Latest post
মা ইলিশ রক্ষায় বরিশালে বিভাগীয় জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত
আদালত ভবনে থেকে পড়ে বরিশাল মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ারের নিহত
বাকেরগঞ্জের নিখোঁজ ৩ স্কুলছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার
Popular Posts
কলাপাড়ায় চলাচলে সড়ক আটকে বসতঘর নির্মানে ১৭ বছরের ভোগান্তি
(467)
NS_admin_03
May 11, 2026
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান
(459)
NS_admin_01
May 5, 2026
বিজয়ের উত্থানে টালমাটাল তামিলনাড়ুর পুরোনো জোট
(452)
NS_admin_01
May 5, 2026
আমি পদত্যাগ করব না: মমতা
(448)
NS_admin_01
May 5, 2026
৭ম দিনের এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২০ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৮ জন
(435)
NS_admin_01
May 5, 2026
Stay Connected
TT Ads
প্রচ্ছদ
বরিশাল
: বরিশাল চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ১০ তলা ভবন থেকে পড়ে বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার মো: নাজমুল হক রিমনের (৩২) নিহত হয়েছে। পরে রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্ররণ করে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে আদালত ভবনের পশ্চিম পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃত রিমন বরিশাল নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের গণপাড়া এলাকার বাসিন্দা এনামুল হকের ছেলে। কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, রিমন ভবনের কত তলা থেকে নিচে পড়েছেন কিংবা কীভাবে পড়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন। পুলিশ জানায়, রিমন বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার দিন বেলা আড়াইটা পর্যন্ত তিনি কলেজে ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে তিনি আদালত ভবনের দিকে কীভাবে গেলেন, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। আদালতে উপস্থিত বিচারপ্রার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মুহুরিদের কয়েকজন জানান, রিমন সম্ভবত ভবনের ছয়তলা থেকে পড়ে থাকতে পারেন। তারা কেউ বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেননি। জেলা কোর্ট পরিদর্শক মো: আনোয়ার হোসেন ও মেট্রো কোর্ট পরিদর্শক তারক বিশ্বাসও এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারেননি। এদিকে পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, ২০১৩ সালে বরিশালের এয়ারপোর্ট থানায় দায়ের করা একটি মামলার বাদী ছিলেন রিমন। একই থানায় অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে ২০১৫ সালে দায়ের করা একটি মামলায় তিনি আসামি ছিলেন বলেও জানা গেছে। তার পারিবারিক বিষয় নিয়েও একটি মামলা চলমান ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ছাড়া কলেজের অর্থসংক্রান্ত হিসাব নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। কলেজের হিসাবরক্ষক শেখ ফরিদ আহমেদ জানান, ঘটনার আগের দিন কলেজের অডিট সম্পন্ন হয়। অডিটে ক্যাশিয়ার হিসেবে ব্যাংক হিসাবে তিন লাখ ৮৩ হাজার টাকা জমা দেওয়ার কথা থাকলেও ৩৮ হাজার টাকা জমা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় অডিট কমিটি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং মামলা করার সুপারিশ করে। ঘটনার সময় পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানান হিসাবরক্ষক শেখ ফরিদ আহমেদ। পুলিশ জানিয়েছে, রিমনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও তিনি কীভাবে আদালত ভবন থেকে নিচে পড়লেন, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
জাতীয়
বরিশাল
: বরিশাল চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ১০ তলা ভবন থেকে পড়ে বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার মো: নাজমুল হক রিমনের (৩২) নিহত হয়েছে। পরে রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্ররণ করে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে আদালত ভবনের পশ্চিম পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃত রিমন বরিশাল নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের গণপাড়া এলাকার বাসিন্দা এনামুল হকের ছেলে। কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, রিমন ভবনের কত তলা থেকে নিচে পড়েছেন কিংবা কীভাবে পড়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন। পুলিশ জানায়, রিমন বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার দিন বেলা আড়াইটা পর্যন্ত তিনি কলেজে ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে তিনি আদালত ভবনের দিকে কীভাবে গেলেন, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। আদালতে উপস্থিত বিচারপ্রার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মুহুরিদের কয়েকজন জানান, রিমন সম্ভবত ভবনের ছয়তলা থেকে পড়ে থাকতে পারেন। তারা কেউ বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেননি। জেলা কোর্ট পরিদর্শক মো: আনোয়ার হোসেন ও মেট্রো কোর্ট পরিদর্শক তারক বিশ্বাসও এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারেননি। এদিকে পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, ২০১৩ সালে বরিশালের এয়ারপোর্ট থানায় দায়ের করা একটি মামলার বাদী ছিলেন রিমন। একই থানায় অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে ২০১৫ সালে দায়ের করা একটি মামলায় তিনি আসামি ছিলেন বলেও জানা গেছে। তার পারিবারিক বিষয় নিয়েও একটি মামলা চলমান ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ছাড়া কলেজের অর্থসংক্রান্ত হিসাব নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। কলেজের হিসাবরক্ষক শেখ ফরিদ আহমেদ জানান, ঘটনার আগের দিন কলেজের অডিট সম্পন্ন হয়। অডিটে ক্যাশিয়ার হিসেবে ব্যাংক হিসাবে তিন লাখ ৮৩ হাজার টাকা জমা দেওয়ার কথা থাকলেও ৩৮ হাজার টাকা জমা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় অডিট কমিটি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং মামলা করার সুপারিশ করে। ঘটনার সময় পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানান হিসাবরক্ষক শেখ ফরিদ আহমেদ। পুলিশ জানিয়েছে, রিমনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও তিনি কীভাবে আদালত ভবন থেকে নিচে পড়লেন, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
রাজনীতি
বরিশাল
: বরিশাল চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ১০ তলা ভবন থেকে পড়ে বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার মো: নাজমুল হক রিমনের (৩২) নিহত হয়েছে। পরে রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্ররণ করে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে আদালত ভবনের পশ্চিম পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃত রিমন বরিশাল নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের গণপাড়া এলাকার বাসিন্দা এনামুল হকের ছেলে। কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, রিমন ভবনের কত তলা থেকে নিচে পড়েছেন কিংবা কীভাবে পড়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন। পুলিশ জানায়, রিমন বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার দিন বেলা আড়াইটা পর্যন্ত তিনি কলেজে ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে তিনি আদালত ভবনের দিকে কীভাবে গেলেন, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। আদালতে উপস্থিত বিচারপ্রার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মুহুরিদের কয়েকজন জানান, রিমন সম্ভবত ভবনের ছয়তলা থেকে পড়ে থাকতে পারেন। তারা কেউ বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেননি। জেলা কোর্ট পরিদর্শক মো: আনোয়ার হোসেন ও মেট্রো কোর্ট পরিদর্শক তারক বিশ্বাসও এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারেননি। এদিকে পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, ২০১৩ সালে বরিশালের এয়ারপোর্ট থানায় দায়ের করা একটি মামলার বাদী ছিলেন রিমন। একই থানায় অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে ২০১৫ সালে দায়ের করা একটি মামলায় তিনি আসামি ছিলেন বলেও জানা গেছে। তার পারিবারিক বিষয় নিয়েও একটি মামলা চলমান ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ছাড়া কলেজের অর্থসংক্রান্ত হিসাব নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। কলেজের হিসাবরক্ষক শেখ ফরিদ আহমেদ জানান, ঘটনার আগের দিন কলেজের অডিট সম্পন্ন হয়। অডিটে ক্যাশিয়ার হিসেবে ব্যাংক হিসাবে তিন লাখ ৮৩ হাজার টাকা জমা দেওয়ার কথা থাকলেও ৩৮ হাজার টাকা জমা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় অডিট কমিটি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং মামলা করার সুপারিশ করে। ঘটনার সময় পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানান হিসাবরক্ষক শেখ ফরিদ আহমেদ। পুলিশ জানিয়েছে, রিমনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও তিনি কীভাবে আদালত ভবন থেকে নিচে পড়লেন, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
সারাদেশ
বরিশাল
: বরিশাল চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ১০ তলা ভবন থেকে পড়ে বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার মো: নাজমুল হক রিমনের (৩২) নিহত হয়েছে। পরে রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্ররণ করে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে আদালত ভবনের পশ্চিম পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃত রিমন বরিশাল নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের গণপাড়া এলাকার বাসিন্দা এনামুল হকের ছেলে। কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, রিমন ভবনের কত তলা থেকে নিচে পড়েছেন কিংবা কীভাবে পড়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন। পুলিশ জানায়, রিমন বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার দিন বেলা আড়াইটা পর্যন্ত তিনি কলেজে ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে তিনি আদালত ভবনের দিকে কীভাবে গেলেন, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। আদালতে উপস্থিত বিচারপ্রার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মুহুরিদের কয়েকজন জানান, রিমন সম্ভবত ভবনের ছয়তলা থেকে পড়ে থাকতে পারেন। তারা কেউ বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেননি। জেলা কোর্ট পরিদর্শক মো: আনোয়ার হোসেন ও মেট্রো কোর্ট পরিদর্শক তারক বিশ্বাসও এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারেননি। এদিকে পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, ২০১৩ সালে বরিশালের এয়ারপোর্ট থানায় দায়ের করা একটি মামলার বাদী ছিলেন রিমন। একই থানায় অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে ২০১৫ সালে দায়ের করা একটি মামলায় তিনি আসামি ছিলেন বলেও জানা গেছে। তার পারিবারিক বিষয় নিয়েও একটি মামলা চলমান ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ছাড়া কলেজের অর্থসংক্রান্ত হিসাব নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। কলেজের হিসাবরক্ষক শেখ ফরিদ আহমেদ জানান, ঘটনার আগের দিন কলেজের অডিট সম্পন্ন হয়। অডিটে ক্যাশিয়ার হিসেবে ব্যাংক হিসাবে তিন লাখ ৮৩ হাজার টাকা জমা দেওয়ার কথা থাকলেও ৩৮ হাজার টাকা জমা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় অডিট কমিটি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং মামলা করার সুপারিশ করে। ঘটনার সময় পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানান হিসাবরক্ষক শেখ ফরিদ আহমেদ। পুলিশ জানিয়েছে, রিমনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও তিনি কীভাবে আদালত ভবন থেকে নিচে পড়লেন, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ঢাকা
বরিশাল
রাজশাহী
চট্টগ্রাম
খুলনা
ময়মনসিংহ
রংপুর
সিলেট
আন্তর্জাতিক
বরিশাল
: বরিশাল চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ১০ তলা ভবন থেকে পড়ে বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার মো: নাজমুল হক রিমনের (৩২) নিহত হয়েছে। পরে রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্ররণ করে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে আদালত ভবনের পশ্চিম পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃত রিমন বরিশাল নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের গণপাড়া এলাকার বাসিন্দা এনামুল হকের ছেলে। কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, রিমন ভবনের কত তলা থেকে নিচে পড়েছেন কিংবা কীভাবে পড়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন। পুলিশ জানায়, রিমন বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার দিন বেলা আড়াইটা পর্যন্ত তিনি কলেজে ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে তিনি আদালত ভবনের দিকে কীভাবে গেলেন, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। আদালতে উপস্থিত বিচারপ্রার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মুহুরিদের কয়েকজন জানান, রিমন সম্ভবত ভবনের ছয়তলা থেকে পড়ে থাকতে পারেন। তারা কেউ বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেননি। জেলা কোর্ট পরিদর্শক মো: আনোয়ার হোসেন ও মেট্রো কোর্ট পরিদর্শক তারক বিশ্বাসও এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারেননি। এদিকে পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, ২০১৩ সালে বরিশালের এয়ারপোর্ট থানায় দায়ের করা একটি মামলার বাদী ছিলেন রিমন। একই থানায় অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে ২০১৫ সালে দায়ের করা একটি মামলায় তিনি আসামি ছিলেন বলেও জানা গেছে। তার পারিবারিক বিষয় নিয়েও একটি মামলা চলমান ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ছাড়া কলেজের অর্থসংক্রান্ত হিসাব নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। কলেজের হিসাবরক্ষক শেখ ফরিদ আহমেদ জানান, ঘটনার আগের দিন কলেজের অডিট সম্পন্ন হয়। অডিটে ক্যাশিয়ার হিসেবে ব্যাংক হিসাবে তিন লাখ ৮৩ হাজার টাকা জমা দেওয়ার কথা থাকলেও ৩৮ হাজার টাকা জমা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় অডিট কমিটি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং মামলা করার সুপারিশ করে। ঘটনার সময় পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানান হিসাবরক্ষক শেখ ফরিদ আহমেদ। পুলিশ জানিয়েছে, রিমনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও তিনি কীভাবে আদালত ভবন থেকে নিচে পড়লেন, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বরিশাল বিভাগ
বরিশাল
: বরিশাল চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ১০ তলা ভবন থেকে পড়ে বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার মো: নাজমুল হক রিমনের (৩২) নিহত হয়েছে। পরে রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্ররণ করে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে আদালত ভবনের পশ্চিম পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃত রিমন বরিশাল নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের গণপাড়া এলাকার বাসিন্দা এনামুল হকের ছেলে। কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, রিমন ভবনের কত তলা থেকে নিচে পড়েছেন কিংবা কীভাবে পড়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন। পুলিশ জানায়, রিমন বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার দিন বেলা আড়াইটা পর্যন্ত তিনি কলেজে ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে তিনি আদালত ভবনের দিকে কীভাবে গেলেন, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। আদালতে উপস্থিত বিচারপ্রার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মুহুরিদের কয়েকজন জানান, রিমন সম্ভবত ভবনের ছয়তলা থেকে পড়ে থাকতে পারেন। তারা কেউ বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেননি। জেলা কোর্ট পরিদর্শক মো: আনোয়ার হোসেন ও মেট্রো কোর্ট পরিদর্শক তারক বিশ্বাসও এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারেননি। এদিকে পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, ২০১৩ সালে বরিশালের এয়ারপোর্ট থানায় দায়ের করা একটি মামলার বাদী ছিলেন রিমন। একই থানায় অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে ২০১৫ সালে দায়ের করা একটি মামলায় তিনি আসামি ছিলেন বলেও জানা গেছে। তার পারিবারিক বিষয় নিয়েও একটি মামলা চলমান ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ছাড়া কলেজের অর্থসংক্রান্ত হিসাব নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। কলেজের হিসাবরক্ষক শেখ ফরিদ আহমেদ জানান, ঘটনার আগের দিন কলেজের অডিট সম্পন্ন হয়। অডিটে ক্যাশিয়ার হিসেবে ব্যাংক হিসাবে তিন লাখ ৮৩ হাজার টাকা জমা দেওয়ার কথা থাকলেও ৩৮ হাজার টাকা জমা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় অডিট কমিটি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং মামলা করার সুপারিশ করে। ঘটনার সময় পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানান হিসাবরক্ষক শেখ ফরিদ আহমেদ। পুলিশ জানিয়েছে, রিমনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও তিনি কীভাবে আদালত ভবন থেকে নিচে পড়লেন, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বরিশাল
ঝালকাঠি
পটুয়াখালী
পিরোজপুর
বরগুনা
ভোলা
বিনোদন
বরিশাল
: বরিশাল চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ১০ তলা ভবন থেকে পড়ে বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার মো: নাজমুল হক রিমনের (৩২) নিহত হয়েছে। পরে রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্ররণ করে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে আদালত ভবনের পশ্চিম পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃত রিমন বরিশাল নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের গণপাড়া এলাকার বাসিন্দা এনামুল হকের ছেলে। কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, রিমন ভবনের কত তলা থেকে নিচে পড়েছেন কিংবা কীভাবে পড়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন। পুলিশ জানায়, রিমন বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার দিন বেলা আড়াইটা পর্যন্ত তিনি কলেজে ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে তিনি আদালত ভবনের দিকে কীভাবে গেলেন, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। আদালতে উপস্থিত বিচারপ্রার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মুহুরিদের কয়েকজন জানান, রিমন সম্ভবত ভবনের ছয়তলা থেকে পড়ে থাকতে পারেন। তারা কেউ বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেননি। জেলা কোর্ট পরিদর্শক মো: আনোয়ার হোসেন ও মেট্রো কোর্ট পরিদর্শক তারক বিশ্বাসও এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারেননি। এদিকে পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, ২০১৩ সালে বরিশালের এয়ারপোর্ট থানায় দায়ের করা একটি মামলার বাদী ছিলেন রিমন। একই থানায় অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে ২০১৫ সালে দায়ের করা একটি মামলায় তিনি আসামি ছিলেন বলেও জানা গেছে। তার পারিবারিক বিষয় নিয়েও একটি মামলা চলমান ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ছাড়া কলেজের অর্থসংক্রান্ত হিসাব নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। কলেজের হিসাবরক্ষক শেখ ফরিদ আহমেদ জানান, ঘটনার আগের দিন কলেজের অডিট সম্পন্ন হয়। অডিটে ক্যাশিয়ার হিসেবে ব্যাংক হিসাবে তিন লাখ ৮৩ হাজার টাকা জমা দেওয়ার কথা থাকলেও ৩৮ হাজার টাকা জমা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় অডিট কমিটি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং মামলা করার সুপারিশ করে। ঘটনার সময় পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানান হিসাবরক্ষক শেখ ফরিদ আহমেদ। পুলিশ জানিয়েছে, রিমনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও তিনি কীভাবে আদালত ভবন থেকে নিচে পড়লেন, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
খেলাধুলা
বরিশাল
: বরিশাল চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ১০ তলা ভবন থেকে পড়ে বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার মো: নাজমুল হক রিমনের (৩২) নিহত হয়েছে। পরে রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্ররণ করে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে আদালত ভবনের পশ্চিম পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃত রিমন বরিশাল নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের গণপাড়া এলাকার বাসিন্দা এনামুল হকের ছেলে। কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, রিমন ভবনের কত তলা থেকে নিচে পড়েছেন কিংবা কীভাবে পড়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন। পুলিশ জানায়, রিমন বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার দিন বেলা আড়াইটা পর্যন্ত তিনি কলেজে ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে তিনি আদালত ভবনের দিকে কীভাবে গেলেন, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। আদালতে উপস্থিত বিচারপ্রার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মুহুরিদের কয়েকজন জানান, রিমন সম্ভবত ভবনের ছয়তলা থেকে পড়ে থাকতে পারেন। তারা কেউ বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেননি। জেলা কোর্ট পরিদর্শক মো: আনোয়ার হোসেন ও মেট্রো কোর্ট পরিদর্শক তারক বিশ্বাসও এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারেননি। এদিকে পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, ২০১৩ সালে বরিশালের এয়ারপোর্ট থানায় দায়ের করা একটি মামলার বাদী ছিলেন রিমন। একই থানায় অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে ২০১৫ সালে দায়ের করা একটি মামলায় তিনি আসামি ছিলেন বলেও জানা গেছে। তার পারিবারিক বিষয় নিয়েও একটি মামলা চলমান ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ছাড়া কলেজের অর্থসংক্রান্ত হিসাব নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। কলেজের হিসাবরক্ষক শেখ ফরিদ আহমেদ জানান, ঘটনার আগের দিন কলেজের অডিট সম্পন্ন হয়। অডিটে ক্যাশিয়ার হিসেবে ব্যাংক হিসাবে তিন লাখ ৮৩ হাজার টাকা জমা দেওয়ার কথা থাকলেও ৩৮ হাজার টাকা জমা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় অডিট কমিটি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং মামলা করার সুপারিশ করে। ঘটনার সময় পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানান হিসাবরক্ষক শেখ ফরিদ আহমেদ। পুলিশ জানিয়েছে, রিমনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও তিনি কীভাবে আদালত ভবন থেকে নিচে পড়লেন, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ক্রিকেট
ফুটবল