TT Ads
Spread the love

 

বরিশাল:  বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বাকেরগঞ্জ সার্কেল) সহ বাকেরগঞ্জ উপজেলার সকল ইউনিয়ন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জদের আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বরিশাল-৬ আসনের ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ক্যাপ্টেন (অব.) মোঃ কামরুল ইসলাম খান। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি (বিআরইউ) কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বরিশাল বিভাগের ২১ টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৯টি সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরমধ্যে বরিশাল জেলার ৬ টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ২ টি আসনে ২ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে আমি একজন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণের তারিখ। দল মত নির্বিশেষে নির্বাচনকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড করার জন্য বরিশাল-৬ আসনে ৩টি বিষয়ের উপর অতি দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাই।

এর মধ্যে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার তথা সহকারী রিটার্নিং অফিসার রুমানা আফরোজের দ্রুত প্রত্যাহার চাই। কারণ, তিনি বিগত প্রায় দেড় বছর পূর্বে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ইউএনও পদে পদায়ন হয়েছেন। উক্ত পদায়নের পাশাপাশি তিনি বাকেরগঞ্জ পৌরসভা প্রশাসক পদেও আসীন আছেন। তাছাড়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে এমপি এবং উপজেলা চেয়ারম্যান না থাকায় সরকারের সব প্রকার উন্নয়নমূলক বরাদ্দ তার (রুমানা আফরোজ) মাধ্যমে হয়ে আসছে। যে কারণে উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীদের সঙ্গে বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে সখ্যতা গড়ে উঠেছে। এমতাবস্থায়, নির্বাচনে ইউএনও একটি গ্রুপের পক্ষপাতিত্বে হওয়াটা স্বাভাবিক। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রায় ২ মাস পূর্ব থেকে বিভিন্ন ইউএনওদেরকে বদলী করা হলেও রহস্যজনক অদৃশ্য কারণে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ইউএনও কে বদলী করা হয়নি।

এছাড়া এএসপি সার্কেল (বাকেরগঞ্জ) মাসুম বিল্লাহকে কেন, কি কারণে, কোন সুদূর প্রসারী চক্রান্তের কারণে এই পদে বিগত ২০২৫ সালের এপ্রিলে পদায়ন করা হয়েছে তা আমার বোধগম্য নয়। কারণ, তাহার স্থায়ী ঠিকানা বাকেরগঞ্জের পার্শ্ববর্তী পটুয়াখালীতে। বাকেরগঞ্জ উপজেলায় তাহার অনেক আত্মীয়-স্বজন বসবাস করেন। ছাত্র জীবনে তিনি ছাত্র শিবির করতেন বলে লোকমুখে শোনা গেছে। যা তদন্ত করলে বেড়িয়ে আসবে।

বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন ইউনিয়নে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জদের পদায়ন হওয়ার পর থেকে তাদের সঙ্গে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সখ্যতা গড়ে উঠেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ফাঁড়ির সব ইনচার্জদেরকে অতি দ্রুত প্রত্যাহার পূর্বক অন্য জেলা থেকে নতুন ইনচার্জ দায়িত্ব দেওয়ার অনুরোধ রইল। তাছাড়া নির্বাচনকে সামনে রেখে ওয়ারেন্ট ব্যতীত গ্রেফতার, হয়রানী, ধড়পাকড় বন্ধ করার জন্য অনুরোধ জানাই।

ফলে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ইউএনও, এএসপি সার্কেল (বাকেরগঞ্জ) এবং বাকেরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পুলিশ ফাঁড়ির সব ইনচার্জদেরকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার পূর্বক নতুন করে পদায়ন করা হোক।

Print this entry

TT Ads

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *