভাবে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষা লাভ করে। আর আমরা বিশ্বাস করি যদি-এ দুটি গোল যদি সঠিকভাবে ফুলফিল করতে পারি, তাহলে আমাদের দেশের শিক্ষা কোনোভাবে আর বিশ্বমান থেকে পিছিয়ে থাকবে না। রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে প্রাথমিক শিক্ষার রূপান্তর ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত দিনব্যাপি কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, বরিশালের অনেকে স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই, কয়েকহাজারের তথ্য দেখেছি, তবে এটা শুধু এখানকার বিষয় নয়, সারাদেশের চিত্র এমন। মূল বিষয় হলো, বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি মামলাধীন ছিল, এজন্য গত কয়েক বছর ধরে ৩২ হাজার প্লাস নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। এখন মামলা শেষ, আর পিএসসির সাথে আমরা কাজও করছি, যাতে যত দ্রুত সম্ভব প্রধানশিক্ষক নিয়োগটা আমরা কার্যকরী করতে পারি। খুব বেশি আর দেরি করতে হবে না। তিনি বলেন, অনেকে স্কুলের অবকাঠামোগত অবস্থা দুঃখজনক, অর্থাৎ ভালো না। আপনারা জানেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন বাজেটে বাংলাদেশের রেকর্ড শিক্ষায় বাজেট প্রদান করেছেন, জিডিপির দুই শতাংশ। এর আগে বাংলাদেশের ইতিহাসে এটা কখনও হয়নি, বিগত ১ থেকে ২ বছর আগেও যদি দেখেন ১ পয়েন্ট ৩ বা ৪ পার্সেন্টের বেশি ছিল না। প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে এই বাজেটকে আগামী ৫ বছরের মধ্যে ৫ শতাংশে উন্নীত করার কথাও বলেছেন। সেই জায়গা থেকে আমরা অনেকগুলো ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি। তিনি বলেন, ১৫১ টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পাইলট প্রকল্প হিসেবে চলছে। আমরা অনুমান করছি ২০২৭ সালের শুরু থেকে দেশব্যাপী সব স্কুলে এটি চালু করতে সক্ষম হবো। তবে পাইলটিং-এ দেরি হলে এ কার্যক্রম কিছুটা দেরি হতে পারে, তবে সেটা ২০২৭ এর মধ্যে হবে সেটা অবধারিত। তিনি বলেন, প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষা মানসম্মত হচ্ছে কিনা এটা আমার মাথাব্যথা। বিগত দিন গুলিতে সরকারি প্রাথমিকের অনেক জায়গায় মানসম্মত শিক্ষা দিতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। এখন আমরা কাজ করছি প্রথমত প্রত্যেকটি সরকারি প্রাথমিকে যেন মানসম্মত শিক্ষা হয়। সেইসাথে প্রধানমন্ত্রীর দুটি গোল বাস্তবায়নে বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছি, যাতে স্কুলে আসতে শিক্ষার্থীরা উৎসাহিত হয়। সেইসাথে এই বাস্তবতায়ও আসতে হবে- সব শিক্ষার্থীরা সরকারি প্রাথমিকে আসতে চাইতে নাও পারে, তাদের পুরো অধিকার রয়েছে। যেই জায়গায় আমাদের নাগরিকরা তাদের নাগরিক সুবিধা সঠিকভাবে পাচ্ছে না, আমাদের শিশুরা সঠিক শিক্ষার সুবিধা বঞ্চিত, সেই জায়গায় সরকারি প্রাথমিক সৃষ্টি করা হবে। সেই সুবিধা বঞ্চিত যদি না থাকে, সরকারি প্রাথমিকে মানসম্মত শিক্ষা আনার পরও যদি শিক্ষার্থী না আসে তাহলে বিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া হবে, এটা তো সরকারি মাল দরিয়ায় ঢাল হওয়ার মতো বিষয় না। কিন্তু আগে প্রচেষ্টা হবে বইপুস্তকগুলো নিয়ে মানসম্মত শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে নিয়ে আসা। যা নিয়ে আমরা কাজ করছি, অতিশীঘ্রই এগুলো বাস্তবায়ন হয়ে গেলে তারপর সেখানে শিক্ষার্থী না থাকলে স্কুলগুলো বন্ধ করে দেওয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর বরিশাল বিভাগের উপ-পরিচালক মিজ নিলুফার ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে এ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর-এর পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিল- এনডিসি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন-১) মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সরকার।
জাতীয়
বরিশাল
: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্ধারণ করে দেওয়া দুটি লক্ষ্য বাস্তবায়ন করাই আমাদের মন্ত্রণালয়ের মূল লক্ষ্য। যার মধ্যে একটি হলো- কোনো পাঠদান বয়সি শিক্ষার্থী ও শিশু যেন শ্রেণিকক্ষের বাহিরে না থাকে এবং দ্বিতীয়টি হলো, প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন সঠিকভাবে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষা লাভ করে। আর আমরা বিশ্বাস করি যদি-এ দুটি গোল যদি সঠিকভাবে ফুলফিল করতে পারি, তাহলে আমাদের দেশের শিক্ষা কোনোভাবে আর বিশ্বমান থেকে পিছিয়ে থাকবে না। রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে প্রাথমিক শিক্ষার রূপান্তর ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত দিনব্যাপি কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, বরিশালের অনেকে স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই, কয়েকহাজারের তথ্য দেখেছি, তবে এটা শুধু এখানকার বিষয় নয়, সারাদেশের চিত্র এমন। মূল বিষয় হলো, বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি মামলাধীন ছিল, এজন্য গত কয়েক বছর ধরে ৩২ হাজার প্লাস নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। এখন মামলা শেষ, আর পিএসসির সাথে আমরা কাজও করছি, যাতে যত দ্রুত সম্ভব প্রধানশিক্ষক নিয়োগটা আমরা কার্যকরী করতে পারি। খুব বেশি আর দেরি করতে হবে না। তিনি বলেন, অনেকে স্কুলের অবকাঠামোগত অবস্থা দুঃখজনক, অর্থাৎ ভালো না। আপনারা জানেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন বাজেটে বাংলাদেশের রেকর্ড শিক্ষায় বাজেট প্রদান করেছেন, জিডিপির দুই শতাংশ। এর আগে বাংলাদেশের ইতিহাসে এটা কখনও হয়নি, বিগত ১ থেকে ২ বছর আগেও যদি দেখেন ১ পয়েন্ট ৩ বা ৪ পার্সেন্টের বেশি ছিল না। প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে এই বাজেটকে আগামী ৫ বছরের মধ্যে ৫ শতাংশে উন্নীত করার কথাও বলেছেন। সেই জায়গা থেকে আমরা অনেকগুলো ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি। তিনি বলেন, ১৫১ টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পাইলট প্রকল্প হিসেবে চলছে। আমরা অনুমান করছি ২০২৭ সালের শুরু থেকে দেশব্যাপী সব স্কুলে এটি চালু করতে সক্ষম হবো। তবে পাইলটিং-এ দেরি হলে এ কার্যক্রম কিছুটা দেরি হতে পারে, তবে সেটা ২০২৭ এর মধ্যে হবে সেটা অবধারিত। তিনি বলেন, প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষা মানসম্মত হচ্ছে কিনা এটা আমার মাথাব্যথা। বিগত দিন গুলিতে সরকারি প্রাথমিকের অনেক জায়গায় মানসম্মত শিক্ষা দিতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। এখন আমরা কাজ করছি প্রথমত প্রত্যেকটি সরকারি প্রাথমিকে যেন মানসম্মত শিক্ষা হয়। সেইসাথে প্রধানমন্ত্রীর দুটি গোল বাস্তবায়নে বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছি, যাতে স্কুলে আসতে শিক্ষার্থীরা উৎসাহিত হয়। সেইসাথে এই বাস্তবতায়ও আসতে হবে- সব শিক্ষার্থীরা সরকারি প্রাথমিকে আসতে চাইতে নাও পারে, তাদের পুরো অধিকার রয়েছে। যেই জায়গায় আমাদের নাগরিকরা তাদের নাগরিক সুবিধা সঠিকভাবে পাচ্ছে না, আমাদের শিশুরা সঠিক শিক্ষার সুবিধা বঞ্চিত, সেই জায়গায় সরকারি প্রাথমিক সৃষ্টি করা হবে। সেই সুবিধা বঞ্চিত যদি না থাকে, সরকারি প্রাথমিকে মানসম্মত শিক্ষা আনার পরও যদি শিক্ষার্থী না আসে তাহলে বিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া হবে, এটা তো সরকারি মাল দরিয়ায় ঢাল হওয়ার মতো বিষয় না। কিন্তু আগে প্রচেষ্টা হবে বইপুস্তকগুলো নিয়ে মানসম্মত শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে নিয়ে আসা। যা নিয়ে আমরা কাজ করছি, অতিশীঘ্রই এগুলো বাস্তবায়ন হয়ে গেলে তারপর সেখানে শিক্ষার্থী না থাকলে স্কুলগুলো বন্ধ করে দেওয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর বরিশাল বিভাগের উপ-পরিচালক মিজ নিলুফার ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে এ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর-এর পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিল- এনডিসি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন-১) মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সরকার।
রাজনীতি
বরিশাল
: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্ধারণ করে দেওয়া দুটি লক্ষ্য বাস্তবায়ন করাই আমাদের মন্ত্রণালয়ের মূল লক্ষ্য। যার মধ্যে একটি হলো- কোনো পাঠদান বয়সি শিক্ষার্থী ও শিশু যেন শ্রেণিকক্ষের বাহিরে না থাকে এবং দ্বিতীয়টি হলো, প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন সঠিকভাবে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষা লাভ করে। আর আমরা বিশ্বাস করি যদি-এ দুটি গোল যদি সঠিকভাবে ফুলফিল করতে পারি, তাহলে আমাদের দেশের শিক্ষা কোনোভাবে আর বিশ্বমান থেকে পিছিয়ে থাকবে না। রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে প্রাথমিক শিক্ষার রূপান্তর ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত দিনব্যাপি কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, বরিশালের অনেকে স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই, কয়েকহাজারের তথ্য দেখেছি, তবে এটা শুধু এখানকার বিষয় নয়, সারাদেশের চিত্র এমন। মূল বিষয় হলো, বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি মামলাধীন ছিল, এজন্য গত কয়েক বছর ধরে ৩২ হাজার প্লাস নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। এখন মামলা শেষ, আর পিএসসির সাথে আমরা কাজও করছি, যাতে যত দ্রুত সম্ভব প্রধানশিক্ষক নিয়োগটা আমরা কার্যকরী করতে পারি। খুব বেশি আর দেরি করতে হবে না। তিনি বলেন, অনেকে স্কুলের অবকাঠামোগত অবস্থা দুঃখজনক, অর্থাৎ ভালো না। আপনারা জানেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন বাজেটে বাংলাদেশের রেকর্ড শিক্ষায় বাজেট প্রদান করেছেন, জিডিপির দুই শতাংশ। এর আগে বাংলাদেশের ইতিহাসে এটা কখনও হয়নি, বিগত ১ থেকে ২ বছর আগেও যদি দেখেন ১ পয়েন্ট ৩ বা ৪ পার্সেন্টের বেশি ছিল না। প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে এই বাজেটকে আগামী ৫ বছরের মধ্যে ৫ শতাংশে উন্নীত করার কথাও বলেছেন। সেই জায়গা থেকে আমরা অনেকগুলো ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি। তিনি বলেন, ১৫১ টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পাইলট প্রকল্প হিসেবে চলছে। আমরা অনুমান করছি ২০২৭ সালের শুরু থেকে দেশব্যাপী সব স্কুলে এটি চালু করতে সক্ষম হবো। তবে পাইলটিং-এ দেরি হলে এ কার্যক্রম কিছুটা দেরি হতে পারে, তবে সেটা ২০২৭ এর মধ্যে হবে সেটা অবধারিত। তিনি বলেন, প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষা মানসম্মত হচ্ছে কিনা এটা আমার মাথাব্যথা। বিগত দিন গুলিতে সরকারি প্রাথমিকের অনেক জায়গায় মানসম্মত শিক্ষা দিতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। এখন আমরা কাজ করছি প্রথমত প্রত্যেকটি সরকারি প্রাথমিকে যেন মানসম্মত শিক্ষা হয়। সেইসাথে প্রধানমন্ত্রীর দুটি গোল বাস্তবায়নে বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছি, যাতে স্কুলে আসতে শিক্ষার্থীরা উৎসাহিত হয়। সেইসাথে এই বাস্তবতায়ও আসতে হবে- সব শিক্ষার্থীরা সরকারি প্রাথমিকে আসতে চাইতে নাও পারে, তাদের পুরো অধিকার রয়েছে। যেই জায়গায় আমাদের নাগরিকরা তাদের নাগরিক সুবিধা সঠিকভাবে পাচ্ছে না, আমাদের শিশুরা সঠিক শিক্ষার সুবিধা বঞ্চিত, সেই জায়গায় সরকারি প্রাথমিক সৃষ্টি করা হবে। সেই সুবিধা বঞ্চিত যদি না থাকে, সরকারি প্রাথমিকে মানসম্মত শিক্ষা আনার পরও যদি শিক্ষার্থী না আসে তাহলে বিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া হবে, এটা তো সরকারি মাল দরিয়ায় ঢাল হওয়ার মতো বিষয় না। কিন্তু আগে প্রচেষ্টা হবে বইপুস্তকগুলো নিয়ে মানসম্মত শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে নিয়ে আসা। যা নিয়ে আমরা কাজ করছি, অতিশীঘ্রই এগুলো বাস্তবায়ন হয়ে গেলে তারপর সেখানে শিক্ষার্থী না থাকলে স্কুলগুলো বন্ধ করে দেওয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর বরিশাল বিভাগের উপ-পরিচালক মিজ নিলুফার ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে এ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর-এর পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিল- এনডিসি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন-১) মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সরকার।
সারাদেশ
বরিশাল
: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্ধারণ করে দেওয়া দুটি লক্ষ্য বাস্তবায়ন করাই আমাদের মন্ত্রণালয়ের মূল লক্ষ্য। যার মধ্যে একটি হলো- কোনো পাঠদান বয়সি শিক্ষার্থী ও শিশু যেন শ্রেণিকক্ষের বাহিরে না থাকে এবং দ্বিতীয়টি হলো, প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন সঠিকভাবে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষা লাভ করে। আর আমরা বিশ্বাস করি যদি-এ দুটি গোল যদি সঠিকভাবে ফুলফিল করতে পারি, তাহলে আমাদের দেশের শিক্ষা কোনোভাবে আর বিশ্বমান থেকে পিছিয়ে থাকবে না। রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে প্রাথমিক শিক্ষার রূপান্তর ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত দিনব্যাপি কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, বরিশালের অনেকে স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই, কয়েকহাজারের তথ্য দেখেছি, তবে এটা শুধু এখানকার বিষয় নয়, সারাদেশের চিত্র এমন। মূল বিষয় হলো, বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি মামলাধীন ছিল, এজন্য গত কয়েক বছর ধরে ৩২ হাজার প্লাস নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। এখন মামলা শেষ, আর পিএসসির সাথে আমরা কাজও করছি, যাতে যত দ্রুত সম্ভব প্রধানশিক্ষক নিয়োগটা আমরা কার্যকরী করতে পারি। খুব বেশি আর দেরি করতে হবে না। তিনি বলেন, অনেকে স্কুলের অবকাঠামোগত অবস্থা দুঃখজনক, অর্থাৎ ভালো না। আপনারা জানেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন বাজেটে বাংলাদেশের রেকর্ড শিক্ষায় বাজেট প্রদান করেছেন, জিডিপির দুই শতাংশ। এর আগে বাংলাদেশের ইতিহাসে এটা কখনও হয়নি, বিগত ১ থেকে ২ বছর আগেও যদি দেখেন ১ পয়েন্ট ৩ বা ৪ পার্সেন্টের বেশি ছিল না। প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে এই বাজেটকে আগামী ৫ বছরের মধ্যে ৫ শতাংশে উন্নীত করার কথাও বলেছেন। সেই জায়গা থেকে আমরা অনেকগুলো ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি। তিনি বলেন, ১৫১ টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পাইলট প্রকল্প হিসেবে চলছে। আমরা অনুমান করছি ২০২৭ সালের শুরু থেকে দেশব্যাপী সব স্কুলে এটি চালু করতে সক্ষম হবো। তবে পাইলটিং-এ দেরি হলে এ কার্যক্রম কিছুটা দেরি হতে পারে, তবে সেটা ২০২৭ এর মধ্যে হবে সেটা অবধারিত। তিনি বলেন, প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষা মানসম্মত হচ্ছে কিনা এটা আমার মাথাব্যথা। বিগত দিন গুলিতে সরকারি প্রাথমিকের অনেক জায়গায় মানসম্মত শিক্ষা দিতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। এখন আমরা কাজ করছি প্রথমত প্রত্যেকটি সরকারি প্রাথমিকে যেন মানসম্মত শিক্ষা হয়। সেইসাথে প্রধানমন্ত্রীর দুটি গোল বাস্তবায়নে বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছি, যাতে স্কুলে আসতে শিক্ষার্থীরা উৎসাহিত হয়। সেইসাথে এই বাস্তবতায়ও আসতে হবে- সব শিক্ষার্থীরা সরকারি প্রাথমিকে আসতে চাইতে নাও পারে, তাদের পুরো অধিকার রয়েছে। যেই জায়গায় আমাদের নাগরিকরা তাদের নাগরিক সুবিধা সঠিকভাবে পাচ্ছে না, আমাদের শিশুরা সঠিক শিক্ষার সুবিধা বঞ্চিত, সেই জায়গায় সরকারি প্রাথমিক সৃষ্টি করা হবে। সেই সুবিধা বঞ্চিত যদি না থাকে, সরকারি প্রাথমিকে মানসম্মত শিক্ষা আনার পরও যদি শিক্ষার্থী না আসে তাহলে বিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া হবে, এটা তো সরকারি মাল দরিয়ায় ঢাল হওয়ার মতো বিষয় না। কিন্তু আগে প্রচেষ্টা হবে বইপুস্তকগুলো নিয়ে মানসম্মত শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে নিয়ে আসা। যা নিয়ে আমরা কাজ করছি, অতিশীঘ্রই এগুলো বাস্তবায়ন হয়ে গেলে তারপর সেখানে শিক্ষার্থী না থাকলে স্কুলগুলো বন্ধ করে দেওয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর বরিশাল বিভাগের উপ-পরিচালক মিজ নিলুফার ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে এ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর-এর পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিল- এনডিসি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন-১) মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সরকার।
ঢাকা
বরিশাল
রাজশাহী
চট্টগ্রাম
খুলনা
ময়মনসিংহ
রংপুর
সিলেট
আন্তর্জাতিক
বরিশাল
: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্ধারণ করে দেওয়া দুটি লক্ষ্য বাস্তবায়ন করাই আমাদের মন্ত্রণালয়ের মূল লক্ষ্য। যার মধ্যে একটি হলো- কোনো পাঠদান বয়সি শিক্ষার্থী ও শিশু যেন শ্রেণিকক্ষের বাহিরে না থাকে এবং দ্বিতীয়টি হলো, প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন সঠিকভাবে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষা লাভ করে। আর আমরা বিশ্বাস করি যদি-এ দুটি গোল যদি সঠিকভাবে ফুলফিল করতে পারি, তাহলে আমাদের দেশের শিক্ষা কোনোভাবে আর বিশ্বমান থেকে পিছিয়ে থাকবে না। রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে প্রাথমিক শিক্ষার রূপান্তর ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত দিনব্যাপি কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, বরিশালের অনেকে স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই, কয়েকহাজারের তথ্য দেখেছি, তবে এটা শুধু এখানকার বিষয় নয়, সারাদেশের চিত্র এমন। মূল বিষয় হলো, বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি মামলাধীন ছিল, এজন্য গত কয়েক বছর ধরে ৩২ হাজার প্লাস নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। এখন মামলা শেষ, আর পিএসসির সাথে আমরা কাজও করছি, যাতে যত দ্রুত সম্ভব প্রধানশিক্ষক নিয়োগটা আমরা কার্যকরী করতে পারি। খুব বেশি আর দেরি করতে হবে না। তিনি বলেন, অনেকে স্কুলের অবকাঠামোগত অবস্থা দুঃখজনক, অর্থাৎ ভালো না। আপনারা জানেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন বাজেটে বাংলাদেশের রেকর্ড শিক্ষায় বাজেট প্রদান করেছেন, জিডিপির দুই শতাংশ। এর আগে বাংলাদেশের ইতিহাসে এটা কখনও হয়নি, বিগত ১ থেকে ২ বছর আগেও যদি দেখেন ১ পয়েন্ট ৩ বা ৪ পার্সেন্টের বেশি ছিল না। প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে এই বাজেটকে আগামী ৫ বছরের মধ্যে ৫ শতাংশে উন্নীত করার কথাও বলেছেন। সেই জায়গা থেকে আমরা অনেকগুলো ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি। তিনি বলেন, ১৫১ টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পাইলট প্রকল্প হিসেবে চলছে। আমরা অনুমান করছি ২০২৭ সালের শুরু থেকে দেশব্যাপী সব স্কুলে এটি চালু করতে সক্ষম হবো। তবে পাইলটিং-এ দেরি হলে এ কার্যক্রম কিছুটা দেরি হতে পারে, তবে সেটা ২০২৭ এর মধ্যে হবে সেটা অবধারিত। তিনি বলেন, প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষা মানসম্মত হচ্ছে কিনা এটা আমার মাথাব্যথা। বিগত দিন গুলিতে সরকারি প্রাথমিকের অনেক জায়গায় মানসম্মত শিক্ষা দিতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। এখন আমরা কাজ করছি প্রথমত প্রত্যেকটি সরকারি প্রাথমিকে যেন মানসম্মত শিক্ষা হয়। সেইসাথে প্রধানমন্ত্রীর দুটি গোল বাস্তবায়নে বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছি, যাতে স্কুলে আসতে শিক্ষার্থীরা উৎসাহিত হয়। সেইসাথে এই বাস্তবতায়ও আসতে হবে- সব শিক্ষার্থীরা সরকারি প্রাথমিকে আসতে চাইতে নাও পারে, তাদের পুরো অধিকার রয়েছে। যেই জায়গায় আমাদের নাগরিকরা তাদের নাগরিক সুবিধা সঠিকভাবে পাচ্ছে না, আমাদের শিশুরা সঠিক শিক্ষার সুবিধা বঞ্চিত, সেই জায়গায় সরকারি প্রাথমিক সৃষ্টি করা হবে। সেই সুবিধা বঞ্চিত যদি না থাকে, সরকারি প্রাথমিকে মানসম্মত শিক্ষা আনার পরও যদি শিক্ষার্থী না আসে তাহলে বিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া হবে, এটা তো সরকারি মাল দরিয়ায় ঢাল হওয়ার মতো বিষয় না। কিন্তু আগে প্রচেষ্টা হবে বইপুস্তকগুলো নিয়ে মানসম্মত শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে নিয়ে আসা। যা নিয়ে আমরা কাজ করছি, অতিশীঘ্রই এগুলো বাস্তবায়ন হয়ে গেলে তারপর সেখানে শিক্ষার্থী না থাকলে স্কুলগুলো বন্ধ করে দেওয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর বরিশাল বিভাগের উপ-পরিচালক মিজ নিলুফার ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে এ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর-এর পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিল- এনডিসি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন-১) মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সরকার।
বরিশাল বিভাগ
বরিশাল
: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্ধারণ করে দেওয়া দুটি লক্ষ্য বাস্তবায়ন করাই আমাদের মন্ত্রণালয়ের মূল লক্ষ্য। যার মধ্যে একটি হলো- কোনো পাঠদান বয়সি শিক্ষার্থী ও শিশু যেন শ্রেণিকক্ষের বাহিরে না থাকে এবং দ্বিতীয়টি হলো, প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন সঠিকভাবে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষা লাভ করে। আর আমরা বিশ্বাস করি যদি-এ দুটি গোল যদি সঠিকভাবে ফুলফিল করতে পারি, তাহলে আমাদের দেশের শিক্ষা কোনোভাবে আর বিশ্বমান থেকে পিছিয়ে থাকবে না। রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে প্রাথমিক শিক্ষার রূপান্তর ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত দিনব্যাপি কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, বরিশালের অনেকে স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই, কয়েকহাজারের তথ্য দেখেছি, তবে এটা শুধু এখানকার বিষয় নয়, সারাদেশের চিত্র এমন। মূল বিষয় হলো, বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি মামলাধীন ছিল, এজন্য গত কয়েক বছর ধরে ৩২ হাজার প্লাস নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। এখন মামলা শেষ, আর পিএসসির সাথে আমরা কাজও করছি, যাতে যত দ্রুত সম্ভব প্রধানশিক্ষক নিয়োগটা আমরা কার্যকরী করতে পারি। খুব বেশি আর দেরি করতে হবে না। তিনি বলেন, অনেকে স্কুলের অবকাঠামোগত অবস্থা দুঃখজনক, অর্থাৎ ভালো না। আপনারা জানেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন বাজেটে বাংলাদেশের রেকর্ড শিক্ষায় বাজেট প্রদান করেছেন, জিডিপির দুই শতাংশ। এর আগে বাংলাদেশের ইতিহাসে এটা কখনও হয়নি, বিগত ১ থেকে ২ বছর আগেও যদি দেখেন ১ পয়েন্ট ৩ বা ৪ পার্সেন্টের বেশি ছিল না। প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে এই বাজেটকে আগামী ৫ বছরের মধ্যে ৫ শতাংশে উন্নীত করার কথাও বলেছেন। সেই জায়গা থেকে আমরা অনেকগুলো ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি। তিনি বলেন, ১৫১ টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পাইলট প্রকল্প হিসেবে চলছে। আমরা অনুমান করছি ২০২৭ সালের শুরু থেকে দেশব্যাপী সব স্কুলে এটি চালু করতে সক্ষম হবো। তবে পাইলটিং-এ দেরি হলে এ কার্যক্রম কিছুটা দেরি হতে পারে, তবে সেটা ২০২৭ এর মধ্যে হবে সেটা অবধারিত। তিনি বলেন, প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষা মানসম্মত হচ্ছে কিনা এটা আমার মাথাব্যথা। বিগত দিন গুলিতে সরকারি প্রাথমিকের অনেক জায়গায় মানসম্মত শিক্ষা দিতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। এখন আমরা কাজ করছি প্রথমত প্রত্যেকটি সরকারি প্রাথমিকে যেন মানসম্মত শিক্ষা হয়। সেইসাথে প্রধানমন্ত্রীর দুটি গোল বাস্তবায়নে বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছি, যাতে স্কুলে আসতে শিক্ষার্থীরা উৎসাহিত হয়। সেইসাথে এই বাস্তবতায়ও আসতে হবে- সব শিক্ষার্থীরা সরকারি প্রাথমিকে আসতে চাইতে নাও পারে, তাদের পুরো অধিকার রয়েছে। যেই জায়গায় আমাদের নাগরিকরা তাদের নাগরিক সুবিধা সঠিকভাবে পাচ্ছে না, আমাদের শিশুরা সঠিক শিক্ষার সুবিধা বঞ্চিত, সেই জায়গায় সরকারি প্রাথমিক সৃষ্টি করা হবে। সেই সুবিধা বঞ্চিত যদি না থাকে, সরকারি প্রাথমিকে মানসম্মত শিক্ষা আনার পরও যদি শিক্ষার্থী না আসে তাহলে বিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া হবে, এটা তো সরকারি মাল দরিয়ায় ঢাল হওয়ার মতো বিষয় না। কিন্তু আগে প্রচেষ্টা হবে বইপুস্তকগুলো নিয়ে মানসম্মত শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে নিয়ে আসা। যা নিয়ে আমরা কাজ করছি, অতিশীঘ্রই এগুলো বাস্তবায়ন হয়ে গেলে তারপর সেখানে শিক্ষার্থী না থাকলে স্কুলগুলো বন্ধ করে দেওয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর বরিশাল বিভাগের উপ-পরিচালক মিজ নিলুফার ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে এ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর-এর পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিল- এনডিসি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন-১) মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সরকার।
বরিশাল
ঝালকাঠি
পটুয়াখালী
পিরোজপুর
বরগুনা
ভোলা
বিনোদন
বরিশাল
: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্ধারণ করে দেওয়া দুটি লক্ষ্য বাস্তবায়ন করাই আমাদের মন্ত্রণালয়ের মূল লক্ষ্য। যার মধ্যে একটি হলো- কোনো পাঠদান বয়সি শিক্ষার্থী ও শিশু যেন শ্রেণিকক্ষের বাহিরে না থাকে এবং দ্বিতীয়টি হলো, প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন সঠিকভাবে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষা লাভ করে। আর আমরা বিশ্বাস করি যদি-এ দুটি গোল যদি সঠিকভাবে ফুলফিল করতে পারি, তাহলে আমাদের দেশের শিক্ষা কোনোভাবে আর বিশ্বমান থেকে পিছিয়ে থাকবে না। রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে প্রাথমিক শিক্ষার রূপান্তর ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত দিনব্যাপি কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, বরিশালের অনেকে স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই, কয়েকহাজারের তথ্য দেখেছি, তবে এটা শুধু এখানকার বিষয় নয়, সারাদেশের চিত্র এমন। মূল বিষয় হলো, বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি মামলাধীন ছিল, এজন্য গত কয়েক বছর ধরে ৩২ হাজার প্লাস নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। এখন মামলা শেষ, আর পিএসসির সাথে আমরা কাজও করছি, যাতে যত দ্রুত সম্ভব প্রধানশিক্ষক নিয়োগটা আমরা কার্যকরী করতে পারি। খুব বেশি আর দেরি করতে হবে না। তিনি বলেন, অনেকে স্কুলের অবকাঠামোগত অবস্থা দুঃখজনক, অর্থাৎ ভালো না। আপনারা জানেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন বাজেটে বাংলাদেশের রেকর্ড শিক্ষায় বাজেট প্রদান করেছেন, জিডিপির দুই শতাংশ। এর আগে বাংলাদেশের ইতিহাসে এটা কখনও হয়নি, বিগত ১ থেকে ২ বছর আগেও যদি দেখেন ১ পয়েন্ট ৩ বা ৪ পার্সেন্টের বেশি ছিল না। প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে এই বাজেটকে আগামী ৫ বছরের মধ্যে ৫ শতাংশে উন্নীত করার কথাও বলেছেন। সেই জায়গা থেকে আমরা অনেকগুলো ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি। তিনি বলেন, ১৫১ টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পাইলট প্রকল্প হিসেবে চলছে। আমরা অনুমান করছি ২০২৭ সালের শুরু থেকে দেশব্যাপী সব স্কুলে এটি চালু করতে সক্ষম হবো। তবে পাইলটিং-এ দেরি হলে এ কার্যক্রম কিছুটা দেরি হতে পারে, তবে সেটা ২০২৭ এর মধ্যে হবে সেটা অবধারিত। তিনি বলেন, প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষা মানসম্মত হচ্ছে কিনা এটা আমার মাথাব্যথা। বিগত দিন গুলিতে সরকারি প্রাথমিকের অনেক জায়গায় মানসম্মত শিক্ষা দিতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। এখন আমরা কাজ করছি প্রথমত প্রত্যেকটি সরকারি প্রাথমিকে যেন মানসম্মত শিক্ষা হয়। সেইসাথে প্রধানমন্ত্রীর দুটি গোল বাস্তবায়নে বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছি, যাতে স্কুলে আসতে শিক্ষার্থীরা উৎসাহিত হয়। সেইসাথে এই বাস্তবতায়ও আসতে হবে- সব শিক্ষার্থীরা সরকারি প্রাথমিকে আসতে চাইতে নাও পারে, তাদের পুরো অধিকার রয়েছে। যেই জায়গায় আমাদের নাগরিকরা তাদের নাগরিক সুবিধা সঠিকভাবে পাচ্ছে না, আমাদের শিশুরা সঠিক শিক্ষার সুবিধা বঞ্চিত, সেই জায়গায় সরকারি প্রাথমিক সৃষ্টি করা হবে। সেই সুবিধা বঞ্চিত যদি না থাকে, সরকারি প্রাথমিকে মানসম্মত শিক্ষা আনার পরও যদি শিক্ষার্থী না আসে তাহলে বিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া হবে, এটা তো সরকারি মাল দরিয়ায় ঢাল হওয়ার মতো বিষয় না। কিন্তু আগে প্রচেষ্টা হবে বইপুস্তকগুলো নিয়ে মানসম্মত শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে নিয়ে আসা। যা নিয়ে আমরা কাজ করছি, অতিশীঘ্রই এগুলো বাস্তবায়ন হয়ে গেলে তারপর সেখানে শিক্ষার্থী না থাকলে স্কুলগুলো বন্ধ করে দেওয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর বরিশাল বিভাগের উপ-পরিচালক মিজ নিলুফার ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে এ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর-এর পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিল- এনডিসি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন-১) মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সরকার।
খেলাধুলা
বরিশাল
: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্ধারণ করে দেওয়া দুটি লক্ষ্য বাস্তবায়ন করাই আমাদের মন্ত্রণালয়ের মূল লক্ষ্য। যার মধ্যে একটি হলো- কোনো পাঠদান বয়সি শিক্ষার্থী ও শিশু যেন শ্রেণিকক্ষের বাহিরে না থাকে এবং দ্বিতীয়টি হলো, প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন সঠিকভাবে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষা লাভ করে। আর আমরা বিশ্বাস করি যদি-এ দুটি গোল যদি সঠিকভাবে ফুলফিল করতে পারি, তাহলে আমাদের দেশের শিক্ষা কোনোভাবে আর বিশ্বমান থেকে পিছিয়ে থাকবে না। রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে প্রাথমিক শিক্ষার রূপান্তর ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত দিনব্যাপি কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, বরিশালের অনেকে স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই, কয়েকহাজারের তথ্য দেখেছি, তবে এটা শুধু এখানকার বিষয় নয়, সারাদেশের চিত্র এমন। মূল বিষয় হলো, বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি মামলাধীন ছিল, এজন্য গত কয়েক বছর ধরে ৩২ হাজার প্লাস নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। এখন মামলা শেষ, আর পিএসসির সাথে আমরা কাজও করছি, যাতে যত দ্রুত সম্ভব প্রধানশিক্ষক নিয়োগটা আমরা কার্যকরী করতে পারি। খুব বেশি আর দেরি করতে হবে না। তিনি বলেন, অনেকে স্কুলের অবকাঠামোগত অবস্থা দুঃখজনক, অর্থাৎ ভালো না। আপনারা জানেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন বাজেটে বাংলাদেশের রেকর্ড শিক্ষায় বাজেট প্রদান করেছেন, জিডিপির দুই শতাংশ। এর আগে বাংলাদেশের ইতিহাসে এটা কখনও হয়নি, বিগত ১ থেকে ২ বছর আগেও যদি দেখেন ১ পয়েন্ট ৩ বা ৪ পার্সেন্টের বেশি ছিল না। প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে এই বাজেটকে আগামী ৫ বছরের মধ্যে ৫ শতাংশে উন্নীত করার কথাও বলেছেন। সেই জায়গা থেকে আমরা অনেকগুলো ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি। তিনি বলেন, ১৫১ টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পাইলট প্রকল্প হিসেবে চলছে। আমরা অনুমান করছি ২০২৭ সালের শুরু থেকে দেশব্যাপী সব স্কুলে এটি চালু করতে সক্ষম হবো। তবে পাইলটিং-এ দেরি হলে এ কার্যক্রম কিছুটা দেরি হতে পারে, তবে সেটা ২০২৭ এর মধ্যে হবে সেটা অবধারিত। তিনি বলেন, প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষা মানসম্মত হচ্ছে কিনা এটা আমার মাথাব্যথা। বিগত দিন গুলিতে সরকারি প্রাথমিকের অনেক জায়গায় মানসম্মত শিক্ষা দিতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। এখন আমরা কাজ করছি প্রথমত প্রত্যেকটি সরকারি প্রাথমিকে যেন মানসম্মত শিক্ষা হয়। সেইসাথে প্রধানমন্ত্রীর দুটি গোল বাস্তবায়নে বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছি, যাতে স্কুলে আসতে শিক্ষার্থীরা উৎসাহিত হয়। সেইসাথে এই বাস্তবতায়ও আসতে হবে- সব শিক্ষার্থীরা সরকারি প্রাথমিকে আসতে চাইতে নাও পারে, তাদের পুরো অধিকার রয়েছে। যেই জায়গায় আমাদের নাগরিকরা তাদের নাগরিক সুবিধা সঠিকভাবে পাচ্ছে না, আমাদের শিশুরা সঠিক শিক্ষার সুবিধা বঞ্চিত, সেই জায়গায় সরকারি প্রাথমিক সৃষ্টি করা হবে। সেই সুবিধা বঞ্চিত যদি না থাকে, সরকারি প্রাথমিকে মানসম্মত শিক্ষা আনার পরও যদি শিক্ষার্থী না আসে তাহলে বিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া হবে, এটা তো সরকারি মাল দরিয়ায় ঢাল হওয়ার মতো বিষয় না। কিন্তু আগে প্রচেষ্টা হবে বইপুস্তকগুলো নিয়ে মানসম্মত শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে নিয়ে আসা। যা নিয়ে আমরা কাজ করছি, অতিশীঘ্রই এগুলো বাস্তবায়ন হয়ে গেলে তারপর সেখানে শিক্ষার্থী না থাকলে স্কুলগুলো বন্ধ করে দেওয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর বরিশাল বিভাগের উপ-পরিচালক মিজ নিলুফার ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে এ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর-এর পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিল- এনডিসি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন-১) মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সরকার।
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বরিশাল
: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্ধারণ করে দেওয়া দুটি লক্ষ্য বাস্তবায়ন করাই আমাদের মন্ত্রণালয়ের মূল লক্ষ্য। যার মধ্যে একটি হলো- কোনো পাঠদান বয়সি শিক্ষার্থী ও শিশু যেন শ্রেণিকক্ষের বাহিরে না থাকে এবং দ্বিতীয়টি হলো, প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন সঠিকভাবে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষা লাভ করে। আর আমরা বিশ্বাস করি যদি-এ দুটি গোল যদি সঠিকভাবে ফুলফিল করতে পারি, তাহলে আমাদের দেশের শিক্ষা কোনোভাবে আর বিশ্বমান থেকে পিছিয়ে থাকবে না। রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে প্রাথমিক শিক্ষার রূপান্তর ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত দিনব্যাপি কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, বরিশালের অনেকে স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই, কয়েকহাজারের তথ্য দেখেছি, তবে এটা শুধু এখানকার বিষয় নয়, সারাদেশের চিত্র এমন। মূল বিষয় হলো, বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি মামলাধীন ছিল, এজন্য গত কয়েক বছর ধরে ৩২ হাজার প্লাস নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। এখন মামলা শেষ, আর পিএসসির সাথে আমরা কাজও করছি, যাতে যত দ্রুত সম্ভব প্রধানশিক্ষক নিয়োগটা আমরা কার্যকরী করতে পারি। খুব বেশি আর দেরি করতে হবে না। তিনি বলেন, অনেকে স্কুলের অবকাঠামোগত অবস্থা দুঃখজনক, অর্থাৎ ভালো না। আপনারা জানেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন বাজেটে বাংলাদেশের রেকর্ড শিক্ষায় বাজেট প্রদান করেছেন, জিডিপির দুই শতাংশ। এর আগে বাংলাদেশের ইতিহাসে এটা কখনও হয়নি, বিগত ১ থেকে ২ বছর আগেও যদি দেখেন ১ পয়েন্ট ৩ বা ৪ পার্সেন্টের বেশি ছিল না। প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে এই বাজেটকে আগামী ৫ বছরের মধ্যে ৫ শতাংশে উন্নীত করার কথাও বলেছেন। সেই জায়গা থেকে আমরা অনেকগুলো ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি। তিনি বলেন, ১৫১ টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পাইলট প্রকল্প হিসেবে চলছে। আমরা অনুমান করছি ২০২৭ সালের শুরু থেকে দেশব্যাপী সব স্কুলে এটি চালু করতে সক্ষম হবো। তবে পাইলটিং-এ দেরি হলে এ কার্যক্রম কিছুটা দেরি হতে পারে, তবে সেটা ২০২৭ এর মধ্যে হবে সেটা অবধারিত। তিনি বলেন, প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষা মানসম্মত হচ্ছে কিনা এটা আমার মাথাব্যথা। বিগত দিন গুলিতে সরকারি প্রাথমিকের অনেক জায়গায় মানসম্মত শিক্ষা দিতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। এখন আমরা কাজ করছি প্রথমত প্রত্যেকটি সরকারি প্রাথমিকে যেন মানসম্মত শিক্ষা হয়। সেইসাথে প্রধানমন্ত্রীর দুটি গোল বাস্তবায়নে বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছি, যাতে স্কুলে আসতে শিক্ষার্থীরা উৎসাহিত হয়। সেইসাথে এই বাস্তবতায়ও আসতে হবে- সব শিক্ষার্থীরা সরকারি প্রাথমিকে আসতে চাইতে নাও পারে, তাদের পুরো অধিকার রয়েছে। যেই জায়গায় আমাদের নাগরিকরা তাদের নাগরিক সুবিধা সঠিকভাবে পাচ্ছে না, আমাদের শিশুরা সঠিক শিক্ষার সুবিধা বঞ্চিত, সেই জায়গায় সরকারি প্রাথমিক সৃষ্টি করা হবে। সেই সুবিধা বঞ্চিত যদি না থাকে, সরকারি প্রাথমিকে মানসম্মত শিক্ষা আনার পরও যদি শিক্ষার্থী না আসে তাহলে বিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া হবে, এটা তো সরকারি মাল দরিয়ায় ঢাল হওয়ার মতো বিষয় না। কিন্তু আগে প্রচেষ্টা হবে বইপুস্তকগুলো নিয়ে মানসম্মত শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে নিয়ে আসা। যা নিয়ে আমরা কাজ করছি, অতিশীঘ্রই এগুলো বাস্তবায়ন হয়ে গেলে তারপর সেখানে শিক্ষার্থী না থাকলে স্কুলগুলো বন্ধ করে দেওয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর বরিশাল বিভাগের উপ-পরিচালক মিজ নিলুফার ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে এ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর-এর পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিল- এনডিসি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন-১) মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সরকার।
ভিডিও
ছবিঘর
লাইফস্টাইল
স্বাস্থ্য
প্রশাসন
আবহাওয়া বার্তা
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
আইটি টেক
অর্থনীতি
ক্যাম্পাস
Category: ক্যাম্পাস
Home
ক্যাম্পাস
NS_admin_03
August 23, 2026
7 sec read
55
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগে খুব বেশি দেরি হবে না: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
NS_admin_03
July 22, 2026
3 sec read
73
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর বদ্ধ রুমে অর্ধগলিত মরদেহ
NS_admin_03
July 16, 2026
1 sec read
75
বিদ্যালয়ের জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ আলোচিত কাফির বিরুদ্ধে
NS_admin_03
June 27, 2026
1 sec read
106
বরিশালে ‘উত্তরণ’ আয়োজনে জ্যৈষ্ঠ উৎসব ও বর্ষাবরণ
NS_admin_03
June 25, 2026
0 sec read
109
রাতের আধারে সরকারি বিদ্যালয়ের একাধিক মেহগনি গাছ উধাও, কতৃপক্ষ কিছুই জানে না কিছুই
NS_admin_03
June 25, 2026
0 sec read
108
এইচএসসি’র প্রশ্নপত্র ফাঁস হলে সংশ্লিষ্টদের কঠিন শাস্তি : শিক্ষামন্ত্রী
NS_admin_03
May 14, 2026
4 sec read
168
ব্রজমোহন বিদ্যালয় ১১ যুগপূর্তি উৎসবের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু
NS_admin_01
May 5, 2026
1 sec read
223
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান
NS_admin_01
May 5, 2026
0 sec read
204
৭ম দিনের এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২০ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৮ জন
Popular Post
কলাপাড়ায় চলাচলে সড়ক আটকে বসতঘর নির্মানে ১৭ বছরের ভোগান্তি
(315)
NS_admin_03
May 11, 2026
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান
(223)
NS_admin_01
May 5, 2026
বিজয়ের উত্থানে টালমাটাল তামিলনাড়ুর পুরোনো জোট
(222)
NS_admin_01
May 5, 2026
আমি পদত্যাগ করব না: মমতা
(218)
NS_admin_01
May 5, 2026
৭ম দিনের এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২০ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৮ জন
(204)
NS_admin_01
May 5, 2026
Newsletter
Weather
Dhaka
moderate rain
31
℃
31º - 26º
humidity:
74%
wind:
7 km/h
28
℃
Wed
27
℃
Thu
27
℃
Fri
30
℃
Sat
32
℃
Sun
34
℃
Mon